h-o-r-o-p-p-a-হ-র-প্পা

Posts Tagged ‘দর্শন

37261

বিনে পয়সার বিজ্ঞাপন !

লেখক রণদীপম বসু’র ফেব্রুয়ারি ২০১৭-তে প্রকাশিত গ্রন্থাবলি

১. চার্বাকের খোঁজে ভারতীয় দর্শন
পৃষ্ঠা-৮৩২, মূদ্রিত মূল্য- ৯২০/- টাকা।

২. চার্বাকেতর ভারতীয় দর্শন-১ (জৈন ও বৌদ্ধ দর্শন)
পৃষ্ঠ-৩০৪, মূদ্রিত মূল্য-৪০০/- টাকা।

৩. চার্বাকেতর ভারতীয় দর্শন-২ (ন্যায়, বৈশেষিক, সাংখ্য ও যোগ দর্শন)
পৃষ্ঠা-৩৫২, মূদ্রিত মূল্য-৪৫০/- টাকা।

৪. চার্বাকেতর ভারতীয় দর্শন-৩ (পূর্ব-মীমাংসা)
পৃষ্ঠা-২৭২, মূদ্রিত মূল্য-৩৫০/- টাকা।

৫. চার্বাকেতর ভারতীয় দর্শন-৪ (বেদান্ত)
পৃষ্ঠা-৩২০, মূদ্রিত মূল্য-৪০০/- টাকা।
Read the rest of this entry »

14962320_1803376536568509_21541437_n

চার্বাকেতর ভারতীয় দর্শন-৪র্থ খণ্ড
(বেদান্ত)

উত্তর-মীমাংসার নামান্তর হলো বেদান্ত। প্রাচীন ভারতীয় ছয়টি আস্তিক দর্শনের মধ্যে ভাববাদের চূড়ান্ত রূপ এই বেদান্তদর্শনের মধ্যেই পরিলক্ষিত হয়। বৈদিক সংস্কৃতির ধারক হিসেবে হিন্দুদের কাছে বেদ সকল জ্ঞানের আকর বলে বিবেচিত। বেদের চারটি অংশ- মন্ত্র বা সংহিতা, ব্রাহ্মণ, আরণ্যক এবং উপনিষদ। বেদের চারটি অংশের মধ্যে সংহিতা ও ব্রাহ্মণকে কর্মকাণ্ড এবং আরণ্যক ও উপনিষদকে জ্ঞানকাণ্ড বলা হয়। সুতরাং বেদের অন্ত অর্থাৎ উপনিষদকেই মুখ্যত বেদান্ত নামে অভিহিত করা হয়। অর্থাৎ, উপনিষদ তত্ত্বের দার্শনিক ব্যাখ্যা ও সমর্থনই বেদান্তদর্শন।  উপনিষদ বিভিন্ন কালে রচিত হয়েছে এবং তা সংখ্যায় বহু। এগুলোর মধ্যে প্রধান প্রধান উপনিষদগুলি হলো ঈশ, ছান্দোগ্য, বৃহদারণ্যক, ঐতরেয়, তৈত্তিরীয়, প্রশ্ন, কেন, কঠ, মুণ্ডক, মাণ্ডুক্য, কৌষীতকি, মৈত্রী, শ্বেতাশ্বতর প্রভৃতি। কিন্তু উপনিষদগুলিতে দার্শনিক তত্ত্বাবলী আলোচিত হলেও সে-আলোচনা বহুলাংশেই বিক্ষিপ্ত ও অস্পষ্ট। তা ছাড়া এ-আলোচনা যুক্তিতর্কমূলক সুসংবদ্ধ দার্শনিক আলোচনা নয় এবং নানা উপনিষদে নানা রকম আলোচনার মধ্যে ঠিক কোন্ তত্ত্বকে প্রকৃত উপনিষদ-প্রতিপাদ্য তত্ত্ব বলা হবে সে-কথা নির্ণয় করাও সহজ নয়। স্বভাবতই, উপনিষদের অনুগামী পরবর্তী দার্শনিকেরা উপনিষদ-প্রতিপাদ্য মূল দার্শনিক তত্ত্বকে সনাক্ত করে যে সুসংবদ্ধ দার্শনিক ব্যাখ্যা দিতে চাইলেন, তা-ই বেদান্তদর্শনের উপজীব্য।
Read the rest of this entry »

