h-o-r-o-p-p-a-হ-র-প্পা

Monushastre Nari O Brahmanyabad

গ্রন্থ : মনুশাস্ত্রে নারী ও ব্রাহ্মণ্যবাদ
(কভার-ফ্ল্যাপের বয়ান)

বর্তমান বিশ্বে মানুষের জন্ম মৃত্যু বিবাহ উৎসব উদযাপন তথা প্রাত্যহিক জীবনাচরণের একান্ত খণ্ড খণ্ড মুহূর্তগুলো কোন না কোন ধর্মীয় কাঠামো বা অনুশাসনের নিগড়ে আবদ্ধ। মানুষ হিসেবে আমাদের ব্যক্তি বা সামাজিক পরিচয়ের অন্তঃস্থ চলকগুলোও নিরেট ধর্মীয় পরিচয়েই মোড়ানো। তাই সমাজ সভ্যতা সংস্কৃতির বহুমাত্রিক স্রোতে অত্যাবশ্যকীয় উপাদান হিসেবে মানুষের লিঙ্গীয় অবস্থান বা আরও খোলাশা করে বললে সামগ্রিক জনগোষ্ঠীর অর্ধাংশ জুড়ে যে নারী– তাঁর ভূমিকা, কার্যকর প্রভাব ও অবস্থান চিহ্নিত করতে গেলে অনিবার্যভাবেই প্রচলিত ধর্ম ও অনিরপেক্ষ ধর্মীয় দৃষ্টিভঙ্গির প্রসঙ্গটি অনায়াসে সামনে চলে আসে। কেননা নারীকে কোন্ উপজীব্যতায় বিবেচনা ও মূল্যায়ন করা হয়ে থাকে তা দিয়েই প্রচলিত ধর্মগুলোর বাইরের মোহন চেহারার আড়ালে ভেতরের প্রকৃত চেহারাটা সহজেই বুঝে ফেলা যায়।
মানবেতিহাসের অন্যতম প্রাচীন নিদর্শন হচ্ছে বৈদিক সংস্কৃতি, যার সংহত অনুশাসনিক রূপটির নাম ‘মনুসংহিতা’। ভারতীয় সংস্কৃতিতে যাকে সনাতন বা হিন্দু সমাজ ও ধর্মের বৈদিক সংবিধান বললেও অসংগত হয় না। প্রকৃতপক্ষে মনুসংহিতাকে হিন্দু ধর্মের আচরণবিধির পবিত্র গ্রন্থরূপে গণ্য করা হয়। লেখকের মতে, ‘মনুশাস্ত্রে নারী ও ব্রাহ্মণ্যবাদ’ গ্রন্থটি রচনার উদ্দেশ্য কেবল সুনির্দিষ্টভাবে এর মধ্যকার কিছু কলঙ্কময় নারী-নিপীড়নমূলক বর্ণবাদী ঐতিহ্যকে চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দেয়াই নয়, একটি সুস্থ কল্যাণময় অখণ্ড মানবিক সমাজ গঠনের প্রধান প্রতিবন্ধক হিসেবে চেপে থাকা আদিম অনুশাসনমূলক ধর্মীয় ব্যবস্থার অসারতাটুকু চিহ্নিত করে পাঠক-মনে দ্বিধাহীন মুক্তচিন্তা জাগিয়ে তোলা। আগ্রহী পাঠক অবশ্যই গ্রন্থটির যথাযথ গুরুত্ব উপলব্ধি করবেন বলে আমাদের বিশ্বাস। Read the rest of this entry »

Book Cover_of_Yoga_Rodela Edition-1

গ্রন্থ : ইয়োগা, সুস্থতায় যোগচর্চা
(কভার-ফ্ল্যাপের বয়ান)

