h-o-r-o-p-p-a-হ-র-প্পা

Posts Tagged ‘তান্ত্রিক

kisspng-gupta-empire-vakataka-dynasty-india-map-kushan-emp-5be5c3303d4f70.0244606515417843682511

ইতিহাসের ঝুল-বারান্দায় বাঙলা ও বাঙালি- ০৬
-রণদীপম বসু

(৬)
মৌর্য যুগে (মৌর্যসম্রাট চন্দ্রগুপ্ত মৌর্য ৩২২-৩৯৮ খ্রিস্টপূর্বাব্দ) পুণ্ড্রবর্ধন বা উত্তরবঙ্গ যে মৌর্য-সাম্রাজ্যভুক্ত ছিল এর সপক্ষে প্রমাণ হলো প্রাচীন জৈন এবং বৌদ্ধগ্রন্থ, মহাস্থানে প্রাপ্ত শিলাখণ্ডলিপি এবং য়ুয়ান্-চোয়াঙের সাক্ষ্য। য়ুয়ান-চোয়াঙ পুণ্ড্রবর্ধন ছাড়া প্রাচীন বাঙলার অন্যান্য জনপদেও (যথা কর্ণসুবর্ণ, তাম্রলিপ্তি, সমতট) মৌর্য-সম্রাট অশোক-নির্মিত বৌদ্ধস্তূপ ও বিহার দেখেছিলেন বা তাদের বিবরণ শুনেছিলেন বলে জানিয়েছেন। উত্তরবঙ্গের বগুড়া জেলার মহাস্থানগড়ে প্রাপ্ত মৌর্যযুগের ব্রাহ্মী অক্ষরে লিখিত ও প্রাকৃত ভাষায় রচিত এক শিলালিপি থেকে জানা যায় যে, উত্তরবঙ্গ মৌর্য সাম্রাজ্যের অন্তর্ভুক্ত হয়েছিল, কারণ মৌর্যসম্রাট চন্দ্রগুপ্ত মৌর্য পুন্দনগলে (পুণ্ড্রবর্ধননগরে) একজন মাহামাত্র (কর্মচারী) অধিষ্ঠিত করেন। এই মহাস্থানলিপিতে দেখা যাচ্ছে, কোন এক অত্যায়িত কালে (দুর্ভিক্ষকালে?) রাজা পুন্দনগলের মাহামাত্রকে নির্দেশ দিচ্ছেন, প্রজাদের ধান্য এবং গণ্ডক ও কাকনিক মুদ্রা দিয়ে সাহায্য করবার জন্য, কিন্তু সুদিন ফিরে আসলে ধান্য ও মুদ্রা উভয়ই রাজভাণ্ডারে প্রত্যর্পণ করতে হবে, তাও বলে দিচ্ছেন। Read the rest of this entry »

