h-o-r-o-p-p-a-হ-র-প্পা

cover-of_carvaker-khoje-bharotia-darshan_2nd-edition

চার্বাকের খোঁজে ভারতীয় দর্শন
(দ্বিতীয় সংস্করণ)

(কভার ফ্ল্যাপের বয়ান )
নিজেদের সমকালীন চিন্তাজগতে বদ্ধচিন্তা ও অন্ধবিশ্বাসের অচলায়তন ভেঙে অভূতপূর্ব মুক্তচিন্তার সাহসী অগ্রপথিকই নয়, ভারতীয় জড়বাদী তথা বস্তুবাদী দর্শনের একমাত্র প্রতিভূ বলতে চার্বাক দর্শন, যাকে কখনো কখনো বার্হস্পত্য বা ভিন্ন প্রেক্ষিতে লোকায়ত দর্শনও বলা হয়ে থাকে। কিন্তু অজ্ঞাত কারণে চার্বাকদের অক্ষত অবিকৃত মতবাদ প্রতিফলিত হয় এরকম নিজস্ব উৎস গ্রন্থ অনেককাল আগেই দুর্ভাগ্যজনক বিলুপ্তির অন্ধকারে হারিয়ে গেছে। ফলে প্রচলিত চার্বাক-বিরোধী অন্যান্য দর্শন-সাহিত্যের প্রাচীন গ্রন্থগুলোয় উপস্থাপিত চার্বাক-মত এবং অধ্যাত্মবাদী বৈদিক সাহিত্য যথা বেদ, উপনিষদ, পুরাণ, মহাকাব্য, নাটক, গীতা, মনুসংহিতা ইত্যাদি প্রাচীন শ্রুতি ও স্মৃতিশাস্ত্রগুলোর পরতে পরতে চার্বাকদের প্রতি বর্ষিত তীব্র ক্ষোভ, ঘৃণা ও বিরোধিতার আক্রমণাত্মক সাহিত্য-দৃষ্টান্তগুলো এবং পাশাপাশি তৎকালীন ব্রাত্য ও সাধারণ জনমানসে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা দার্শনিকচিন্তা-সম্মত বার্হস্পত্য শ্লোক, চার্বাক-ষষ্ঠি ও প্রাচীন লোকগাথাগুলোতে প্রচলিত অপশাস্ত্র ও কুসংস্কারগুলোর বিরুদ্ধে চার্বাকদের পক্ষ থেকে যে তীর্যক বিদ্রূপ ও শ্লেষের সমারোহ ঘটানো হয়েছে, এগুলো চার্বাকী চিন্তার প্রামাণ্য দলিল হিসেবে যে অমূল্যতার দাবি রাখে তাকে অস্বীকার করার উপায় নেই। এই বিশাল বিপুল সাহিত্য, দর্শন ও প্রামাণ্য নিদর্শনগুলোর যথার্থ যাচাই-বাছাই প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে প্রয়োজনীয় উপাদানগুলো বের করে এনে ভারতীয় দর্শনের জটিল প্রপঞ্চ থেকে চার্বাক-দর্শনের এক চমৎকার রূপরেখা সাধারণের বোধগম্য করে উপস্থাপন করেছেন রণদীপম বসু তাঁর ‘চার্বাকের খোঁজে ভারতীয় দর্শন’ গ্রন্থে।
Read the rest of this entry »

14962320_1803376536568509_21541437_n

চার্বাকেতর ভারতীয় দর্শন-৪র্থ খণ্ড
(বেদান্ত)

