h-o-r-o-p-p-a-হ-র-প্পা

Posts Tagged ‘ভাষা

philosophy

| সমতলে বক্ররেখা-০৬ :                           
আমাদের সব আবেগই কি যুক্তিহীন !
-রণদীপম বসু

(১)
ফুটপাত ধরে হাঁটতে হাঁটতে মিরপুর হার্ট ফাউণ্ডেশনের সামনে দিয়ে যাচ্ছিলাম। এখানে যারা আসেন, সখ করে তো নয়, দায়ে পড়েই আসেন। একটু একটু করে হৃদয়হীন হয়ে যাওয়া এই দেশটাতে হৃদয়গত সমস্যা যে কী প্রবল তা টের পাওয়া যায় রমনা পার্ক বা এ জাতীয় উদ্যানগুলোর অন্তর্হিত নিরালা স্পটগুলোতে গেলে অথবা নগরীর বিভিন্ন হার্ট ক্লিনিকগুলোতে ঢু মারলে। যদিও দুটো জায়গার পরিবেশ পরিস্থিতি এবং প্রেক্ষিত ভিন্ন, দুই দল দুই ভুবনের পাত্রপাত্রী, তবু অভিন্নতা একটাই ; উভয়েই হৃদয়গত সমস্যায় তটস্থ, কখনো কখনো বিধ্বস্ত। Read the rest of this entry »

Advertisements
.
| জৈনদর্শন: পর্ব-০৭ | জৈনমতে বন্ধন ও মোক্ষ |
-রণদীপম বসু
জৈন নীতিতত্ত্ব :
জীব বা আত্মার বন্ধন ও মুক্তির আলোচনা ভারতীয় চিন্তাধারায় মুখ্য ও অতি গুরুত্বপূর্ণ স্থান অধিকার করে আছে। যদিও জীবনের বন্ধন ও মুক্তির আলোচনাকে সাধারণভাবে ধর্মীয় ও নৈতিক আলোচনা বলা হয়, তবু ভারতীয় দার্শনিক আলোচনার মূল প্রতিপাদ্য বিষয় আসলে জীবের বন্ধন ও মুক্তি। চার্বাক ভিন্ন সকল দর্শন সম্প্রদায়ই মোক্ষকে পরম পুরুষার্থ বলে মনে করেন। মোক্ষ হলো জীবের বন্ধন ও দুঃখ থেকে নিবৃত্তির অবস্থা। একথা সত্য যে, মোক্ষের স্বরূপ নিয়ে ভারতীয় দার্শনিকদের মধ্যে মতভেদ রয়েছে। কিন্তু দুঃখ থেকে নিবৃত্তি এবং মোক্ষলাভই যে জীবের পরম লক্ষ্য সে বিষয়ে প্রায় সকলেই একমত। তাই ভারতীয় দর্শনে ধর্ম ও নীতিশাস্ত্রের আলোচনা প্রধানত জীবের বন্ধন ও মুক্তিকেন্দ্রিক। 
.
৩.৪ : জৈনমতে বন্ধন ও মোক্ষ (bondage & liberation)
.
ভারতীয় দর্শনে বন্ধনের অর্থ নিরন্তর জন্ম গ্রহণ করা এবং সংসারের দুঃখকে সহ্য করা। জৈনদর্শন (Jainism) অনুযায়ী, কষায়ে লিপ্ত হয়ে জীবের যে বিষয়াসক্তি হয় একেই বলে বন্ধন (bondage), যার ফলে দুঃখ সহ্য করেও জীব এক দেহ থেকে অন্য দেহে গমনাগমন করে। এই গমনাগমনকে বলে আস্রব (flow)। আস্রব অর্থ বহমানতা। আর কষায় (sticky substance) হচ্ছে চিত্তমালিন্য। জীব কষায়ে লিপ্ত হয়ে গমনাগমন করে। ক্রোধ, অভিমান, মোহ, লোভ ও অশুভকে মন্দ-কষায় বলে এবং ক্রোধহীনতা, নিরভিমান, মোহমুক্তি, নির্লোভতা প্রভৃতি শুভ-কষায়। Read the rest of this entry »
| ঘড়ায়-ভরা উৎবচন…|২০১-২১০|
রণদীপম বসু

(২০১)
যে সত্য প্রকাশ করা যায় না, তার কোন ব্যবহারিক মূল্য নেই।
যার ব্যবহারিক মূল্য থাকে না, তা অর্থহীন অপ্রয়োজনীয়।

(২০২)
যে প্রশ্নের উত্তর জানি বলে আমরা মনে করি, তা নিয়ে কেউ ভাবি না।
শেষ পর্যন্ত উত্তরটা আর জানা হয় না আমাদের;
এবং সবচেয়ে কম জানি সেটাই।

(২০৩)
চিন্তারাজিকে সীমাহীন উন্মুক্ত না-করলে বিজ্ঞান-মনস্ক হওয়া যায় না;
আর মুক্তচিন্তাকে অবরুদ্ধ না করলে প্রচলিত ধার্মিক হওয়া সম্ভব নয়।
XRayOfPeaceblog_1207816722_1-MMMM
| আমাদের ‌‌’ব্যা-করণ’ শিক্ষা !
রণদীপম বসু

