h-o-r-o-p-p-a-হ-র-প্পা

Posts Tagged ‘কবিতা

Chhora-Kobitar Jhul-Baranday

গ্রন্থ : ছড়া-কবিতার ঝুল-বারান্দায়

(কভার-ফ্ল্যাপের বয়ান)

ছড়া, কবিতা বা পদ্য, একই ঘরানার শব্দশিল্প হলেও শিল্প হিসেবে এরা যে প্রত্যেকে স্বতন্ত্র, অধিকাংশ ক্ষেত্রেই আমরা হয়তো স্থূল দৃষ্টিতে এই পর্যবেক্ষণটুকু এড়িয়ে যাই। তবু তাদের মধ্যে যে স্বাতন্ত্র্য রয়েছে ভিন্ন ভিন্ন নামই এর সাক্ষ্য। আর শিল্পস্বাতন্ত্র্য মানেই তো এদের নিজস্ব প্রকৃতি ও বৈশিষ্ট্যের মধ্যে মৌলিক ভিন্নতা থাকবে এটাই স্বাভাবিক। কী সেই ভিন্নতা? বা এদের নিজ নিজ প্রকৃতি বা বৈশিষ্ট্যই বা কী? এবং কিভাবেই বা তা নির্ধারিত হবে? প্রশ্নের পীঠে এভাবে আরও অনেক প্রশ্ন হয়তো এসে যাবে। বলার অপেক্ষা রাখে না, এই প্রকৃতি ও বৈশিষ্ট্যের মধ্যেই আসলে ছড়া কিংবা কবিতা বা পদ্য সম্পর্কিত প্রশ্নগুলোর উত্তর মিশে আছে। আমাদের শিল্প-সাহিত্য, শিশু-সাহিত্য বা ছড়া-সাহিত্য নিয়ে যাঁরা বর্তমানে নিয়মিত চর্চা করছেন বা করে আসছেন তাঁদের মধ্যে অনাবশ্যকভাবেই এসব নিয়ে আলোচনায় একটা নির্লিপ্ত ভাব সচরাচর লক্ষ্য করা যায়। এর পেছনে বিবিধ কার্য-কারণের ক্রিয়া-প্রতিক্রিয়াজনিত কোনো অভিঘাত রয়ে গেছে কিনা কে জানে। তবে সাহিত্যের অঙ্গনে এ বিষয়ক গবেষণামূলক প্রবন্ধ ও সমালোচনা সাহিত্যের যথেষ্ট ঘাটতি যে রয়ে গেছে তা হয়তো আমরা অস্বীকার করতে পারবো না। তার চেয়েও বড় কথা ছড়া ও শিশুসাহিত্যে এই অভাব খুবই প্রকট বললেও অত্যুক্তি হবে না। সেক্ষেত্রে লেখক-গবেষক রণদীপম বসু’র এই ‘ছড়া-কবিতার ঝুল-বারান্দায়’ গ্রন্থটি ছড়া ও শিশুসাহিত্যের প্রেক্ষাপটে তো বটেই, এমনকি মূলধারার সমালোচনামূলক প্রবন্ধ সাহিত্যের অঙ্গনেও একটি গুরুত্বপূর্ণ অনন্য সংযোজন হিসেবে স্বীকৃত হবে বলে আমাদের বিশ্বাস। Read the rest of this entry »

Advertisements
.
| প্রসঙ্গ : সমকালীন ছড়া !
রণদীপম বসু
(০১)
আলোচনার যা বিষয়, তাতে শুরুতেই একটু গৌড়চন্দ্রিকা সেরে নেই। স্থান ও কাল উল্লেখ না করেই বলি, কোন এক কাজে ফুটপাথ ধরে হাঁটছিলাম। হঠাৎ একটা আকর্ষণীয় সাইনবোর্ড চোখে পড়লো, ওটার এক জায়গায় খুব সুন্দর করে লেখা- ‘এখানে যত্ন সহকারে বৈজ্ঞানিক উপায়ে চিকিৎসা করা হয়।’ হতভাগা আমার ভাষাজ্ঞান ও হিউমার-বোধ কম থাকায় ছড়াকার হতে পারি নি কখনো। কিন্তু বৈজ্ঞানিক উপায়ে চিকিৎসার হিউমার-সমৃদ্ধ কথাটা পড়ে ওই চিকিৎসক ব্যক্তিটি ছড়াকার কিনা জানতে ভীষণ কৌতুহল হলো। Read the rest of this entry »