উত্তর-মীমাংসার নামান্তর হলো বেদান্ত। প্রাচীন ভারতীয় ছয়টি আস্তিক দর্শনের মধ্যে ভাববাদের চূড়ান্ত রূপ এই বেদান্তদর্শনের মধ্যেই পরিলক্ষিত হয়। বৈদিক সংস্কৃতির ধারক হিসেবে হিন্দুদের কাছে বেদ সকল জ্ঞানের আকর বলে বিবেচিত। বেদের চারটি অংশ- মন্ত্র বা সংহিতা, ব্রাহ্মণ, আরণ্যক এবং উপনিষদ। বেদের চারটি অংশের মধ্যে সংহিতা ও ব্রাহ্মণকে কর্মকাণ্ড এবং আরণ্যক ও উপনিষদকে জ্ঞানকাণ্ড বলা হয়। সুতরাং বেদের অন্ত অর্থাৎ উপনিষদকেই মুখ্যত বেদান্ত নামে অভিহিত করা হয়। অর্থাৎ, উপনিষদ তত্ত্বের দার্শনিক ব্যাখ্যা ও সমর্থনই বেদান্তদর্শন।  উপনিষদ বিভিন্ন কালে রচিত হয়েছে এবং তা সংখ্যায় বহু। এগুলোর মধ্যে প্রধান প্রধান উপনিষদগুলি হলো ঈশ, ছান্দোগ্য, বৃহদারণ্যক, ঐতরেয়, তৈত্তিরীয়, প্রশ্ন, কেন, কঠ, মুণ্ডক, মাণ্ডুক্য, কৌষীতকি, মৈত্রী, শ্বেতাশ্বতর প্রভৃতি। কিন্তু উপনিষদগুলিতে দার্শনিক তত্ত্বাবলী আলোচিত হলেও সে-আলোচনা বহুলাংশেই বিক্ষিপ্ত ও অস্পষ্ট। তা ছাড়া এ-আলোচনা যুক্তিতর্কমূলক সুসংবদ্ধ দার্শনিক আলোচনা নয় এবং নানা উপনিষদে নানা রকম আলোচনার মধ্যে ঠিক কোন্ তত্ত্বকে প্রকৃত উপনিষদ-প্রতিপাদ্য তত্ত্ব বলা হবে সে-কথা নির্ণয় করাও সহজ নয়। স্বভাবতই, উপনিষদের অনুগামী পরবর্তী দার্শনিকেরা উপনিষদ-প্রতিপাদ্য মূল দার্শনিক তত্ত্বকে সনাক্ত করে যে সুসংবদ্ধ দার্শনিক ব্যাখ্যা দিতে চাইলেন, তা-ই বেদান্তদর্শনের উপজীব্য।
Read the rest of this entry »

ট্যাগ সমুহঃ , ,

14963039_1803376539901842_700874159_n

চার্বাকেতর ভারতীয় দর্শন-৩য় খণ্ড
(পূর্ব-মীমাংসা)

মীমাংসাশাস্ত্র নিঃসংশয়ে বৈদিক বা বেদমূলক দর্শন হলেও অনেকাংশে তা ব্যাকরণ এবং ন্যায়শাস্ত্রের বাদার্থ বা শব্দখণ্ডের মতো। পদশাস্ত্র হলো ব্যাকরণ এবং প্রমাণশাস্ত্র হলো ন্যায়। এই পদবাক্যপ্রমাণ-তত্ত্বজ্ঞ না হলে প্রাচীনকালে কেউ সুপণ্ডিত বলে বিবেচিত হতেন না। এই দর্শনের প্রধান উপজীব্য হলো বেদের অপৌরুষেয়ত্ব ও নিত্যত্ব প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে বৈদিক কর্মকাণ্ডের স্বতসিদ্ধতা প্রমাণ করা। একদিকে বিভিন্ন দেব-দেবী ও ঈশ্বরের অস্তিত্বে প্রচণ্ড অবিশ্বাসী এ দর্শনের বস্তুবাদী বিজ্ঞানসম্মত যুক্তিস্রোতের পাশাপাশি যজ্ঞানুষ্ঠানের মতো একটি আদিম কুসংস্কারের মধ্যে যাদুক্ষমতা আরোপ প্রচেষ্টার চূড়ান্ত অবৈজ্ঞানিক দৃষ্টিভঙ্গি প্রাচীন দর্শনটিকে জটিল স্ববিরোধিতায় ঠেলে দিয়েছে বলে একালের বিদ্বানেরা মনে করেন। এটি সাংখ্য, বৌদ্ধ বা ন্যায়-বৈশেষিক দর্শনের মতো একটা সুশৃঙ্খল সুসংহত দার্শনিক প্রস্থানরূপে গড়ে ওঠেনি, গড়ে উঠেছে যাগযজ্ঞসম্পৃক্ত মন্ত্ররাশির অর্থবিচারকে উপলক্ষ করে। এই দর্শনের মুখ্য উদ্দেশ্য কোন বিশুদ্ধ দার্শনিক তত্ত্বের উদ্ভাবন ও প্রচার নয়। মুখ্য উদ্দেশ্য যাগযজ্ঞের সামাজিক প্রয়োজন অক্ষুণ্ন ও অব্যাহত রাখার জন্য মন্ত্রার্থবিচার। এই বিচারের প্রসঙ্গেই প্রয়োজনানুরূপ দার্শনিক যুক্তিতর্ক বিক্ষিপ্তভাবে উপস্থিত হয়েছে।
Read the rest of this entry »