(০১)
পড়ার সামর্থ যতটুকুই থাক, পাঠক হিসেবে নিজেকে কখনোই খাটো করে দেখি না আমি। আর আমিই বা কেন ! নিজের ক্ষেত্রে কেউই তা দেখেন না। কারণ এটা একটা স্বতঃস্ফূর্ত প্রক্রিয়া, স্রোতের মতো। স্রোত ভারী হলে গন্তব্য দূরবর্তী হবে, নয়তো নিকটবর্তী। তবে পাঠ যেটুকুই হোক, পাঠকের মৌলিক চরিত্র একটাই, পাঠের আগ্রহ।

যেহেতু আমি বহুভাষী নই, অন্য কোন ভাষা আমি জানি না বা বুঝি না, তাই মাতৃভাষা বাংলাই শেষ ভরসা আমার। অনেকটা অসহায়ত্বে আক্রান্ত নিরূপায় মানুষের ঈশ্বর-ভরসার মতো। ভিন্নভাষী কোন বই নিয়ে যদি কোথাও কোন তোলপাড় উঠতে শুনি, তৃষ্ণার্ত চাতকের মতো সেটার অনুদিত বাংলার অপেক্ষাতেই থাকতে হয় আমাকে। সে অপেক্ষা সার্থক হোক বা না হোক। তৃষ্ণাও কখনো মেটে, কখনো মেটে না। যেটুকু না মেটে সেটা আমারই সীমাবদ্ধতা হিসেবে মেনে নেই। এছাড়া কিছু তো করার নেই। যাদের নির্ভর করার মতো একাধিক ভাষা-বিকল্প থাকে তাঁরা হয়তো আমার মতো এতোটা অসহায় নন। তবে এ নিয়ে আমার কোন  আফসোস নেই। আফসোস যেটা, সেটা অন্য জায়গায়।

8F5CDBAD-FA2C-4853-B7AA-D8194AA3AE29.

| ঘুড়ি |

-রণদীপম বসু

.
ওই দেখো দূরে ওই
দেখছো কি? দেখছো না?
কেটে যাওয়া ঘুড়িটা আকাশের ছুঁই ছুঁই
সীমানাটা পেরিয়ে
ভেসে যায় ফেঁসে যায়
দেখছো না?

কী দারুণ গোত্তায়
আকাশের বুকটাকে
ঠুকছিলো
সুতোটার বন্ধনে
বাতাসের স্রোতটাকে
রুখছিলো।
কী হতে যে কী হলো- কে যে দিলো গুঁতোটা
লাটাইয়ের আঙিনায় ফিরে আসে সুতোটা,
ওখানে কি বাঁধা ছিলো শুধু ওই ঘুড়িটাই?
রঙ নাই? সুর নাই?
ইচ্ছের কুঁড়ি নাই?
অথবা কি ভাষা নাই?
ভাসা ভাসা আশা নাই?
বুকটাকে ধু ধু করে খোকা দেখো ফিরে যায়
তবু ফিরে ফিরে চায়,
কি চায়?
কি চায়?

কি যে হলো ভাবে তাই-
ওটা শুধু ঘুড়ি নয়, খোকনের মনটাই
কেটে যাওয়া ঘুড়ি হয়ে ভেসে ভেসে চলছে
গায়ে গায়ে কতো কথা
বাতাসের কানে কানে বলছে।
কই গিয়ে পড়বে সে
জানে কি না জানে সে
তবু ভেসে চলছে, চলছে
বাতাসের গায়ে চেপে খোকা উড়ে চলছে
চলছে!

(০৯/০৮/২০০৭)


রণদীপম বসু


‘চিন্তারাজিকে লুকিয়ে রাখার মধ্যে কোন মাহাত্ম্য নেই। তা প্রকাশ করতে যদি লজ্জাবোধ হয়, তবে সে ধরনের চিন্তা না করাই বোধ হয় ভাল।...’
.
.
.
(C) Ranadipam Basu

Blog Stats

  • 429,838 hits

Enter your email address to subscribe to this blog and receive notifications of new posts by email.

Join 123 other followers

Follow h-o-r-o-p-p-a-হ-র-প্পা on WordPress.com

কৃতকর্ম

সিঁড়িঘর

দিনপঞ্জি

সেপ্টেম্বর 2019
রবি সোম বুধ বৃহ. শু. শনি
« সেপ্টে.    
1234567
891011121314
15161718192021
22232425262728
2930  

Bangladesh Genocide

1971 Bangladesh Genocide Archive

War Crimes Strategy Forum

লাইভ ট্রাফিক

ক’জন দেখছেন ?

হরপ্পা কাউন্টার

Add to Technorati Favorites

গুগল-সূচক

টুইট

  • গ্রন্থ : ইয়োগা (স্বাস্থ্য ও যৌগিক ব্যায়াম, রোদেলা প্রকাশনী, ফেব্রুয়ারি-২০১৯)... https://t.co/SpIL5tcLTi 3 months ago
  • ছবি : একান্নবর্তী সংসারের নতুন-পুরনো সদস্যরা... https://t.co/7HJBdUekkd 1 year ago
  • গ্রন্থ : টিপলু (কিশোর গল্প, দ্যু প্রকাশন, ফেব্রুয়ারি-২০১৮) https://t.co/zID65r8q97 1 year ago
  • গ্রন্থ : ছড়া-কবিতার ঝুল-বারান্দায় (ছোট কবিতা প্রকাশন, জানুয়ারি-২০১৮) https://t.co/Goy6tNtWr0 1 year ago
  • গ্রন্থ : নাস্তিক্য ও বিবিধ প্রসঙ্গ (রোদেলা প্রকাশনী, ফেব্রুয়ারি-২০১৮) https://t.co/ECvpDneHSe 1 year ago
Protected by Copyscape Web Plagiarism Check

Flickr Photos

Advertisements