h-o-r-o-p-p-a-হ-র-প্পা

Posts Tagged ‘কঠ

538724_525348140812741_1924954597_n

|চার্বাক সিদ্ধান্ত পর্যালোচনা-১৯ : বস্তুবাদ বনাম ভাববাদ|
রণদীপম বসু

। বস্তুবাদ বনাম ভাববাদ।

সাধারণ অর্থে ‘বস্তু’ বলতে বোঝায় ইন্দ্রিয়প্রত্যক্ষগ্রাহ্য পদার্থ বিশেষ। এই যে প্রত্যক্ষগ্রাহ্যতা এটাই জ্ঞান। কোনকিছুকে আমরা এভাবেই জানি। প্রত্যক্ষগ্রাহ্যতার সাথে অস্তিত্বশীলতার প্রশ্ন জড়িত। এই অস্তিত্বশীল বস্তুকে ভারতীয় দার্শনিক পরিভাষায় বলা হয় ‘সৎ-বস্তু’। আর অস্তিত্বহীন কোন বিষয়কে বলা যায় ‘অসৎ’। সেক্ষেত্রে বস্তুবাদ বলতে বোঝায় ইন্দ্রিয়াতীত কোন বিষয়কে স্বীকার না করা। অন্যদিকে ভাববাদ তার বিপরীত অবস্থানে। বাস্তব জীবনে ইন্দ্রিয়গ্রাহ্য সত্তায় স্বীকার করেই আমাদের দৈনন্দিন জীবনযাত্রা নির্বাহ হয়। কিন্তু এই স্বাভাবিকতার বাইরে গিয়ে ইন্দ্রিয়গ্রাহ্যের অতীত কোন অতীন্দ্রিয় সত্তায় স্বীকার করার যে রহস্যময় ভাববাদী প্রবণতা, তা কী করে মানব-চেতনায় অনুপ্রবেশ করলো এটি একটি জটিল প্রশ্ন বৈকি। মানুষের সকল কর্মই উদ্দেশ্য বিধায়ক, কোন-না-কোন উদ্দেশ্য এতে থাকবেই। কবে কখন কোথায় কীভাবে কোন্ উদ্দেশ্যে মানব-সভ্যতায় প্রথম এমন ভাববাদী উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছিলো তা নিশ্চয় করে বলার উপায় নেই। তবে সাধারণ দৃষ্টিতে তার একটি ব্যাখ্যা হাজির করা যেতে পারে। Read the rest of this entry »

Advertisements

chanakya_1

| আর্য-সংস্কৃতি ও বৈদিক-যুগ-০৪ : বৈদিক সাহিত্য- আরণ্যক ও উপনিষদ |
রণদীপম বসু

২.৩ : আরণ্যক ও উপনিষদ

বৈদিক সাহিত্যে ‘ব্রাহ্মণ’ গ্রন্থগুলির শেষাংশে আর একজাতীয় রচনা সংযোজিত দেখা যায়, তার নাম ‘আরণ্যক’ ও ‘উপনিষদ’। এই রচনাগুলি ‘ব্রাহ্মণে’র সঙ্গে এমনভাবে সংযোজিত হয়েছে যে অনেক সময় ‘ব্রাহ্মণ’ ও ‘আরণ্যকে’র মধ্যে সীমারেখা সুস্পষ্ট নয় এবং ‘আরণ্যক’ ও ‘উপনিষদে’র মধ্যেও পার্থক্য প্রায় অস্পষ্ট। তবুও রচনাকালের দিক থেকে ‘আরণ্যক’ ও ‘উপনিষদ’ অবশ্যই পরবর্তী এবং আলোচ্য-বিষয়ের দিক থেকে ‘ব্রাহ্মণে’র সঙ্গে বিশেষ করে ‘উপনিষদে’র পার্থক্য অত্যন্ত মৌলিক। Read the rest of this entry »

Chanakya-quotes

| আর্য-সংস্কৃতি ও বৈদিক-যুগ-০৩ : বৈদিক সাহিত্য- ব্রাহ্মণ |
রণদীপম বসু

২.২ : ব্রাহ্মণ

মীমাংসা-সূত্রকার মহর্ষি জৈমিনি বেদকে মন্ত্র ও ব্রাহ্মণ– এই দুই ভাগে ভাগ করেছিলেন। মন্ত্র হচ্ছে সর্বপ্রাচীন ভাগ। মন্ত্রের ব্যাখ্যা করা হলো ব্রাহ্মণের কর্ম এবং যজ্ঞের বিধিবিধানে তার প্রয়োগ করা। মূলত যাগ-যজ্ঞ সম্বন্ধে নানা প্রকার আচার-অনুষ্ঠান ও বিধি-নিষেধমূলক নির্দেশিত গদ্যে রচিত সাহিত্যই ‘ব্রাহ্মণ’। কোন্ যজ্ঞ করলে কী ফল পাওয়া যাবে, কোন্ যজ্ঞে কোন্ পুরোহিতকে কত দক্ষিণা দিতে হবে, কোন্ যজ্ঞকর্মের খুঁটিনাটি প্রক্রিয়া ঠিক কেমনভাবে সাধন করতে হবে, কোন্ যজ্ঞের ঠিক কোথায় কীভাবে কোন্ মন্ত্র প্রয়োগ করতে হবে ইত্যাদি ইত্যাদিই ‘ব্রাহ্মণ’ নামে পরিচিত গ্রন্থগুলির প্রধানতম আলোচ্য-বিষয়। অনেক সময় এতে যজ্ঞকর্ম ছাড়াও খুঁটিনাটি অনুষ্ঠানেরও গূঢ় আধ্যাত্মিক তাৎপর্য উদ্ভাবন করবার প্রয়াস লক্ষ্য করা যায়। Read the rest of this entry »

