h-o-r-o-p-p-a-হ-র-প্পা

Posts Tagged ‘তন্ত্র

12072728_600732200064838_8523909700116422764_n

তন্ত্র-সাধনা-০৬ : তন্ত্রে মন্ত্রার্থ ও মন্ত্রচৈতন্য
রণদীপম বসু

তন্ত্রে মন্ত্র অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ। ইতঃপূর্বেই বলা হয়েছে যে, দীক্ষা গ্রহণকালে শিষ্য গুরুর নিকট থেকে তাঁর ইষ্টদেবতার পরিচায়ক বীজমন্ত্র প্রাপ্ত হন। কিন্তু এই অসাধারণ মন্ত্রগুলি অতীব গুহ্য, গুহ্যাতিগুহ্য এবং তার প্রকৃত অর্থ দুর্বোধ্য। এগুলোর অর্থ ও তাৎপর্য গুরুর নিকট থেকেই শিখে নিতে হয়। কেননা তন্ত্রকারেরা তা গোপনে রাখবার উদ্দেশ্যে কতকগুলি নতুন শব্দ এবং অন্য কতকগুলো শব্দের নতুন অর্থ সৃষ্টি করেছেন। সেই সেই শব্দের সেইরূপ অর্থ তন্ত্র ছাড়া অন্য কোন শাস্ত্রে প্রাপ্ত হওয়া যায় না। তন্ত্রের এই যে মন্ত্ররহস্য, এ প্রসঙ্গে অধ্যাপক নরেন্দ্রনাথ ভট্টাচার্যের বক্তব্য প্রণিধানযোগ্য বলে মনে করি–
‘তন্ত্রে মন্ত্রের স্থান অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। মন্ত্রের দু’রকম শক্তি, বাচক ও বাচ্য, প্রথমটি দ্বিতীয়টির স্বরূপ প্রকাশ করে। দ্বিতীয়টি জ্ঞাতব্য, প্রথমটি জানার পদ্ধতি। মন্ত্রের বাচক সত্তা বাক্যের দ্বারা গঠিত, বাক্য শব্দের দ্বারা, শব্দ ধ্বনির দ্বারা। ধ্বনির সূক্ষ্মতর ও সূক্ষ্মতম পর্যায় দুটির নাম বিন্দু ও নাদ। ধ্বনির প্রকাশ হয় বর্ণে বা অক্ষরে, তাই বর্ণ বা অক্ষরই বীজ। বর্ণই ভাব ও রূপের স্রষ্টা ও তাদের থেকেই সিদ্ধ বীজমন্ত্রের বোধ বা জ্ঞান হয়। হ্রীং, ক্রীং, ঐং, শ্রীং, ক্লীং প্রভৃতি বীজ। বৃহৎ বটবৃক্ষ যেমন একটি ক্ষুদ্র বীজের মধ্যে সুপ্ত থাকে সেইরূপ সমুদয় তত্ত্ব ওই একাক্ষর বীজের মধ্যে বর্তমান। বর্ণমালাই মাতৃকা। পঞ্চাশটি বর্ণ মাতৃকাবর্ণ, দেবী সরস্বতীর অক্ষমালা বা দেবী কালীর মুণ্ডমালা। ধ্বনির গঠনকারী বিন্দু ও নাদের প্রকাশিত দিকটিই হচ্ছে বীজ, আর এই তিন একত্রে মিলেই শব্দব্রহ্ম, যা সর্বজীবাশ্রয়ী বস্তু ও চৈতন্য, তন্ত্রের বিশেষ ভাষায় যা ব্যাপিকাশক্তি কুণ্ডলিনী অথবা কুণ্ডলীরূপা কামকলা। বিন্দু হচ্ছে শিবের প্রতীক, বীজ হচ্ছে শক্তির প্রতীক আর নাদ হচ্ছে শিব-শক্তি সামরস্য (শারদাতিলক ২/১০৮-১১) Read the rest of this entry »

