h-o-r-o-p-p-a-হ-র-প্পা

Posts Tagged ‘সভ্যতা

Mukhalinga

শিব ও লিঙ্গ-০৪ : মানববিকাশের নৃতাত্ত্বিক ধারায় লিঙ্গোপাসনার পটভূমি
রণদীপম বসু

ইতঃপূর্বে আমরা যদিও পর্যায়ক্রমিক আলোচনায় মাঝেমধ্যে নৃতাত্ত্বিক দৃষ্টিভঙ্গি-প্রসূত কিছু কিছু প্রাসঙ্গিক উদ্ধৃতি টেনেছি, তবুও আলোচনার স্পষ্টতার জন্যে মানবসভ্যতার বিবর্তন ধারার প্রাথমিক আরও কিছু আলোচনা বোধ করি অপ্রাসঙ্গিক হবে না। বিষয়গত ধারণার স্পষ্টতার লক্ষ্যে বৈজ্ঞানিক অনুমানের ভিত্তিতে গড়ে ওঠা বিভিন্ন বিদ্বান লেখকদের পূর্বাপর নৃতাত্ত্বিক ব্যাখ্যার একটা সমন্বিত সার-সংক্ষেপ এখানে বিবৃত করার চেষ্টা করা যেতে পারে। Read the rest of this entry »

Advertisements

Stone_of_Destiny_Siva_Lingam_Ireland

শিব ও লিঙ্গ-০৩ : শিবলিঙ্গের প্রাক্-বৈদিক নিদর্শন
রণদীপম বসু

বিজ্ঞানীরা মনে করেন জীব বিবর্তনের এক ও একমাত্র কারণ হলো– প্রকৃতি, যা নিত্য পরিবর্তনশীল। তার সাথে নিজেকে খাপ খাইয়ে এবং প্রয়োজনীয় পরিবর্তনের মধ্য দিয়ে সময়ের স্রোতে এগিয়ে চলার ইতিহাসই মানবসভ্যতার ইতিহাস। ভারতীয় সভ্যতা, সংস্কৃতি ও কৃষ্টি অতি সুপ্রাচীন কাল থেকে বেশ কয়েকটা অধ্যায়ে ক্রমবিবর্তিত হতে হতে বর্তমান অবস্থায় পৌঁছেছে। এগুলোকে যদি কালের নিরিখে পর্যায়ক্রমে সাজানো হয়, তা হলে শুরু করতে হয় প্রাগৈতিহাসিক পর্ব থেকে– আদি প্রস্তর যুগ, মধ্য প্রস্তর যুগ ও নব প্রস্তর যুগ। এরপরে ঐতিহাসিক যুগের সূচনা– তাম্র-প্রস্তর যুগ, তাম্র যুগ, ব্রোঞ্জ যুগ ও লৌহ যুগ। লৌহ যুগেই সমাজ জীবনে আসে এক বৈপ্লবিক পরিবর্তন, যার ফলশ্রুতিতে আজও আমরা বহুবিবর্তিত হয়েই চলেছি। ভারতবর্ষে তাম্র-প্রস্তর থেকে ব্রোঞ্জ যুগ অবধি সভ্যতাকে বলা হয় হরপ্পা বা সিন্ধু সভ্যতা। আর এরপরে বৈদিক সভ্যতা, যার সূচনা তাম্র সভ্যতা থেকে শুরু করে লৌহযুগ অবধি বিস্তৃত। Read the rest of this entry »

12033025_596767023794689_6134986862463680606_n

শক্তি-সাধনা-০৫। সিন্ধু-সভ্যতায় মাতৃপ্রাধান্য
রণদীপম বসু

শাক্তধর্মের প্রধান উপাদান হচ্ছে তার ধ্যান-ধারণা, সমাজ ও ধর্মকর্মব্যবস্থায় মাতৃপ্রাধান্যতা। সেক্ষেত্রে প্রাক্-বৈদিক সিন্ধু-যুগের দেবীপ্রধান বা মাতৃপ্রধান ধর্ম-বিশ্বাসে সিন্ধুবাসীরা যে মাতৃ-প্রকৃতির শক্তি-সাধনায় বিশ্বাসী ছিলেন তা নির্ভরযোগ্য প্রত্নতত্ত্ব ও ইতিহাসবিদদের প্রাসঙ্গিক আলোচনা থেকেও অবগত হওয়া যায়। এ প্রেক্ষিতে প্রাসঙ্গিক বিবেচনায় আমরা সেসব-আলোচনার কিছুটা সহায়তা নিতে পারি।
Read the rest of this entry »