ybxjufzwnk-1491330932

শিব ও লিঙ্গ-৯/৯ : নাথ সম্প্রদায়
রণদীপম বসু

নাথধর্ম যোগসাধনা নির্ভর একটি ধর্ম– কায়সাধনা যার অন্যতম উপায়। নাথপন্থীরা আদৌ শৈব-সম্প্রদায়ের অন্তর্ভুক্ত কিনা এ ব্যাপারে মতানৈক্য রয়েছে। তবু শৈব-সম্প্রদায়ের বর্তমান আলোচনায় তাঁদের অন্তর্ভুক্তির কারণ হলো, নাথপন্থীদের বিশ্বাস অনুযায়ী শিব এঁদের আদিগুরু বা আদিনাথ। অধ্যাপক বারিদবরণ ঘোষের মতে,–
‘নাথধর্ম সনাতন ভারতীয় ধর্ম থেকে বিচ্ছিন্ন কোনও ধর্ম নয়– যদিও আচার-আচরণে প্রচলিত ‘হিন্দুধর্ম’ থেকে এদের বৈশিষ্ট্যও চোখে পড়ার মতো। আর এই আচার-আচরণই নাথধর্মের উৎসে শিবদেবতার উপস্থিতিকে অনিবার্য করে তুলেছে। এই ‘নাথ’ শব্দটির বিশিষ্ট প্রয়োগই এই ধর্মের আচার-পদ্ধতিকে নিয়ন্ত্রিত করেছে। সমগ্র মানবসমাজ কতকগুলি ইন্দ্রিয়ের কর্মপদ্ধতি দ্বারা পরিচালিত। এই সমস্ত ইন্দ্রিয়ের (পঞ্চেন্দ্রিয় দু প্রকারের– এক জ্ঞানেন্দ্রিয়, দুই কর্মেন্দ্রিয়। চক্ষু, কর্ণ, নাসিকা, জিহ্বা, ত্বক– এগুলি জ্ঞানেন্দ্রিয় এবং বাক্, পাণি, পাদ, পায়ু এবং উপস্থ– এগুলি কর্মেন্দ্রিয়) উপর নাথ (প্রভুত্ব) হওয়াই এই ধর্মের মূল কথা। এই নাথ হতে গেলে প্রথমে সিদ্ধতনু, পরে দিব্যতনু বা প্রণবতনু লাভ করতে হয়। প্রণবতনু লাভ করলে তবেই প্রকৃত নাথ হতে পারা যায়। এই তত্ত্ব শিবজাত তত্ত্ব। নাথযোগীদের আদিগুরু স্বয়ং মহাদেব।’– (নাথ সম্প্রদায়ের ইতিহাস, পৃষ্ঠা-১১) Read the rest of this entry »

a946c2f2918c0990e8b930c4ef5039a2

শিব ও লিঙ্গ-০৯ : শৈব সম্প্রদায়
রণদীপম বসু

ইতঃপূর্বে শৈবদের উপাস্য দেবতা রুদ্র-শিবের প্রকৃতিগত বৈশিষ্ট্যসমূহ আলোচিত হলেও গোষ্ঠীবদ্ধ শৈব উপাসক সম্প্রদায়ের উৎপত্তি ও ক্রমবিকাশের বিষয়ে আলোকপাত করা যায়নি। এ চেষ্টার শুরুতেই বলে রাখা আবশ্যক যে, গবেষকরা ভারতবর্ষ জুড়ে বিভিন্ন শৈব সম্প্রদায়ের অস্তিত্ব খুঁজে পেলেও তাঁদের উৎপত্তি নির্ণয়ে প্রধানত নির্ভর করেছেন সাহিত্যগত প্রমাণের উপর। যেহেতু বৈদিক যুগের পূর্বেকার কোনও সাহিত্য এখন পর্যন্ত আবিষ্কৃত হয়নি এবং ভবিষ্যতেও আর হবে এমন ভরসা নেই, তাই ঐতিহাসিক কালের প্রাচীনতম গ্রন্থ ঋগ্বেদ থেকেই তার অনুসন্ধান শুরু করতে হয়। Read the rest of this entry »