Advertisements

12032958_598706690267389_7077705607293271215_n

তন্ত্র-সাধনা-০৫ : তন্ত্রের মন্ত্র-সঙ্কেত
রণদীপম বসু

তন্ত্রসারে সংক্ষেপে দীক্ষা, পঞ্চায়তনী দীক্ষা প্রভৃতি কয়েক প্রকার দীক্ষাবিধির কথা বলা আছে। দীক্ষাদানের নানাবিধ পদ্ধতি তন্ত্রশাস্ত্রে দৃষ্ট হয়। স্থান, কাল, পাত্রেরও বিচার আছে। তবে দীক্ষাগ্রহণ বা দীক্ষাপ্রদান ইষ্টদেবতা অনুসারে ও গুরু-শিষ্য-প্রণালী ভেদে নানারকমের হয়ে থাকে। এখানে তার বর্ণনা বাহুল্য। দীক্ষা গ্রহণকালে শিষ্য গুরুর নিকট থেকে তাঁর ইষ্টদেবতার পরিচায়ক বীজমন্ত্র প্রাপ্ত হন। এই অসাধারণ মন্ত্রগুলি অতীব গুহ্য, গুহ্যাতিগুহ্য এবং তার প্রকৃত অর্থ দুর্বোধ্য। কেননা তন্ত্রকারেরা তা গোপনে রাখবার উদ্দেশ্যে কতকগুলি নতুন শব্দ এবং অন্য কতকগুলো শব্দের নতুন অর্থ সৃষ্টি করেছেন। সেই সেই শব্দের সেইরূপ অর্থ তন্ত্র ছাড়া অন্য কোন শাস্ত্রে প্রাপ্ত হওয়া যায় না। Read the rest of this entry »

12042606_598648876939837_4014857095877206038_n

তন্ত্র-সাধনা-০৪ : তন্ত্রে গুরুবাদ
রণদীপম বসু

তান্ত্রিক শক্তি-উপাসনায় গুরুবাদ অত্যন্ত প্রবল। মহাশয় অক্ষয় কুমার দত্ত তাঁর তথ্যপূর্ণ ‘ভারতবর্ষীয় উপাসক সম্প্রদায়’ গ্রন্থের দ্বিতীয়ভাগে শাক্ত-সম্প্রদায়ের পরিচয় দিতে গিয়ে বলেন–
‘শক্তির অর্থাৎ শিব-ভার্যার উপাসকদের নাম শাক্ত। তন্ত্র-শাস্ত্র এই সম্প্রদায়ের বিধি-নিষেধ বিস্তারে পরিপূর্ণ। তন্ত্রোক্ত উপাসনা বৈদিক উপাসনার মত নয়। তান্ত্রিক উপাসকেরা দেবতার প্রতিমূর্তি নির্মাণ করিয়া মন্ত্র দ্বারা তাঁহার প্রাণ-প্রতিষ্ঠা পূর্বক তাঁহাকে সজীব সাক্ষাৎ দেবতা-জ্ঞানে আহ্বান করেন ও পাদ্য, অর্ঘ্য, স্নানীয়, গন্ধ, নৈবেদ্য, পরিধেয় বস্ত্রাদি প্রদান করেন ও অধিকারী-বিশেষে মদ্য-মাংসাদি নিবেদন দ্বারা তাঁহার অর্চনা করিয়া থাকেন।’
‘শক্তি অর্থাৎ কালী তারা প্রভৃতি শিব-শক্তিই শাক্ত-সম্প্রদায়ের উপাস্য। কিন্তু সকলের ইষ্টদেবতা এক নয়; গুরু-শিষ্য-প্রণালী ক্রমে বিশেষ বিশেষ দেবতা বিশেষ বিশেষ ব্যক্তির ইষ্ট-দেবতা বলিয়া উপদিষ্ট হন। কেহ কালী, কেহ বা তারা, কেহ বা জগদ্ধাত্রী, কেহ বা অন্য দেবতার থাকেন।’- (ভারতবর্ষীয় উপাসক সম্প্রদায়) Read the rest of this entry »

