h-o-r-o-p-p-a-হ-র-প্পা

IMG_0633_2 [Original Resolution]

ঢাকের বাদ্য
রণদীপম বসু

কান পাতলেই ঢাকের বাদ্য শুনি আজো-
শৈশবের নিভৃত সুদূর থেকে ভেসে আসা অদ্ভূত হুল্লোড়,
শাপলাদিঘির ঝুপঝাপ, ভেঁপুর পুঁ-পাঁ, উনুনের ভাঁপে পোড়া
জাদুময় ঘ্রাণ, আর শঙ্খচিলের চমকে ওঠা চিৎকারে চাপা পড়া
মিনুদি’র আশ্চর্য দীর্ঘশ্বাস!

মাঝে মাঝে অচেনা শব্দ নাকি ভেসে যেতো রাণুদের পুরনো ভিটায়,
ঝিম লাগা দুপুরের নৈঃশব্দ ভেঙে তেতুলের পুরুষ্ট ডালে চড়ে
পরপর ঝাঁকি মেরে নেমে দেখি- ঝরে পড়া ঝিরঝিরে পাতাই শুধু!
মুখ ভরা লালা নিয়ে তখনো কি জানতাম, যতোই টসটসে হোক
ঝাঁকালেই বোঁটার বন্ধনে বাঁধা ঝরে না তেঁতুল!
Read the rest of this entry »

IMG_2880_beyond_the_childhood [1600x1200]

|একজন রমা কিংবা আমাদের গন্তব্যে ফেরা…|
রণদীপম বসু


১.
স্বাধীনতা-উত্তর যুদ্ধ বিধ্বস্ত দেশ। নিস্তরঙ্গ সুনামগঞ্জ তখন একান্তই ছোট্ট একটা মহকুমা শহর হলেও মুক্তিযুদ্ধকালীন শহর ছেড়ে ভারতের বিভিন্ন আশ্রয়কেন্দ্রে শরণার্থী হওয়া পরিবারগুলো অনেক ক্ষয়ক্ষতির বিনিময়ে ফিরতে শুরু করেছে। সেই দলে আমাদের পরিবারও ছিলো। তার কিছুদিন পর উনিশশ’ বাহাত্তর সালে অটোপ্রমোশন পেয়ে ক্লাশ ফোরে উঠে গেছি আমি। বাসা থেকে কালিবাড়ি প্রাইমারি স্কুল, আসা-যাওয়ার রাস্তা আর তার দু’পাশের পরিপার্শ্বিকতাই তখন আমার শৈশবোত্তীর্ণ কৈশোরের উন্মেষকালে বেড়ে ওঠার নিজস্ব গণ্ডি। বাসার ঠিক সামনেই প্রধান সড়কটার অপরপার্শ্বে কচুরিপানায় ভর্তি বিরাট পুকুরটার, যেটি ভরাট হয়ে এখন পৌর বিপণীবিতানে রূপ নিয়েছে, তার পাড় ঘেষে আমার বিপণ্ন কৈশোরের প্রথম বিস্ময় নিয়ে গড়ে উঠলো শহীদ মিনারটা। জীবন-প্রভাতে এ এক নতুন অভিজ্ঞতা বৈকি। মিনারের বেদীর পেছনের দেয়ালস্তম্ভটার পুরো গা জুড়ে লাল-সবুজে মাখানো বিশাল পতাকার রঙ। ওটার দিকে একদৃষ্টে তাকাতে পারতাম না কখনোই। মাতৃহারা বুকটা খাঁ খাঁ করে ওঠতো, চোখ ভিজে যেতো নিমেষে। ওই উজ্জ্বল রঙের সাথে আমার মায়ের চেহারাটা কেন যেন একাকার হয়ে মিশে যেতো। যুদ্ধকালীন সময়ে তিনভাই একবোন আর মা সহ পাঁচ পাঁচজন সদস্য হারিয়ে টিকে থাকা পিতাপুত্রের চারজনের নারীবিহীন পরিবারটা যে কতোটা বিপর্যস্ত ছিলো সেটা বুঝে ওঠা বা বর্ণনা করার প্রয়োজনীয় বোধবুদ্ধি গড়ে ওঠেনি হয়তো। বালক বয়সের এক দুর্বোধ্য শূন্যতার মধ্যে যন্ত্রচালিতের মতো কখন কী করতাম জানি না। জীবন আর মৃত্যুর মধ্যে বোধকরি খুব একটা ফারাক ছিলো না তখন আমার।
Read the rest of this entry »