402c21f9c841d8925fba2b75f39961b8

শিব ও লিঙ্গ-০৬ : প্রাচীন সাহিত্যে শিব
রণদীপম বসু

শ্বেতাশ্বতর উপনিষদের পরবর্তী কালের যে সব সাহিত্যে রুদ্র ও শিবের উল্লেখ পাওয়া যায় তার মধ্যে পাণিনির অষ্ট্যাধ্যায়ী ও পতঞ্জলির মহাভাষ্য প্রথমেই উল্লেখযোগ্য। এ বিষয়ে অধ্যাপক জিতেন্দ্রনাথ বলেন–
‘পাণিনি আনুমানিক খৃষ্টপূর্ব পঞ্চম শতাব্দীর বৈয়াকরণিক, পতঞ্জলি খৃষ্টপূর্ব দ্বিতীয় শতকের।… পাণিনি তাঁহার ব্যাকরণগ্রন্থের এক সূত্রে (৪, ১, ৪৯) দেবতার এই কয় নামের কথা বলিয়াছেন, যথা– রুদ্র, ভব, শর্ব এবং মৃড়। ইহার সবগুলিই আমরা বৈদিক সাহিত্যে পাই (মৃড় নামটি যজুর্বেদোক্ত শতরুদ্রীয় স্তোত্রে রুদ্রের শত নামের অন্যতম)। এই তালিকায় শিবের নাম পাওয়া না গেলেও, আমরা শিবের নাম অপর এক সূত্রে পাই। পাণিনির ‘শিবাদিভ্যোন’ সূত্রে (৪, ১, ১১২) শিবের উল্লেখ রহিয়াছে। পতঞ্জলি তাঁহার মহাভাষ্যে রুদ্র ও শিবের নাম কয়েকবার করিয়াছেন। রুদ্র সম্বন্ধে তিনি দুইবার বলিয়াছেন যে দেবতার উদ্দেশে পশুবলি হইত; অপর দুই স্থলে রুদ্রের কল্যাণকর ভেষজের কথা বলা হইয়াছে (শিবা রুদ্রস্য ভেষজী)। শিবের উল্লেখও তিনি দুইবার করিয়াছেন। পাণিনির সূত্র ‘দেবতাদ্বন্দ্বে চ’ (৬, ৩, ২৬) ও ইহার কাত্যায়ন কৃত বার্তিক ‘ব্রহ্মপ্রজাপত্যাদীনাং চ’ এর ভাষ্যকালে তিনি দ্বন্দ্ব সমাসের তিনটি উদাহরণ দিয়াছেন, যথা ব্রহ্ম-প্রজাপতি, শিব-বৈশ্রবণৌ এবং স্কন্দ-বিশাখৌ। তিনি সঙ্গে সঙ্গে বলিয়াছেন যে এইরূপ দেবতার নাম সম্বলিত দ্বন্দ্ব সমাস বেদে পাওয়া যায় না। এ উক্তি যথার্থ, কারণ প্রজাপতি ব্যতিরেকে অপর দেবতা কয়টি অবৈদিক। মহাভাষ্যকার এই প্রসঙ্গেই শিব, বৈশ্রবণ, স্কন্দ ও বিশাখ দেবতাদিগকে লৌকিক দেবতানিচয়ের অন্তর্ভুক্ত করিয়াছেন। পাণিনির অন্যতম সূত্র ‘জীবিকার্থে চাপণ্যে’ (৫, ৩, ৯৯)-র ভাষ্যকালে পতঞ্জলি স্কন্দ ও বিশাখের মূর্তির সহিত শিবের মূর্তির কথা বলিয়াছেন। পাণিনির আর এক সূত্রের (৫, ২, ৭৬) ব্যাখ্যানে তিনি শিবের ভক্তদিগেরও উল্লেখ করিয়াছেন।’– (পঞ্চোপাসনা, পৃষ্ঠা-১৩০-৩১) Read the rest of this entry »

