h-o-r-o-p-p-a-হ-র-প্পা

Posts Tagged ‘শাস্ত্র

Lord-Shiva-full-HD-wallpaper
শিব ও লিঙ্গ-০৯/৬ : শুদ্ধশৈব বা শিবাদ্বৈত সম্প্রদায়
রণদীপম বসু

দক্ষিণ ভারতে শুদ্ধশৈব নামে অপর একটি শৈব মত ও সম্প্রদায়ের উদ্ভব হয়। শিব পুরাণের অন্যতম অংশ বায়বীয় সংহিতা তাঁদের প্রামাণ্য শাস্ত্রগ্রন্থ, এবং এই মতের সর্বশ্রেষ্ঠ আদি ব্যাখ্যাতা ছিলেন শ্রীকণ্ঠ শিবাচার্য। তিনি ‘ব্রহ্মমীমাংসা’ নামে বেদান্তসূত্রের স্বকৃত ভাষ্য রচনা করেছিলেন, যার উপর শৈবধর্মের ভিত্তি স্থাপনের প্রয়াস পেয়েছিলেন। ষোড়শ শতকের অপ্পয় দীক্ষিত এই ব্রহ্মমীমাংসা-ভাষ্যের নিজস্ব ভাষ্য রচনা করেছিলেন।
ব্রহ্মসূত্র বা বেদান্তসূত্রের উপর রচিত শ্রীকণ্ঠের ভাষ্য বহুলাংশে রামানুজের বিশিষ্টাদ্বৈতবাদের অনুরূপ, তবে রামানুজ যেমন চরম অদ্বয়বাদ ও দ্বৈতবাদের মধ্যবর্তী পথ গ্রহণ করেছিলেন, শ্রীকণ্ঠের মত একটু বেশি অদ্বয় ঘেঁষা, বরং তাঁকে অদ্বৈতবাদী আচার্য শঙ্কর ও বিশিষ্টাদ্বৈতবাদী রামানুজ আচার্যের মধ্যবর্তী পর্যায়ে ফেলা যায় বলে অধ্যাপক নরেন্দ্রনাথ ভট্টাচার্যের অভিমত। Read the rest of this entry »

11014894_595803560557702_6645515568049066554_n

তন্ত্র-সাধনা-১৬ : তন্ত্রের জ্ঞানতত্ত্ব
রণদীপম বসু

তন্ত্র বিষয়ে এ পর্যন্ত যা আলোচনা করা হয়েছে তার সবই তান্ত্রিক সাধনার কর্ম-কাণ্ড বা সাধন-কাণ্ড বিষয়ক। এবার তন্ত্র-শাস্ত্রের জ্ঞান-কাণ্ড বা দার্শনিক ভাগেরও কিছুটা আলোকপাতের প্রয়োজন রয়েছে।
কর্ম-কাণ্ডের প্রকরণে দেখা যায়, অতি নিম্ন স্তরের উপাসক যেমন দেখতে পান তাঁর উপযোগী উপাসনার পদ্ধতি তন্ত্র-শাস্ত্রে রয়েছে, তেমনি অতি উচ্চ স্তরের সাধকও দেখতে পান যে তাঁর উপযোগী উপদেশও তন্ত্রে কম নেই। হিন্দুশাস্ত্রের অভিনবত্ব এখানেই যে তা কখনও কাউকেও নিরাশ করে না। সব-ধরনের অধিকারীকেই কোলে স্থান দেয়। অধিকারী-ভেদে শাস্ত্রের বিভিন্ন অনুশাসন প্রযুক্ত হয়ে থাকে। অতি সাধারণের ইতু-পুজা, সুবচনীর ব্রত প্রভৃতি কর্ম থেকে কৌল জ্ঞানীর ব্রহ্ম-তত্ত্ব পর্যন্ত সবকিছুই অধিকারী-ভেদে গ্রাহ্য হয়ে থাকে। হিন্দুর তেত্রিশ কোটি দেবতার তাৎপর্যও বোধকরি এখানেই। কেননা, হিন্দুর বহু-দেবতাবাদ ও একেশ্বরবাদকে গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ করলে দেখা যায় যে, অসংখ্য দেবতাকে স্বীকার করেও চরম তত্ত্ব অর্থাৎ ‘একমেবাদ্বিতীয়ম্’ শ্রুতির সাথে কোন বিরোধ ঘটে না। একইভাবে এই সমন্বয় বুদ্ধিকে বিবেচনায় নিয়ে তন্ত্র-শাস্ত্রের উপাসনা-প্রণালীর বিচার করলেও সেই চরম তত্ত্বের অন্যথা হয় না। উপাসনা-প্রণালীর মধ্যে পঞ্চোপাসক তথা শৈব, শাক্ত, বৈষ্ণব, সৌর ও গাণপত্য সাধকের ভেদ কল্পিত-মাত্র বলেই মনে হয়। পথের বিভিন্নতায় গন্তব্য স্থল ভিন্ন হয়ে যায় না। সবারই চরম উপেয় এক, অর্থাৎ অভিন্ন। ব্যবহারিক ভেদের দ্বারা তাত্ত্বিক অভেদ কখনও ক্ষুন্ন হয় না। Read the rest of this entry »

