h-o-r-o-p-p-a-হ-র-প্পা

Posts Tagged ‘কুমারিল

599650_440178629346566_1429881579_n

| ভারতীয় দর্শনের বিকাশ-০৯ : মীমাংসক কর্তৃক ঈশ্বরের অস্তিত্ব খণ্ডন |
রণদীপম বসু

৩.১ : মীমাংসক কর্তৃক ঈশ্বরের অস্তিত্ব খণ্ডন

নিরীশ্বরবাদিতায় নাস্তিক দর্শনগুলোর অবস্থান আমাদের কাছে সহজেই অনুমেয়, এরা ঈশ্বরে বিশ্বাসী নন। কিন্তু একান্ত বেদনির্ভর প্রচণ্ড আস্তিক দর্শন হয়েও মীমাংসক দার্শনিকেরা যে তাঁদের নিজস্ব যৌক্তিক অবস্থান থেকে কতোটা চরম নিরীশ্বরবাদী হতে পারেন তারই সামান্য কিছু নমুনা আমাদের বিবেচনাবোধকে বিশ্লেষণের সুবিধার্থে সংক্ষেপে উপস্থাপন করতে পারি। এ প্রেক্ষিতে আমাদের এই আলোচনার উৎস হলো মহর্ষি জৈমিনির মীমাংসাসূত্রের প্রখ্যাত ভাষ্যকার শবরস্বামীর ভাষ্য এবং তার ব্যাখ্যাকার দার্শনিক প্রভাকর মিশ্র ও কুমারিল ভট্টের উত্থাপিত যুক্তি। তবে এ বিষয়টাতে বিভিন্ন দার্শনিক সম্প্রদায়ের পক্ষ-বিপক্ষ অবস্থান সাপেক্ষে তাঁদের স্ব-স্ব যুক্তি-বিস্তার এতো জটিল-সম্বন্ধযুক্ত ও বিশাল-বিস্তৃত যে, তা থেকে তুলে আনা গুটিকয় নমুনা দিয়ে ক্ষণিক স্বাদটুকু হয়তো আঁচ করা যেতে পারে, বিষয়ের গুরুত্ব ও গভীরতা পরিমাপ করা আদৌ সম্ভব নয়। এক্ষেত্রে পণ্ডিত দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়-কৃত ‘ভারতীয় দর্শন’ এবং মহামহোপাধ্যায় হেমন্ত গঙ্গোপাধ্যায়-কৃত ‘বৈদিকধর্ম ও মীমাংসা-দর্শন’ গ্রন্থ দুটিকে এ বিষয়ে আপাত সহায়কসূত্র হিসেবে নেয়া হয়েছে। Read the rest of this entry »

603577_517426961604859_212592864_n

| ভারতীয় দর্শনের বিকাশ-০৫ : কর্মফল ও জন্মান্তরবাদ |
রণদীপম বসু

২.২ : কর্মফল ও জন্মান্তরবাদ

যে মোক্ষ বা নির্বাণ ভারতীয় অধ্যাত্মদর্শনে চরম লক্ষ্য হিসেবে নির্দেশিত, তাকে বিশেষ কোন জন্মমৃত্যুর পরিসরে আবদ্ধ জীবনে আয়ত্ত করা সম্ভব নয়। ফলে এই লক্ষ্যে উপনীত হবার প্রস্তুতি হিসেবেই স্বীকৃত হয়েছে নির্দিষ্ট কোন জীবনের আগে এবং পরে জীবের আরও বিভিন্ন জন্ম-পুনর্জন্মের অস্তিত্ব। এই জন্মগুলিতে ভোগের মাধ্যমে প্রারব্ধ কর্ম ক্ষয় করে জীবকে যেতে হয় মোক্ষের দ্বারপ্রান্তে এবং জন্ম থেকে জন্মান্তরের এই সুদীর্ঘ পথের অতিক্রমণে যাত্রী হলো জীবের দেহাতীত সত্তা। এ প্রসঙ্গে কর্মফলবাদেরও উল্লেখ করতে হয়। কারণ প্রকৃতপক্ষে জন্মান্তরবাদ এবং কর্মফলবাদ– এ দুটি ধারণা পরস্পরের পরিপূরক। এই জন্মান্তর আর কর্মফলের স্বীকৃতির ভিত্তির উপর ভারতীয় দর্শনের যে বিশাল সৌধ দণ্ডায়মান, তার প্রাথমিক ধারণার ঔপনিষদিক উন্মেষও ঘটেছিলো উপনিষদীয় ঋষির কোন এক কৌতুহল-মুহূর্তে। অবশ্যই উল্লেখ করা বাঞ্ছনীয় যে, প্রাচীন ভারতীয় সাহিত্যের মধ্যে প্রথমকালের অন্যতম প্রাচীন উপনিষদ ছান্দোগ্যই সর্বপ্রথম পুনর্জন্ম বিষয়ক ধারণার অবতারণা করে। ছান্দোগ্য উপনিষদে প্রচারিত পুনর্জন্ম সম্বন্ধে সেই সর্বপ্রাচীন উক্তিটি হলো–