12042906_599938180144240_5375375480413254287_n

তন্ত্র-সাধনা-১৭ : সমাজে তন্ত্রের প্রভাব
রণদীপম বসু

হিন্দুর ধর্মানুষ্ঠানের বিপুলতা প্রকাশ করতে যে প্রবাদ-বাক্যটি আমাদের কাছে অত্যন্ত পরিচিত, তা হলো– ‘বারো মাসে তেরো পার্বণ’। অথচ স্ত্রী-আচার ব্যতীত এই অনুষ্ঠানগুলির মধ্যে যা কিছু করা হয়, তাতে বৈদিক পদ্ধতির সংস্রব অত্যন্ত কম। তান্ত্রিক ও পৌরাণিক পূজাপদ্ধতির প্রচলনই হিন্দুসমাজে সমধিক। নিত্য উপাসনার ক্ষেত্রেও ভারতবর্ষের সর্বত্র তন্ত্রেরই আদর বেশি পরিলক্ষিত হয়। এ প্রসঙ্গে শ্রী সুখময় শাস্ত্রী’র ভাষ্যে–
‘ব্রাহ্মণ, ক্ষত্রিয় এবং বৈশ্যগণ বৈদিক পদ্ধতিতে উপনীত হইয়াও পরে তান্ত্রিক দীক্ষা গ্রহণ করিয়া থাকেন। গায়ত্রীর উপাসনা অপেক্ষা তান্ত্রিক দীক্ষায় ইষ্টদেবতার উপাসনাতেই হিন্দুগণ বেশী সময় দিয়া থাকেন। ভয়-ভীতিতে গায়ত্রীর শরণ না লইয়া ইষ্টমন্ত্রকেই বেশী স্মরণ করেন।’
‘বিষ্ণুচক্রচ্ছিন্ন সতীদেহ একান্ন খণ্ডে বিভক্ত হইয়া বেলুচীস্থানের হিঙ্গুলাক্ষেত্র হইতে আসামের কামরূপ পর্যন্ত তান্ত্রিক পীঠস্থানে পরিণত হইয়াছে। একই দেবতা সমগ্র ভারতে পরিব্যাপ্ত হইয়া ভারতীয় হিন্দুর তান্ত্রিক উপাসনার প্রবৃত্তি জাগাইতেছেন।’- (তন্ত্রপরিচয়, পৃষ্ঠা-২০) Read the rest of this entry »

11014894_595803560557702_6645515568049066554_n

তন্ত্র-সাধনা-১৬ : তন্ত্রের জ্ঞানতত্ত্ব
রণদীপম বসু

তন্ত্র বিষয়ে এ পর্যন্ত যা আলোচনা করা হয়েছে তার সবই তান্ত্রিক সাধনার কর্ম-কাণ্ড বা সাধন-কাণ্ড বিষয়ক। এবার তন্ত্র-শাস্ত্রের জ্ঞান-কাণ্ড বা দার্শনিক ভাগেরও কিছুটা আলোকপাতের প্রয়োজন রয়েছে।
কর্ম-কাণ্ডের প্রকরণে দেখা যায়, অতি নিম্ন স্তরের উপাসক যেমন দেখতে পান তাঁর উপযোগী উপাসনার পদ্ধতি তন্ত্র-শাস্ত্রে রয়েছে, তেমনি অতি উচ্চ স্তরের সাধকও দেখতে পান যে তাঁর উপযোগী উপদেশও তন্ত্রে কম নেই। হিন্দুশাস্ত্রের অভিনবত্ব এখানেই যে তা কখনও কাউকেও নিরাশ করে না। সব-ধরনের অধিকারীকেই কোলে স্থান দেয়। অধিকারী-ভেদে শাস্ত্রের বিভিন্ন অনুশাসন প্রযুক্ত হয়ে থাকে। অতি সাধারণের ইতু-পুজা, সুবচনীর ব্রত প্রভৃতি কর্ম থেকে কৌল জ্ঞানীর ব্রহ্ম-তত্ত্ব পর্যন্ত সবকিছুই অধিকারী-ভেদে গ্রাহ্য হয়ে থাকে। হিন্দুর তেত্রিশ কোটি দেবতার তাৎপর্যও বোধকরি এখানেই। কেননা, হিন্দুর বহু-দেবতাবাদ ও একেশ্বরবাদকে গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ করলে দেখা যায় যে, অসংখ্য দেবতাকে স্বীকার করেও চরম তত্ত্ব অর্থাৎ ‘একমেবাদ্বিতীয়ম্’ শ্রুতির সাথে কোন বিরোধ ঘটে না। একইভাবে এই সমন্বয় বুদ্ধিকে বিবেচনায় নিয়ে তন্ত্র-শাস্ত্রের উপাসনা-প্রণালীর বিচার করলেও সেই চরম তত্ত্বের অন্যথা হয় না। উপাসনা-প্রণালীর মধ্যে পঞ্চোপাসক তথা শৈব, শাক্ত, বৈষ্ণব, সৌর ও গাণপত্য সাধকের ভেদ কল্পিত-মাত্র বলেই মনে হয়। পথের বিভিন্নতায় গন্তব্য স্থল ভিন্ন হয়ে যায় না। সবারই চরম উপেয় এক, অর্থাৎ অভিন্ন। ব্যবহারিক ভেদের দ্বারা তাত্ত্বিক অভেদ কখনও ক্ষুন্ন হয় না। Read the rest of this entry »

