h-o-r-o-p-p-a-হ-র-প্পা

Posts Tagged ‘মুণ্ডক

Kali_by_Raja_Ravi_Varma

শক্তি-সাধনা-১২ : শক্তিদেবী কালী ও তাঁর পূজার ইতিহাস
রণদীপম বসু

বাঙলা ও ভারতে শক্তিসাধনা মূল দুইভাগে বিভক্ত– প্রথমটা হলো দুর্গা-কেন্দ্রিক, আর দ্বিতীয়টা কালী-কেন্দ্রিক। পার্বতী উমা, সতী এবং দুর্গা-চণ্ডিকার ধারা মিলে পুরাণ-তন্ত্রাদিতে যে দুর্গাকেন্দ্রিক এক মহাদেবীর বিবর্তন দেখতে পাই, তার সাথে এসে মিলেছে কালী, করালী, চামুণ্ডা, তারা ও অন্যান্য দশমহাবিদ্যাকে নিয়ে আরেকটি ধারা, তা হলো দেবী কালিকা বা কালীর ধারা। এই কালী বা কালিকাই বাঙলা অঞ্চলের শক্তিসাধনার ক্ষেত্রে দেবীর অন্য সব রূপ পেছনে ফেলে শেষ পর্যন্ত সর্বেশ্বরী হয়ে উঠেছেন। তাই বাঙলার শক্তি-সাধনা ও শাক্ত-সাহিত্যকে বুঝতে হলে এই কালী বা কালিকার ধারাটির প্রাচীন ইতিহাস একটু অনুসন্ধান করা প্রয়োজন বলে মনে হয়। Read the rest of this entry »

images

| চার্বাক সিদ্ধান্ত পর্যালোচনা-১৮ : চার্বাক ও বেদ |
রণদীপম বসু

। চার্বাক ও বেদ।

বৈদিক সংস্কৃতির বিরুদ্ধে বিদ্রোহের মধ্যে চার্বাক দর্শনের মূল ধারার আবির্ভাবের যে ইঙ্গিত পণ্ডিতেরা দিয়েছেন তার উল্লেখ আগেই করা হয়েছে। এই বিদ্রোহের পটভূমিতে চার্বাক সিদ্ধান্তকে বিচার করতে গেলে বৈদিক চিন্তাধারার সমান্তরালে চার্বাকী মনোভাব মিলিয়ে দেখাটাই প্রাসঙ্গিক হবে। ইতঃপূর্বে আমরা প্রাচীন বৈদিক সাহিত্য ও তার চিন্তাধারার পরিচয় অধ্যায়ান্তরে আলোচনা করেছি। সেখানেই আমরা অবগত হয়েছি যে, বেদের সংখ্যা চার– ঋক্, সাম, যজুস্ ও অথর্ব। অবশ্য বহুক্ষেত্রে বেদ ‘ত্রয়ী’ নামের মাধ্যমে পরিচিত; কারণ, অথর্ব বা চতুর্থ বেদকে স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে অনেক দেরিতে। প্রত্যেক বেদের আবার তিনটি বিভাগ– মন্ত্র বা সংহিতা, ব্রাহ্মণ এবং উপনিষৎ। সংহিতা, ব্রাহ্মণ এবং উপনিষদে বিভক্ত বেদ এক বিপুল সাহিত্য সম্ভার। বৈদিক সাহিত্য হিসেবে এর পরিচিতি এবং যে যুগের পরিধির মধ্যে এই সাহিত্যের সৃষ্টি, বৈদিক যুগ বলতে সাধারণত তাকেই বোঝায়। Read the rest of this entry »