11204453_598403013631090_6154727306962722107_n

| ভর্তৃহরির নীতিশতক |
সংগ্রহ : রণদীপম বসু

সুনির্দিষ্ট কোন তথ্য রক্ষিত না হওয়ায় সংস্কৃত সাহিত্যের অন্যতম কবিশ্রেষ্ঠ ভর্তৃহরির জীবন-চরিতের জন্যেও জনশ্রুতি-নির্ভর হওয়া ছাড়া গত্যন্তর নেই। বিভিন্ন জনশ্রুতি-প্রসূত তথ্য বিশ্লেষণ করে গবেষকরা খ্রিস্টপূর্ব প্রথম শতককে ভর্তৃহরির অধিষ্ঠানকাল হিসেবে চিহ্নিত করেন। কিংবদন্তী অনুযায়ী- ভর্তৃহরি ছিলেন মালব দেশের অধিবাসী এবং জাতিতে ক্ষত্রিয়। রাজপরিবারে জন্মগ্রহণকারী ভর্তৃহরির পিতার নাম ছিলো গন্ধর্ব সেন। গন্ধর্ব সেনের দুই স্ত্রী। প্রথমা স্ত্রীর পুত্র ভর্তৃহরি এবং দ্বিতীয়া স্ত্রীর পুত্র বিক্রমাদিত্য- যার নামে ‘সম্বৎ’ সন বা ‘বিক্রমাব্দ’ প্রচলিত। উল্লেখ্য, বিক্রম সম্বৎ গণনা শুরু হয় ৫৬ খ্রিস্টপূর্বাব্দ থেকে। (বিস্তারিত জানতে এখানে)

এখানে উল্লেখ্য, M.R.Kale  সম্পাদিত ভর্তৃহরির নীতিশতক ও বৈরাগ্যশতকে মূল শ্লোক সংখ্যা যথাক্রমে ১০৮ ও ১০১টি। এ ছাড়াও দুটি শতকে অতিরিক্ত শ্লোক সংখ্যা যথাক্রমে ২৫ ও ৪৪টি। এই অতিরিক্ত শ্লোকসমূহেরই কোন কোনটি আবার শতকদ্বয়ের অপর অপর সংস্করণে মূল শ্লোকসমূহের অন্তর্ভুক্ত দেখা যায়। তাই কোনটা যে ভর্তৃহরির আর কোনটা প্রক্ষিপ্ত তা নিরূপণ কষ্টকর বলে গবেষকদের মন্তব্য। সংস্কৃত সাহিত্যসম্ভার (তৃতীয় খণ্ড)-এ শৃঙ্গারশতকে শ্লোক সংখ্যা ১০০টি। এ হিসেবে তিনটি শতকে মোট শ্লোক সংখ্যা দাঁড়ায় ৩৭৮।
.
ভর্তৃহরি হয়তো তিনটি কাব্যে তিনশত শ্লোকই রচনা করেছিলেন, কিন্তু কালে কালে লিপিকর ও অন্যান্যদের অনুগ্রহপুষ্ট হয়ে তাদের কলেবর আজ এতোটা বৃদ্ধি পেয়েছে। এই প্রক্ষেপণের কাজটি পরবর্তীকালের কোন কোন অখ্যাত কবিদের দ্বারাও হতে পারে। কারণ শ্লোকসমূহের মধ্যে পারস্পরিক ঐক্যসূত্রই যখন নেই তখন ভাবগত ঐক্য বজায় রেখে একটি দুটি রচিত শ্লোক এর সঙ্গে যোগ হয়ে যাওয়াটা অসম্ভব কিছু নয়।

সে যাক, ভর্তৃহরি সম্বন্ধে বিস্তারিত অন্যত্র আলোচিত হয়েছে, তাই এখানে ভর্তৃহরির বিখ্যাত নীতিশতক বাংলা তর্জমাসহ সংরক্ষণের নিমিত্তে উদ্ধৃত করে রাখা হলো। এ সম্পর্কিত প্রাসঙ্গিক আলোচনা অন্যত্র করা হবে।
Read the rest of this entry »