tantra-is-way-to-god

বৌদ্ধ-তন্ত্র-০৯ : বৌদ্ধ-তন্ত্রের পরিণতি
রণদীপম বসু

হীনযান, মহাযান, বজ্রযান প্রভৃতিকে পণ্ডিতেরা প্রথাগত ধর্ম না বলে বিশিষ্ট সাধনপদ্ধতি আখ্যা দিয়েছেন। কেননা তাঁদের মতে ধর্ম ব্যাপারটা সাধারণ গৃহী মানুষের জন্য। দর্শনতাত্ত্বিক যে সকল বিষয় নিয়ে হীনযানী সম্প্রদায়সূহের মধ্যে বিতর্ক বর্তমান সেগুলি সাধারণ মানুষের বিষয় নয়, একমাত্র মঠবাসী ভিক্ষুরাই এসকল বিষয়ে আকৃষ্ট হতে পারেন। এ-প্রসঙ্গে নরেন্দ্রনাথ ভট্টাচার্য বলেন,–
‘মহাযানীরা এই সমস্যা সম্পর্কে কিছুটা ওয়াকিবহাল ছিলেন এবং বুদ্ধপূজার প্রবর্তন করে ও কিছু স্থানীয় দেবদেবীকে বৌদ্ধ পরিমণ্ডলের মধ্যে নিয়ে এসে সাধারণ মানুষের নিকট যাওয়ার চেষ্টা করেছিলেন, কিন্তু মহাযান মতের বিশেষত্বের জন্যেই সেক্ষেত্রে সাফল্য আসেনি। ধর্মশূন্যতা ও পুদ্গলশূন্যতার যুগপৎ উপলব্ধি, বা জগতকে ‘বন্ধ্যা নারীর কন্যার সৌন্দর্যের ন্যায় মিথ্যা’ হিসাবে উপলব্ধির ব্যাপারটা সাধারণ মানুষের এলাকায় আসে না। নিজেকে বুদ্ধ এবং সঙ্গিনীকে বুদ্ধের শক্তি হিসাবে কল্পনা করে প্রজ্ঞোপায়ের অদ্বয়ত্বের উপলব্ধির জন্য যুগনদ্ধ সাধনা সাধারণ গৃহী মানুষের কল্পনাতেও আসতে পারে না। এই কারণে এইগুলিকে ‘যান’ বা সাধনমার্গ বলা হয়েছে, যার সঙ্গে সর্বজনের পক্ষে সহজপালনীয় ধর্মের কোনও সম্পর্ক নেই।’- (ধর্ম ও সংস্কৃতি, প্রাচীন ভারতীয় প্রেক্ষাপট/ পৃষ্ঠা-১১৮) Read the rest of this entry »


রণদীপম বসু


‘চিন্তারাজিকে লুকিয়ে রাখার মধ্যে কোন মাহাত্ম্য নেই। তা প্রকাশ করতে যদি লজ্জাবোধ হয়, তবে সে ধরনের চিন্তা না করাই বোধ হয় ভাল।...’
.
.
.
(C) Ranadipam Basu

Blog Stats

  • 557,472 hits

Enter your email address to subscribe to this blog and receive notifications of new posts by email.

Join 141 other followers

Follow h-o-r-o-p-p-a-হ-র-প্পা on WordPress.com

কৃতকর্ম

সিঁড়িঘর

দিনপঞ্জি

অগাষ্ট 2020
রবি সোম বুধ বৃহ. শু. শনি
 1
2345678
9101112131415
16171819202122
23242526272829
3031  

Bangladesh Genocide

1971 Bangladesh Genocide Archive

War Crimes Strategy Forum

লাইভ ট্রাফিক

ক’জন দেখছেন ?

হরপ্পা কাউন্টার

Add to Technorati Favorites

গুগল-সূচক

টুইট

Protected by Copyscape Web Plagiarism Check

Flickr Photos