‘তদ্য ইহ রমণীয়চরণা অভ্যাশো হ যত্তে রমণীয়াং যোনিম্ আপদ্যেরন্ । ব্রাহ্মণযোনিং বা ক্ষত্রিয়াযোনিং বা বৈশ্যযোনিং বাথ য ইহ কপূয়চরণা অভ্যাশো হ যত্তে কপূয়াং যোনিম্ আপদ্যেরন শ্বযোনিং বা সূকরযোনিং বা চন্ডালযোনিং বা।। (ছান্দোগ্য-৫/১০/৭)।।
অর্থাৎ :
তাদের মধ্যে যারা (পূর্বজন্মে) রমণীয় আচরণ বা পুণ্যকর্ম করে তারা দেহান্তরে শীঘ্রই ব্রাহ্মণযোনিতে বা ক্ষত্রিয়যোগিতে বা বৈশ্যযোনিতে জন্মলাভ করে। আবার যারা (পূর্বজন্মে) কপূয়াচরণ অর্থাৎ কুৎসিত বা অশুভ কর্ম করে তাদের শীঘ্রই কুকুরযোনিতে বা শূকরযোনিতে বা চণ্ডালযোনিতে পুনর্জন্ম হয়।

Read the rest of this entry »

images_12

|চার্বাকের খোঁজে-০৪ : ভারতীয় বিভিন্ন দর্শন-সম্প্রদায়|
রণদীপম বসু

৪.০ : বিভিন্ন দর্শন-সম্পদায়

প্রচলিত দৃষ্টিভঙ্গিতে ভারতীয় দর্শন সম্প্রদায়গুলিকে যে দুটি পঙক্তিতে তালিকাভুক্ত করা হয় তা হলো- (ক) নাস্তিক দর্শন-সম্প্রদায় ও (খ) আস্তিক দর্শন-সম্প্রদায়। Read the rest of this entry »

307890_527550600592495_718042209_n.

| মীমাংসা দর্শন-১৮ : মীমাংসায় ভাববাদ-খণ্ডন |
রণদীপম বসু

৪.৫ : মীমাংসায় বাহ্যবস্তুবাদী যুক্তিতে ভাববাদ-খণ্ডন


ভারতীয় দর্শন জগতে মীমাংসাদর্শনকে আপাতদৃষ্টিতে একটি কূহেলিকাময় দর্শন বলা চলে। যজ্ঞকর্ম থেকে যজ্ঞফল হিসেবে প্রাপ্ত অপূর্বশক্তি নামের এক আদিম জাদুবিশ্বাসকে সমর্থন ও উৎসাহের মাধ্যমে সৃষ্ট এই দর্শন একদিকে যেমন প্রচণ্ড গোঁড়ামিতে পূর্ণ, অন্যদিকে ঈশ্বর দেবতা ইত্যাদি কোনো অলৌকিক সত্তায় অস্বীকার করে লৌকিক সত্তায় বিশ্বাসী বাহ্যবস্তুবাদী অবস্থানে নিজেকে প্রতিষ্ঠায় ব্রতি হয়েছে। এর পেছনে মীমাংসকদের যুক্তিগ্রাহ্যতা হলো, প্রত্যক্ষসিদ্ধ বহির্জগৎ বাস্তব বা যথার্থ না হলে যজ্ঞকর্ম, যজ্ঞফল প্রভৃতি সবই অর্থহীনতায় পর্যবসিত হবার আশঙ্কা। Read the rest of this entry »

images_12.