ট্যাগ সমুহঃ , ,

14963039_1803376539901842_700874159_n

চার্বাকেতর ভারতীয় দর্শন-৩য় খণ্ড
(পূর্ব-মীমাংসা)

মীমাংসাশাস্ত্র নিঃসংশয়ে বৈদিক বা বেদমূলক দর্শন হলেও অনেকাংশে তা ব্যাকরণ এবং ন্যায়শাস্ত্রের বাদার্থ বা শব্দখণ্ডের মতো। পদশাস্ত্র হলো ব্যাকরণ এবং প্রমাণশাস্ত্র হলো ন্যায়। এই পদবাক্যপ্রমাণ-তত্ত্বজ্ঞ না হলে প্রাচীনকালে কেউ সুপণ্ডিত বলে বিবেচিত হতেন না। এই দর্শনের প্রধান উপজীব্য হলো বেদের অপৌরুষেয়ত্ব ও নিত্যত্ব প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে বৈদিক কর্মকাণ্ডের স্বতসিদ্ধতা প্রমাণ করা। একদিকে বিভিন্ন দেব-দেবী ও ঈশ্বরের অস্তিত্বে প্রচণ্ড অবিশ্বাসী এ দর্শনের বস্তুবাদী বিজ্ঞানসম্মত যুক্তিস্রোতের পাশাপাশি যজ্ঞানুষ্ঠানের মতো একটি আদিম কুসংস্কারের মধ্যে যাদুক্ষমতা আরোপ প্রচেষ্টার চূড়ান্ত অবৈজ্ঞানিক দৃষ্টিভঙ্গি প্রাচীন দর্শনটিকে জটিল স্ববিরোধিতায় ঠেলে দিয়েছে বলে একালের বিদ্বানেরা মনে করেন। এটি সাংখ্য, বৌদ্ধ বা ন্যায়-বৈশেষিক দর্শনের মতো একটা সুশৃঙ্খল সুসংহত দার্শনিক প্রস্থানরূপে গড়ে ওঠেনি, গড়ে উঠেছে যাগযজ্ঞসম্পৃক্ত মন্ত্ররাশির অর্থবিচারকে উপলক্ষ করে। এই দর্শনের মুখ্য উদ্দেশ্য কোন বিশুদ্ধ দার্শনিক তত্ত্বের উদ্ভাবন ও প্রচার নয়। মুখ্য উদ্দেশ্য যাগযজ্ঞের সামাজিক প্রয়োজন অক্ষুণ্ন ও অব্যাহত রাখার জন্য মন্ত্রার্থবিচার। এই বিচারের প্রসঙ্গেই প্রয়োজনানুরূপ দার্শনিক যুক্তিতর্ক বিক্ষিপ্তভাবে উপস্থিত হয়েছে।
Read the rest of this entry »

ট্যাগ সমুহঃ , ,

14961295_1803376533235176_1107465522_n

চার্বাকেতর ভারতীয় দর্শন-২য় খণ্ড
(ন্যায়, বৈশেষিক, সাংখ্য ও যোগ দর্শন)

প্রাচীন ভারতীয় দর্শনে আস্তিক্যবাদী যে ছয়টি দর্শনকে ষড়্দর্শন বলা হয়ে থাকে, তার অন্যতম ন্যায়, বৈশেষিক, সাংখ্য ও যোগ দর্শন। ন্যায়শাস্ত্র হলো বুদ্ধিবাদী বা যুক্তিবাদী দর্শন। ভারতীয় তর্কশাস্ত্রের উৎস ও যথার্থ জ্ঞান লাভের প্রণালী হিসেবেই ন্যায় দর্শনকে আখ্যায়িত করা হয়। আর বৈশেষিক দর্শনের ‘পদার্থতত্ত্ব’ বা ‘বিশ্বতত্ত্বে’র জ্ঞান প্রাচীনকালে যে কোন ছাত্রের জন্য অপরিহার্য বলে মনে করা হতো। বিশ্বতত্ত্বের আলোচনাই বৈশেষিক দর্শনের প্রধান আলোচনা। অন্যদিকে সাংখ্যদর্শন বা সাংখ্যশাস্ত্রকে প্রাচীনতম ভারতীয় দর্শন হিসেবে বিবেচনা করা হয়। প্রাচীন ভারতীয় সাহিত্য তথা স্মৃতি, পুরাণ ও অন্যান্য শাস্ত্র গ্রন্থগুলিতে সাংখ্যদর্শনের বিপুল প্রভাব লক্ষ্য করা যায়। দার্শনিক তত্ত্বের দিক থেকে সাংখ্য ও যোগ দর্শনের মধ্যে প্রভেদ খুবই সামান্য। একটি তত্ত্বমূলক, অন্যটি প্রয়োগমূলক দর্শন। যোগ দর্শনে সাংখ্যের পঁচিশটি তত্ত্বের সাথে অতিরিক্ত একটি তত্ত্ব ঈশ্বরতত্ত্ব যুক্ত করে ঈশ্বর স্বীকৃত হয়েছে বলে নিরীশ্বর-সাংখ্যের বিপরীতে যোগ দর্শনকে ‘সেশ্বর-সাংখ্য’ও বলা হয়ে থাকে। একই উপনিষদীয় পরিমণ্ডলে থেকেও দর্শনগুলির মধ্যে পারস্পরিক বৈচিত্র্য অত্যন্ত কৌতুলোদ্দীপক।
Read the rest of this entry »

