h-o-r-o-p-p-a-হ-র-প্পা

Posts Tagged ‘বিশ্বাস

12011170_595804190557639_3476711958994281072_n

শক্তি-সাধনা-০৯। উর্বরতা-কেন্দ্রিক জাদুবিশ্বাস
রণদীপম বসু

জাদুবিশ্বাস কী? জাদুবিশ্বাসমূলক যে সকল অনুষ্ঠান ভূমির উর্বরতা বাড়ানোর সঙ্গে সম্পর্কিত, প্রাচীন মানুষের চিন্তায় সেগুলিকে মেয়েদের বিশেষ ব্যাপার বলে গণ্য করা হতো। পৃথিবীর ফলোৎপাদিকা শক্তিকে মেয়েদের সন্তান উৎপাদিকা শক্তির সঙ্গে অভিন্ন করে দেখার রীতি পৃথিবীর সর্বত্রই বিদ্যমান। সংস্পর্শ অথবা অনুকরণের দ্বারা একের প্রভাব অন্যের উপর সঞ্চারিত করা সম্ভব বলে বিশ্বাস করা হতো। যে সকল পূর্ব শর্ত নারীকে ফলপ্রসূ করে তা পৃথিবীরূপী মাতৃদেবীকে ফলপ্রসূ করে। এই বিশ্বাসগত ধারণাই উর্বরতা-কেন্দ্রিক জাদুবিশ্বাসের মৌল ধারণা। Read the rest of this entry »

Advertisements

12004962_598650700272988_6352938307443038956_n

শক্তি-সাধনা-০৮। প্রকৃতি-উপাসনা
রণদীপম বসু

বেদ-পূর্ব সিন্ধু-ধর্ম মাতৃপ্রধান এবং বৈদিক ধর্ম যে পুরুষ-প্রধান, এ বিষয়ে বিদ্বান-পণ্ডিতদের মধ্যে কোন দ্বিমত নেই। কিন্তু ভারতীয় সংস্কৃতির আলোচনায় অত্যন্ত কৌতুহলোদ্দীপক বিষয় হলো, পরবর্তীকালের ভারতবর্ষীয় ধর্মে অন্তত সাধারণ জনগোষ্ঠির মধ্যে ব্যাপকভাবে প্রচলিত ধর্মবিশ্বাসের ক্ষেত্রে ঋগ্বেদের প্রাচীন পুরুষ-দেবতাদের বিশেষ কোন পরিচয়ই পাওয়া যায় না। অন্যদিকে উত্তরকালের এই ধর্মবিশ্বাসের প্রধানতম উপাদান হলো মাতৃ-পূজা– তা কি ওই বেদ-পূর্ব সিন্ধু-ধর্মেরই রেশ? এ ক্ষেত্রে সিন্ধু-যুগে এই ধর্মবিশ্বাস প্রচলিত ছিলো বলে এর ব্যাখ্যা-সন্ধানে যেমন সিন্ধু-প্রত্নতত্ত্ব-লব্ধ স্মারকগুলির উপর নির্ভর করতে হবে, তেমনি পরবর্তীকালেও এই ধর্মবিশ্বাস বহুলাংশে অক্ষুণ্ন থেকেছে এই অনুমান-জন্য পরবর্তীকালের লিখিত সাহিত্য হয়তো ওই স্মারকগুলির উপর গুরুত্বপূর্ণ আলোকপাত করতে পারে। অর্থাৎ ওই শাক্ত-ধর্ম বা মাতৃ-উপাসনার ব্যাখ্যা সন্ধানে একাধারে প্রত্নতত্ত্বমূলক ও সাহিত্যমূলক দ্বিবিধ তথ্যের উপর নির্ভর করা যেতে পারে। Read the rest of this entry »