| মীমাংসা দর্শন-১৬ : মীমাংসা-মতে ঈশ্বর |
-রণদীপম বসু

৪.৩ : মীমাংসা-মতে ঈশ্বর


মীমাংসার মূল আলোচ্য-বিষয় অবশ্যই বৈদিক যাগযজ্ঞ বা ক্রিয়াকর্ম- আধুনিক অর্থে যা দার্শনিক আলোচনা নয়। অর্থাৎ, মীমাংসকরা তত্ত্ব-লাভের উদ্দেশ্যে দর্শন-চর্চা করেননি। তবুও তাঁরা যে অনিবার্যভাবেই দার্শনিক সমস্যা উত্থাপন ও আলোচনা করতে বাধ্য হয়েছিলেন তার কারণ এই যাগযজ্ঞে চরম বিশ্বাস স্থাপন করতে হলে বিশ্বপ্রকৃতি এবং মানবিক প্রচেষ্টাদি সংক্রান্ত একটি নির্দিষ্ট দৃষ্টিভঙ্গিও অবলম্বন করা প্রয়োজন। অনুমান হয়, সুপ্রাচীন কালে যাজ্ঞিকদের মধ্যে যজ্ঞকর্মের নানা খুঁটিনাটি নিয়ে বিভেদ ও বিতর্ক থাকলেও যে-মূল বিশ্বাসের ভিত্তিতে যজ্ঞের চরম গুরুত্ব প্রতিষ্ঠিত সে-সম্পর্কে সংশয়ের অবকাশ ছিলো না; সে-বিশ্বাস তাঁদের কাছে স্বতঃসিদ্ধ অতএব প্রমাণ-সাপেক্ষ না হওয়াই স্বাভাবিক। কিন্তু কালক্রমে এই পরিস্থিতির পরিবর্তন ঘটে অন্যান্য দার্শনিক সম্প্রদায় গড়ে উঠার প্রেক্ষিতে সেগুলির দিক থেকে বিশ্বপ্রকৃতি ও মানবপ্রচেষ্টাদি প্রসঙ্গে যে-সব মত প্রস্তাবিত হয়েছে তার সঙ্গে যাজ্ঞিকদের মূল বিশ্বাসের অনিবার্য সংঘাতও সুস্পষ্ট হয়ে উঠেছিলো। ফলে প্রয়োজন হয়েছে সেই মূল বিশ্বাসের যুক্তিতর্কমূলক সমর্থন ও সংরক্ষণ এবং তার সঙ্গে অন্যান্য সম্প্রদায়ের মত খণ্ডন- অন্তত অন্যান্য সম্প্রদায়ের সেই দাবিগুলি খন্ডন করবার প্রয়োজন হয়েছে যার সঙ্গে যাজ্ঞিকদের মূল বিশ্বাস ও দৃষ্টিভঙ্গির সংহতি সম্ভব নয়। এভাবেই দার্শনিকতত্ত্ব মীমাংসার মূখ্য বিষয়বস্তু না হলেও মীমাংসকরা ক্রমশই দার্শনিক আলোচনায় প্রবৃত্ত হতে বাধ্য হয়েছিলেন। তবে মীমাংসকরা যে ঈশ্বরের অস্তিত্ব স্বীকার করেন না, তা বেদান্তশান্ত্রের মধুসূদন সরস্বতীর ‘অদ্বৈতসিদ্ধি’ গ্রন্থেও উল্লেখ পাওয়া যায়-  

