Posted by: Ranadipam Basu on: ফেব্রুয়ারি 10, 2010
…
| দুই-মেগাপিক্সেল | একুশে বইমেলা ২০১০ | পর্ব-০৩ |
-রণদীপম বসু
…
যে কোনো মেলার ক্ষেত্রেই হয়তো দর্শক হিসেবে প্রথমবার আমাদের একটা মনস্তাত্ত্বিক সঙ্কট তৈরি হয়। অবশ্য এটা কোনো জটিলতা নয়, অত্যন্ত সাধারণ একটা ব্যাপার। আমাদের মানসিক চাওয়া হয়- মেলা থাকবে সুশৃঙ্খল, গোছানো। কিন্তু মজার বিষয় হচ্ছে, আমাদের মনটাই থাকে সবচাইতে অস্থির, গোলমেলে। কৌতুহল আর আগ্রহের আতিশয্যে আমরা নিজেরাই যেকোনো শৃঙ্খলা মানতে খুব অজান্তেই নারাজ হয়ে যাই। আর এই প্রবণতাটা অতি স্বাভাবিক প্রবৃত্তি বলেই মেলার আয়োজকদেরও নাস্তানাবুদ হয়ে শৃঙ্খলা রক্ষার নানান ফন্দি ফিকির খুঁজতে হয়। আর বইমেলার ক্ষেত্রে তো এটা আমাদের বড় মধুর স্ববিরোধিতা। শৃঙ্খলা মেনে চলার দায়িত্ব সবার ক্ষেত্রে ঠিক রাখা চাই, শুধু আমার জন্যে তা প্রযোজ্য হওয়া উচিত নয়। হা হা হা ! Read the rest of this entry »
Posted by: Ranadipam Basu on: ফেব্রুয়ারি 8, 2010
…
| দুই-মেগাপিক্সেল | একুশে বইমেলা ২০১০ | পর্ব-০২ |
-রণদীপম বসু
…
বইমেলা মানেই হচ্ছে হরেক রকমের অগুনতি বইয়ের মেলা। তবে এটা কোন শেষ কথা নয়। আসলে নানা রঙের দর্শনার্থী মানুষেরই মেলা এটা। এবং চূড়ান্ত বিচারে লেখক-পাঠক-ক্রেতার মেলা। একজন দর্শনার্থীকে পাঠক থেকে ক্রেতার ভূমিকায় টেনে আনার কৌশলই হচ্ছে বইমেলার মূল দর্শন। আর এই দর্শনটাকে সফল করে তোলার লক্ষ্যেই যা কিছু আয়োজন। শেষ বিচারে মেলার সার্থকতাও ওখানেই। তাই একজন ব্যক্তি হিসেবে আমরা যখনই মেলায় ঢুকবো, আসলে একজন দর্শনার্থী হিসেবেই ঢুকবো। মেলার সমস্ত নান্দনিকতা সাজানো হয় একজন দর্শনার্থীকে সফলভাবে আকৃষ্ট করার সর্বোচ্চ আগ্রহ নিয়েই। মেলার শৃঙ্খলা, প্রকাশনার স্টল সাজানো কিংবা যাবতীয় সুযোগ-সুবিধা একজন দর্শনার্থীর রুচি ও সাচ্ছন্দ্যের বিষয়টাকে মাথায় রেখেই সম্পন্ন করা হয়। সার্বিক আবহের সাথে সচ্ছন্দভাবে মিশে গিয়ে একজন দর্শনার্থী যখন মেলার সাথে একাত্ম হয়ে যাবেন, তখনই তিনি দর্শনার্থী থেকে পাঠকে রূপান্তরিত হবার প্রক্রিয়ায় এগিয়ে যাবেন। তিনি স্টলে স্টলে ঢুঁ মেরে এটা ওটা ওল্টেপাল্টে নাড়াচাড়ার মধ্যে দিয়ে খুব অজান্তেই পাঠক হিসেবে অভিনীত হতে থাকবেন। আর চূড়ান্ত অঙ্কে এসে পাঠকরুচির সার্থক প্রতিফলনের মধ্য দিয়ে একটি সফল প্রকাশনা তাঁকে একজন অনিবার্য ক্রেতা হিসেবে উপস্থাপন করবে। অর্থাৎ চূড়ান্তভাবে একজন ক্রেতার আবির্ভাবের মধ্য দিয়ে একটি একক চক্র পূর্ণ হবে। এরকম অজস্র চলমান চক্রের সমন্বিত বিশাল সব ঢেউয়ের ধারাবাহিক বহমানতাই এই একুশে মেলার প্রাণ। Read the rest of this entry »
Posted by: Ranadipam Basu on: ফেব্রুয়ারি 7, 2010
…
| দুই-মেগাপিক্সেল | একুশে বইমেলা ২০১০ | পর্ব-০১ |
-রণদীপম বসু
…
