h-o-r-o-p-p-a-হ-র-প্পা

Posts Tagged ‘শাসন

ballal-dhibi

ইতিহাসের ঝুল-বারান্দায় বাঙলা ও বাঙালি- ০৯
-রণদীপম বসু

(৯)
পালবংশের পতনের পর বাঙলায় সেনবংশ রাজত্ব করে। এরাও প্রতাপশালী রাজা ছিলেন। তবে সেনরাজারা পালরাজাদের মতো উদার আবহাওয়ায় রাজত্ব চালালেন না। জানা যায়, প্রথম সেনরাজ বিজয়সেনের রাজধানীর ছিল বিজয়পুর। পরবর্তীকালে রাজধানী হয় বিক্রমপুর (বাংলাদেশের বর্তমান মুন্সীগঞ্জ জেলায়)। কারও কারও মতে সেনবংশের পরবর্তী রাজা বল্লালসেনের রাজধানী ছিল নবদ্বীপ, এবং পরবর্তীকালে সেনরাজারা আবারও বিক্রমপুরে চলে এসেছিলেন। এই সেন-আমলেই বাঙলাদেশে আবার ব্রাহ্মণ্য ধর্ম পুনঃপ্রতিষ্ঠিত হয়। অধ্যাপক নীহাররঞ্জন রায় বলেন– Read the rest of this entry »

|ছোট-কাগজ 'প্রতীকী' ১৬সংখ্যা|ছবি: রণদীপম বসু|

|ছোট-কাগজ 'প্রতীকী' ১৬সংখ্যা|ছবি: রণদীপম বসু|

| ষোড়শ সংখ্যা ‘প্রতীকী’, কিছু কথা কিছু আকথা…|

রণদীপম বসু

০১.
কে কেন কিভাবে লিখেন, এ নিয়ে দুনিয়াজোড়া মজার মজার কাহিনী প্রচলিত আছে। আবার প্রতিটা মানুষই নাকি কোন না কোনভাবে কিছু কিছু মজার স্ববিরোধিতায় আক্রান্ত হয়ে থাকেন। বিশেষ করে যাঁরা ভাবনার খুব গভীরতলে পৌঁছে যান, তাঁরাই আবার খুব হালকামাত্রায় এসে বেশ হাস্যকর কর্মকাণ্ড ঘটিয়ে বসেন। বিজ্ঞানী নিউটনের এরকম একটা ঘটনার কথা তো বহুল প্রচলিত, যা সেই ছাত্রকালে শুনে বেশ মজা পেয়েছিলাম। কী এক গবেষণা চালাতে গিয়ে নিউটন নাকি একবার দুই কোঠা বিশিষ্ট বড় একটি বাক্সের মধ্যবর্তী পার্টিশনটাতে দুই আকৃতির দুটো ছিদ্র করেছিলেন, কোঠা বদল করতে বড় বিড়ালের জন্য একটি এবং ছোটটির জন্য অন্যটি। শুধুমাত্র একপাশ থেকে অন্যপাশে যাওয়ার জন্য দুটো বেড়ালের জন্য যে একটি রাস্তাই যথেষ্ট, এ কথাটা নিউটনকে কিছুতেই বোঝানো যাচ্ছে না। অবশেষে তাঁর সহকারী হাতে-কলমে দেখিয়ে দেয়ার পর নিউটনের উক্তি ছিলো- তাই তো ! ঘটনাটি আদৌ সত্য কিনা, না কি বাঙালির রসসৃষ্টির অসাধারণ প্রতিভার আরেকটি নমুনা উদাহরণ কে জানে। তবে মনোবিজ্ঞান বলে যে, ভাবনার উচ্চস্তরে অবস্থান করলে একই সময়ে নিচের স্তরের এরকম ছোটখাটো অসংগতি ঘটানো মানব-মস্তিষ্কের স্বাভাবিক প্রবণতার একটা অংশ। Read the rest of this entry »

33px3

কৌমের শাসন ভেঙে
-রণদীপম বসু

.
(১)
ঈভের পাপড়ির মতো ঝরে যাবে সুপর্ণ বাতাসে !
নীলকণ্ঠ কষ্ট ধুয়ে না পাও উষ্ণতা যদি
সাগরের গ্রন্থি খুলে মেখে নিও উৎকর্ণ আকাশের গায়
নিবিড় নিঃশ্বাসে ঝরে বয়ে যাবে আদি স্রোত
লেখা হবে প্রণয়ের অলিখিত উপাখ্যান যতো…।

(২)
কৌমের শাসন ভেঙে এ কোন্ গ্রন্থির মোহে
এসেছো শবরী কন্যা অশরীরী স্রোতে ?
পৃথিবী কৌমের ছায়া,
নিঃশেষে বিলীন হয়ে সব গ্রন্থি মিশে যাবে
আদি-অন্ত শরীরেরই ব্যুহে…।

(৩)
ফিরে যাও যাও কন্যা সেই সব মাটির পাঁজরে,
আপন দেহেতে লীন অভিন্ন উষ্ণতা বয়ে
এখনো যেখানে যতো প্রণয়ের কথামালা
চালাচালি হয়ে ফিরে
শব্দহীন শিকড়ে শিকড়ে…।

ট্যাগ সমুহঃ , ,

2741953014_fcee511b22_o

ছড়া-কবিতায় ছন্দের শাসন ও দুঃশাসন
– রণদীপম বসু

এটা কি শুধুই কষ্ট-কল্পনা ?