‘নাস্তি সর্ব্বজ্ঞত্বাদ্যুপেতং ব্রহ্মেতি মীমাংসকাঃ।’- (অদ্বৈতসিদ্ধি)
অর্থাৎ : মীমাংসকগণ বলেন যে, সর্বজ্ঞতাদিবিশিষ্ট ঈশ্বর নেই।

Read the rest of this entry »

vedas%201.

| মীমাংসা দর্শন-১৪ : বিধি ও অর্থবাদ |
রণদীপম বসু

(গ) বিধি ও অর্থবাদ :

মীমাংসা-মতে যজ্ঞকথাই বৈদিক সাহিত্যের প্রাণবস্তু; অথএব বৈদিক সাহিত্যে এমন কিছুই থাকতে পারে না যা-কিনা যজ্ঞের দৃষ্টিকোণ থেকে অবান্তর। বেদের সংহিতা (মন্ত্র), ব্রাহ্মণ, আরণ্যক ও উপনিষদ এসব মিলিয়ে বেদের অনেক ভাগ বলা হলেও প্রধানত বেদের দুই ভাগ- মন্ত্র এবং ব্রাহ্মণ।

প্রাচীন মীমাংসকরা মন্ত্র শব্দের সঠিক সংজ্ঞা দেননি; কিন্তু সাধারণভাবে তাঁদের মতে বেদের যে-অংশ বিধির নির্দেশক নয় তবুও বৈদিক দেবতাদির নাম প্রভৃতি নির্দেশ করে যে-বাক্যগুলি যজ্ঞকর্মের সহায়ক সেগুলিকেই মন্ত্র বলে। মন্ত্র কাকে বলে- এই জিজ্ঞাসার উত্তরে মাধবাচার্য বলছেন-  

‘যাজ্ঞিকানাং সমাখ্যানং লক্ষণং দোষবর্জ্জিতম্’।- (বিবরণপ্রমেয়সংগ্রহ)
অর্থাৎ : গুরুশিষ্যপরম্পরায় মীমাংসকসম্প্রদায় বেদের যে অংশকে মন্ত্র বলে অধ্যয়ন-অধ্যাপনা করছেন, সেই অংশকে মন্ত্র বললেই মন্ত্রের যথার্থ লক্ষণ বলা হয়।

.
মন্ত্র সম্বন্ধে মহর্ষি জৈমিনি তাঁর মীমাংসাসূত্রে বলেন-

‘তচ্চোদকেষু মন্ত্রাখ্যা’।- (মীমাংসাসূত্র-২/১/৩২)
অর্থাৎ : যে-সকল শ্রুতি অনুষ্ঠেয় পদার্থের নিমিত্ত প্রযুক্ত, সেগুলিকে মন্ত্র বলে।

.
ভট্টপাদ কুমারিল বলেছেন- যে-সকল শ্রুতিবাক্যের অন্তে ‘অসি’ বা ‘ত্বা’ আছে, যে-বাক্যে আমন্ত্রণ, স্তুতি, সংখ্যা, পরিবেদন ইত্যাদি রয়েছে- সেইসব বাক্য সাধারণত মন্ত্র। আর শাস্ত্রীয় পরিভাষায় বলা হয়েছে-  

‘মন্ত্রাণাং প্রয়োগসমবেতার্থস্মারকত্বম্’।
অর্থাৎ : মন্ত্রগুলি অনুষ্ঠানের সাথে সমবেত-সম্বন্ধে যুক্ত এবং স্মারক।

বিভিন্ন যাগযজ্ঞে প্রযোজ্য মন্ত্রের সমাবেশ সংহিতায়। মন্ত্র ছাড়া বেদের বাকি সব অংশই ব্রাহ্মণ। মহর্ষি জৈমিনি তাঁর সূত্রগ্রন্থে ব্রাহ্মণ সম্বন্ধে শুধু বলেছেন-

‘শেষে ব্রাহ্মণশব্দঃ।’- (মীমাংসাসূত্র-২/১/৩৩)
অর্থাৎ : মন্ত্রাতিরিক্ত বেদভাগে ব্রাহ্মণশব্দ প্রযুক্ত হয়।