ট্যাগ সমুহঃ ,

chanakya

| চাণক্য-নীতি-সূত্র |
সংগ্রহ: রণদীপম বসু

চাণক্যের প্রধান পরিচয় খ্রিস্টপূর্ব চতুর্থ শতাব্দীর অতিপ্রসিদ্ধ একজন প্রাচীন ভারতীয় কূটনীতিজ্ঞ হিসেবে। মানবজীবনের প্রায় সকল কর্তব্যাকর্তব্য বিষয়ে তাঁর শ্লোকসমূহ শিক্ষিত অশিক্ষিত প্রায় সকলের কাছেই অল্পবিস্তর পরিচিত। ভারতীয় বিভিন্ন প্রাচীন শাস্ত্রগ্রন্থে এযাবৎ যতজন পণ্ডিত-রত্নের কথা আমরা জানি, তাঁদের মধ্যে চাণক্যকেই সবচাইতে প্রতিভাবান ও বাস্তববাদী বলে মনে হয়। বিখ্যাত ‘অর্থশাস্ত্র’-প্রণেতা কৌটিল্য আর ‘চাণক্যশ্লোক’ নামে প্রসিদ্ধ শ্লোকসমূহের রচয়িতা একই ব্যক্তি কিনা তা নিয়ে মতবিরোধ থাকলেও চাণক্যের একাধিক নামের মধ্যে কৌটিল্যও অন্যতম।
তাঁর একাধিক নাম বিষয়ে হেমচন্দ্রের ‘অভিধান-চিন্তামণি’ গ্রন্থে বলা হয়েছে-

‘বাৎস্যায়নো মল্লনাগঃ কৌটিল্যশ্চ ণকাত্মজঃ।
দ্রামিলঃ পক্ষিলস্বামী বিষ্ণুগুপ্তোহঙ্গুলশ্চ সঃ।।’


চাণক্য তার্কিক ছিলেন বলে তাঁর নাম হয়েছে ‘পক্ষিল’। রাজনীতিবিদ হওয়ার কারণে তিনি ‘কৌটিল্য’। জ্যোতির্বিদ্যার ‘বিষ্ণুগুপ্তসিদ্ধান্ত’ গ্রন্থে তাঁর নাম বিষ্ণুগুপ্ত। কামশাস্ত্রের গ্রন্থ ‘কামসূত্র’ এবং ন্যায়সূত্রের ভাষ্যগ্রন্থ ‘ন্যায়ভাষ্যে’র রচয়িতা হিসেবে নাম বাৎস্যায়ন। নীতিশাস্ত্রের গ্রন্থে নাম চাণক্য। বিরাট যোদ্ধা হিসেবে নাম হয়েছে ‘মল্লনাগ’। তাঁর ডাক নাম ছিলো ‘খণ্ডদৎ’। মায়ের প্রতি আনুগত্যের প্রমাণ হিসেবে তিনি তাঁর একটি দাঁত উপড়ে ফেলেন বলে প্রবাদ চালু আছে। (বিস্তারিত জানতে এখানে)

চাণক্য সম্পর্কে অন্যত্র যেহেতু বিস্তারিত আলোচনা করা হয়েছে, তাই এখানে আমরা কেবল তাঁর নীতিশ্লোকগুলো বাংলা তর্জমাসহ সংরক্ষণের নিমিত্তে উদ্ধৃত করে রাখার প্রয়াস নিচ্ছি। প্রযোজ্য ক্ষেত্রে এগুলোর ব্যাখ্যা বিশ্লেষণ অন্যত্র আলোচনা করা হবে।
Read the rest of this entry »