12042906_599938180144240_5375375480413254287_n

তন্ত্র-সাধনা-০২ : তন্ত্র-শাস্ত্র
রণদীপম বসু

অধ্যাপক নীহাররঞ্জন রায় তাঁর সুবিখ্যাত গ্রন্থ ‘বাঙালীর ইতিহাস আদিপর্বে’র ‘ধর্মকর্ম : ধ্যান-ধারণা’ অধ্যায়ে শাক্তধর্ম প্রসঙ্গে বলেন,– ‘দেবীপুরাণে (খ্রীষ্টোত্তর সপ্তম-অষ্টম শতক) বলা হইয়াছে, রাঢ়া-বরেন্দ্র-কামরূপ-কামাখ্যা-ভোট্টদেশে (তিব্বতে) বামাচারী শাক্তমতে দেবীর পূজা হইত। এই উক্তি সত্য হইলে স্বীকার করিতেই হয়, খ্রীষ্টোত্তর সপ্তম-অষ্টম শতকের পূর্বেই বাঙলাদেশের নানা জায়গায় শক্তিপূজা প্রবর্তিত হইয়া গিয়াছিল। ইহার কিছু পরোক্ষ প্রমাণ পাওয়া যায় গুপ্তোত্তর পর্বে এবং মধ্য-ভারতে রচিত জয়দ্রথ-যামল গ্রন্থে। এই গ্রন্থে ঈশান-কালী, রক্ষা-কালী, বীর্যকালী, প্রজ্ঞাকালী প্রভৃতি কালীর নানা রূপের সাধনা বর্ণিত আছে। তাহা ছাড়া ঘোরতারা, যোগিনীচক্র, চক্রেশ্বরী প্রভৃতির উল্লেখও এই গ্রন্থে পাওয়া যায়। আর্যাবর্তে শাক্তধর্ম যে গুপ্ত-গুপ্তোত্তর পর্বেই বিকাশ লাভ করিয়াছিল আগম ও যামল গ্রন্থগুলিই তাহার প্রমাণ। খুব সম্ভব ব্রাহ্মণ্য অন্যান্য ধর্মের স্রোত-প্রবাহের সঙ্গে সঙ্গেই শক্তিধর্মের স্রোতও বাঙলাদেশে প্রবাহিত হইয়াছিল এবং এই দেশ পরবর্তী শক্তিধর্মের অন্যতম প্রধান কেন্দ্র রূপে গড়িয়া উঠিয়াছিল। এইসব আগম ও যামল গ্রন্থের ধ্যান ও কল্পনাই, অন্তত আংশিকত, পরবর্তী কালে সুবিস্তৃত তন্ত্র সাহিত্যের ও তন্ত্রধর্মের মূলে এবং এই তন্ত্র-সাহিত্যের প্রায় অধিকাংশ গ্রন্থই রচিত হইয়াছিল বাঙলাদেশে। তন্ত্রধর্মের পরিপূর্ণ ও বিস্তৃত বিকাশও এই দেশেই। দ্বাদশ শতকের আগেকার রচিত কোনও তন্ত্র-গ্রন্থ আজও আমরা জানি না এবং পাল-চন্দ্র-কম্বোজ লিপিমালা অথবা সেন-বর্মণ লিপিমালায়ও কোথাও এই গুহ্য সাধনার নিঃসংশয় কোনও উল্লেখ পাইতেছি না, এ-কথা সত্য। কিন্তু পাল-পর্বের শাক্ত দেবীদের রূপ-কল্পনায়, এক কথায় শক্তিধর্মের ধ্যানধারণায় তান্ত্রিক ব্যঞ্জনা নাই, এ কথা জোর করিয়া বলা যায় না। জয়পালের গয়া-লিপিতে মহানীল-সরস্বতী নামে যে দেবীটির উল্লেখ আছে তাঁহাকে তো তান্ত্রিক দেবী বলিয়াই মনে হইতেছে। তবু, স্বীকার করিতেই হয় যে, পাল-পর্বের অসংখ্য দেবী মূর্তিতে শাক্তধর্মের যে রূপ-কল্পনার পরিচয় আমরা পাইতেছি তাহা আগম ও যামল গ্রন্থবিধৃত ও ব্যাখ্যাত শৈবধর্ম হইতেই উদ্ভূত এবং শাক্তধর্মের প্রাক্-তান্ত্রিক রূপ। এ তথ্য লক্ষণীয় যে, পুরাণকথানুযায়ী সকল দেবীমূর্তিই শিবের সঙ্গে যুক্ত, শিবেরই বিভিন্নরূপিণী শক্তি, কিন্তু তাঁহাদের স্বাধীন স্বতন্ত্র অস্তিত্ব ছিল এবং সেইভাবেই তাঁহারা পূজিতাও হইতেন। শাক্তধর্ম ও সম্প্রদায়ের পৃথক অস্তিত্ব ও মর্যাদা সর্বত্র স্বীকৃত ছিল।’ Read the rest of this entry »