12003326_595367053934686_3088831673279228900_n

তন্ত্র-সাধনা-০৩ : তন্ত্রের প্রাচীনত্ব
রণদীপম বসু

তান্ত্রিক ধর্মচর্যা ও তার প্রাচীনত্ব ইত্যাদি সম্বন্ধে নির্দিষ্ট সন তারিখ দিয়ে নিশ্চিত হওয়ার মতো কোনও সুনির্দিষ্ট তথ্য যদিও এখনও আমাদের হাতে নেই, তবু কিছু কিছু সাহিত্য ও প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শন যে তান্ত্রিকতার প্রাচীনত্ব নির্দেশ করে সে ব্যাপারে সন্দেহ নেই। বৃহৎসংহিতাকার (আনুমানিক খ্রিস্টীয় ষষ্ঠ শতক) বরাহমিহির যে অতি অল্প কথায় মাতৃকাগণের মণ্ডলক্রমানুযায়ী ধর্মানুষ্ঠানের বিষয়ে বলেছেন তা ইতঃপূর্বে উল্লেখ করা হয়েছে। তার শতাব্দীকাল পরে (সপ্তম শতকের প্রথমভাগে) ভারত পরিভ্রমণকারী চৈনিক পরিব্রাজক হিউয়েন সাঙ তাঁর সি-ইউ-কি গ্রন্থে গান্ধার পরিক্রমার বিবরণ প্রসঙ্গে লিখেছেন যে–
‘প্রাচীন গান্ধার প্রদেশের (ভারত সম্বন্ধীয় বৈদেশিক লেখকগণের মতানুযায়ী এটি বর্তমান পশ্চিম পাকিস্তানের পেশোয়ার জেলার প্রাচীনকালে প্রচলিত নাম) মধ্যস্থলে ভীমাদেবী পর্বত নামে একটি বৃহৎ পর্বতশৃঙ্গ ছিল। তার উপরে মহেশ্বরের পত্নী ভীমাদেবীর গাঢ় নীলবর্ণের প্রস্তরের এক প্রতিকৃতি ছিল। স্থানীয় জনগণের মতে দেবীর প্রতিকৃতিটি অকৃত্রিম এবং তাঁর মন্দির ভারতের সকল অংশের দেবীপূজকদের পবিত্র গন্তব্য বা দ্রষ্টব্য স্থান ছিল। পর্বতের সানুদেশে মহেশ্বরদেবের এক মন্দির ছিল; এখানে ভস্মলিপ্ত তীর্থিকগণ (এরা পাশুপত সম্প্রদায়ভুক্ত বলে ধারণা করা হয়) বিশেষ পূজা করতেন।’ (সূত্র: পঞ্চোপাসনা) Read the rest of this entry »

