h-o-r-o-p-p-a-হ-র-প্পা

Posts Tagged ‘পৃথিবী

403276_529995207014701_1121282821_n

| চার্বাক সিদ্ধান্ত পর্যালোচনা-১০ : দেহাত্মবাদ বা ভূত-চৈতন্যবাদ |
রণদীপম বসু

২.০ : দেহাত্মবাদ বা ভূতচৈতন্যবাদ

চার্বাকেতর দর্শন সম্প্রদায়গুলির পরবর্তীকালের প্রায় সকল দার্শনিকেরাই চার্বাকমত হিসেবে প্রচারিত প্রধানত দুটি দাবি খণ্ডন করার জন্য উঠেপড়ে লেগেছেন। এই প্রধান দুটি চার্বাক-মত হলো–
এক : প্রত্যক্ষই একমাত্র প্রমাণ। অতএব অনুমানের কোনো প্রামাণ্য নেই।
দুই : দেহাত্মবাদ। অর্থাৎ দেহ ভিন্ন আত্মা বলে স্বতন্ত্র কিছু নেই। আত্মা বলে একান্তই যদি কোনো শব্দ ব্যবহার করতে হয় তাহলে এই দেহকেই আত্মা বলে মানতে হয়।

ইতোমধ্যে প্রথম দাবির বিষয়টি নিয়ে আলোচনা হয়েছে। সেক্ষেত্রে প্রাপ্ত যুক্তি-তথ্য অনুসারে দৃঢ়ভাবে মনে হয়েছে যে, প্রকৃত চার্বাকমতের সঙ্গে ন্যায়-বৈশেষিক মতের এবং আয়ুর্বেদশাস্ত্রের আকরগ্রন্থ ‘চরক-সংহিতা’য় স্বীকৃত বিজ্ঞানের খুব একটা তফাৎ থাকে না। বরং চার্বাক-প্রতিপক্ষরা চার্বাকদের প্রত্যক্ষ-সংক্রান্ত আরোপিত যে-কোন দাবিকে প্রতিষ্ঠার যত চেষ্টাই করুন না কেন সেগুলিকে অতিরঞ্জিত বিকৃত-প্রয়াস বলেই মনে হয়। বর্তমান আলোচনা চার্বাক-সংক্রান্ত দ্বিতীয় দাবি দেহাত্মবাদ প্রসঙ্গে।
Read the rest of this entry »

Advertisements

shadowknight_coverart

| আর্য-সংস্কৃতি ও বৈদিক-যুগ-১৩ : পৃথিবী স্থানের দেবতা |
রণদীপম বসু

(গ) পৃথিবী স্থানের দেবতা

ঋগ্বেদে পৃথিবী স্থানের প্রধান দেবতারা হলেন অগ্নি, সোম, বৃহস্পতি এবং পৃথিবী। বৈদিক কবিদের কল্পনায় তাঁদের বর্ণনা নিঃসন্দেহে আকর্ষণীয়। এ-প্রেক্ষিতে এই দেবতাদের সংক্ষিপ্ত পরিচয় দেখা যাক। Read the rest of this entry »

kirsi_Handling-Chaos

| আর্য-সংস্কৃতি ও বৈদিক-যুগ-১১ : দ্যুলোক বা স্বর্গের দেবতা |
রণদীপম বসু

(ক) দ্যুলোক বা স্বর্গের দেবতা

দ্যুলোকের প্রাচীনতম দেবতা বলতে যাঁর নাম আসে তিনি হলেন দ্যু বা দ্যৌস্, অর্থাৎ আকাশ। তাঁর সম্বন্ধে ঋগ্বেদে কোন পৃথক সূক্ত নেই। অধিকাংশ ক্ষেত্রে তিনি পিতা হিসেবে দ্যৌস্পিতা বলে স্তুত। এবং তাঁর সঙ্গে মাতা পৃথিবীকে যুক্ত করে গুটি দুয়েক সূক্ত পাওয়া যায়। তাতে উভয়ে একত্রে দ্যাবাপৃথিবী বলে উল্লিখিত। যেমন– Read the rest of this entry »

148900_297648506987701_1471834747_n

| আর্য-সংস্কৃতি ও বৈদিক-যুগ-১০ : বৈদিক দেবতা |
রণদীপম বসু

৩.৩ : বৈদিক দেবতা

বৈদিক দেবতার সংখ্যা মোট কতো এ বিষয়ে ব্যাপক মতানৈক্য রয়েছে। এ-বিষয়ে বৈদিক কবি বা ঋষিদের সাক্ষ্যও সর্বত্র সমান নয়। একটি প্রাচীন ঋকে (ঋগ্বেদ-৩/৯/৯) দেখা যায় দেবসংখ্যা ৩৩৩৯ বলে উল্লেখ করা আছে। অবিকল এই একই শ্লোকই ঋগ্বেদের দশম মণ্ডলেও (ঋগ্বেদ-১০/৫২/৬) উক্ত হয়েছে–

ত্রীণি শতা ত্রী সহস্রাণ্যগ্নিং ত্রিংশচ্চ দেবা নব চাসপর্যন্ ।
ঔক্ষণৃ ঘৃতৈরস্তৃণন্বর্হিরস্মা আদিদ্বোতারং ন্যসাদয়ন্ত।। (ঋগ্বেদ-৩/৯/৯)।
অর্থাৎ :
তিন সহস্র তিনশত ত্রিশ ও নব সংখ্যক দেবতা অগ্নির পরিচর্যা করেছেন; তাঁকে ঘৃতদ্বারা অভিষিক্ত করেছেন এবং তাঁর জন্য কুশ বিস্তার করে দিয়েছেন এবং তাঁকে হোতারূপে কুশোপরি উপবেশন করিয়েছেন। (ঋক-৩/৯/৯)।।