… স্বাভাবিক দৃষ্টিতে এটিকে কেবল একটি যোগ-ব্যায়ামের সাধারণ বই মনে করার ভ্রান্তি নিমেষেই কেটে যাবে বইটি একটু উল্টে-পাল্টে দেখলেই। কেননা যোগ-ব্যায়ামের সাধারণ সব বিষয়ের স্বাভাবিক ও বৈচিত্র্যময় উপস্থাপনের পাশাপাশি একটি মনোদৈহিক প্রায়োগিক দর্শন হিসেবে ‘ইয়োগা’র হাজার বছরের সমৃদ্ধ ঐতিহ্য ও ইতিহাস খুঁড়ে পৃথক অধ্যায়ে তুলে আনা হয়েছে আধুনিক ইয়োগার জনক ঋষি পতঞ্জলি’র অষ্টাঙ্গ যোগের সারস্বত বয়ান, যা পাঠককে ইয়োগার সুরম্য গভীরে সাবলীল প্রবেশে সহায়তা করবে। এতে খোঁজা হয়েছে কিভাবে একটি আধ্যাত্ম দর্শন তার প্রায়োগিক উপযোগিতা নিয়ে ধর্ম বর্ণ গোত্র জাতি নির্বিশেষে দেশ-কালের গণ্ডি পেরিয়ে ছড়িয়ে পড়েছে মানুষের অনিবার্য সুস্থাকাঙ্ক্ষার এক মনোহর ব্যবহারিক জগতে। মনো-দৈহিক স্বাস্থ্যরহস্যের উৎসমূলেও দৃষ্টি সম্পাতের চেষ্টা করা হয়েছে। সুস্থতার নিমিত্তে প্রাত্যহিক অনুশীলনকে অত্যন্ত কার্যকর ও আকর্ষণীয় করে তোলার লক্ষ্যে বিভিন্ন যোগাসনের বেশ কতকগুলো আসন-বৈচিত্র্যও উপস্থাপন করা হয়েছে। বইয়ে সন্নিবিষ্ট বিভিন্ন আসন, মুদ্রা, প্রাণায়াম, ধৌতি ইত্যাদি চর্চা-প্রণালীর সাথে এগুলোর উপকারিতা ও প্রয়োজনীয় সতর্কতার বিষয়গুলোও সংশ্লিষ্ট আইটেমের বর্ণনায় স্পষ্ট করে দেয়া হয়েছে। বিরক্তিকর কিছু রোগ ও এর নিরাময়ের উপায় নিয়েও আলোচনা করা হয়েছে। সর্বোপরি আগ্রহী চর্চাকারীদের ব্যবহারিক সুবিধার বিষয়টিকেই প্রাধান্য দেয়া হয়েছে। আশা করি এ থেকে সবাই উপকৃত হবেন। … Read the rest of this entry »

Kali_by_Raja_Ravi_Varma

শক্তি-সাধনা-১২ : শক্তিদেবী কালী ও তাঁর পূজার ইতিহাস
রণদীপম বসু

বাঙলা ও ভারতে শক্তিসাধনা মূল দুইভাগে বিভক্ত– প্রথমটা হলো দুর্গা-কেন্দ্রিক, আর দ্বিতীয়টা কালী-কেন্দ্রিক। পার্বতী উমা, সতী এবং দুর্গা-চণ্ডিকার ধারা মিলে পুরাণ-তন্ত্রাদিতে যে দুর্গাকেন্দ্রিক এক মহাদেবীর বিবর্তন দেখতে পাই, তার সাথে এসে মিলেছে কালী, করালী, চামুণ্ডা, তারা ও অন্যান্য দশমহাবিদ্যাকে নিয়ে আরেকটি ধারা, তা হলো দেবী কালিকা বা কালীর ধারা। এই কালী বা কালিকাই বাঙলা অঞ্চলের শক্তিসাধনার ক্ষেত্রে দেবীর অন্য সব রূপ পেছনে ফেলে শেষ পর্যন্ত সর্বেশ্বরী হয়ে উঠেছেন। তাই বাঙলার শক্তি-সাধনা ও শাক্ত-সাহিত্যকে বুঝতে হলে এই কালী বা কালিকার ধারাটির প্রাচীন ইতিহাস একটু অনুসন্ধান করা প্রয়োজন বলে মনে হয়। Read the rest of this entry »

Uma-2

শক্তি-সাধনা-১০ । পার্বতী উমা : মানবরূপী দেবী না কি দেবীরূপী মানবী?
রণদীপম বসু

দেবী আদ্যাশক্তি মহামায়া সম্পর্কে পুরাণে দুই শ্রেণির কাহিনী প্রচলিত। এক শ্রেণির কাহিনীতে দেবী দেব-তেজঃসম্ভূতা– জ্যোতির্ময়ী তেজোরূপা– অসুরঘাতিনী। এক্ষেত্রে তিনি বৈদিক দিব্য সরস্বতীর সগোত্রা। আর অন্য শ্রেণির কাহিনীতে দেবী দক্ষতনয়া, জন্মান্তরে হিমালয়-নন্দিনী উমা-পার্বতী। উভয় জন্মেই তিনি শিবশক্তি শিব-জায়া। উমা-পার্বতী গজানন-কার্তিকেয়ের জননী। ইনি দৈত্যনাশিনী নন। আর দেবতেজঃসম্ভূতা যে মহাশক্তি চণ্ডী, তিনিই বিষ্ণুমায়া– বিষ্ণুর যোগনিদ্রা– শিবজায়া বা হিমালয় কন্যা নন। ইনি সকল দেবতার শক্তিরূপা– সুতরাং প্রকৃতই মহাশক্তি। পরে ক্রমে ক্রমে দেবীর এই দুই রূপ মিলেমিশে একাকার হয়ে গেছে। দুর্গা-পার্বতী-চণ্ডী মিলেমিশে একই দেবসত্তায়, একই মহাশক্তি শিবশক্তি শিবানীতে পরিণত হয়েছেন। দেবী-কল্পনার বিবর্তন বা ক্রমবিকাশের ধারায় পার্বতী উমার ধারাটির উৎস খুঁজে দেখা যেতে পারে। Read the rest of this entry »