ট্যাগ সমুহঃ , ,

14961295_1803376533235176_1107465522_n

চার্বাকেতর ভারতীয় দর্শন-২য় খণ্ড
(ন্যায়, বৈশেষিক, সাংখ্য ও যোগ দর্শন)

প্রাচীন ভারতীয় দর্শনে আস্তিক্যবাদী যে ছয়টি দর্শনকে ষড়্দর্শন বলা হয়ে থাকে, তার অন্যতম ন্যায়, বৈশেষিক, সাংখ্য ও যোগ দর্শন। ন্যায়শাস্ত্র হলো বুদ্ধিবাদী বা যুক্তিবাদী দর্শন। ভারতীয় তর্কশাস্ত্রের উৎস ও যথার্থ জ্ঞান লাভের প্রণালী হিসেবেই ন্যায় দর্শনকে আখ্যায়িত করা হয়। আর বৈশেষিক দর্শনের ‘পদার্থতত্ত্ব’ বা ‘বিশ্বতত্ত্বে’র জ্ঞান প্রাচীনকালে যে কোন ছাত্রের জন্য অপরিহার্য বলে মনে করা হতো। বিশ্বতত্ত্বের আলোচনাই বৈশেষিক দর্শনের প্রধান আলোচনা। অন্যদিকে সাংখ্যদর্শন বা সাংখ্যশাস্ত্রকে প্রাচীনতম ভারতীয় দর্শন হিসেবে বিবেচনা করা হয়। প্রাচীন ভারতীয় সাহিত্য তথা স্মৃতি, পুরাণ ও অন্যান্য শাস্ত্র গ্রন্থগুলিতে সাংখ্যদর্শনের বিপুল প্রভাব লক্ষ্য করা যায়। দার্শনিক তত্ত্বের দিক থেকে সাংখ্য ও যোগ দর্শনের মধ্যে প্রভেদ খুবই সামান্য। একটি তত্ত্বমূলক, অন্যটি প্রয়োগমূলক দর্শন। যোগ দর্শনে সাংখ্যের পঁচিশটি তত্ত্বের সাথে অতিরিক্ত একটি তত্ত্ব ঈশ্বরতত্ত্ব যুক্ত করে ঈশ্বর স্বীকৃত হয়েছে বলে নিরীশ্বর-সাংখ্যের বিপরীতে যোগ দর্শনকে ‘সেশ্বর-সাংখ্য’ও বলা হয়ে থাকে। একই উপনিষদীয় পরিমণ্ডলে থেকেও দর্শনগুলির মধ্যে পারস্পরিক বৈচিত্র্য অত্যন্ত কৌতুলোদ্দীপক।
Read the rest of this entry »

15032511_1803376529901843_195697002_n

চার্বাকেতর ভারতীয় দর্শন-১ম খণ্ড
(জৈন ও বৌদ্ধ দর্শন)