.
মূলত, মন্ত্র এবং ব্রাহ্মণ ভিন্ন বেদে অন্য কিছু নেই- এটা প্রকাশ করাই জৈমিনির অভিপ্রায়। বেদের  ব্রাহ্মণ-অংশ বিধিমূলক বৈদিক ক্রিয়াকর্মের নির্দেশক। বিবিধ যজ্ঞের বিধান রয়েছে বিত্বায়কবাক্যবহুল ব্রাহ্মণে। কোন্ যজ্ঞবিশেষে কোন্ মন্ত্রবিশেষের ‘বিনিয়োগ’ হবে তার বিধান দেয়া হয়েছে। কিন্তু বেদের এই ব্রাহ্মণ-অংশে এমন অনেক বাক্য আছে যার মধ্যে কোন বিধির নির্দেশ নেই; ব্রাহ্মণ-অংশের এ-জাতীয় বাক্যকে মীমাংসকরা দু-ভাগে ভাগ করেন- অর্থবাদ এবং নাম-ধেয়।  তাই মীমাংসাশাস্ত্রে বিচার্য বিষয়ের দিক থেকে বেদের ভাগগুলি হলো- মন্ত্র, বিধি, নামধেয় এবং অর্থবাদ। আবার মন্ত্রকে বাদ দিয়ে বেদের বিধি, নিষেধ, নামধেয় ও অর্থবাদ এই চতুর্বিভাগও প্রচলিত আছে। কেউ কেউ বিচার্যের দিক থেকে বেদকে সরাসরি দুটি ভাগে ভাগ করেন- বিধি এবং (বাদবাকি সব) অর্থবাদ। Read the rest of this entry »

4565179933.

| মীমাংসা দর্শন-০৭ : শব্দ প্রমাণ |
রণদীপম বসু

(৪) শব্দ প্রমান :

মীমাংসাদর্শনের মূল উদ্দেশ্য হলো বৈদিক ক্রিয়াকান্ডের যাথার্থ্য ও উপযোগিতা ব্যাখ্যা করা। এবং বেদের প্রামাণ্য প্রতিষ্ঠা হলেই তা সম্ভব। সে কারণে মীমাংসকরা স্বীকৃত অন্যান্য প্রমানের চাইতে শব্দ-প্রমানের উপর বিশেষ গুরুত্ব দিয়েছেন। বেদে যাগযজ্ঞাদি কর্মের বিধান বহুল পরিমাণে বর্তমান। মীমাংসকদের মতে এই কর্মের বিধানই বেদবাক্যের প্রকৃত তাৎপর্য। বেদে যদিও সিদ্ধার্থ বাক্যও রয়েছে, কিন্তু সেগুলিরও উদ্দেশ্য হলো ঐ সকল বাক্য দ্বারা প্রকাশিত তত্ত্বগুলির অস্তিত্ব ও স্বরূপ ব্যাখ্যা করে মানুষকে কর্মে প্রণোদিত করা।  Read the rest of this entry »


রণদীপম বসু


‘চিন্তারাজিকে লুকিয়ে রাখার মধ্যে কোন মাহাত্ম্য নেই। তা প্রকাশ করতে যদি লজ্জাবোধ হয়, তবে সে ধরনের চিন্তা না করাই বোধ হয় ভাল।...’
.
.
.
(C) Ranadipam Basu

Blog Stats

  • 555,471 hits

Enter your email address to subscribe to this blog and receive notifications of new posts by email.

Join 140 other followers

Follow h-o-r-o-p-p-a-হ-র-প্পা on WordPress.com

কৃতকর্ম

সিঁড়িঘর

দিনপঞ্জি

অগাষ্ট 2020
রবি সোম বুধ বৃহ. শু. শনি
 1
2345678
9101112131415
16171819202122
23242526272829
3031  

Bangladesh Genocide

1971 Bangladesh Genocide Archive

War Crimes Strategy Forum

লাইভ ট্রাফিক

ক’জন দেখছেন ?

হরপ্পা কাউন্টার

Add to Technorati Favorites

গুগল-সূচক

টুইট

Protected by Copyscape Web Plagiarism Check

Flickr Photos