12046764_600559070082151_1963163237259047425_n

শক্তি-সাধনা-০৪। প্রাচীন ভারতীয় ধর্ম-সাধনা
রণদীপম বসু

প্রাচীন ভারতীয় সংস্কৃতির ক্ষেত্রে দুটি মূল ধারা প্রবাহিত হতে দেখা যায়– একটি বৈদিক ধারা ও অপরটি বেদ-পূর্ব বা অবৈদিক ধারা। বৈদিক ধারাটি সুস্পষ্টভাবেই আর্যকেন্দ্রিক। আর যে অবৈদিক উপাদানগুলি তাদের স্বকীয় সত্তা নিয়ে কালক্রমে ভারতীয় সংস্কৃতির বিশেষত্বে ভিন্নমাত্রায় একাকার হয়ে আছে, তা হলো প্রাচীন সিন্ধু-সভ্যতা কেন্দ্রিক ধ্যান-ধারণা। ভারতীয় সংস্কৃতির উৎসধারা বলতে এককালে প্রাচীন বৈদিক ধ্যান-ধারণাকেই বুঝাতো, যা বৈদিক সাহিত্যের বিপুল সম্ভারের মধ্যে মূর্ত হয়ে আছে। কিন্তু ১৯২২ সালে শ্রীযুক্ত রাখালদাস বন্দ্যোপাধ্যায় কর্তৃক ভারতবর্ষের উত্তর-পশ্চিম অঞ্চলে (বর্তমান পাকিস্তানের অন্তর্গত) সিন্ধু-উপত্যকায় মহেঞ্জোদারোর ধ্বংসস্তুপের মধ্যে এক সুপ্রাচীন প্রাগৈতিহাসিক সভ্যতার সাক্ষ্য আবিষ্কারের মাধ্যমে সেই সাবেকী ধারণার আমূল পরিবর্তন ঘটে ভারতীয় ইতিহাসের প্রাচীনত্ব হঠাৎ আরো কয়েক হাজার বছর বেড়ে যায়। সিন্ধু অঞ্চলে ১৯২২-২৭ সালের প্রত্নতাত্ত্বিক খননকার্যে প্রাপ্ত প্রাগৈতিহাসিক নমুনা বিশ্লেষণ করে নিঃসংশয়ে প্রমাণিত হলো যে, এই সভ্যতাকে অন্তত পাঁচ হাজার বছরের পুরানো বলতে হবে, এবং স্বীকার করতে হবে যে, সুমের আক্কাদ ব্যবিলন মিশর ও অ্যাসিরিয়ার মতো ভারতবর্ষও পৃথিবীতে প্রথম-সভ্যতার ইমারত গড়ে তুলতে অগ্রসর হয়েছিলো। এমনকি এটাও দেখা গেলো যে, কোন কোন দিক থেকে ভারতবর্ষের ওই প্রাচীন সভ্যতা সমসাময়িক মেসোপটেমিয়া এবং মিশরের তুলনায় উন্নততর ছিলো এবং পরিধির দিক থেকেও তা অন্যান্য প্রাচীন সভ্যতার চেয়ে ঢের বড়ো ছিলো। এবং সর্বশেষ গবেষণালব্ধ ফলাফল থেকে ইদানিং কেউ কেউ বলছেন যে, এই সভ্যতা ন্যুনতম আট হাজার বছরেরও প্রাচীন।
Read the rest of this entry »

book art

| আর্য-সংস্কৃতি ও বৈদিক-যুগ-০৬ : বৈদিক সাহিত্য- ভাষ্য |
রণদীপম বসু

২.৫ : ভাষ্য

ভাষ্য হলো ক্রমান্বয়ে দুর্বোধ্য হয়ে ওঠা প্রাচীন সাহিত্যের একজাতীয় বোধগম্য ব্যাখ্যা। বৈদিক-সাহিত্যের আলোচনা প্রসঙ্গে এখানে বিশেষভাবে উল্লেখ্য যে, আধুনিক বিদ্বান গবেষকেরা অনুমান করেছেন, সংহিতা-যুগের অনেক পরে পুরোহিতেরা যখন ‘ব্রাহ্মণ’-গ্রন্থগুলি রচনা করেছিলেন তখনই তাঁদের কাছে প্রাচীন সংহিতায় সংকলিত রচনাবলীর অর্থ অনেকাংশেই অস্পষ্ট ও দুর্বোধ্য হয়ে গেছে। কেননা ওই পুরোহিত শ্রেণীর স্মৃতিতেই প্রাচীন রচনাবলী সংরক্ষিত হলেও– এবং এই রচনাবলীকে পরবর্তীকালে পুরোহিতেরা পবিত্রতম বলে গ্রহণ করলেও– ইতোমধ্যে বৈদিক মানুষদের ভাষায় সুগভীর পরিবর্তন ঘটেছে; ফলে প্রাচীন ভাষার পূর্ণাঙ্গ তাৎপর্য ‘ব্রাহ্মণ’-কারদের কাছে সুস্পষ্ট নয়। তাছাড়া ‘ব্রাহ্মণে’র যুগে আরও একটি যে উৎসাহ সুস্পষ্ট হয়েছে, তা হলো, ঋগ্বেদ-সংহিতায় সংকলিত সূক্তগুলি আদিতে যে-উদ্দেশ্যেই রচিত হোক না কেন, ‘ব্রাহ্মণে’র যুগে এগুলিকে– বা এগুলির অংশবিশেষকে– নানান যজ্ঞানুষ্ঠানে প্রয়োগ করবার প্রচেষ্টা পরিস্ফুট হয়েছে। আর এ-কারণে ‘ব্রাহ্মণ’-গ্রন্থে প্রায়ই দেখা যায়, প্রাচীন ঋক্-গুলির– বা এমনকি অনেক সময় প্রাচীন শব্দগুলিরও– নতুন নতুন অর্থ উদ্ভাবন করবার প্রচেষ্টা চলেছে। Read the rest of this entry »

