h-o-r-o-p-p-a-হ-র-প্পা

Posts Tagged ‘সমালোচনা

philosophy

|চার্বাক সিদ্ধান্ত পর্যালোচনা-০১ : আলোচনা-সমালোচনা|
রণদীপম বসু

চার্বাক সিদ্ধান্ত, আলোচনা-সমালোচনা

ইতোমধ্যেই আমাদের বোঝার বাকি থাকে না যে, ভারতীয় অধ্যাত্ম দর্শনগুলির নিকট চার্বাকমত বুঝি এক জীবন্ত প্রহেলিকা। যুক্তিনিষ্ঠতার মধ্য দিয়ে অধ্যাত্ম বা অলৌকিকতার বিরুদ্ধে লৌকিক বাস্তবতার প্রচণ্ড সাঁড়াশি আক্রমণের পরিপ্রেক্ষিত যে-দর্শনমতের অভীষ্ঠ লক্ষ্যে পরিণত হয়েছিলো তাকে অধ্যাত্মবাদীরা যে প্রাণপণে প্রতিহত করবেন তাতে আর আশ্চর্যের কী! অধ্যাত্মবাদীদের এই প্রতিহতকরণ-প্রচেষ্টা কোন্ পর্যায়ে গিয়ে ঠেকেছিলো তা অনুধাবন করা যায় চার্বাকদের বিরুদ্ধে তাঁদের ঘৃণা আর খেদোক্তি বা অভিশন্তাপের বাহুল্য দেখেও। প্রচলিত সাধারণ-জনমানসেও দেখা যায় ক্ষতিগ্রস্ত করার কারণে বিরোধী কাউকে মনমতো শায়েস্তা করতে না পারলে অক্ষম যন্ত্রণায় শেষতক অভিশাপ দিয়েই সান্ত্বনা খোঁজে, ‘ধর্মই তোর বিচার করবে, তুই নরকবাসী হবি!’ Read the rest of this entry »

.
| চার্বাক সাহিত্য-০১ : ভারতীয় সাহিত্যে চার্বাক |
রণদীপম বসু
১.০ : ভারতীয় সাহিত্যে চার্বাক

চার্বাক দর্শন সম্পর্কে প্রকৃত ধারণা পাওয়ার ক্ষেত্রে সবচাইতে বড় অন্তরায় হচ্ছে চার্বাকদের নিজস্ব রচনাসম্ভার বা সাহিত্য সৃষ্টির কোন নমুনা আমাদের বর্তমান জ্ঞানজগতের আয়ত্তে না-থাকা। সেগুলো সম্পূর্ণ বিলুপ্ত। ফলে সম্পূর্ণতই অন্যের রচনার উপরই আমাদের নির্ভর করতে হয়। এক্ষেত্রে চার্বাক দর্শন সম্পর্কিত আমাদের ধারণার উৎস প্রধানত চার্বাক-বিরোধী তথা চার্বাকেতর ভারতীয় দর্শনের বিভিন্ন গ্রন্থে অন্তর্ভুক্ত চার্বাকী মতবাদের সমালোচনা- যেখানে চার্বাক সর্বদাই পূর্বপক্ষ হিসেবে উপস্থাপিত। Read the rest of this entry »