Read the rest of this entry »

su_blackwell

| আর্য-সংস্কৃতি ও বৈদিক-যুগ-০৭ : বৈদিক সাহিত্যে সমাজ ও তার চিন্তাধারা |
রণদীপম বসু

৩.০ : বৈদিক সাহিত্যে সমাজ ও তার চিন্তাধারা

বৈদিক-যুগের সমাজ-সংস্কৃতির রূপটি কেমন ছিলো তা নিরূপণের প্রধানতম মাধ্যম হিসেবে খুব স্বাভাবিকভাবেই গবেষকরা ঋগ্বেদের উপরই নির্ভর করেছেন বেশি। এক্ষেত্রে সমগ্র ঋগ্বেদ জুড়েই যে সমর্থনটির দিকে গবেষকরা দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন তা হলো– যাঁরা বেদ রচনা করেছিলেন তাঁরা ছিলেন মূলতই পশুপালক। এমনকি তাঁরা ভালো করে কৃষিকাজও শেখেন নি; ধনসম্পদ বলতে তাঁদের কাছে প্রধানতই পশু। এ প্রেক্ষিতে খুবই উল্লেখযোগ্য বিষয়টি হলো, গোটা ঋগ্বেদ জুড়ে পশু হিসেবে ‘গো’ বা গরুর প্রাধান্য একচ্ছত্র। তবে বৈদিক মানুষদের কাছে ‘গো’ কেবল গরুই নয়, অনেক কিছুই। Read the rest of this entry »

1908473_744382928977158_9020559613900978247_n

| প্রাক্-বৈদিক সিন্ধু-যুগ-০৬ : বৈদিক সাহিত্যের দেবীস্তুতি প্রসঙ্গে |
রণদীপম বসু

বৈদিক সাহিত্যের দেবীস্তুতি প্রসঙ্গে

ঋগ্বেদে শক্তি-উপাসনা বা মাতৃ-উপাসনার নজির হিসেবে ‘দেবী-সূক্ত’-এর উল্লেখ করা হয়। এটি ‘আত্মা-সূক্ত’ নামেও পরিচিত। এখানে ঋকগুলিতে দেবী নিজের বিষয়ে নিজেই বলছেন, যা ঋগ্বেদের অন্য সূক্তগুলির বৈশিষ্ট্যের সাথে খুবই অসামঞ্জস্যপূর্ণ মনে হয়। তাছাড়া এই সূক্তটি যে অত্যন্ত অর্বাচীন- অর্থাৎ অনেক পরবর্তীকালে রচিত হয়ে অত্যন্ত কৃত্রিমভাবেই ঋগ্বেদের দশম মণ্ডলের মধ্যে সংকলিত হয়েছিলো- এ-বিষয়ে দায়িত্বশীল বেদবিদদের মধ্যে দ্বিমত নেই।

Read the rest of this entry »

284016_10150394213072907_551847906_10611493_2536305_n

| সাংখ্য দর্শন-১: সাংখ্যমতে জগতের অভিব্যক্তি |

রণদীপম বসু

.: সাংখ্যমতে জগতের অভিব্যক্তি

সাংখ্য দার্শনিকরা হলেন পরিণামবাদী। তাঁদের মতে জগৎ হলো প্রকৃতির পরিণাম। প্রকৃতি হলো জগতের উৎপত্তির প্রতি উপাদান কারণ। অর্থাৎ, জগৎ ও জগতের প্রত্যেক বস্তু ও বিষয়ের মূল কারণ প্রকৃতি। বলা হয়, সৃষ্টির পূর্বে জগৎ প্রকৃতির মধ্যে অব্যক্ত অবস্থায় থাকে। পুরুষের সান্নিধ্যে প্রকৃতি ও পুরুষের সংযোগ হওয়ার ফলে জগতের অভিব্যক্তি হয়। সাংখ্যমতে একেই জগতের সৃষ্টি বলা হয়। এই সৃষ্টির পর্যায়ক্রমিক প্রক্রিয়াও সাংখ্যশাস্ত্রে বর্ণিত হয়েছে। Read the rest of this entry »


রণদীপম বসু


‘চিন্তারাজিকে লুকিয়ে রাখার মধ্যে কোন মাহাত্ম্য নেই। তা প্রকাশ করতে যদি লজ্জাবোধ হয়, তবে সে ধরনের চিন্তা না করাই বোধ হয় ভাল।...’
.
.
.
(C) Ranadipam Basu

Blog Stats

  • 188,604 hits

Enter your email address to subscribe to this blog and receive notifications of new posts by email.

Join 72 other followers

Follow h-o-r-o-p-p-a-হ-র-প্পা on WordPress.com

কৃতকর্ম

সিঁড়িঘর

দিনপঞ্জি

সেপ্টেম্বর 2017
রবি সোম বুধ বৃহ. শু. শনি
« মার্চ    
 12
3456789
10111213141516
17181920212223
24252627282930

Bangladesh Genocide

1971 Bangladesh Genocide Archive

War Crimes Strategy Forum

লাইভ ট্রাফিক

ক’জন দেখছেন ?

bob-contest

Blogbox
Average rating:

Create your own Blogbox!

হরপ্পা কাউন্টার

Add to Technorati Favorites

গুগল-সূচক

টুইট

Protected by Copyscape Web Plagiarism Check