12046581_597640647040660_587699030591407997_n

শক্তি-সাধনের গুহ্য রহস্যমার্গ তন্ত্র-সাধনা-০১ : ভূমিকা
রণদীপম বসু

শক্তি-সাধনের এক গুহ্য রহস্যমার্গ হলো তন্ত্র বা তান্ত্রিক-সাধনা। ব্যাপকভাবে তন্ত্র শব্দ দ্বারা শাস্ত্রমাত্রকেই বুঝানো হয়ে থাকে। তাই সাংখ্যদর্শনের অপর নাম কপিলতন্ত্র বা ষষ্টিতন্ত্র; ন্যায়দর্শনের নাম গোতমতন্ত্র; বেদান্তদর্শনের নাম উত্তরতন্ত্র; মীমাংসা দর্শনের নাম পূর্বতন্ত্র। শঙ্করাচার্য বৌদ্ধ ক্ষণভঙ্গবাদকে বৈনাশিকতন্ত্র নামে নির্দেশ করেছেন। প্রসিদ্ধ দার্শনিক পণ্ডিত বাচস্পতি মিশ্রের উপাধি ছিল ‘সর্বতন্ত্রস্বতন্ত্র’। তবে উপাসনাবিশেষ-প্রতিপাদক শাস্ত্রবিশেষ অর্থেই তন্ত্র শব্দ সাধারণত প্রযুক্ত হয়ে থাকে এবং এ অর্থই সমধিক প্রসিদ্ধ।
বস্তুত তন্ত্রশাস্ত্র হলো সাধনার শাস্ত্র, যা অতি গুহ্য বিদ্যা। গুরুর উপদেশ ছাড়া এই শাস্ত্রের তত্ত্ব কেউ বুঝতে পারে না। বলা হয়ে থাকে, ন্যায়, বৈশেষিক প্রভৃতি বিচার-শাস্ত্র লৌকিক বুদ্ধির গম্য, কিন্তু তন্ত্রশাস্ত্র সেরকম নয়। গুরুর উপদেশ না পেলে এ বিদ্যায় একেবারেই প্রবেশ করা যায় না। যদিও বা কোন তীক্ষ্ণধী ব্যক্তি শুধু শাস্ত্র অধ্যয়ন করেই শাস্ত্রার্থ বুঝতে পারেন, তবুও শাস্ত্রবিহিত সাধনাতে তাঁর অধিকার আছে কিনা– এর বিচারক সিদ্ধ পুরুষ বা সৎগুরু। তাই ‘তন্ত্রতত্ত্ব’ গ্রন্থের অবতারণায় সাধক শিবচন্দ্র বিদ্যার্ণব বলছেন– ‘মন্ত্রময় তন্ত্রশাস্ত্র মন্দিরের অভ্যন্তর ভিন্ন প্রাঙ্গণে বাজিবার যন্ত্র নহে, সিদ্ধ-সাধকের হৃদয় ব্যতীত সভায় সমাজে আলোচনার বস্তু নহে।’ কুলার্ণবতন্ত্রেও বলা হচ্ছে– Read the rest of this entry »

images_15.