ভারতের প্রাচীনতম অসনাতন নাস্তিক্য ধর্মদর্শনের অন্যতম হচ্ছে জৈন ও বৌদ্ধ দর্শন।  কিন্তু একান্তই ধর্মবাদী দর্শন হয়েও এ দুটো দর্শন সম্প্রদায়কে তৎকালীন ব্রাহ্মণ্যবাদীরা কেন নাস্তিক্যদর্শন হিসেবে আখ্যায়িত করেছিলেন তা কৌতুহলজনক বৈকি। আনুমানিক খ্রিস্টপূর্ব ষষ্ঠ শতকে যখন উপনিষদীয় চিন্তাধারা কর্মমীমাংসা ও ব্রহ্মমীমাংসার বিরোধে ধর্মসংকটের ন্যায় তত্ত্বসংকটের সম্মুখীন হয় তখন প্রায় একইসময়কালে জৈন বর্ধমান মহাবীর ও শাক্যবংশীয় রাজপুত্র সিদ্ধার্থ গৌতম বুদ্ধের কঠোর তপস্যালব্ধ এ দুটি বেদবিরোধী সম্প্রদায় দর্শনের আঙিনায় আবির্ভূত হয়। উপনিষদীয় পরিমণ্ডলে থেকেও ভারতীয় দর্শনের এ দুটি ধর্মবাদী সম্প্রদায় বেদভিত্তিক উপনিষদীয় চিন্তাধারার বিরোধিতায় নেমে সাধারণ মানুষের বোধগম্য এক আধ্যাত্মিক চিন্তাধারার প্রবর্তন করেন। এই আধ্যাত্মিক চিন্তাধারা বেদভিত্তিক না হয়েও সাধারণ মানুষের আধ্যাত্মিক জিজ্ঞাসা নিবৃত্তির সহায়ক হয়েছিলো। নিরীশ্বরবাদী হওয়া সত্ত্বেও উচ্চমানের আধ্যাত্মিকতায় ধীরে ধীরে এই চিন্তাধারার প্রভাব এতো আকৃষ্ট ও বিস্তার লাভ করেছিলো যে ভারতের সমাজ, রাজনীতি, সংস্কৃতি এবং সর্বোপরি ধর্মজীবনকেও তা আলোড়িত করেছিলো। জনমানসে অতিরিক্ত প্রভাব বিস্তার করেছিলো বলেই বেদানুসারী হিন্দু দর্শনে এই মতবাদগুলি খণ্ডনের জন্য বিশেষ যত্ন লক্ষ্য করা যায়।

Read the rest of this entry »

ট্যাগ সমুহঃ , ,

IMG_0633_2 [Original Resolution]

ঢাকের বাদ্য
রণদীপম বসু

কান পাতলেই ঢাকের বাদ্য শুনি আজো-
শৈশবের নিভৃত সুদূর থেকে ভেসে আসা অদ্ভূত হুল্লোড়,
শাপলাদিঘির ঝুপঝাপ, ভেঁপুর পুঁ-পাঁ, উনুনের ভাঁপে পোড়া
জাদুময় ঘ্রাণ, আর শঙ্খচিলের চমকে ওঠা চিৎকারে চাপা পড়া
মিনুদি’র আশ্চর্য দীর্ঘশ্বাস!

মাঝে মাঝে অচেনা শব্দ নাকি ভেসে যেতো রাণুদের পুরনো ভিটায়,
ঝিম লাগা দুপুরের নৈঃশব্দ ভেঙে তেতুলের পুরুষ্ট ডালে চড়ে
পরপর ঝাঁকি মেরে নেমে দেখি- ঝরে পড়া ঝিরঝিরে পাতাই শুধু!
মুখ ভরা লালা নিয়ে তখনো কি জানতাম, যতোই টসটসে হোক
ঝাঁকালেই বোঁটার বন্ধনে বাঁধা ঝরে না তেঁতুল!
Read the rest of this entry »