12042906_599938180144240_5375375480413254287_n

তন্ত্র-সাধনা-০২ : তন্ত্র-শাস্ত্র
রণদীপম বসু

অধ্যাপক নীহাররঞ্জন রায় তাঁর সুবিখ্যাত গ্রন্থ ‘বাঙালীর ইতিহাস আদিপর্বে’র ‘ধর্মকর্ম : ধ্যান-ধারণা’ অধ্যায়ে শাক্তধর্ম প্রসঙ্গে বলেন,– ‘দেবীপুরাণে (খ্রীষ্টোত্তর সপ্তম-অষ্টম শতক) বলা হইয়াছে, রাঢ়া-বরেন্দ্র-কামরূপ-কামাখ্যা-ভোট্টদেশে (তিব্বতে) বামাচারী শাক্তমতে দেবীর পূজা হইত। এই উক্তি সত্য হইলে স্বীকার করিতেই হয়, খ্রীষ্টোত্তর সপ্তম-অষ্টম শতকের পূর্বেই বাঙলাদেশের নানা জায়গায় শক্তিপূজা প্রবর্তিত হইয়া গিয়াছিল। ইহার কিছু পরোক্ষ প্রমাণ পাওয়া যায় গুপ্তোত্তর পর্বে এবং মধ্য-ভারতে রচিত জয়দ্রথ-যামল গ্রন্থে। এই গ্রন্থে ঈশান-কালী, রক্ষা-কালী, বীর্যকালী, প্রজ্ঞাকালী প্রভৃতি কালীর নানা রূপের সাধনা বর্ণিত আছে। তাহা ছাড়া ঘোরতারা, যোগিনীচক্র, চক্রেশ্বরী প্রভৃতির উল্লেখও এই গ্রন্থে পাওয়া যায়। আর্যাবর্তে শাক্তধর্ম যে গুপ্ত-গুপ্তোত্তর পর্বেই বিকাশ লাভ করিয়াছিল আগম ও যামল গ্রন্থগুলিই তাহার প্রমাণ। খুব সম্ভব ব্রাহ্মণ্য অন্যান্য ধর্মের স্রোত-প্রবাহের সঙ্গে সঙ্গেই শক্তিধর্মের স্রোতও বাঙলাদেশে প্রবাহিত হইয়াছিল এবং এই দেশ পরবর্তী শক্তিধর্মের অন্যতম প্রধান কেন্দ্র রূপে গড়িয়া উঠিয়াছিল। এইসব আগম ও যামল গ্রন্থের ধ্যান ও কল্পনাই, অন্তত আংশিকত, পরবর্তী কালে সুবিস্তৃত তন্ত্র সাহিত্যের ও তন্ত্রধর্মের মূলে এবং এই তন্ত্র-সাহিত্যের প্রায় অধিকাংশ গ্রন্থই রচিত হইয়াছিল বাঙলাদেশে। তন্ত্রধর্মের পরিপূর্ণ ও বিস্তৃত বিকাশও এই দেশেই। দ্বাদশ শতকের আগেকার রচিত কোনও তন্ত্র-গ্রন্থ আজও আমরা জানি না এবং পাল-চন্দ্র-কম্বোজ লিপিমালা অথবা সেন-বর্মণ লিপিমালায়ও কোথাও এই গুহ্য সাধনার নিঃসংশয় কোনও উল্লেখ পাইতেছি না, এ-কথা সত্য। কিন্তু পাল-পর্বের শাক্ত দেবীদের রূপ-কল্পনায়, এক কথায় শক্তিধর্মের ধ্যানধারণায় তান্ত্রিক ব্যঞ্জনা নাই, এ কথা জোর করিয়া বলা যায় না। জয়পালের গয়া-লিপিতে মহানীল-সরস্বতী নামে যে দেবীটির উল্লেখ আছে তাঁহাকে তো তান্ত্রিক দেবী বলিয়াই মনে হইতেছে। তবু, স্বীকার করিতেই হয় যে, পাল-পর্বের অসংখ্য দেবী মূর্তিতে শাক্তধর্মের যে রূপ-কল্পনার পরিচয় আমরা পাইতেছি তাহা আগম ও যামল গ্রন্থবিধৃত ও ব্যাখ্যাত শৈবধর্ম হইতেই উদ্ভূত এবং শাক্তধর্মের প্রাক্-তান্ত্রিক রূপ। এ তথ্য লক্ষণীয় যে, পুরাণকথানুযায়ী সকল দেবীমূর্তিই শিবের সঙ্গে যুক্ত, শিবেরই বিভিন্নরূপিণী শক্তি, কিন্তু তাঁহাদের স্বাধীন স্বতন্ত্র অস্তিত্ব ছিল এবং সেইভাবেই তাঁহারা পূজিতাও হইতেন। শাক্তধর্ম ও সম্প্রদায়ের পৃথক অস্তিত্ব ও মর্যাদা সর্বত্র স্বীকৃত ছিল।’ Read the rest of this entry »

12046581_597640647040660_587699030591407997_n

শক্তি-সাধনের গুহ্য রহস্যমার্গ তন্ত্র-সাধনা-০১ : ভূমিকা
রণদীপম বসু

শক্তি-সাধনের এক গুহ্য রহস্যমার্গ হলো তন্ত্র বা তান্ত্রিক-সাধনা। তন্ত্রশাস্ত্র বলতে মোটের উপর সেই সকল গ্রন্থাদি বোঝায় যেগুলিতে শক্তি সাধনার পরিপ্রেক্ষিতে নানাপ্রকার দেবদেবী সংক্রান্ত ধারণাগত ও আচার-অনুষ্ঠানগত বিধিব্যবস্থা ও সেগুলির প্রয়োগ আলোচিত হয়েছে। এদিক থেকে বিচার করলে বৌদ্ধ, শৈব, বৈষ্ণব, গাণপত্য, সৌরাদি পূজাক্রম, যেখানে শক্তির বিশেষ ভূমিকা আছে, সেগুলিও তান্ত্রিক পর্যায়ভুক্ত। বৈষ্ণব পূজাক্রমে পাঞ্চরাত্র সংহিতাসমূহের মধ্যে তন্ত্রসাগর, পাদ্মসংহিতাতন্ত্র, পাদ্মতন্ত্র, লক্ষ্মীতন্ত্র প্রভৃতি নাম পাওয়া যায়। শেষোক্ত লক্ষ্মীতন্ত্র গ্রন্থটিকে শাক্ত তান্ত্রিকেরাও প্রামাণ্য বলে মনে করেন। আবার সৌর ও গাণপত্য ধর্মমত সংক্রান্ত কোন রচনাকেও তন্ত্রের পর্যায়ে ফেলা হয়। আর শৈব তন্ত্রসমূহকে শাক্তরা বহুস্থলেই প্রামাণ্য বলে মনে করেন। তাছাড়া অভিনবগুপ্ত প্রমুখ শৈব লেখকেরা শাক্তদের নিকটও বিশেষজ্ঞ বলে গণ্য হয়ে থাকেন। তার মানে এসবের পেছনে যে সুদীর্ঘ শাক্ত-ঐতিহ্য বহমান তা বলার অপেক্ষা রাখে না। ফলে তন্ত্র বিষয়ক আলোচনায় শাক্ত-সাধনা বা এতৎবিষয়ক ধারণাগুলি এতোটাই অঙ্গাঙ্গিভাবেই জড়িয়ে আছে যে তা এড়িয়ে যাওয়ার উপায় নেই। Read the rest of this entry »