| মীমাংসা দর্শন-১৩ : মীমাংসা তত্ত্ববিদ্যা- নীতি ও ধর্মতত্ত্ব |
রণদীপম বসু

৪.০ : মীমাংসা তত্ত্ববিদ্যা

৪.১ : মীমাংসাদর্শনে নীতি ও ধর্মতত্ত্ব


মীমাংসাশাস্ত্রে কর্মের অনুষ্ঠানকে সর্বাপেক্ষা প্রাধান্য দেয়া হয়েছে। মীমাংসকদের মতে যে কর্ম বেদ নির্দেশিত অর্থাৎ বেদ যে কর্মকে ইষ্টের সাধক বলে তাই-ই ধর্ম, এবং বেদ নিষিদ্ধ কর্ম অর্থাৎ বেদ যাকে অনিষ্টের সাধক বলে তা অধর্ম। এই মতে, স্মৃতি (অর্থাৎ ঋষিদের রচিত ধর্ম বিষয়ক গ্রন্থ) ও সদাচারও ধর্মে প্রমাণ বলে গৃহীত হতে পারে যদি বেদে তার বিরুদ্ধতা না পাওয়া যায়। কিন্তু তাকে বেদ থেকে পৃথক মনে করে ধর্ম বলে মানা যায় না, এইভাবেই শুধু মানা যেতে পারে যে এ রকম কোনো উক্তি পূর্বেই ছিলো যা থেকে স্মৃতি ও সদাচার তাকে গ্রহণ করেছে। বেদের বেশ কয়েকটি শব্দ লুপ্ত হওয়ায় এখন সেগুলি অপ্রাপ্য। এখানে ‘অপ্রাপ্য’ শব্দের এই অর্থ করতে হবে যে সেগুলির অভিব্যক্তি নেই, অন্যথায় নিত্য হওয়ার জন্য বেদের শব্দরাজি তো কোথাও না কোথাও সংরক্ষিত থাকবেই। Read the rest of this entry »

.
| অনাত্মবাদী বৌদ্ধদর্শন-০৬ : (মহাযান) যোগাচার বৌদ্ধদর্শন- বিজ্ঞানবাদ |
-রণদীপম বসু

(…আগের পর্বের পর)