| কবি ও শিশুসাহিত্য এবং আমাদের দায়বদ্ধতা…|
-রণদীপম বসু

কবি কিংবা শিল্পী, হওয়া না-হওয়ায় কী এসে যায় ?
সমাজে একজন ব্যক্তির কবি বা শিল্পী হওয়া না-হওয়ায় আদৌ কি কিছু এসে যায় ? অত্যন্ত বিরল-ব্যতিক্রম বাদ দিলে আমাদের বর্তমান আর্থিক মানদণ্ড প্রধান সমাজে একজন কবি বা শিল্পীকে কোন অবহেলিত গোত্রের প্রতিনিধি বলেই মনে হয়। তাই একজন ব্যক্তির কবি কিংবা শিল্পী তথা একজন স্রষ্টা হয়ে ওঠায় ব্যক্তির লাভ-ক্ষতির হিসাবের জবেদা টানার চেয়ে সমাজে এর কী প্রভাব অভিযোজিত হয় তা-ই বেশি গুরুত্বপূর্ণ। একজন ব্যক্তি ততক্ষণ পর্যন্ত কেবল একজন ব্যক্তিই, যে পর্যন্ত না তাঁর কোন কাজ বা উদ্যোগ সমাজে বিশিষ্ট হয়ে ওঠে। এই বিশিষ্ট হয়ে ওঠার সাথেই ব্যক্তি ও ব্যক্তিত্বের মধ্যে একটা মাত্রিক পার্থক্য সূচিত হয়ে যায়। অর্থাৎ ব্যক্তি তখন ব্যক্তিত্বের পর্যায়ে উন্নীত হন। মানে দাঁড়ালো, ব্যক্তি যখন বিশিষ্ট বা বৈশিষ্ট্য সম্পন্ন হয়ে ওঠেন তখনই তিনি ব্যক্তিত্বের পর্যায়ভুক্ত। এখন প্রশ্ন আসবে, তাহলে ব্যক্তি কি কোন বৈশিষ্ট্যসম্পন্ন নয় ? আমরা তো জানি যে, জগতের প্রতিটা মানুষই ভিন্ন এবং কোন না কোনভাবে নিজ নিজ বৈশিষ্ট্যে উজ্জ্বল। সেক্ষেত্রে প্রতিটা ব্যক্তিই তো একেকজন ব্যক্তিত্ব হবার কথা। অতি সত্য কথা। আর এজন্যেই সমাজের মধ্যে বিশিষ্ট হয়ে ওঠার কথা এসেছে। অর্থাৎ সমাজকে প্রভাবিত করার মতো বিশিষ্টতা যিনি অর্জন করেছেন, তিনিই ব্যক্তিত্ব। এলাকার সবচাইতে বড় সন্ত্রাসী ব্যক্তিটিও সমাজকে কোনোভাবে প্রভাবিত করার ক্ষমতা অর্জন করে ফেলেছে হয়তো। তাকেও কি আমরা ব্যক্তিত্ব বলবো ? অবশ্যই না। কেন বলবো না ? কারণ সন্ত্রাসীকে কেউ অনুকরণ করে না। বাধ্য হয়ে উপরে উপরে আনুগত্য প্রদর্শন আর আদর্শ বা ‘রোল-মডেল’ হিসেবে মেনে নিয়ে অনুকরণ বা অনুসরণ এক কথা নয়। তাছাড়া যে কর্মকাণ্ড সমাজের জন্য যে-কোন বিচারেই ক্ষতিকারক, তাকে গুণবাচক অর্থে বিবেচনা করার কোন যৌক্তিকতা আছে কি ? অতএব, যিনি তাঁর বৈশিষ্ট্যসূচক কর্মকাণ্ড বা উদ্যোগের মাধ্যমে সমাজে একটা ইতিবাচক প্রভাব ফেলার ক্ষমতা অর্জন করতে সক্ষম হয়েছেন বলে ধরে নেই, তাঁকেই আমরা ব্যক্তিত্ব বলতে পারি। এই বৈশিষ্ট্যসূচক কর্মকাণ্ড বিভিন্ন পর্যায়ে বিভিন্ন ধরনের হতে পারে। রাজনীতিক, ক্রিড়াবিদ, অভিনেতা, কণ্ঠশিল্পী, চলচ্চিত্রকার, সমাজসেবী, অধ্যাপক, বিজ্ঞানী, চিকিৎসক, প্রযুক্তিবিদ, শিল্প-উদ্যোক্তা, লেখক, প্রকাশক, সম্পাদক, সাংবাদিক ইত্যাদি। আমাদের আলোচ্য কবি বা শিল্পী হয়ে ওঠাও তা-ই। এই ব্যক্তিত্বদের মধ্যে কেউ হয়তো মহান সংগঠক, সাহসের প্রতীক, কেউ অভূতপূর্ব সৃজনশীলতার প্রতীকী স্রষ্টা।

|ছোট-কাগজ 'প্রতীকী' ১৬সংখ্যা|ছবি: রণদীপম বসু|

|ছোট-কাগজ 'প্রতীকী' ১৬সংখ্যা|ছবি: রণদীপম বসু|

| ষোড়শ সংখ্যা ‘প্রতীকী’, কিছু কথা কিছু আকথা…|

রণদীপম বসু

০১.
কে কেন কিভাবে লিখেন, এ নিয়ে দুনিয়াজোড়া মজার মজার কাহিনী প্রচলিত আছে। আবার প্রতিটা মানুষই নাকি কোন না কোনভাবে কিছু কিছু মজার স্ববিরোধিতায় আক্রান্ত হয়ে থাকেন। বিশেষ করে যাঁরা ভাবনার খুব গভীরতলে পৌঁছে যান, তাঁরাই আবার খুব হালকামাত্রায় এসে বেশ হাস্যকর কর্মকাণ্ড ঘটিয়ে বসেন। বিজ্ঞানী নিউটনের এরকম একটা ঘটনার কথা তো বহুল প্রচলিত, যা সেই ছাত্রকালে শুনে বেশ মজা পেয়েছিলাম। কী এক গবেষণা চালাতে গিয়ে নিউটন নাকি একবার দুই কোঠা বিশিষ্ট বড় একটি বাক্সের মধ্যবর্তী পার্টিশনটাতে দুই আকৃতির দুটো ছিদ্র করেছিলেন, কোঠা বদল করতে বড় বিড়ালের জন্য একটি এবং ছোটটির জন্য অন্যটি। শুধুমাত্র একপাশ থেকে অন্যপাশে যাওয়ার জন্য দুটো বেড়ালের জন্য যে একটি রাস্তাই যথেষ্ট, এ কথাটা নিউটনকে কিছুতেই বোঝানো যাচ্ছে না। অবশেষে তাঁর সহকারী হাতে-কলমে দেখিয়ে দেয়ার পর নিউটনের উক্তি ছিলো- তাই তো ! ঘটনাটি আদৌ সত্য কিনা, না কি বাঙালির রসসৃষ্টির অসাধারণ প্রতিভার আরেকটি নমুনা উদাহরণ কে জানে। তবে মনোবিজ্ঞান বলে যে, ভাবনার উচ্চস্তরে অবস্থান করলে একই সময়ে নিচের স্তরের এরকম ছোটখাটো অসংগতি ঘটানো মানব-মস্তিষ্কের স্বাভাবিক প্রবণতার একটা অংশ। Read the rest of this entry »