IMG_2880_beyond_the_childhood [1600x1200]

|একজন রমা কিংবা আমাদের গন্তব্যে ফেরা…|
রণদীপম বসু


১.
স্বাধীনতা-উত্তর যুদ্ধ বিধ্বস্ত দেশ। নিস্তরঙ্গ সুনামগঞ্জ তখন একান্তই ছোট্ট একটা মহকুমা শহর হলেও মুক্তিযুদ্ধকালীন শহর ছেড়ে ভারতের বিভিন্ন আশ্রয়কেন্দ্রে শরণার্থী হওয়া পরিবারগুলো অনেক ক্ষয়ক্ষতির বিনিময়ে ফিরতে শুরু করেছে। সেই দলে আমাদের পরিবারও ছিলো। তার কিছুদিন পর উনিশশ’ বাহাত্তর সালে অটোপ্রমোশন পেয়ে ক্লাশ ফোরে উঠে গেছি আমি। বাসা থেকে কালিবাড়ি প্রাইমারি স্কুল, আসা-যাওয়ার রাস্তা আর তার দু’পাশের পরিপার্শ্বিকতাই তখন আমার শৈশবোত্তীর্ণ কৈশোরের উন্মেষকালে বেড়ে ওঠার নিজস্ব গণ্ডি। বাসার ঠিক সামনেই প্রধান সড়কটার অপরপার্শ্বে কচুরিপানায় ভর্তি বিরাট পুকুরটার, যেটি ভরাট হয়ে এখন পৌর বিপণীবিতানে রূপ নিয়েছে, তার পাড় ঘেষে আমার বিপণ্ন কৈশোরের প্রথম বিস্ময় নিয়ে গড়ে উঠলো শহীদ মিনারটা। জীবন-প্রভাতে এ এক নতুন অভিজ্ঞতা বৈকি। মিনারের বেদীর পেছনের দেয়ালস্তম্ভটার পুরো গা জুড়ে লাল-সবুজে মাখানো বিশাল পতাকার রঙ। ওটার দিকে একদৃষ্টে তাকাতে পারতাম না কখনোই। মাতৃহারা বুকটা খাঁ খাঁ করে ওঠতো, চোখ ভিজে যেতো নিমেষে। ওই উজ্জ্বল রঙের সাথে আমার মায়ের চেহারাটা কেন যেন একাকার হয়ে মিশে যেতো। যুদ্ধকালীন সময়ে তিনভাই একবোন আর মা সহ পাঁচ পাঁচজন সদস্য হারিয়ে টিকে থাকা পিতাপুত্রের চারজনের নারীবিহীন পরিবারটা যে কতোটা বিপর্যস্ত ছিলো সেটা বুঝে ওঠা বা বর্ণনা করার প্রয়োজনীয় বোধবুদ্ধি গড়ে ওঠেনি হয়তো। বালক বয়সের এক দুর্বোধ্য শূন্যতার মধ্যে যন্ত্রচালিতের মতো কখন কী করতাম জানি না। জীবন আর মৃত্যুর মধ্যে বোধকরি খুব একটা ফারাক ছিলো না তখন আমার।
Read the rest of this entry »

রণদীপম বসু


‘চিন্তারাজিকে লুকিয়ে রাখার মধ্যে কোন মাহাত্ম্য নেই। তা প্রকাশ করতে যদি লজ্জাবোধ হয়, তবে সে ধরনের চিন্তা না করাই বোধ হয় ভাল।...’
.
.
.
(C) Ranadipam Basu

Blog Stats

  • 154,785 hits

Enter your email address to subscribe to this blog and receive notifications of new posts by email.

Join 67 other followers

Follow h-o-r-o-p-p-a-হ-র-প্পা on WordPress.com

কৃতকর্ম

সিঁড়িঘর

দিনপঞ্জি

ফেব্রুয়ারি 2017
S M T W T F S
« Jan    
 1234
567891011
12131415161718
19202122232425
262728  

Bangladesh Genocide

1971 Bangladesh Genocide Archive

War Crimes Strategy Forum

লাইভ ট্রাফিক

ক’জন দেখছেন ?

bob-contest

Blogbox
Average rating:

Create your own Blogbox!

হরপ্পা কাউন্টার

Add to Technorati Favorites

গুগল-সূচক

টুইট

Protected by Copyscape Web Plagiarism Check