chanakya_1

| আর্য-সংস্কৃতি ও বৈদিক-যুগ-০৪ : বৈদিক সাহিত্য- আরণ্যক ও উপনিষদ |
রণদীপম বসু

২.৩ : আরণ্যক ও উপনিষদ

বৈদিক সাহিত্যে ‘ব্রাহ্মণ’ গ্রন্থগুলির শেষাংশে আর একজাতীয় রচনা সংযোজিত দেখা যায়, তার নাম ‘আরণ্যক’ ও ‘উপনিষদ’। এই রচনাগুলি ‘ব্রাহ্মণে’র সঙ্গে এমনভাবে সংযোজিত হয়েছে যে অনেক সময় ‘ব্রাহ্মণ’ ও ‘আরণ্যকে’র মধ্যে সীমারেখা সুস্পষ্ট নয় এবং ‘আরণ্যক’ ও ‘উপনিষদে’র মধ্যেও পার্থক্য প্রায় অস্পষ্ট। তবুও রচনাকালের দিক থেকে ‘আরণ্যক’ ও ‘উপনিষদ’ অবশ্যই পরবর্তী এবং আলোচ্য-বিষয়ের দিক থেকে ‘ব্রাহ্মণে’র সঙ্গে বিশেষ করে ‘উপনিষদে’র পার্থক্য অত্যন্ত মৌলিক। Read the rest of this entry »

upanishad

| আর্য-সংস্কৃতি ও বৈদিক-যুগ-০২ : বৈদিক সাহিত্য– সংহিতা |
রণদীপম বসু

২.০ : বৈদিক সাহিত্য

ব্রহ্মবিদদের কাছে ‘বেদ’ মানে যদিও পবিত্র ও পরম জ্ঞান, তবুও পরবর্তীকালে ‘বেদ’ বলতে এক নির্দিষ্ট সাহিত্যই বোঝায়– ভারতবর্ষীয়, তথা ইন্দো-ইউরোপীয় ভাষার সর্বপ্রাচীন সাহিত্য। তবে এই সাহিত্য অর্থে ‘বেদ’ বলতে কোনো একটি গ্রন্থ বিশেষ বোঝায় না– প্রায় শতাধিক গ্রন্থের সমষ্টি বোঝায়। যদিও চলতি কথায় আমরা শুধুমাত্র একধরনের রচনা ‘সংহিতা’কেই  ‘বেদ’ আখ্যা দিয়ে থাকি, কিন্তু সামগ্রিকভাবে এই শতাধিক গ্রন্থের সমষ্টিকেই ‘বৈদিক সাহিত্য’ বলা হয়।

Read the rest of this entry »

1069213_557280097670003_419036928_n

| প্রাক্-বৈদিক সিন্ধু-যুগ-০৯ : লিঙ্গ উপাসনা |
রণদীপম বসু

লিঙ্গ-উপাসনা :

ইতোমধ্যেই আমরা দেখেছি যে, প্রাক্-বৈদিক ধর্মবিশ্বাসের ক্ষেত্রে সিন্ধু-ধর্মের প্রধানতম উপাদান হলো উর্বরতামূলক আদিম জাদুবিশ্বাস বা তার স্মারক। আর এ-বিশ্বাসের মূলসূত্র অনুসারে মানবীয় ফলপ্রসূতা ও প্রাকৃতিক ফলপ্রসূতা একই সূত্রে বাঁধা। স্বভাবতই আদিম মানুষদের মধ্যে প্রচলিত এই বিশ্বাসমূলক আচার-অনুষ্ঠানের ক্ষেত্রে– এবং এই বিশ্বাস-উদ্ভূত নানান প্রচলিত ধর্মের ক্ষেত্রেও– জনন-অঙ্গের উপর বিশেষ গুরুত্ব-আরোপণের পরিচয় পাওয়া যায়। সিন্ধু-ধর্মও যে স্বভাবতই তার ব্যতিক্রম নয়, তার প্রমাণ হলো সমগ্র সিন্ধু-সাম্রাজ্য জুড়ে আবিষ্কৃত অজস্র লিঙ্গ ও যোনি মূর্তি। জন মার্শল প্রমুখ প্রত্নতত্ত্ববিদেরা এগুলির বিস্তৃত বিবরণ দিয়েছেন এবং প্রায় একবাক্যে এগুলিকে সিন্ধু-ধর্মের পরিচায়ক বলেই গ্রহণ করেছেন। Read the rest of this entry »

Meditation| বেদান্তদর্শন-ব্রহ্মবেদান্ত-১৯: বাদরায়ণের দার্শনিকমত- মুক্তির সাধন |
রণদীপম বসু

(ক) মুক্তির সাধন-
বিদ্যা তথা ব্রহ্মজ্ঞানকে বাদরায়ণ মুক্তির বিশেষ সাধন বলে মেনেছেন, কর্মও যার সহায়ক বলে তিনি মনে করেন।