| কবি ও শিশুসাহিত্য এবং আমাদের দায়বদ্ধতা…|
-রণদীপম বসু

কবি কিংবা শিল্পী, হওয়া না-হওয়ায় কী এসে যায় ?
সমাজে একজন ব্যক্তির কবি বা শিল্পী হওয়া না-হওয়ায় আদৌ কি কিছু এসে যায় ? অত্যন্ত বিরল-ব্যতিক্রম বাদ দিলে আমাদের বর্তমান আর্থিক মানদণ্ড প্রধান সমাজে একজন কবি বা শিল্পীকে কোন অবহেলিত গোত্রের প্রতিনিধি বলেই মনে হয়। তাই একজন ব্যক্তির কবি কিংবা শিল্পী তথা একজন স্রষ্টা হয়ে ওঠায় ব্যক্তির লাভ-ক্ষতির হিসাবের জবেদা টানার চেয়ে সমাজে এর কী প্রভাব অভিযোজিত হয় তা-ই বেশি গুরুত্বপূর্ণ। একজন ব্যক্তি ততক্ষণ পর্যন্ত কেবল একজন ব্যক্তিই, যে পর্যন্ত না তাঁর কোন কাজ বা উদ্যোগ সমাজে বিশিষ্ট হয়ে ওঠে। এই বিশিষ্ট হয়ে ওঠার সাথেই ব্যক্তি ও ব্যক্তিত্বের মধ্যে একটা মাত্রিক পার্থক্য সূচিত হয়ে যায়। অর্থাৎ ব্যক্তি তখন ব্যক্তিত্বের পর্যায়ে উন্নীত হন। মানে দাঁড়ালো, ব্যক্তি যখন বিশিষ্ট বা বৈশিষ্ট্য সম্পন্ন হয়ে ওঠেন তখনই তিনি ব্যক্তিত্বের পর্যায়ভুক্ত। এখন প্রশ্ন আসবে, তাহলে ব্যক্তি কি কোন বৈশিষ্ট্যসম্পন্ন নয় ? আমরা তো জানি যে, জগতের প্রতিটা মানুষই ভিন্ন এবং কোন না কোনভাবে নিজ নিজ বৈশিষ্ট্যে উজ্জ্বল। সেক্ষেত্রে প্রতিটা ব্যক্তিই তো একেকজন ব্যক্তিত্ব হবার কথা। অতি সত্য কথা। আর এজন্যেই সমাজের মধ্যে বিশিষ্ট হয়ে ওঠার কথা এসেছে। অর্থাৎ সমাজকে প্রভাবিত করার মতো বিশিষ্টতা যিনি অর্জন করেছেন, তিনিই ব্যক্তিত্ব। এলাকার সবচাইতে বড় সন্ত্রাসী ব্যক্তিটিও সমাজকে কোনোভাবে প্রভাবিত করার ক্ষমতা অর্জন করে ফেলেছে হয়তো। তাকেও কি আমরা ব্যক্তিত্ব বলবো ? অবশ্যই না। কেন বলবো না ? কারণ সন্ত্রাসীকে কেউ অনুকরণ করে না। বাধ্য হয়ে উপরে উপরে আনুগত্য প্রদর্শন আর আদর্শ বা ‘রোল-মডেল’ হিসেবে মেনে নিয়ে অনুকরণ বা অনুসরণ এক কথা নয়। তাছাড়া যে কর্মকাণ্ড সমাজের জন্য যে-কোন বিচারেই ক্ষতিকারক, তাকে গুণবাচক অর্থে বিবেচনা করার কোন যৌক্তিকতা আছে কি ? অতএব, যিনি তাঁর বৈশিষ্ট্যসূচক কর্মকাণ্ড বা উদ্যোগের মাধ্যমে সমাজে একটা ইতিবাচক প্রভাব ফেলার ক্ষমতা অর্জন করতে সক্ষম হয়েছেন বলে ধরে নেই, তাঁকেই আমরা ব্যক্তিত্ব বলতে পারি। এই বৈশিষ্ট্যসূচক কর্মকাণ্ড বিভিন্ন পর্যায়ে বিভিন্ন ধরনের হতে পারে। রাজনীতিক, ক্রিড়াবিদ, অভিনেতা, কণ্ঠশিল্পী, চলচ্চিত্রকার, সমাজসেবী, অধ্যাপক, বিজ্ঞানী, চিকিৎসক, প্রযুক্তিবিদ, শিল্প-উদ্যোক্তা, লেখক, প্রকাশক, সম্পাদক, সাংবাদিক ইত্যাদি। আমাদের আলোচ্য কবি বা শিল্পী হয়ে ওঠাও তা-ই। এই ব্যক্তিত্বদের মধ্যে কেউ হয়তো মহান সংগঠক, সাহসের প্রতীক, কেউ অভূতপূর্ব সৃজনশীলতার প্রতীকী স্রষ্টা।
| কবিতা লিখতেই হবে এমন কথা নেই |
রণদীপম বসু