musicBooks

| আর্য-সংস্কৃতি ও বৈদিক-যুগ-০৫ : বৈদিক সাহিত্য- বেদাঙ্গ |
রণদীপম বসু

২.৪ : বেদাঙ্গ

‘বেদ’ বা ‘শ্রুতি’ বলতে ‘সংহিতা’, ‘ব্রাহ্মণ’, ‘আরণ্যক’ ও ‘উপনিষদ’ বোঝায়। কিন্তু এই বেদ-পাঠের সহায়ক হিসেবে আরও কয়েক-রকম রচনা সৃষ্টি হয়েছিলো। সামগ্রিকভাবে সেগুলিকে বলা হয় ‘বেদাঙ্গ’। এদের প্রয়োজন ব্যবহারিক। বেদ-পাঠ ও যজ্ঞ অনুষ্ঠানে সাহায্য করতো বলে এদের নাম বেদের-অঙ্গ বা বেদাঙ্গ। মূলত পেশাজীবী ও শিক্ষার্থীদের জন্য বেদাঙ্গ সাহিত্য রচিত হয়েছিলো। ছয় ধরনের বিষয়বস্তুতে বিভক্ত ছিলো এই বেদাঙ্গ সাহিত্য। যেমন– শিক্ষা, ব্যাকরণ, ছন্দ, নিরুক্ত, জ্যোতিষ ও কল্প। Read the rest of this entry »

Chanakya-quotes

| আর্য-সংস্কৃতি ও বৈদিক-যুগ-০৩ : বৈদিক সাহিত্য- ব্রাহ্মণ |
রণদীপম বসু

২.২ : ব্রাহ্মণ

মীমাংসা-সূত্রকার মহর্ষি জৈমিনি বেদকে মন্ত্র ও ব্রাহ্মণ– এই দুই ভাগে ভাগ করেছিলেন। মন্ত্র হচ্ছে সর্বপ্রাচীন ভাগ। মন্ত্রের ব্যাখ্যা করা হলো ব্রাহ্মণের কর্ম এবং যজ্ঞের বিধিবিধানে তার প্রয়োগ করা। মূলত যাগ-যজ্ঞ সম্বন্ধে নানা প্রকার আচার-অনুষ্ঠান ও বিধি-নিষেধমূলক নির্দেশিত গদ্যে রচিত সাহিত্যই ‘ব্রাহ্মণ’। কোন্ যজ্ঞ করলে কী ফল পাওয়া যাবে, কোন্ যজ্ঞে কোন্ পুরোহিতকে কত দক্ষিণা দিতে হবে, কোন্ যজ্ঞকর্মের খুঁটিনাটি প্রক্রিয়া ঠিক কেমনভাবে সাধন করতে হবে, কোন্ যজ্ঞের ঠিক কোথায় কীভাবে কোন্ মন্ত্র প্রয়োগ করতে হবে ইত্যাদি ইত্যাদিই ‘ব্রাহ্মণ’ নামে পরিচিত গ্রন্থগুলির প্রধানতম আলোচ্য-বিষয়। অনেক সময় এতে যজ্ঞকর্ম ছাড়াও খুঁটিনাটি অনুষ্ঠানেরও গূঢ় আধ্যাত্মিক তাৎপর্য উদ্ভাবন করবার প্রয়াস লক্ষ্য করা যায়। Read the rest of this entry »


রণদীপম বসু


‘চিন্তারাজিকে লুকিয়ে রাখার মধ্যে কোন মাহাত্ম্য নেই। তা প্রকাশ করতে যদি লজ্জাবোধ হয়, তবে সে ধরনের চিন্তা না করাই বোধ হয় ভাল।...’
.
.
.
(C) Ranadipam Basu

Blog Stats

  • 287,093 hits

Enter your email address to subscribe to this blog and receive notifications of new posts by email.

Join 109 other followers

Follow h-o-r-o-p-p-a-হ-র-প্পা on WordPress.com

কৃতকর্ম

সিঁড়িঘর

দিনপঞ্জি

জুলাই 2018
রবি সোম বুধ বৃহ. শু. শনি
« মার্চ    
1234567
891011121314
15161718192021
22232425262728
293031  

Bangladesh Genocide

1971 Bangladesh Genocide Archive

War Crimes Strategy Forum

লাইভ ট্রাফিক

ক’জন দেখছেন ?

bob-contest

Blogbox
Average rating:

Create your own Blogbox!

হরপ্পা কাউন্টার

Add to Technorati Favorites

গুগল-সূচক

টুইট

Protected by Copyscape Web Plagiarism Check
Advertisements