h-o-r-o-p-p-a-হ-র-প্পা

Posts Tagged ‘দীক্ষা

image6
শিব ও লিঙ্গ-০৯/৭ : বীরশৈব বা লিঙ্গায়ৎ সম্প্রদায়
রণদীপম বসু

মধ্যযুগে দক্ষিণ ভারতের কর্ণাটক অঞ্চলে অনেকটা জঙ্গী ধরনের একটি শৈব সম্প্রদায় গড়ে ওঠে, যার নাম বীরশৈব বা লিঙ্গায়ৎ। এদেরকে লিঙ্গবন্ত ও জঙ্গম নামেও অভিহিত করা হয়। ভারতীয় সুপ্রাচীন কোন গ্রন্থে বা শৈবাগম শাস্ত্রে এই লিঙ্গায়ৎ ধর্ম ও সম্প্রদায়ের কোন উল্লেখ না থাকলেও এটি অনেক পুরাতন যুগের ঐতিহ্যবাহী বলে মনে করা হয়, যে ঐতিহ্যকে একটি সুনির্দিষ্ট রূপ দিয়েছিলেন বসব বা বাসব নামক একজন কন্নড় দেশীয় ব্রাহ্মণ। তাঁর প্রাথমিক লক্ষ্য ছিল কর্ণাটক থেকে জৈনদের উৎখাত করা, এবং দ্বিতীয় উদ্দেশ্য ছিল একটি আদর্শ সমাজ ব্যবস্থা স্থাপন। দুটি উদ্দেশ্যই বহুলাংশে সিদ্ধ হয়েছিল বলে মনে করা হয়। Read the rest of this entry »

MV_-_Uma-Maheshvara
শিব ও লিঙ্গ-০৯/৫ : আগমান্ত শৈব সম্প্রদায়
রণদীপম বসু

খ্রিস্টীয় একাদশ-দ্বাদশ শতক থেকে দক্ষিণ ভারতে আরও একটি শৈব মত প্রতিষ্ঠালাভ করে যা আগমান্ত শৈবধর্ম নামে খ্যাত। এই মত মূলত শৈব সিদ্ধান্ত অনুসারী, কিন্তু এই মতের সাধকরা তন্ত্রের দ্বারা প্রভাবিত ছিলেন। তাঁদের আদি এলাকা ছিল গোদাবরী তীরে মন্ত্রকালী নামক অঞ্চল। এই মতের প্রথম প্রামাণ্য গ্রন্থ দ্বাদশ শতকের অঘোর শিবাচার্য বিরচিত ক্রিয়াকর্মদ্যোতিনী। এছাড়া ত্রিলোচন শিবাচার্যের সিদ্ধান্তসারাবলী, নিগম-জ্ঞানদেবের জীর্ণোদ্ধারদশকম প্রভৃতিও এই সম্প্রদায়ের প্রামাণ্য গ্রন্থ। অধ্যাপক জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়ের বর্ণনায়– Read the rest of this entry »

*

BLACK_FOREST

তন্ত্র-সাধনা-১১ : তন্ত্রে পূজা
রণদীপম বসু

এমনিতে সাধারণ হিন্দুগৃহস্থের ধর্মজীবনে পূজা এক বিশিষ্ট স্থান অধিকার করে আছে। কেবল দিন বিশেষে ইচ্ছানুসারে অনুষ্ঠেয় নৈমিত্তিক কর্ম হিসেবেই এর গৌরব নয়, অবশ্য করণীয় নিত্য কর্ম রূপেও তা শাস্ত্রে বিহিত। শুধু মঠে মন্দিরে নয়, অনেকের বাড়িতে প্রতিষ্ঠিত দেববিগ্রহের নিত্য নিয়মিত পূজার ব্যবস্থা আছে। বস্তুত পূজা দুই প্রকার– পৌরাণিক ও তান্ত্রিক। পৌরাণিক পূজা অপেক্ষাকৃত সরল– এতে ভূতশুদ্ধি, বিবিধ ন্যাস প্রভৃতির প্রয়োজন হয় না। এই পূজার জন্য দীক্ষিত হওয়ারও প্রয়োজন নেই। তবে বিশুদ্ধ পৌরাণিক পূজা প্রায়শ দেখা যায় না– অনেক ক্ষেত্রে তা তান্ত্রিক প্রভাবে প্রভাবিত। Read the rest of this entry »