কবিতা লিখতেই হবে এমন কথা নেই
কিন্তু অসভ্য বর্বরের মতো বসে থাকবো কবিতাহীন
এটা কী করে হয় !
মানুষ আর প্রাণীর ফারাকটা অস্পষ্ট হলেও
যেটুকু স্পষ্টতা তা কবিতার জন্যেই।
সেই থেকে প্রাণপণে কবিতাকেই খুঁজি।

রমনা পার্কে সেদিন কেউ কবিতা কবিতা বলে ডেকে ওঠতেই
বুকের ভেতরের নদীটা গুমড়ে ওঠলো। পাড় ভাঙার শব্দে
চমকে তাকালাম ! মেয়েটির নাম কবিতা। এখন যার আলিঙ্গনে আবদ্ধ,
একটু পরে অন্য কেউ স্থান নেবে তার। এরপর আরো কেউ।
তারপর আরো… আরো…। এভাবেই কবিতার হাতবদল হতে হতে
কবিতা কারো একার থাকে না। কিন্তু সবারও নয়। বেবুশ্যের বিষে আর্দ্র
নীলাভ্র কবিতা সে নিজেরও নয়। কবিতা আসলে কারোরই নয়। তবু
মানুষ কবিতাকে পেতে চায় তার বর্বরতা ঘোচাতে, এবং কবিতাকে পেতে গিয়ে
কবিতা পড়তে গিয়ে মানুষ শেষপর্যন্ত বর্বর হয়। Read the rest of this entry »


| এক টুকরো আয়না…!
রণদীপম বসু

(০১)
এক জীবনের ফালতু প্যাঁচাল শেষ করতেই মোটামুটি পাঁচশ’ বছরের কম হলে যে চলে না, মূর্খ-চিন্তায় এ আত্মোপলব্ধি যেদিন খোঁচাতে শুরু করলো সেদিন থেকে নিজেই নিজের এক অদ্ভুত ভিকটিম হয়ে বসে আছি। কী আশ্চর্য ! পঞ্চাশ-ষাট বছরের ছোট্ট একটা গড় জীবনের মশকারি কাঁধে নিয়ে ‘মুই কী হনুরে’ হয়ে ওঠা আমাদের আলগা ফুটানিগুলো কতো যে অসার বর্জ্য, ভাটির মাঝিরা বুঝে যান ঠিকই। এই দুঃখে কাঁদবো না কি জীবন নামের মারাত্মক কৌতুকের বিষয়বস্তু হয়ে নিজেকে নিয়ে নিজে নিজেই অদ্ভুতভাবে হাসতে থাকবো, সে সিদ্ধান্তটাও নেয়া হলো না আজো। কী করেই বা নেবো ? স্বপ্ন দেখা শিখতে শিখতেই তো জীবন কাবার ! স্বপ্নকে ছুঁবো কখন ? তার আগেই তো বিশাল একটা ‘ডিম্ব’ ! মানে ফুস ! হাহ্ , এগুলোকে কেউ কেউ ভাবতে পারেন মন খারাপের কথা।