mother goddess

শক্তি-সাধনা-০২ : আদিম মানব ও তার ধর্ম
রণদীপম বসু

নৃতাত্ত্বিকেরা হাতিয়ারের ক্রমবিকাশের ধারা অনুশীলন করে মানবসভ্যতার বিকাশের ঐতিহাসিক যুগের যে ধারা চিহ্নিত করেছেন তা হলো যথাক্রমে– প্রস্তর যুগ, তাম্র যুগ, ব্রোঞ্জ যুগ এবং লৌহ যুগ। কেননা এই হাতিয়ারের ক্রমবিকাশের ধারা অনুশীলন করলেই ব্যবহারকারীদের ক্রমবিবর্তন অনুশীলন করা যায়। আর প্রগৈতিহাসিক প্রত্ন-প্রাচীন প্রস্তর যুগকে আবার উপবিভাগে ভাগ করা হলো– প্রত্নপ্রস্তর বা আদি-প্রস্তর যুগ, মধ্য-প্রস্তর যুগ ও নব বা নব্য-প্রস্তর যুগ। কিন্তু হাতিয়ার তৈরি ছাড়াও শিকারের প্রয়োজনে মানুষ জোট বাঁধতে বাধ্য হলো। ফলে, ভাবের আদান-প্রদানের প্রয়োজনীয়তা থেকে শুরু হলো ভাষার ব্যবহার। জোটবদ্ধ জীবনে প্রথমে জৈবিক প্রয়োজনে, তারপর ধীরে ধীরে দেখা দিলো পরিবারের প্রয়োজনীয়তা। প্রকৃতির সাথে নিয়ত সংগ্রামশীল মানুষ পর্যায়ক্রমে শিখলো কাঁচা ও পোড়া মাটির ব্যবহার। তারপর একে একে আয়ত্ত করলো তামা, ব্রোঞ্জ ও সবশেষে লোহার ব্যবহার। ‘এরমধ্যে যেসব জিনিস বিনষ্ট হওয়ার তা কালের প্রভাবে নিশ্চিহ্ন হয়ে গেলো। আর যা নষ্ট হওয়ার নয় তা চাপা পড়ে রইলো– মাটির তলায় বা পৃথিবীর পাঠশালায়, কালের লিখন হয়ে।’ Read the rest of this entry »

pics 26 c

শিব ও লিঙ্গ-১১ : বাংলার লোকায়তিক শিব ও লৌকিক শৈবধর্ম
রণদীপম বসু

প্রাচীন ভারতীয় যেসব প্রাক্-বৈদিক দেবতা পরবর্তী হিন্দু সমাজেও নিজেদের প্রতিষ্ঠা স্থাপন করতে সক্ষম হয়েছিলেন, তাঁদের মধ্যে বলা যায় শিবই সর্বপ্রধান। এতে স্বভাবতই অনুমিত হয় যে, এ দেশের প্রাক্-বৈদিক সমাজে তৎকালীন শৈবধর্মের ব্যাপক প্রভাব ছিল। হরপ্পা-মহেঞ্জোদারোর আবিষ্কার থেকেও এ বিষয় সমর্থিত হয়। সেজন্যেই মনে করা হয়,–
‘বর্তমানে ভারতের যে অঞ্চলে আর্যেতর জাতির লোক অধিক সংখ্যায় বসবাস করে, সেই অঞ্চলেই শৈবধর্মের ও যে অঞ্চলে আর্যভাষী জাতির বংশধরগণ অধিক পরিমাণে বাস করে, সেই অঞ্চলেই বৈষ্ণব ধর্মেরই প্রাধান্য দেখিতে পাওয়া যায়। ব্রাহ্মণ্য ধর্ম বাংলাদেশ হইতে বহু দূরবর্তী অঞ্চলে উদ্ভুত হইয়াছিল, কালক্রমে তাহা বাংলাদেশ পর্যন্ত বিস্তৃত হইবার পূর্বেই ইহাকে প্রাগার্য (Pre-Aryan) শৈবধর্মের সংস্পর্শে আসিতে হইয়াছিল। অতএব বাংলাদেশে প্রথম হইতেই যে শিবধর্মের প্রচার হইয়াছিল, তাহার সঙ্গে আর্যেতর সমাজের উপাদান পূর্ব হইতেই মিশ্রিত ছিল। শুধু তাহাই নহে, অনার্য দেবতা শিব ইতিপূর্বেই আর্য সমাজে একটি বিশিষ্ট স্থান লাভ করিয়া স্বকীয় মহিমায় স্বয়ম্প্রতিষ্ঠ হইয়াছিলেন।’– (শ্রী আশুতোষ ভট্টাচার্য, বাংলা মঙ্গলকাব্যের ইতিহাস, পৃষ্ঠা-১৪২) Read the rest of this entry »