ভাষার মাস ফেব্রুয়ারি। তবে ফেব্রুয়ারি এগিয়ে এলেই যে দৃশ্যটা মনের চোখে ভেসে ওঠে প্রথমেই, বাংলা একাডেমীর বইমেলা। আসার কথা শহীদ মিনার আগে। কিন্তু তা যে হয়নি, এটার কারণ হয়তো মাসের শুরুতেই বইমেলার বিশাল উৎসব-আয়োজন। এবং তারও আগে এর প্রস্তুতির সরব কোলাহল। চারদিকে হৈহৈ রব রৈরৈ উল্লাস। এরপর একুশ যতই এগিয়ে আসতে থাকবে শহীদ মিনার ততই তার গভীর ও প্রোথিত সত্ত্বা নিয়ে একটু একটু করে অধিকার করতে থাকবে আমাদেরকে। যেহেতু একুশে বইমেলা এখন আমাদের বাঙালি সংস্কৃতির অবিচ্ছেদ্য অংশই বলা যায়, আর তাই, মেলা এসে গেলো, অথচ আমার দুই-মেগাপিক্সেল চোখ বন্ধ করে থাকবে, তা কী করে হয় ! Read the rest of this entry »
Posted by: Ranadipam Basu on: জানুয়ারি 29, 2010
…
|Arthashastra| চানক্য-পণ্ডিতের কৌটিল্য-তত্ত্ব, ইতিহাসের টেরাকোটায় |
- রণদীপম বসু
…
(০১)
‘মন খাঁটি হলে পবিত্র স্থানে গমন অর্থহীন।’
এই দুর্দান্ত উক্তিটির বয়স দু’হাজার বছরেরও বেশি, প্রায় আড়াই হাজার বছর। এটা চানক্য-শ্লোক বা বাণী। কিন্তু প্রশ্ন হলো, কথাটা কতোটা বিশ্বাসযোগ্য ? যদি বলি এর বিশ্বাসযোগ্যতা শূন্য ? একযোগে হামলে পড়বেন অনেকেই। বিশ্বাসযোগ্যই যদি না হবে তো আড়াই হাজার বছর পেরিয়ে এসেও কথাটা এমন টনটনে থাকলো কী করে ! আসলেই তা-ই। কথাটায় একবিন্দুও ফাঁকি দেখি না। হয়তো আমরাই মানি না বলে। অথবা অক্ষরে অক্ষরে এতোটাই মেনে চলি যে, জানান দেবার আর বাকি থাকে না- আমাদের মনটাই ফাঁকি, ওখানে খাঁটি বলে কিছু নেই। আর এজন্যেই কি পবিত্র স্থানে গমনের জন্য হুমড়ি খেয়ে আমাদের মধ্যে এমন হুড়োহুড়ি লেগে যায় ? অসুস্থ হলে যেমন আমরা হন্যে হয়ে ডাক্তারের কাছে ছুটি, এটাও সেরকম। খোশগল্প করার নিয়ত না হলে সুস্থাবস্থায় কেউ কি ডাক্তারের কাছে যান ! Read the rest of this entry »
Tags:
arthashastra,
অর্থশাস্ত্র,
ইন্ডিকা,
কৌটিল্য,
চন্দ্রগুপ্ত,
চানক্য,
প্ল্যাটো,
বিষ্ণুগুপ্ত,
মৌর্য,
রিপাবলিক,
chanakya,
chandragupta,
indica,
kautilya,
plato,
republic,
vishnugupta
Posted by: Ranadipam Basu on: জানুয়ারি 21, 2010
…
| দুই-মেগাপিক্সেল…| ’স্বাধীনতার সংগ্রাম’ |
রণদীপম বসু
…
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকার চমৎকার নিরিবিলি জায়গাটায় বিরাট সড়ক-দ্বীপের বিস্তৃত ক্ষেত্র জুড়ে নির্মাণ করা ‘স্বাধীনতার সংগ্রাম’ (swadhinotar sangram) নামের বিশাল ভাস্কর্যটা ঘিরে ছোট ছোট এতগুলো ভাস্কর্য ছড়িয়ে আছে যে, দুই-মেগাপিক্সেলের ছোট্ট ফ্রেমে সবগুলো একসাথে বেঁধে নেযা রীতিমতো বিব্রতকর। কিন্তু লোভ বড় খারাপ জিনিস। লোভে পড়েই গুলিয়ে ফেললাম সব। কিন্তু একটি একটি করে ছবি তুলে গোটা আবহটাকে আটকে নেয়াও তো সম্ভব নয় ! ১৬ ডিসেম্বর ২০০৯। চারদিকে বিজয় দিবসের বিপুল আয়োজনের প্রস্তুতিময় দুপুরে এখানে এসে পড়লামই যখন, কী আর করা ! বাদাইম্যা আঙুল কি আর বশ মানে ! অতঃপর একেবারে লেজে-গোবরে অবস্থা ! Read the rest of this entry »
Posted by: Ranadipam Basu on: জানুয়ারি 20, 2010

.