|ছোট-কাগজ 'প্রতীকী' ১৬সংখ্যা|ছবি: রণদীপম বসু|

|ছোট-কাগজ 'প্রতীকী' ১৬সংখ্যা|ছবি: রণদীপম বসু|

| ষোড়শ সংখ্যা ‘প্রতীকী’, কিছু কথা কিছু আকথা…|

রণদীপম বসু

০১.
কে কেন কিভাবে লিখেন, এ নিয়ে দুনিয়াজোড়া মজার মজার কাহিনী প্রচলিত আছে। আবার প্রতিটা মানুষই নাকি কোন না কোনভাবে কিছু কিছু মজার স্ববিরোধিতায় আক্রান্ত হয়ে থাকেন। বিশেষ করে যাঁরা ভাবনার খুব গভীরতলে পৌঁছে যান, তাঁরাই আবার খুব হালকামাত্রায় এসে বেশ হাস্যকর কর্মকাণ্ড ঘটিয়ে বসেন। বিজ্ঞানী নিউটনের এরকম একটা ঘটনার কথা তো বহুল প্রচলিত, যা সেই ছাত্রকালে শুনে বেশ মজা পেয়েছিলাম। কী এক গবেষণা চালাতে গিয়ে নিউটন নাকি একবার দুই কোঠা বিশিষ্ট বড় একটি বাক্সের মধ্যবর্তী পার্টিশনটাতে দুই আকৃতির দুটো ছিদ্র করেছিলেন, কোঠা বদল করতে বড় বিড়ালের জন্য একটি এবং ছোটটির জন্য অন্যটি। শুধুমাত্র একপাশ থেকে অন্যপাশে যাওয়ার জন্য দুটো বেড়ালের জন্য যে একটি রাস্তাই যথেষ্ট, এ কথাটা নিউটনকে কিছুতেই বোঝানো যাচ্ছে না। অবশেষে তাঁর সহকারী হাতে-কলমে দেখিয়ে দেয়ার পর নিউটনের উক্তি ছিলো- তাই তো ! ঘটনাটি আদৌ সত্য কিনা, না কি বাঙালির রসসৃষ্টির অসাধারণ প্রতিভার আরেকটি নমুনা উদাহরণ কে জানে। তবে মনোবিজ্ঞান বলে যে, ভাবনার উচ্চস্তরে অবস্থান করলে একই সময়ে নিচের স্তরের এরকম ছোটখাটো অসংগতি ঘটানো মানব-মস্তিষ্কের স্বাভাবিক প্রবণতার একটা অংশ। Read the rest of this entry »

8124_161960368573_510568573_3682025_869932_n

। মননশীল বর্জ্যগুলো।
রণদীপম বসু

———————————————————————
মেগাপিক্সেল (ছবি-ব্লগ)
———————————————————————

[ উইকির গুদামঘরে ]
—————————–
মেগাপিক্সেল : একাত্তর (মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক)
—————————–
০১)    এই সেই বহুল আলোচিত জল্লাদখানা
০২)    রায়ের বাজার বধ্যভূমি, যেখানে আকাশ থমকে থাকে
০৩)    [যদি হারিয়ে যায়] শহীদ বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধ

.
—————————–
মেগাপিক্সেল : চলতি পথে (ছবি-ক্যাপশান) Read the rest of this entry »


রণদীপম বসু


‘চিন্তারাজিকে লুকিয়ে রাখার মধ্যে কোন মাহাত্ম্য নেই। তা প্রকাশ করতে যদি লজ্জাবোধ হয়, তবে সে ধরনের চিন্তা না করাই বোধ হয় ভাল।...’
.
.
.
(C) Ranadipam Basu

Blog Stats

  • 333,349 hits

Enter your email address to subscribe to this blog and receive notifications of new posts by email.

Join 112 other followers

Follow h-o-r-o-p-p-a-হ-র-প্পা on WordPress.com

কৃতকর্ম

সিঁড়িঘর

দিনপঞ্জি

নভেম্বর 2018
রবি সোম বুধ বৃহ. শু. শনি
« সেপ্টে.    
 123
45678910
11121314151617
18192021222324
252627282930  

Bangladesh Genocide

1971 Bangladesh Genocide Archive

War Crimes Strategy Forum

লাইভ ট্রাফিক

ক’জন দেখছেন ?

হরপ্পা কাউন্টার

Add to Technorati Favorites

গুগল-সূচক

টুইট

Protected by Copyscape Web Plagiarism Check

Flickr Photos

Advertisements