12046764_600559070082151_1963163237259047425_n

শক্তি-সাধনা-০৪। প্রাচীন ভারতীয় ধর্ম-সাধনা
রণদীপম বসু

প্রাচীন ভারতীয় সংস্কৃতির ক্ষেত্রে দুটি মূল ধারা প্রবাহিত হতে দেখা যায়– একটি বৈদিক ধারা ও অপরটি বেদ-পূর্ব বা অবৈদিক ধারা। বৈদিক ধারাটি সুস্পষ্টভাবেই আর্যকেন্দ্রিক। আর যে অবৈদিক উপাদানগুলি তাদের স্বকীয় সত্তা নিয়ে কালক্রমে ভারতীয় সংস্কৃতির বিশেষত্বে ভিন্নমাত্রায় একাকার হয়ে আছে, তা হলো প্রাচীন সিন্ধু-সভ্যতা কেন্দ্রিক ধ্যান-ধারণা। ভারতীয় সংস্কৃতির উৎসধারা বলতে এককালে প্রাচীন বৈদিক ধ্যান-ধারণাকেই বুঝাতো, যা বৈদিক সাহিত্যের বিপুল সম্ভারের মধ্যে মূর্ত হয়ে আছে। কিন্তু ১৯২২ সালে শ্রীযুক্ত রাখালদাস বন্দ্যোপাধ্যায় কর্তৃক ভারতবর্ষের উত্তর-পশ্চিম অঞ্চলে (বর্তমান পাকিস্তানের অন্তর্গত) সিন্ধু-উপত্যকায় মহেঞ্জোদারোর ধ্বংসস্তুপের মধ্যে এক সুপ্রাচীন প্রাগৈতিহাসিক সভ্যতার সাক্ষ্য আবিষ্কারের মাধ্যমে সেই সাবেকী ধারণার আমূল পরিবর্তন ঘটে ভারতীয় ইতিহাসের প্রাচীনত্ব হঠাৎ আরো কয়েক হাজার বছর বেড়ে যায়। সিন্ধু অঞ্চলে ১৯২২-২৭ সালের প্রত্নতাত্ত্বিক খননকার্যে প্রাপ্ত প্রাগৈতিহাসিক নমুনা বিশ্লেষণ করে নিঃসংশয়ে প্রমাণিত হলো যে, এই সভ্যতাকে অন্তত পাঁচ হাজার বছরের পুরানো বলতে হবে, এবং স্বীকার করতে হবে যে, সুমের আক্কাদ ব্যবিলন মিশর ও অ্যাসিরিয়ার মতো ভারতবর্ষও পৃথিবীতে প্রথম-সভ্যতার ইমারত গড়ে তুলতে অগ্রসর হয়েছিলো। এমনকি এটাও দেখা গেলো যে, কোন কোন দিক থেকে ভারতবর্ষের ওই প্রাচীন সভ্যতা সমসাময়িক মেসোপটেমিয়া এবং মিশরের তুলনায় উন্নততর ছিলো এবং পরিধির দিক থেকেও তা অন্যান্য প্রাচীন সভ্যতার চেয়ে ঢের বড়ো ছিলো। এবং সর্বশেষ গবেষণালব্ধ ফলাফল থেকে ইদানিং কেউ কেউ বলছেন যে, এই সভ্যতা ন্যুনতম আট হাজার বছরেরও প্রাচীন।
Read the rest of this entry »

10301598_822840851071012_5546513123171155425_n

| প্রাক্-বৈদিক সিন্ধু-যুগ-০৭ : প্রকৃতি উপাসনা |
রণদীপম বসু

প্রকৃতি-উপাসনা :

বেদ-পূর্ব সিন্ধু-ধর্ম মাতৃপ্রধান এবং বৈদিক ধর্ম যে পুরুষ-প্রধান, এ বিষয়ে বিদ্বান-পণ্ডিতদের মধ্যে কোন দ্বিমত নেই। কিন্তু ভারতীয় সংস্কৃতির আলোচনায় অত্যন্ত কৌতুহলোদ্দীপক বিষয় হলো, পরবর্তীকালের ভারতবর্ষীয় ধর্মে অন্তত সাধারণ জনগোষ্ঠির মধ্যে ব্যাপকভাবে প্রচলিত ধর্মবিশ্বাসের ক্ষেত্রে ঋগ্বেদের প্রাচীন পুরুষ-দেবতাদের বিশেষ কোন পরিচয়ই পাওয়া যায় না। অন্যদিকে উত্তরকালের এই ধর্মবিশ্বাসের প্রধানতম উপাদান হলো মাতৃ-পূজা- তা কি ওই বেদ-পূর্ব সিন্ধু-ধর্মেরই রেশ? এ ক্ষেত্রে সিন্ধু-যুগে এই ধর্মবিশ্বাস প্রচলিত ছিলো বলে এর ব্যাখ্যা-সন্ধানে যেমন সিন্ধু-প্রত্নতত্ত্ব-লব্ধ স্মারকগুলির উপর নির্ভর করতে হবে, তেমনি পরবর্তীকালেও এই ধর্মবিশ্বাস বহুলাংশে অক্ষুণ্ন থেকেছে এই অনুমান-জন্য পরবর্তীকালের লিখিত সাহিত্য হয়তো ওই স্মারকগুলির উপর গুরুত্বপূর্ণ আলোকপাত করতে পারে। অর্থাৎ ওই শাক্ত-ধর্ম বা মাতৃ-উপাসনার ব্যাখ্যা সন্ধানে একাধারে প্রত্নতত্ত্বমূলক ও সাহিত্যমূলক দ্বিবিধ তথ্যের উপর নির্ভর করা যেতে পারে। Read the rest of this entry »

11403278_10153011642277843_5391545931654713716_n

|প্রাক্-বৈদিক সিন্ধু-যুগ-০৫ : সিন্ধু-সভ্যতার ধর্ম বিশ্বাস- শক্তি সাধনা|
রণদীপম বসু

