h-o-r-o-p-p-a-হ-র-প্পা

Posts Tagged ‘ফলপ্রসূতা

12046581_597640647040660_587699030591407997_n

শক্তি-সাধনের গুহ্য রহস্যমার্গ তন্ত্র-সাধনা-০১ : ভূমিকা
রণদীপম বসু

শক্তি-সাধনের এক গুহ্য রহস্যমার্গ হলো তন্ত্র বা তান্ত্রিক-সাধনা। ব্যাপকভাবে তন্ত্র শব্দ দ্বারা শাস্ত্রমাত্রকেই বুঝানো হয়ে থাকে। তাই সাংখ্যদর্শনের অপর নাম কপিলতন্ত্র বা ষষ্টিতন্ত্র; ন্যায়দর্শনের নাম গোতমতন্ত্র; বেদান্তদর্শনের নাম উত্তরতন্ত্র; মীমাংসা দর্শনের নাম পূর্বতন্ত্র। শঙ্করাচার্য বৌদ্ধ ক্ষণভঙ্গবাদকে বৈনাশিকতন্ত্র নামে নির্দেশ করেছেন। প্রসিদ্ধ দার্শনিক পণ্ডিত বাচস্পতি মিশ্রের উপাধি ছিল ‘সর্বতন্ত্রস্বতন্ত্র’। তবে উপাসনাবিশেষ-প্রতিপাদক শাস্ত্রবিশেষ অর্থেই তন্ত্র শব্দ সাধারণত প্রযুক্ত হয়ে থাকে এবং এ অর্থই সমধিক প্রসিদ্ধ।
বস্তুত তন্ত্রশাস্ত্র হলো সাধনার শাস্ত্র, যা অতি গুহ্য বিদ্যা। গুরুর উপদেশ ছাড়া এই শাস্ত্রের তত্ত্ব কেউ বুঝতে পারে না। বলা হয়ে থাকে, ন্যায়, বৈশেষিক প্রভৃতি বিচার-শাস্ত্র লৌকিক বুদ্ধির গম্য, কিন্তু তন্ত্রশাস্ত্র সেরকম নয়। গুরুর উপদেশ না পেলে এ বিদ্যায় একেবারেই প্রবেশ করা যায় না। যদিও বা কোন তীক্ষ্ণধী ব্যক্তি শুধু শাস্ত্র অধ্যয়ন করেই শাস্ত্রার্থ বুঝতে পারেন, তবুও শাস্ত্রবিহিত সাধনাতে তাঁর অধিকার আছে কিনা– এর বিচারক সিদ্ধ পুরুষ বা সৎগুরু। তাই ‘তন্ত্রতত্ত্ব’ গ্রন্থের অবতারণায় সাধক শিবচন্দ্র বিদ্যার্ণব বলছেন– ‘মন্ত্রময় তন্ত্রশাস্ত্র মন্দিরের অভ্যন্তর ভিন্ন প্রাঙ্গণে বাজিবার যন্ত্র নহে, সিদ্ধ-সাধকের হৃদয় ব্যতীত সভায় সমাজে আলোচনার বস্তু নহে।’ কুলার্ণবতন্ত্রেও বলা হচ্ছে– Read the rest of this entry »

Advertisements

1069213_557280097670003_419036928_n

| প্রাক্-বৈদিক সিন্ধু-যুগ-০৯ : লিঙ্গ উপাসনা |
রণদীপম বসু

লিঙ্গ-উপাসনা :

ইতোমধ্যেই আমরা দেখেছি যে, প্রাক্-বৈদিক ধর্মবিশ্বাসের ক্ষেত্রে সিন্ধু-ধর্মের প্রধানতম উপাদান হলো উর্বরতামূলক আদিম জাদুবিশ্বাস বা তার স্মারক। আর এ-বিশ্বাসের মূলসূত্র অনুসারে মানবীয় ফলপ্রসূতা ও প্রাকৃতিক ফলপ্রসূতা একই সূত্রে বাঁধা। স্বভাবতই আদিম মানুষদের মধ্যে প্রচলিত এই বিশ্বাসমূলক আচার-অনুষ্ঠানের ক্ষেত্রে– এবং এই বিশ্বাস-উদ্ভূত নানান প্রচলিত ধর্মের ক্ষেত্রেও– জনন-অঙ্গের উপর বিশেষ গুরুত্ব-আরোপণের পরিচয় পাওয়া যায়। সিন্ধু-ধর্মও যে স্বভাবতই তার ব্যতিক্রম নয়, তার প্রমাণ হলো সমগ্র সিন্ধু-সাম্রাজ্য জুড়ে আবিষ্কৃত অজস্র লিঙ্গ ও যোনি মূর্তি। জন মার্শল প্রমুখ প্রত্নতত্ত্ববিদেরা এগুলির বিস্তৃত বিবরণ দিয়েছেন এবং প্রায় একবাক্যে এগুলিকে সিন্ধু-ধর্মের পরিচায়ক বলেই গ্রহণ করেছেন। Read the rest of this entry »