ট্যাগ সমুহঃ ,

529297_3219022308529_1055540337_32405453_145407568_n

| বাক্যের অখণ্ডতা, শব্দার্থবোধ, প্রেম ও তার সমাজ চেতনা |
রণদীপম বসু


(১)
‘সই, কেমনে ধরিব হিয়া, আমার বধুয়া আনবাড়ি যায় আমার আঙিনা দিয়া।’ চতুর্দশ শতকের বৈষ্ণব কবি চণ্ডীদাসের (আনুমানিক ১৪১৭-১৪৭৭ খ্রি) এই পঙক্তিবদ্ধ আকুতির সাথে উনিশ শতকের ত্রিশের দশকের (মতান্তরে তিন-এর দশকের) কবি জীবনানন্দ দাশের ‘সুরঞ্জনা, ওইখানে যেয়ো নাকো তুমি, বোলো নাকো কথা ওই যুবকের সাথে’-(আকাশলীনা) পঙক্তির আকুতির মধ্যে খুব একটা ভিন্নতা কি চোখে পড়ে? কিংবা ‘বৈষ্ণব কবিতা’য় বিদ্যাপতির (১৩৮০-১৪৬০) ‘এ সখি হামারি দুখের নাহি ওর, এ ভরা ভাদর মাহ ভাদর শূন্য মন্দির মোর’-এর সাথে বহুকাল পর আমাদের পল্লীকবি জসীমউদদীনের (১৯০৩-১৯৭৬) ‘প্রতিদান’ কবিতায় ‘আমার এ ঘর ভাঙিয়াছে যেবা আমি বাঁধি তার ঘর, আপন করিতে কাঁদিয়া বেড়াই যে মোরে করেছে পর।’–পঙক্তির হাহাকারের মধ্যেও যে চিরায়ত মানবিক বোধের অভিন্নতা, তা আমাদের দৃষ্টি এড়ায় না। এই আকুতি, এই হাহাকার, এই যে বোধ, একে অনেক অনেক বিশেষণে বিশেষায়িত করেছেন বিভিন্ন জনে। কিন্তু ওই সব বিশেষ বিশেষ বিশেষণের সমন্বিত যে অনুভব, যাকে বিশ্লিষ্ট করলে শাশ্বত মানব-মনের বহু-বিচিত্র উপলব্ধির যে অবিমিশ্র ক্ষরণটিকে উপেক্ষা করার কোনো উপায় থাকে না, তারই নাম হয়তো প্রেম। বস্তুত যার কোনো সংজ্ঞাই হয়তো যথাযথ হয় না।
Read the rest of this entry »

philosophy

| আমার দর্শন চর্চা ও কিছু ঔচিত্যবোধ প্রসঙ্গে |
রণদীপম বসু

(১)
জ্ঞানী ব্যক্তিরা যে পথে হেঁটে যেতে সদাই দ্বিধাগ্রস্ত থাকেন, নির্বোধেরা নির্দ্বিধায় সে পথ মাড়িয়ে যায়। এই মহাজন-উক্তির যথার্থতা বুদ্ধিমান ব্যক্তিরা আগেভাগেই উপলব্ধি করতে সক্ষম হন তাঁরা বুদ্ধিমান বলেই। কিন্তু আমি যে আদতেই এক আকাট মহামূর্খ সেটা হাঁড়েহাঁড়ে টের পেতেও খুব দেরি হলো না। আগপিছ না ভেবেই ‘মুই কী হনুরে’ জাতীয় এক অদ্ভূত ভাবের প্রাবল্যে বীরদর্পে এমন এক কণ্টকাকীর্ণ পথে পা রাখলাম, দু-এক কদম এগিয়েই বুঝতে পারলাম এই ক্ষত-বিক্ষত রক্তাক্ত পায়ে হেঁটে এগিয়ে যাওয়া তো দূরস্ত্, আমার এই অনভিজ্ঞ দুর্বল সামর্থহীন নিঃসার পায়ের উপর দাঁড়িয়ে থাকাটাই এক অসম্ভব কল্পনা বলে মনে হলো! অতএব যা হবার তা-ই হলো, আমি ভূপাতিত! এই হলো আমার দর্শনচর্চার প্রাক-ইতিহাস। প্রাতিষ্ঠানিক পাঠ্যে বিজ্ঞানের ছাত্র হিসেবে দর্শনতত্ত্বের ছিটেফোটা অভিজ্ঞতাও যার ঝুলিতে নেই, সেই আমিই কিনা চিরকালের এক কঠিন রহস্যময় প্রাচীন ভারতীয় দর্শনের দুঃসহ বিভ্রম-মাখানো পথের গণ্ডপথিক হয়ে গেলাম! হা হা হা! গণ্ডমূর্খ আর কারে কয়!
Read the rest of this entry »