Shiva-shakti-Ardha-Narishwar

শিব ও লিঙ্গ-১০ : শৈব তন্ত্র, শিব ও শক্তি
রণদীপম বসু

ভারতীয় তথা এতদঞ্চলের সকল ধর্ম ব্যবস্থাই কোন-না-কোনভাবে তান্ত্রিক অন্তঃস্রোতের দ্বারা প্রভাবিত হয়েছে, এ বিষয়ে খুব একটা দ্বিমত নেই কারো। আর শৈবধর্মের ক্ষেত্রে এই প্রভাব সবচেয়ে বেশি বলে প্রতীয়মান হয়। শাক্ততান্ত্রিক ধারণাসমূহ, স্বতন্ত্র ধর্ম হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হবার আগে, শৈবধর্মকেই আশ্রয় করে বেড়ে উঠেছিল। সাংখ্যোক্ত ও তন্ত্রোক্ত পুরুষ-প্রকৃতির ধারণাই শিব ও শক্তির ধারণার উৎস। একটি অন্যনিরপেক্ষ নয়। শৈব ও শাক্তধর্মের মূল তত্ত্বগুলি একই, পার্থক্য হচ্ছে প্রথমটি অর্থাৎ শৈবধর্মের ক্ষেত্রে পুরুষ-প্রাধান্য, দ্বিতীয়টি অর্থাৎ শাক্তধর্মের ক্ষেত্রে প্রকৃতি-প্রাধান্য। আর তান্ত্রিক আচার-অনুষ্ঠানগুলি সমভাবেই শৈব ও শাক্ত ধর্মে বর্তমান। তন্ত্র বিষয়ক গ্রন্থান্তরে এসবের বিস্তৃত আলোচনা করা হয়েছে। Read the rest of this entry »

রণদীপম বসু


‘চিন্তারাজিকে লুকিয়ে রাখার মধ্যে কোন মাহাত্ম্য নেই। তা প্রকাশ করতে যদি লজ্জাবোধ হয়, তবে সে ধরনের চিন্তা না করাই বোধ হয় ভাল।...’
.
.
.
(C) Ranadipam Basu

Blog Stats

  • 484,118 hits

Enter your email address to subscribe to this blog and receive notifications of new posts by email.

Join 128 other followers

Follow h-o-r-o-p-p-a-হ-র-প্পা on WordPress.com

কৃতকর্ম

সিঁড়িঘর

দিনপঞ্জি

জানুয়ারি 2020
রবি সোম বুধ বৃহ. শু. শনি
« নভে.    
 1234
567891011
12131415161718
19202122232425
262728293031  

Bangladesh Genocide

1971 Bangladesh Genocide Archive

War Crimes Strategy Forum

লাইভ ট্রাফিক

ক’জন দেখছেন ?

হরপ্পা কাউন্টার

Add to Technorati Favorites

গুগল-সূচক

টুইট

  • গ্রন্থ : ইয়োগা (স্বাস্থ্য ও যৌগিক ব্যায়াম, রোদেলা প্রকাশনী, ফেব্রুয়ারি-২০১৯)... https://t.co/SpIL5tcLTi 7 months ago
  • ছবি : একান্নবর্তী সংসারের নতুন-পুরনো সদস্যরা... https://t.co/7HJBdUekkd 1 year ago
  • গ্রন্থ : টিপলু (কিশোর গল্প, দ্যু প্রকাশন, ফেব্রুয়ারি-২০১৮) https://t.co/zID65r8q97 1 year ago
  • গ্রন্থ : ছড়া-কবিতার ঝুল-বারান্দায় (ছোট কবিতা প্রকাশন, জানুয়ারি-২০১৮) https://t.co/Goy6tNtWr0 1 year ago
  • গ্রন্থ : নাস্তিক্য ও বিবিধ প্রসঙ্গ (রোদেলা প্রকাশনী, ফেব্রুয়ারি-২০১৮) https://t.co/ECvpDneHSe 1 year ago
Protected by Copyscape Web Plagiarism Check

Flickr Photos