12027707_598650430273015_4451892500587454899_n

তন্ত্র-সাধনা-০৮ : তন্ত্রে ভাবত্রয়
রণদীপম বসু

মানসিক ধর্মের নাম ভাব। তন্ত্রে ভাব শব্দে জ্ঞানেরই অবস্থাবিশেষ বলে বর্ণনা করা হয়। বামকেশ্বরতন্ত্রে বলা হয়েছে–

ভাবো হি মাসসো ধর্মো মনসৈব সদাভ্যসেৎ।- (বামকেশ্বরতন্ত্র)
অর্থাৎ : মানসিক ধর্মের নাম ভাব, তা মনের দ্বারাই অভ্যাস করতে হয়।

তন্ত্রানুসারে ভাব তিনপ্রকার– দিব্যভাব, বীরভাব ও পশুভাব। ভাবের প্রকার নির্দেশ করতে গিয়ে রুদ্রযামলে বলা হয়েছে–

শক্তিপ্রাধান্যাৎ ভাবানাং ত্রয়াণাং সাধকস্য চ।
দিব্যবীরপশুনাঞ্চ ভাবত্রয়মুদাহৃতম্ ।।- (রুদ্রযামল)
অর্থাৎ : সাধকের ক্ষমতানুসারে দিব্য, পশু, বীরক্রমে ভাব তিনপ্রকার বলে কথিত হয়েছে।

Read the rest of this entry »

11998833_594748200663238_4185119916753413662_n

তন্ত্র-সাধনা-০৭ : তন্ত্রে দীক্ষা ও অভিষেক
রণদীপম বসু

আচার্য অভিনবগুপ্ত দীক্ষা সম্বন্ধে তাঁর তন্ত্রালোকে গুটিকয় অভিনব সিদ্ধান্ত সিদ্ধান্ত করে বলেছেন যে,– ‘মুক্তির হেতুভূত বুদ্ধিনিষ্ঠ জ্ঞানও শাস্ত্রজ্ঞান ব্যতীত জন্মিতে পারে না। যে-সকল শাস্ত্র এই তত্ত্বের প্রদর্শক নহে, সেই সকল শাস্ত্র হইতে আগম-শাস্ত্র শ্রেষ্ঠ। শাস্ত্র বলিতেছেন, দীক্ষা গ্রহণ করিলেই পৌরুষ (আত্মনিষ্ঠ) অজ্ঞান নিবৃত্ত হইয়া যায়। দীক্ষার এইরূপ অনির্বচনীয় শক্তি। পৌরুষ অজ্ঞান বিনষ্ট হইলেও বুদ্ধিনিষ্ঠ অজ্ঞান নিবৃত্ত হয় না। বুদ্ধিগত অজ্ঞান নিবৃত্ত না হওয়া পর্যন্ত আত্মা সম্পূর্ণ মুক্ত হইতে পারেন না। দীক্ষা গ্রহণমাত্রই পৌরুষ অজ্ঞান নিবৃত্ত হয় বলিয়া দেহ-নাশের পর মুক্তির পথে আর কোন প্রতিবন্ধক থাকে না। অর্থাৎ প্রত্যেক দীক্ষিত ব্যক্তিরই মুক্ত অবধারিত। শ্রীমন্নিশাটন-শাস্ত্রে ধাতা এই কথা বলিয়াছেন। (তন্ত্রালোক-১/৫০-৫১) (সূত্র: তন্ত্রপরিচয়, পৃষ্ঠা-৩৩) Read the rest of this entry »