philosophy

| আমার দর্শন চর্চা ও কিছু ঔচিত্যবোধ প্রসঙ্গে |
রণদীপম বসু

(১)
জ্ঞানী ব্যক্তিরা যে পথে হেঁটে যেতে সদাই দ্বিধাগ্রস্ত থাকেন, নির্বোধেরা নির্দ্বিধায় সে পথ মাড়িয়ে যায়। এই মহাজন-উক্তির যথার্থতা বুদ্ধিমান ব্যক্তিরা আগেভাগেই উপলব্ধি করতে সক্ষম হন তাঁরা বুদ্ধিমান বলেই। কিন্তু আমি যে আদতেই এক আকাট মহামূর্খ সেটা হাঁড়েহাঁড়ে টের পেতেও খুব দেরি হলো না। আগপিছ না ভেবেই ‘মুই কী হনুরে’ জাতীয় এক অদ্ভূত ভাবের প্রাবল্যে বীরদর্পে এমন এক কণ্টকাকীর্ণ পথে পা রাখলাম, দু-এক কদম এগিয়েই বুঝতে পারলাম এই ক্ষত-বিক্ষত রক্তাক্ত পায়ে হেঁটে এগিয়ে যাওয়া তো দূরস্ত্, আমার এই অনভিজ্ঞ দুর্বল সামর্থহীন নিঃসার পায়ের উপর দাঁড়িয়ে থাকাটাই এক অসম্ভব কল্পনা বলে মনে হলো! অতএব যা হবার তা-ই হলো, আমি ভূপাতিত! এই হলো আমার দর্শনচর্চার প্রাক-ইতিহাস। প্রাতিষ্ঠানিক পাঠ্যে বিজ্ঞানের ছাত্র হিসেবে দর্শনতত্ত্বের ছিটেফোটা অভিজ্ঞতাও যার ঝুলিতে নেই, সেই আমিই কিনা চিরকালের এক কঠিন রহস্যময় প্রাচীন ভারতীয় দর্শনের দুঃসহ বিভ্রম-মাখানো পথের গণ্ডপথিক হয়ে গেলাম! হা হা হা! গণ্ডমূর্খ আর কারে কয়!
Read the rest of this entry »