৪.২ : যোগাচার বৌদ্ধদর্শন : বিজ্ঞানবাদ
.
মহাযান বৌদ্ধধর্মের আরেকটি প্রধান সম্প্রদায় হচ্ছে যোগাচার (yogachara) বা বিজ্ঞানবাদ ভাববাদী সম্প্রদায় (idealistic school)। এই সম্প্রদায় থেরাবাদী বৌদ্ধধর্মের পূর্ণ বস্তুবাদ (realism) এবং মাধ্যমিক সম্প্রদায়ের ব্যবহারিক বস্তুবাদকে প্রত্যাখ্যান করে এক অধিক জটিল অবস্থা স্বীকার করে। এই মতানুসারে, মানুষ যা প্রত্যক্ষ করে তার অস্তিত্ব নেই, বিষয় জ্ঞান হতে অভিন্ন এবং জ্ঞানভেদে বাসনাবৈচিত্র্য হচ্ছে কারণ। বিজ্ঞান বা চেতনাকেই একমাত্র সত্য বলে গ্রহণ করে বলে এই মতবাদকে বলা হয় বিজ্ঞানবাদ। আবার যোগ ও আচরণের উপর অত্যধিক গুরুত্ব আরোপ করায় এই মতবাদকে যোগাচারবাদও বলা হয়। খ্রিস্টীয় চতুর্থ শতকে এই মতের উত্থান। Read the rest of this entry »
.
| মনু’র বৈদিক চোখ : নারীরা মানুষ নয় আদৌ…| পর্ব-০২/৩ |
-রণদীপম বসু
মনুসংহিতায় নারী
এক কথায় বলতে হলে, মনুশাস্ত্রে নারী হচ্ছে পুরুষের ইচ্ছাধীন কর্ষণযোগ্য ক্ষেত্র বা জৈবযন্ত্র, যাতে পুরুষপ্রভু তার বীর্যরূপ বীজ বপন করে পুত্ররূপ শস্য হিসেবে যোগ্য উত্তরাধিকারী উৎপাদনের মাধ্যমে ধর্মরূপ পুরুষতন্ত্রের বহমান ধারাটিকে সচল রাখতে সচেষ্ট রয়েছে। এখানে নারী কেবলই এক পুরুষোপভোগ্য জৈবসত্তা। নারীর মনস্তত্ত্ব বা কোনরূপ মানসিক সত্তাকে মনুশান্ত্রে স্বীকারই করা হয়নি। নারীর দেহসত্তাটিরই প্রাধান্য এখানে, যার মালিকানাও নারীর নিজের নয় অবশ্যই। এর মালিকানা শুধুই আধিপত্যকামী পুরুষ প্রভুর। পুরুষতন্ত্র তার ইচ্ছানুরূপ শারীরিক-মানসিক ভোগ-লিপ্সা চরিতার্থ করতে, সামাজিক-অর্থনৈতিক প্রভাব প্রতিপত্তি ও সত্ত্বাধিকার প্রতিষ্ঠিত রাখতে এবং তার নিরঙ্কুশ আধিপত্যবাদ কায়েম রাখতে যখন যা করার প্রয়োজন মনে করেছে, ধর্মশাস্ত্রের নাম দিয়ে মনুশাস্ত্রে তার সবই প্রয়োগ করা হয়েছে। কোন কিছুরই বাদ রাখা হয়নি। সর্বক্ষেত্রেই নিজেদের অনুকূলে প্রয়োজনীয় আইন ও অনুশাসন সৃষ্টির মাধ্যমে নারীকে বাধ্য করেছে সম্পূর্ণ পদানত রাখতে। এমনকি নারীভোগকে আরো উপভোগ্য করে নিংড়ে নেয়ার প্রয়োজনে নারীর মনস্তাত্ত্বিক যে বিমূর্ত জগত যেখানে আইনের শাসনও পৌঁছাতে পারে না, সেখানেও আধিপত্য অর্জনের লক্ষ্যে প্রযোজ্য ক্ষেত্রে কোথাও কোথাও ফাঁপা প্রশংসা বা কল্পিত গুণ-গান করে তাকে সুযোগমতো প্রতারণা করতেও দ্বিধা করা হয় নি। Read the rest of this entry »

রণদীপম বসু


‘চিন্তারাজিকে লুকিয়ে রাখার মধ্যে কোন মাহাত্ম্য নেই। তা প্রকাশ করতে যদি লজ্জাবোধ হয়, তবে সে ধরনের চিন্তা না করাই বোধ হয় ভাল।...’
.
.
.
(C) Ranadipam Basu

Blog Stats

  • 465,342 hits

Enter your email address to subscribe to this blog and receive notifications of new posts by email.

Join 128 other followers

Follow h-o-r-o-p-p-a-হ-র-প্পা on WordPress.com

কৃতকর্ম

সিঁড়িঘর

দিনপঞ্জি

ডিসেম্বর 2019
রবি সোম বুধ বৃহ. শু. শনি
« নভে.    
1234567
891011121314
15161718192021
22232425262728
293031  

Bangladesh Genocide

1971 Bangladesh Genocide Archive

War Crimes Strategy Forum

লাইভ ট্রাফিক

ক’জন দেখছেন ?

হরপ্পা কাউন্টার

Add to Technorati Favorites

গুগল-সূচক

টুইট

  • গ্রন্থ : ইয়োগা (স্বাস্থ্য ও যৌগিক ব্যায়াম, রোদেলা প্রকাশনী, ফেব্রুয়ারি-২০১৯)... https://t.co/SpIL5tcLTi 6 months ago
  • ছবি : একান্নবর্তী সংসারের নতুন-পুরনো সদস্যরা... https://t.co/7HJBdUekkd 1 year ago
  • গ্রন্থ : টিপলু (কিশোর গল্প, দ্যু প্রকাশন, ফেব্রুয়ারি-২০১৮) https://t.co/zID65r8q97 1 year ago
  • গ্রন্থ : ছড়া-কবিতার ঝুল-বারান্দায় (ছোট কবিতা প্রকাশন, জানুয়ারি-২০১৮) https://t.co/Goy6tNtWr0 1 year ago
  • গ্রন্থ : নাস্তিক্য ও বিবিধ প্রসঙ্গ (রোদেলা প্রকাশনী, ফেব্রুয়ারি-২০১৮) https://t.co/ECvpDneHSe 1 year ago
Protected by Copyscape Web Plagiarism Check

Flickr Photos