12032958_598706690267389_7077705607293271215_n

তন্ত্র-সাধনা-০৫ : তন্ত্রের মন্ত্র-সঙ্কেত
রণদীপম বসু

তন্ত্রসারে সংক্ষেপে দীক্ষা, পঞ্চায়তনী দীক্ষা প্রভৃতি কয়েক প্রকার দীক্ষাবিধির কথা বলা আছে। দীক্ষাদানের নানাবিধ পদ্ধতি তন্ত্রশাস্ত্রে দৃষ্ট হয়। স্থান, কাল, পাত্রেরও বিচার আছে। তবে দীক্ষাগ্রহণ বা দীক্ষাপ্রদান ইষ্টদেবতা অনুসারে ও গুরু-শিষ্য-প্রণালী ভেদে নানারকমের হয়ে থাকে। এখানে তার বর্ণনা বাহুল্য। দীক্ষা গ্রহণকালে শিষ্য গুরুর নিকট থেকে তাঁর ইষ্টদেবতার পরিচায়ক বীজমন্ত্র প্রাপ্ত হন। এই অসাধারণ মন্ত্রগুলি অতীব গুহ্য, গুহ্যাতিগুহ্য এবং তার প্রকৃত অর্থ দুর্বোধ্য। কেননা তন্ত্রকারেরা তা গোপনে রাখবার উদ্দেশ্যে কতকগুলি নতুন শব্দ এবং অন্য কতকগুলো শব্দের নতুন অর্থ সৃষ্টি করেছেন। সেই সেই শব্দের সেইরূপ অর্থ তন্ত্র ছাড়া অন্য কোন শাস্ত্রে প্রাপ্ত হওয়া যায় না। Read the rest of this entry »

12042606_598648876939837_4014857095877206038_n

তন্ত্র-সাধনা-০৪ : তন্ত্রে গুরুবাদ
রণদীপম বসু

দীক্ষা গ্রহণ না করলে তান্ত্রিক কাজে অধিকার জন্মে না। উপযুক্ত গুরুর নিকট থেকে তান্ত্রিক দীক্ষা গ্রহণ করতে হয়। যোগিনী-তন্ত্রে বলা হয়েছে–

দায়িতে জ্ঞানমত্যর্থং ক্ষীয়তে পাশবন্ধনম্ ।
অতো দীক্ষেতি দেবেশি কথিতা তত্ত্বচিন্তকৈঃ।।
অর্থাৎ : দেবেশি! তত্ত্বজ্ঞানীরা বলেন, পরম জ্ঞানের হেতু এবং ভবপাশচ্ছেদনের অনুকূল কর্ম-বিশেষ হলো দীক্ষা।

পরমানন্দ-তন্ত্রে উক্ত হয়েছে– Read the rest of this entry »


রণদীপম বসু


‘চিন্তারাজিকে লুকিয়ে রাখার মধ্যে কোন মাহাত্ম্য নেই। তা প্রকাশ করতে যদি লজ্জাবোধ হয়, তবে সে ধরনের চিন্তা না করাই বোধ হয় ভাল।...’
.
.
.
(C) Ranadipam Basu

Blog Stats

  • 557,480 hits

Enter your email address to subscribe to this blog and receive notifications of new posts by email.

Join 141 other followers

Follow h-o-r-o-p-p-a-হ-র-প্পা on WordPress.com

কৃতকর্ম

সিঁড়িঘর

দিনপঞ্জি

অগাষ্ট 2020
রবি সোম বুধ বৃহ. শু. শনি
 1
2345678
9101112131415
16171819202122
23242526272829
3031  

Bangladesh Genocide

1971 Bangladesh Genocide Archive

War Crimes Strategy Forum

লাইভ ট্রাফিক

ক’জন দেখছেন ?

হরপ্পা কাউন্টার

Add to Technorati Favorites

গুগল-সূচক

টুইট

Protected by Copyscape Web Plagiarism Check

Flickr Photos