ট্যাগ সমুহঃ ,

538781_527557613925127_1292639261_n

| চার্বাক সিদ্ধান্ত পর্যালোচনা-২৩ : বস্তুবাদের অন্যতম সহচর |
রণদীপম বসু

। বস্তুবাদের অন্যতম সহচর।

আয়ুর্বেদের আদি-গ্রন্থ বলতে সুপ্রাচীনকালের ‘চরক-সংহিতা’ ও ‘সুশ্রুত-সংহিতা’। তার মধ্যে ‘সুশ্রুত-সংহিতা’ হলো প্রাচীন শল্যবিদ্যর আকরগ্রন্থ। উভয় গ্রন্থেই একথা স্বীকৃত যে অনেকের হাত ঘুরে– অনেকভাবে পরিবর্তিত হয়ে– গ্রন্থ দুটি শেষ পর্যন্ত আমাদের কাছে পৌঁছেছে। পরবর্তীকালে উভয় সংকলনের মধ্যে হাজারো বিষয় প্রক্ষিপ্ত হয়েছে– তার মধ্যে অজস্র বিষয়ের সঙ্গে আয়ুর্বেদের মূল প্রতিপাদ্যর কোনো সম্পর্ক নেই। এ-প্রসঙ্গে দেবীপ্রসাদ বলেন, কেন এবং কীভাবে সংযোজিত হয়েছে তা নিয়ে এখনো বিস্তর গবেষণা বাকি। তবুও সংযোজিত যে হয়েছে এ বিষয়ে কোনো সন্দেহের অবকাশ থাকতে পারে না। উভয় সংকলনের অভ্যন্তরীণ সাক্ষ্য থেকেই তা প্রমাণ করা সম্ভব বলেও দেবীপ্রসাদ মন্তব্য করেছেন। তাই ‘চরক-সংহিতা’ বা ‘সুশ্রুত-সংহিতা’ থেকে যে-কোনো কথা উদ্ধৃত করেই তা প্রকৃত আয়ুর্বেদ সম্মত মত বলে ঘোষণা করা নিরাপদ তো নয়ই, অনেক সময় বিশেষ বিভ্রান্তিকর। সে যাক, আপাতত চার্বাক-আলোচনায় বস্তুবাদী যে নির্দেশকগুলি ইতোমধ্যেই চিহ্নিত হয়েছে, ‘চরক-সংহিতা’ এবং ‘সুশ্রুত-সংহিতা’য় এগুলির পরিচয় পেলেই আয়ুর্বেদের দার্শনিক ভিত্তিকে বস্তুবাদ-সম্মত বলে স্বীকার সুযোগ থাকে। Read the rest of this entry »

1013505_558200817577931_701784891_n

| চার্বাক সিদ্ধান্ত পর্যালোচনা-২২ : এবং তৈত্তিরীয় উপনিষদ-এ বস্তুবাদের নজির |
রণদীপম বসু

। এবং তৈত্তিরীয় উপনিষদ-এ বস্তুবাদের নজির।

উপনিষদের দৃষ্টান্তে শুধু যে ছান্দোগ্যের উদ্দালক আরুণিই একমাত্র বস্তুবাদী নজির হিসেবে প্রতিষ্ঠিত, মোটেও তা নয়। অন্যান্য উপনিষদেও অলৌকিক ভাববাদের মোড়কে ভেতরে বয়ে যাওয়া অন্তঃসলিলা বস্তুবাদী কামনা-প্রাধান্যের নজির বিরল নয়। যেমন, ‘তৈত্তিরীয়-উপনিষদ্’ তিনটি অধ্যায়ে বিভক্ত– শীক্ষাবল্লী, ব্রহ্মানন্দবল্লী ও ভৃগুবল্লী। শীক্ষাবল্লীকে বলা হয়েছে ব্রহ্মানন্দবল্লীর ভূমিকা বা প্রস্তুতিপর্ব। এই প্রস্তুতিপর্বে ব্রহ্মানন্দ লাভের প্রস্তুতিটা কীরকম তা বোঝার জন্য ঐ উপনিষদ থেকে একটি প্রার্থনা উদ্ধৃত করা যেতে পারে– Read the rest of this entry »


রণদীপম বসু


‘চিন্তারাজিকে লুকিয়ে রাখার মধ্যে কোন মাহাত্ম্য নেই। তা প্রকাশ করতে যদি লজ্জাবোধ হয়, তবে সে ধরনের চিন্তা না করাই বোধ হয় ভাল।...’
.
.
.
(C) Ranadipam Basu

Blog Stats

  • 182,064 hits

Enter your email address to subscribe to this blog and receive notifications of new posts by email.

Join 72 other followers

Follow h-o-r-o-p-p-a-হ-র-প্পা on WordPress.com

কৃতকর্ম

সিঁড়িঘর

দিনপঞ্জি

অগাষ্ট 2017
রবি সোম বুধ বৃহ. শু. শনি
« মার্চ    
 12345
6789101112
13141516171819
20212223242526
2728293031  

Bangladesh Genocide

1971 Bangladesh Genocide Archive

War Crimes Strategy Forum

লাইভ ট্রাফিক

ক’জন দেখছেন ?

bob-contest

Blogbox
Average rating:

Create your own Blogbox!

হরপ্পা কাউন্টার

Add to Technorati Favorites

গুগল-সূচক

টুইট

Protected by Copyscape Web Plagiarism Check