unlimitedblog_1207670206_1-Wild_Face

‘ছড়া পত্রিকা’ ত্রয়োদশ সংখ্যা- ‘উল্টা বুঝলি রাম’!
রণদীপম বসু

.
প্রথম ছোঁয়া

মননশীল কথাসাহিত্যিক হাসান আজিজুল হকের একটি বিখ্যাত বই আছে, নাম- ‘অপ্রকাশের ভার’। কিন্তু আমার প্রসঙ্গ ওই বই বা এর নামকরণ নিয়ে নয়। সদ্য প্রকাশিত ছড়া বিষয়ক জনপ্রিয় লিটল ম্যাগাজিন ‘ছড়াপত্রিকা’ ফেব্রুয়ারি ২০০৮ ত্রয়োদশ সংখ্যাটি হাতে পেয়ে এবং এর সুলুক-সন্ধান শেষে প্রথমেই যে অন্তর্গত-বোধে আক্রান্ত হলাম আমি তা প্রকাশের উপযুক্ত শব্দভাষা খুঁজতে গিয়ে ওই শব্দ-যুগলের কথা মনে এলো, অপ্রকাশের ভার।

মনের ভাবকে কিছুতেই প্রকাশ করতে না পারার কষ্ট নাকি দুর্বহ হয়। কিন্তু যে ভাবটাকে স্বতস্ফূর্ত অন্তঃকরণে প্রকাশ করতে চাওয়া হলো, তা যদি অকারণে ভিন্নার্থ নিয়ে বিপরীত উচ্চারণবাহী হয়ে ওঠে, এ ভার লাঘব হবে কী করে? ছড়াপত্রিকা’র এই ত্রয়োদশ সংখ্যায় প্রকাশের জন্য বাংলা কিশোরকবিতার গতি-প্রকৃতি, অতীত ও বর্তমান প্রবণতা এবং বিবিধ প্রাসঙ্গিকতা নিয়ে ‘চারুপাঠের মগ্নকিশোর ও আমাদের কিশোর কবিতা’ শিরোনামে যৎকিঞ্চিৎ গবেষণা-প্রয়াস হিসেবে একটি সমালোচনামূলক প্রবন্ধ প্রেরণ করা হয়েছিলো। এটা নিশ্চয় শ্লাঘার বিষয়, এবং সম্পাদক মাহবুবুল হাসান ভাইয়ের কাছেও, যদিও তাঁর সাথে মুখোমুখি পরিচয়ের সৌভাগ্য হয় নি, রচনাকার হিসেবে আমার কৃতজ্ঞতা যে, প্রবন্ধটি প্রধান রচনা হিসেবে ছড়াপত্রিকায় প্রকাশ করা হয়েছে সুন্দরভাবেই। কিন্তু রচনায় প্রবেশ করে পাঠক কী বুঝলেন জানি না; তবে সাথে সাথে আমার সেই পুরনো গল্পটিই মনে হয়ে গেলো, যার তর্জমা অনেকটা এরকম-

Read the rest of this entry »


রণদীপম বসু


‘চিন্তারাজিকে লুকিয়ে রাখার মধ্যে কোন মাহাত্ম্য নেই। তা প্রকাশ করতে যদি লজ্জাবোধ হয়, তবে সে ধরনের চিন্তা না করাই বোধ হয় ভাল।...’
.
.
.
(C) Ranadipam Basu

Blog Stats

  • 555,629 hits

Enter your email address to subscribe to this blog and receive notifications of new posts by email.

Join 140 other followers

Follow h-o-r-o-p-p-a-হ-র-প্পা on WordPress.com

কৃতকর্ম

সিঁড়িঘর

দিনপঞ্জি

অগাষ্ট 2020
রবি সোম বুধ বৃহ. শু. শনি
 1
2345678
9101112131415
16171819202122
23242526272829
3031  

Bangladesh Genocide

1971 Bangladesh Genocide Archive

War Crimes Strategy Forum

লাইভ ট্রাফিক

ক’জন দেখছেন ?

হরপ্পা কাউন্টার

Add to Technorati Favorites

গুগল-সূচক

টুইট

Protected by Copyscape Web Plagiarism Check

Flickr Photos