[Khona] খনা, জনভাষ্যে মিশে থাকা আমাদের লোকভাষ্যকার…|
-রণদীপম বসু
…
০১.
‘মঙ্গলে ঊষা বুধে পা, যথা ইচ্ছা তথা যা’ কিংবা ‘কলা রুয়ে না কাটো পাত, তাতেই কাপড় তাতেই ভাত’ অথবা ‘বেঙ ডাকে ঘন ঘন, শীঘ্র হবে বৃষ্টি জান’ বা ‘বামুন বাদল বান, দক্ষিণা পেলেই যান’, এগুলো জনপ্রিয় খনার বচন। কৃষিভিত্তিক জন-মানুষের মুখে মুখে প্রচলিত এরকম বহু লোক-বচনের সাথেই আমরা পরিচিত। খনার বচনও আছে প্রচুর। কিন্তু প্রশ্ন হলো, আমাদের লোক-সাহিত্যে খনা নামে কেউ কি আদৌ ছিলেন ? আসলে এ প্রশ্নটাও বিভ্রান্তিমূলক। কেননা লোক-সাহিত্য বলতেই আমরা বুঝে নেই যে, লোক-মুখে প্রচলিত সাহিত্য অর্থাৎ জনরুচির সাথে মিশে যাওয়া যে প্রাচীন সাহিত্য বা সাহিত্য-বিশেষের কোন সুনির্দিষ্ট রচয়িতার সন্ধান আমরা পাই না বা জানা নেই তা-ই লোক-সাহিত্য। সাহিত্যে যেহেতু রয়েছে, রচয়িতা আছে তো বটেই। কিন্তু তা লিপিবদ্ধ ছিলো না বলে কাল-চক্ষুর অন্তরালে হারিয়ে যাওয়া এই রচয়িতারা নাম-পরিচয় হারিয়ে চিহ্ণহীন লোকায়ত পরিচয়ে চিরায়ত জনস্রোতের অংশ হয়ে গেছেন। তাঁদের লিপিহীন মহার্ঘ রচনাগুলো হয়ে গেছে আমাদের সাহিত্যের অমূল্য সম্পদ, অনেক গবেষক-সংগ্রাহকদের গভীর শ্রমসাধ্য অবদানে কালে কালে সংগৃহীত ও সংরক্ষিত হয়ে যাকে আমরা আজ লোক-সাহিত্য বলে চিহ্ণিত করছি। Read the rest of this entry »
Posted by: Ranadipam Basu on: জানুয়ারি 3, 2010
| দুই-মেগাপিক্সেল…| ডাকসু-আর্কাইভ |
রণদীপম বসু
…
১৬ ডিসেম্বর ২০০৯। চারদিকে বিজয় দিবসের বিপুল আয়োজনের প্রস্তুতিময় দুপুরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকাটা ঘুরে ঘুরে দেখছিলাম। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ বা ডাকসু’র সংগ্রহশালাটি ইতিপূর্বেও চোখে পড়েছে বহুবার। কিন্তু এর ভেতরটায় ঢুকা হয়নি আগে। সে অতৃপ্তি থাকবে কেন ! সংগ্রহশালাটির পরিসর খুব অল্প বলেই হযতো সংগ্রহগুলোকে রাখতে হয়েছে ঠাশবুননে।
Recent Comments