10301598_822840851071012_5546513123171155425_n

| প্রাক্-বৈদিক সিন্ধু-যুগ-০৭ : প্রকৃতি উপাসনা |
রণদীপম বসু

প্রকৃতি-উপাসনা :

বেদ-পূর্ব সিন্ধু-ধর্ম মাতৃপ্রধান এবং বৈদিক ধর্ম যে পুরুষ-প্রধান, এ বিষয়ে বিদ্বান-পণ্ডিতদের মধ্যে কোন দ্বিমত নেই। কিন্তু ভারতীয় সংস্কৃতির আলোচনায় অত্যন্ত কৌতুহলোদ্দীপক বিষয় হলো, পরবর্তীকালের ভারতবর্ষীয় ধর্মে অন্তত সাধারণ জনগোষ্ঠির মধ্যে ব্যাপকভাবে প্রচলিত ধর্মবিশ্বাসের ক্ষেত্রে ঋগ্বেদের প্রাচীন পুরুষ-দেবতাদের বিশেষ কোন পরিচয়ই পাওয়া যায় না। অন্যদিকে উত্তরকালের এই ধর্মবিশ্বাসের প্রধানতম উপাদান হলো মাতৃ-পূজা- তা কি ওই বেদ-পূর্ব সিন্ধু-ধর্মেরই রেশ? এ ক্ষেত্রে সিন্ধু-যুগে এই ধর্মবিশ্বাস প্রচলিত ছিলো বলে এর ব্যাখ্যা-সন্ধানে যেমন সিন্ধু-প্রত্নতত্ত্ব-লব্ধ স্মারকগুলির উপর নির্ভর করতে হবে, তেমনি পরবর্তীকালেও এই ধর্মবিশ্বাস বহুলাংশে অক্ষুণ্ন থেকেছে এই অনুমান-জন্য পরবর্তীকালের লিখিত সাহিত্য হয়তো ওই স্মারকগুলির উপর গুরুত্বপূর্ণ আলোকপাত করতে পারে। অর্থাৎ ওই শাক্ত-ধর্ম বা মাতৃ-উপাসনার ব্যাখ্যা সন্ধানে একাধারে প্রত্নতত্ত্বমূলক ও সাহিত্যমূলক দ্বিবিধ তথ্যের উপর নির্ভর করা যেতে পারে। Read the rest of this entry »


রণদীপম বসু


‘চিন্তারাজিকে লুকিয়ে রাখার মধ্যে কোন মাহাত্ম্য নেই। তা প্রকাশ করতে যদি লজ্জাবোধ হয়, তবে সে ধরনের চিন্তা না করাই বোধ হয় ভাল।...’
.
.
.
(C) Ranadipam Basu

Blog Stats

  • 333,354 hits

Enter your email address to subscribe to this blog and receive notifications of new posts by email.

Join 112 other followers

Follow h-o-r-o-p-p-a-হ-র-প্পা on WordPress.com

কৃতকর্ম

সিঁড়িঘর

দিনপঞ্জি

নভেম্বর 2018
রবি সোম বুধ বৃহ. শু. শনি
« সেপ্টে.    
 123
45678910
11121314151617
18192021222324
252627282930  

Bangladesh Genocide

1971 Bangladesh Genocide Archive

War Crimes Strategy Forum

লাইভ ট্রাফিক

ক’জন দেখছেন ?

হরপ্পা কাউন্টার

Add to Technorati Favorites

গুগল-সূচক

টুইট

Protected by Copyscape Web Plagiarism Check

Flickr Photos

Advertisements