ট্যাগ সমুহঃ ,

538781_527557613925127_1292639261_n

| চার্বাক সিদ্ধান্ত পর্যালোচনা-২৩ : বস্তুবাদের অন্যতম সহচর |
রণদীপম বসু

। বস্তুবাদের অন্যতম সহচর।

আয়ুর্বেদের আদি-গ্রন্থ বলতে সুপ্রাচীনকালের ‘চরক-সংহিতা’ ও ‘সুশ্রুত-সংহিতা’। তার মধ্যে ‘সুশ্রুত-সংহিতা’ হলো প্রাচীন শল্যবিদ্যর আকরগ্রন্থ। উভয় গ্রন্থেই একথা স্বীকৃত যে অনেকের হাত ঘুরে– অনেকভাবে পরিবর্তিত হয়ে– গ্রন্থ দুটি শেষ পর্যন্ত আমাদের কাছে পৌঁছেছে। পরবর্তীকালে উভয় সংকলনের মধ্যে হাজারো বিষয় প্রক্ষিপ্ত হয়েছে– তার মধ্যে অজস্র বিষয়ের সঙ্গে আয়ুর্বেদের মূল প্রতিপাদ্যর কোনো সম্পর্ক নেই। এ-প্রসঙ্গে দেবীপ্রসাদ বলেন, কেন এবং কীভাবে সংযোজিত হয়েছে তা নিয়ে এখনো বিস্তর গবেষণা বাকি। তবুও সংযোজিত যে হয়েছে এ বিষয়ে কোনো সন্দেহের অবকাশ থাকতে পারে না। উভয় সংকলনের অভ্যন্তরীণ সাক্ষ্য থেকেই তা প্রমাণ করা সম্ভব বলেও দেবীপ্রসাদ মন্তব্য করেছেন। তাই ‘চরক-সংহিতা’ বা ‘সুশ্রুত-সংহিতা’ থেকে যে-কোনো কথা উদ্ধৃত করেই তা প্রকৃত আয়ুর্বেদ সম্মত মত বলে ঘোষণা করা নিরাপদ তো নয়ই, অনেক সময় বিশেষ বিভ্রান্তিকর। সে যাক, আপাতত চার্বাক-আলোচনায় বস্তুবাদী যে নির্দেশকগুলি ইতোমধ্যেই চিহ্নিত হয়েছে, ‘চরক-সংহিতা’ এবং ‘সুশ্রুত-সংহিতা’য় এগুলির পরিচয় পেলেই আয়ুর্বেদের দার্শনিক ভিত্তিকে বস্তুবাদ-সম্মত বলে স্বীকার সুযোগ থাকে। Read the rest of this entry »

রণদীপম বসু


‘চিন্তারাজিকে লুকিয়ে রাখার মধ্যে কোন মাহাত্ম্য নেই। তা প্রকাশ করতে যদি লজ্জাবোধ হয়, তবে সে ধরনের চিন্তা না করাই বোধ হয় ভাল।...’
.
.
.
(C) Ranadipam Basu

Blog Stats

  • 134,991 hits

Enter your email address to subscribe to this blog and receive notifications of new posts by email.

Join 64 other followers

Follow h-o-r-o-p-p-a-হ-র-প্পা on WordPress.com

কৃতকর্ম

সিঁড়িঘর

দিনপঞ্জি

অগাষ্ট 2016
S M T W T F S
« May    
 123456
78910111213
14151617181920
21222324252627
28293031  

Bangladesh Genocide

1971 Bangladesh Genocide Archive

War Crimes Strategy Forum

লাইভ ট্রাফিক

ক’জন দেখছেন ?

bob-contest

Blogbox
Average rating:

Create your own Blogbox!

হরপ্পা কাউন্টার

Add to Technorati Favorites

গুগল-সূচক

Protected by Copyscape Web Plagiarism Check
Follow

Get every new post delivered to your Inbox.

Join 64 other followers