২.৭ : সিন্ধু-সভ্যতার ধর্ম বিশ্বাস

সিন্ধু সভ্যতার পরিকল্পিত নাগরিক জীবন থেকে প্রমাণ হয় এখানে একটি দক্ষ প্রশাসনিক ব্যবস্থা গড়ে উঠেছিলো। আবিষ্কৃত সীলগুলো প্রমাণ করে রাজ্য পরিচালনায় শাসক রাজা ছিলেন প্রধান। তবে প্রত্নতাত্ত্বিক উৎখননে মন্দির বা উপাসনা গৃহের অনুপস্থিতি, লিপি পাঠোদ্ধার না হওয়ায় সিন্ধু সভ্যতার ধর্মবিশ্বাস সম্পর্কে নির্দিষ্ট ধারণা পাওয়া যায় না। Read the rest of this entry »

philosophy| সমতলে বক্ররেখা-০৫ :
নাস্তিক্য বনাম আস্তিক্য, শুধুই কি সত্যাসত্য দ্বন্দ্ব ?
রণদীপম বসু


(১)
ইদানিংকালে আস্তিক্য-নাস্তিক্য নামক একটা বিভ্রান্তিমূলক বিষয়কে কেন্দ্র করে যে তুলকালাম ঘটনাপ্রবাহ বয়ে গেলো আমাদের জাতীয় জীবনে তা কতোটা যৌক্তিক বা জরুরি ছিলো তা নিয়ে বিজ্ঞজনেরা বিস্তর আলাপ-আলোচনা বিচার-বিশ্লেষণ করেছেন তাঁদের নিজ নিজ অবস্থান ও দায়িত্ববোধ থেকেই। তবে সচেতন নাগরিকমাত্রেই আমাদের স্ব-স্ব চিন্তাজগতে অনাকাঙ্ক্ষিত এসব ঘটনা যে অনেকগুলো কপাল-ভাঁজ করা প্রশ্নবোধক চিহ্নেরও জন্ম দিয়েছে তা নিশ্চয়ই বলার অপেক্ষা রাখে না। মানবতাবিরোধী যুদ্ধাপরাধীর বিচার চাওয়ার সাথে আস্তিক্য-নাস্তিক্যবাদের কী সম্পর্ক, কিংবা জাতীয় নির্বাচন-প্রক্রিয়ায় আস্তিক্য-নাস্তিক্য চিন্তাধারা কোন্ অনুঘটকের দায়িত্ব পালন করে, অথবা আধুনিক রাষ্ট্র পরিচালন-দক্ষতা ও সততার সাথে ব্যক্তিগত আধ্যাত্ম বিশ্বাস-অবিশ্বাস কী প্রক্রিয়ায় জড়িত এসব বিষয়-আশয় রাজনীতি-অপরাজনীতির অবলম্বন হতে পারে হয়তো। কিন্তু দর্শন-তাত্ত্বিক বিচারে আমাদের সমাজ-রাজনৈতিক পরিমন্ডলে তা কতোটা অনিবার্য, এ বিষয়টা নিয়ে আমাদের সমাজ ও রাষ্ট্র নেতৃত্বের দৃষ্টিভঙ্গি বিচারটাও সমকালীন প্রেক্ষাপটে জরুরি হয়ে উঠেছে। কিন্তু যিনি বা যারা এই বিচার করবেন তাদের দৃষ্টিভঙ্গিই বা কতোটা প্রভাবমুক্ত সেটাও বিবেচ্য নয় কি ? Read the rest of this entry »

.
| চার্বাকের খোঁজে…০৫ | ভূমিকা: ভারতীয় দর্শনের সাধারণ বৈশিষ্ট্য |
রণদীপম বসু
৪.০ : ভারতীয় দর্শনের সাধারণ বৈশিষ্ট্য

ভারতীয় দর্শনের বিভিন্ন সম্প্রদায়গুলির মধ্যে নানান পার্থক্য থাকা সত্ত্বেও এদের মধ্যে কতকগুলি সাধারণ বৈশিষ্ট্য লক্ষ্য করা যায়। এরকম কয়েকটি সাধারণ বৈশিষ্ট্য হচ্ছে- Read the rest of this entry »

রণদীপম বসু


‘চিন্তারাজিকে লুকিয়ে রাখার মধ্যে কোন মাহাত্ম্য নেই। তা প্রকাশ করতে যদি লজ্জাবোধ হয়, তবে সে ধরনের চিন্তা না করাই বোধ হয় ভাল।...’
.
.
.
(C) Ranadipam Basu

Blog Stats

  • 207,606 hits

Enter your email address to subscribe to this blog and receive notifications of new posts by email.

Join 86 other followers

Follow h-o-r-o-p-p-a-হ-র-প্পা on WordPress.com

কৃতকর্ম

সিঁড়িঘর

দিনপঞ্জি

নভেম্বর 2017
রবি সোম বুধ বৃহ. শু. শনি
« অক্টো.    
 1234
567891011
12131415161718
19202122232425
2627282930  

Bangladesh Genocide

1971 Bangladesh Genocide Archive

War Crimes Strategy Forum

লাইভ ট্রাফিক

ক’জন দেখছেন ?

bob-contest

Blogbox
Average rating:

Create your own Blogbox!

হরপ্পা কাউন্টার

Add to Technorati Favorites

গুগল-সূচক

টুইট

Protected by Copyscape Web Plagiarism Check