(১) ব্রহ্মবিদ্যা :

এই বিদ্যা বা ব্রহ্মজ্ঞান কী ? শ্বেতাশ্বতর উপনিষদে বলা হয়েছে-


‘এতৎ জ্ঞেয়ং নিত্যমেব আত্মসংস্থং নাতঃ পরং বেদিতব্যং হি কিঞ্চিৎ।
ভোক্তা ভোগ্যং প্রেরিতারং চ মত্বা সর্বং প্রোক্তং ত্রিবিধং ব্রহ্মমেতৎ’।। (শ্বেতাশ্বতর-১/১২)।।
অর্থাৎ : ব্রহ্ম যে অন্তরতম সত্তা, সর্বদা তিনি যে ভেতরে রয়েছেন, এ সত্য জানতে হবে। এর চেয়ে উচ্চতর আর কোন জ্ঞান নেই। জীব (ভোক্তা), জগৎ (ভোগ্য), এবং অন্তর্যামী ঈশ্বর (প্রেরিতারম্)- এই তিনই যে ব্রহ্ম একথাটা জানতে হবে (শ্বেতাশ্বতর-১/১২)।


ব্রহ্মের এই স্বরূপ জানতে গিয়ে উপনিষদের বিভিন্ন ঋষিগণ ব্রহ্মকে সৎ, উদ্গীথ, প্রাণ, ভূমা, পুরুষ, দহর, বৈশ্বানর, আনন্দময়, অক্ষর, মধু প্রভৃতি বিভিন্ন নামে বর্ণনা করে জ্ঞান দ্বারা উপাসনার কথা বলেছেন। এ সকল নামকে কেন্দ্র করে এই বিষয়ে কৃত উপদেশসমূহের নাম হয়েছে সৎ-বিদ্যা, উদ্গীথ-বিদ্যা, প্রাণবিদ্যা, ভূমা-বিদ্যা ইত্যাদি। এই বিদ্যা দ্বারাই মোক্ষ তথা পুরুষার্থ প্রাপ্ত হয় বলে বাদরায়ণ মনে করেছেন। তাই বেদান্তসূত্রে তিনি বলেন-
Read the rest of this entry »

images_13.

| বেদান্তদর্শন-ব্রহ্মবেদান্ত-১৫ : বাদরায়ণের দার্শনিক মত- আত্মার সাধন |
রণদীপম বসু

(ঘ) আত্মার সাধন :
বলা হয়, বিজ্ঞানময় ব্রহ্মই স্বয়ং উপাধিযুক্ত হয়ে, সসীম দেহ ইত্যাদি যুক্ত হয়ে- জীবরূপ ধারণ করেন। সেইজন্যই বিজ্ঞানময়তা জীবের স্বভাবধর্ম এবং মূর্চ্ছা বা সুষুপ্তি অবস্থায় এই বিজ্ঞান সম্পূর্ণরূপে বিলুপ্ত হয় না। কারণ- Read the rest of this entry »


রণদীপম বসু


‘চিন্তারাজিকে লুকিয়ে রাখার মধ্যে কোন মাহাত্ম্য নেই। তা প্রকাশ করতে যদি লজ্জাবোধ হয়, তবে সে ধরনের চিন্তা না করাই বোধ হয় ভাল।...’
.
.
.
(C) Ranadipam Basu

Blog Stats

  • 555,479 hits

Enter your email address to subscribe to this blog and receive notifications of new posts by email.

Join 140 other followers

Follow h-o-r-o-p-p-a-হ-র-প্পা on WordPress.com

কৃতকর্ম

সিঁড়িঘর

দিনপঞ্জি

অগাষ্ট 2020
রবি সোম বুধ বৃহ. শু. শনি
 1
2345678
9101112131415
16171819202122
23242526272829
3031  

Bangladesh Genocide

1971 Bangladesh Genocide Archive

War Crimes Strategy Forum

লাইভ ট্রাফিক

ক’জন দেখছেন ?

হরপ্পা কাউন্টার

Add to Technorati Favorites

গুগল-সূচক

টুইট

Protected by Copyscape Web Plagiarism Check

Flickr Photos