11999019_597640487040676_4191804527578047278_n

শক্তি-সাধনা-১০। শক্তিতত্ত্ব ও দর্শন 
রণদীপম বসু

শাক্ত দর্শনের মূল ভিত্তি সাংখ্য, যা গড়ে উঠেছিল প্রাচীনযুগের তন্ত্র থেকে উদ্ভূত প্রকৃতি পুরুষ তত্ত্বকে আশ্রয় করে। তান্ত্রিক পুঁথিসমূহের চেয়ে তন্ত্র অনেক বেশি প্রাচীন, যার মূল খুঁজতে গেলে আমাদেরকে বৈদিক যুগেরও অনেক পেছনে যেতে হবে। সেই সুদূর অতীতের মাতৃপ্রধান সমাজ থেকে প্রকৃতিপ্রাধান্যবাদের উদ্ভব হয়েছে, মাতৃকাদেবীকেন্দ্রিক সেই প্রাচীন জীবনচর্যাই আদি তন্ত্র। পরবর্তীকালের সাংখ্যদর্শন সেই প্রাচীন তন্ত্রকেই অবলম্বন করে গড়ে উঠেছিল। মাতৃ বা প্রকৃতিপ্রধান ধর্মব্যবস্থা, যার আবেদন ছিল মূলত সমাজের নিম্নস্তরে, বিশেষ করে কৃষিজীবী মানুষদের মধ্যে, বরাবরই সাধারণ মানুষের জীবনে বিশেষ প্রভাব সৃষ্টি করতে সমর্থ হয়েছিল, এবং প্রভাবের পরিধি এতো বিস্তৃত যে, ভারতের অন্যান্য প্রধান প্রধান ধর্মগুলিও শাক্ত-তান্ত্রিক ধ্যানধারণার দ্বারা প্রভাবিত হয়েছিল। এই ধ্যানধারণাগুলি বিভিন্ন ধর্মকে প্রভাবিত করেই ফুরিয়ে যায়নি, গুপ্তোত্তর যুগ থেকে নতুনভাবে রূপ পরিগ্রহ করেছিল। আধুনিক শক্তিতত্ত্ব বলতে আমরা যা বুঝি তা বস্তুত গুপ্তযুগে পরিগৃহীত নতুন রূপ। Read the rest of this entry »


রণদীপম বসু


‘চিন্তারাজিকে লুকিয়ে রাখার মধ্যে কোন মাহাত্ম্য নেই। তা প্রকাশ করতে যদি লজ্জাবোধ হয়, তবে সে ধরনের চিন্তা না করাই বোধ হয় ভাল।...’
.
.
.
(C) Ranadipam Basu

Blog Stats

  • 193,002 hits

Enter your email address to subscribe to this blog and receive notifications of new posts by email.

Join 77 other followers

Follow h-o-r-o-p-p-a-হ-র-প্পা on WordPress.com

কৃতকর্ম

সিঁড়িঘর

দিনপঞ্জি

অক্টোবর 2017
রবি সোম বুধ বৃহ. শু. শনি
« সেপ্টে.    
1234567
891011121314
15161718192021
22232425262728
293031  

Bangladesh Genocide

1971 Bangladesh Genocide Archive

War Crimes Strategy Forum

লাইভ ট্রাফিক

ক’জন দেখছেন ?

bob-contest

Blogbox
Average rating:

Create your own Blogbox!

হরপ্পা কাউন্টার

Add to Technorati Favorites

গুগল-সূচক

টুইট

Protected by Copyscape Web Plagiarism Check