তাও তো প্রায় একশ’ বছরই হতে চললো। রবীন্দ্রনাথের জীবনকালেই বাংলা কবিতা যদি তার ছন্দমিল-অন্ত্যমিল -এর স্বভাবী বাঁধন কেটে আধুনিকতার মুক্ত আকাশে এক বিপুল সম্ভাবনায় উড়াল দিয়ে আকাশের ওই চকচকে সীমানাটা উত্তরোত্তর বাড়িয়ে যেতে পারে, সেখানে আমাদের কিশোর কবিতাকে এই স্বেচ্ছাকৃত মিল-বাধ্যকতার স্বর্ণশিকলে আটকে রেখে এর সম্ভাব্য উত্তরণ থামিয়ে রাখায় কতটুকু যৌক্তিকতা রয়েছে তা কি কখনো ভেবেছি আমরা ? সেই আদ্যিকালের বাঁধা লাইনে পদ্য-কবিতার রেলগাড়িটা চালাচ্ছি তো চালাচ্ছিই। এর বাইরেও যে বিশাল জগতটা পড়ে আছে, কিশোর মনের ভাবালুতা আর স্বপ্নমগ্নতাকে সাথে করে ওখানেও উড়াল দেয়া যেতে পারে এক অনন্য সম্ভাবনা নিয়ে, তাও কি ভাবেননি কেউ? হয়তো ভেবেছেন, উড়াল দিয়েছেনও কেউ কেউ। আর এখানেই স্বনির্মিত ডানা সৃষ্টির সামর্থ এবং প্রাসঙ্গিক প্রশ্নগুলোও সামনে চলে আসে।

উড়তে না জানলে উটপাখির মতো শরীরের বিশাল ভার নিয়ে একই জমিতে দাবড়ে বেড়ানোর সনাতন কসরতগুলো বারবার দেখানো যেতে পারে। এতে ভেসে বেড়ানোর কাব্যময় উপলব্ধি এবং তা অন্যের মনে চারিয়ে দেয়ার যোগ্যতা অর্জনের ডানাটা নৈরাশ্যজনকভাবে অকেজো এবং ধরা-ছোঁয়ার বাইরেই থেকে যায়। এ জন্যে যে কষ্টসহিষ্ণু শিল্পশ্রম এবং অধ্যয়নতৃষ্ণা নিয়ে যথাশুদ্ধ অনুশিলন ও সাধনা দরকার, আমাদের এতো এতো কাজ অকাজের ভীড়ে সময় কই সময় নষ্ট করার ? আর এ কারণেই আমাদের অধিকাংশই কবিতার নামে কুকথা, পদ্যের নামে বর্জ্য এবং ছড়ার নামে হাজার হাজার কচুর ছড়া উৎপাদন করতে করতে ভরিয়ে ফেলছি সাহিত্য সাময়িকী সংকলনের ভিক্ষাবরাদ্দ পাতাগুলো।

Read the rest of this entry »

5161~Girl-Reading-Book-Posters.

| বাবার চিঠি |

-রণদীপম বসু

.
এখন তো আর কেউ লেখে না-
পর সমাচার এই
খোকা তুমি কেমন আছো,
ভালো আছো? ভালো থেকো
সময় হলে খেয়ে নিও, শরীরটাকে যত্ন দিও
দেখে শুনে চলো কিন্তু
দুপুর রোদে বের না হয়ে শীতল ছায়াতেই
থাকতে যেন ভুল করো না,
আমরা সবাই ভালো আছি
ভাবনা কিছু নেই।

মা যে তোমার নিঘুম রাতে
আসবে তুমি সেই আশাতে
পথের রেখায় চোখ বিছিয়ে  জ্বালায় স্নেহের আলো,
মন কি তোমার খারাপ হলো?
তা করো না, সব মায়েরা এমনই হয়
বাবা হলেই বুঝবে তখন,  তার আগে তো নয়।

হলুদ খামের ছোট্ট চিঠি
চিঠি তো নয়, বোনটি যেন পিঠাপিঠি
কপট চোখে শাসন ঝাড়ে-
বাবা তো আর থাকবে নারে
হতভাগা বুঝবি তখন যাসনি কেন, কিসের অপেক্ষায় !
শ্যামল গাঁয়ের সবুজ কোণে
সব বাবারাই সংগোপনে
খোকার জন্যে দোয়ার নহর বইয়ে এমন
যায় কি চলে যায়?

এক জীবনের বাঁকে বাঁকে
একটি চিঠি
ছোট্ট চিঠি
বিশাল হয়ে পড়ে থাকে;
চিরকালের খোকারা কি
হয় না বাবা কখনো হায়
পিতার স্নেহের দিঘল ছায়ার
সিক্ত বারান্দায়!

(১৪/০৫/২০০৭)


রণদীপম বসু


‘চিন্তারাজিকে লুকিয়ে রাখার মধ্যে কোন মাহাত্ম্য নেই। তা প্রকাশ করতে যদি লজ্জাবোধ হয়, তবে সে ধরনের চিন্তা না করাই বোধ হয় ভাল।...’
.
.
.
(C) Ranadipam Basu

Blog Stats

  • 555,633 hits

Enter your email address to subscribe to this blog and receive notifications of new posts by email.

Join 140 other followers

Follow h-o-r-o-p-p-a-হ-র-প্পা on WordPress.com

কৃতকর্ম

সিঁড়িঘর

দিনপঞ্জি

অগাষ্ট 2020
রবি সোম বুধ বৃহ. শু. শনি
 1
2345678
9101112131415
16171819202122
23242526272829
3031  

Bangladesh Genocide

1971 Bangladesh Genocide Archive

War Crimes Strategy Forum

লাইভ ট্রাফিক

ক’জন দেখছেন ?

হরপ্পা কাউন্টার

Add to Technorati Favorites

গুগল-সূচক

টুইট

Protected by Copyscape Web Plagiarism Check

Flickr Photos