1069213_557280097670003_419036928_n

| প্রাক্-বৈদিক সিন্ধু-যুগ-০৯ : লিঙ্গ উপাসনা |
রণদীপম বসু

লিঙ্গ-উপাসনা :

ইতোমধ্যেই আমরা দেখেছি যে, প্রাক্-বৈদিক ধর্মবিশ্বাসের ক্ষেত্রে সিন্ধু-ধর্মের প্রধানতম উপাদান হলো উর্বরতামূলক আদিম জাদুবিশ্বাস বা তার স্মারক। আর এ-বিশ্বাসের মূলসূত্র অনুসারে মানবীয় ফলপ্রসূতা ও প্রাকৃতিক ফলপ্রসূতা একই সূত্রে বাঁধা। স্বভাবতই আদিম মানুষদের মধ্যে প্রচলিত এই বিশ্বাসমূলক আচার-অনুষ্ঠানের ক্ষেত্রে– এবং এই বিশ্বাস-উদ্ভূত নানান প্রচলিত ধর্মের ক্ষেত্রেও– জনন-অঙ্গের উপর বিশেষ গুরুত্ব-আরোপণের পরিচয় পাওয়া যায়। সিন্ধু-ধর্মও যে স্বভাবতই তার ব্যতিক্রম নয়, তার প্রমাণ হলো সমগ্র সিন্ধু-সাম্রাজ্য জুড়ে আবিষ্কৃত অজস্র লিঙ্গ ও যোনি মূর্তি। জন মার্শল প্রমুখ প্রত্নতত্ত্ববিদেরা এগুলির বিস্তৃত বিবরণ দিয়েছেন এবং প্রায় একবাক্যে এগুলিকে সিন্ধু-ধর্মের পরিচায়ক বলেই গ্রহণ করেছেন। Read the rest of this entry »

untitled

|বেদান্তদর্শন-ব্রহ্মবেদান্ত-২৪: অন্যান্য ঋষিপ্রোক্ত দর্শন-মত খণ্ডন|
রণদীপম বসু

৩.০ : অন্যান্য দর্শন-মত খণ্ডন :

বাদরায়ণ তাঁর বেদান্তসূত্রে উপনিষদ সিদ্ধান্তের সমন্বয় ও বিরোধ নিষ্পত্তির পাশাপাশি একইসঙ্গে অন্যান্য দর্শনের সিদ্ধান্তগত দুর্বলতার দিকেও অঙ্গুলি নির্দেশের চেষ্টা করেছেন। এই দর্শনগুলির মধ্যে সাংখ্য ও যোগ এমনই দর্শন, যার মূল কর্তা কপিলকে সেই যুগ পর্যন্ত ঋষি বলেই মানা হতো। কেননা, ঋষিপ্রোক্ত হওয়ায় কপিলের মতকে স্মৃতিশাস্ত্রের পর্যায়ভুক্ত করা হয়েছিলো। আর ধারণা করা হয়, পাশুপত ও পাঞ্চরাত্র মত আর্যদের ভারতে আসার আগেই প্রাচীন সিন্ধুসভ্যতায় সৃষ্ট, তাই ঈশ্বরবাদী হওয়া সত্ত্বেও অ-ঋষিপ্রোক্ত হওয়ায় সেগুলিকে বৈদিক আর্যক্ষেত্রে সশ্রদ্ধ দৃষ্টিতে দেখা হয়নি। অন্যদিকে বৈশেষিক, বৌদ্ধ ও জৈন মত অ-ঋষিপ্রোক্ত তথা নিরীশ্বরবাদী দর্শন হওয়ায় বাদরায়ণের মতো আস্তিকের নিকট সেগুলি আরো ঘৃণার বিষয় হয়েছিলো বলে পণ্ডিত রাহুল সাংকৃত্যায়নের অভিমত।

৩.১ : ঋষিপ্রোক্ত বিরোধী দর্শনের খণ্ডন-
যে দর্শনের প্রতিস্থাপকরা ঋষির মর্যাদা পেয়েছিলেন এবং তাঁদের মতকে স্মৃতিশাস্ত্রের পর্যায়ভুক্ত করা হয়েছিলো, সেগুলিই ঋষিপ্রোক্ত দর্শন নামে পরিচিত। কিন্তু তাঁদের মত যেক্ষেত্রে ব্রহ্মবাদী উপনিষদীয় দর্শন বা শ্রুতিবাক্যের সাথে সাংঘর্ষিক হয়েছে তথা বেদবিরোধী মনে হয়েছে, বাদরায়ণ সেক্ষেত্রে আগ বাড়িয়ে তা খণ্ডনে উদ্যোগী হয়েছিলেন। ঋষিপ্রোক্ত সাংখ্য ও যোগদর্শনে এই বিরোধ প্রত্যক্ষ হওয়ায় বাদরায়ণ তা খণ্ডনে আগ্রহ দেখিয়েছেন। এখানে সাংখ্যকে নিরীশ্বরবাদী এবং যোগকে ঈশ্বরবাদী দর্শন হিসেবে চিহ্নিত করা যায়।

(১) সাংখ্যদর্শন খণ্ডন : কপিলের সাংখ্যদর্শনে বলা হয়েছে সৃষ্টির উপাদান কারণ প্রকৃতি বা প্রধান, এবং পুরুষ বা ঈশ্বর হলেন নিমিত্ত কারণ। ফলে উপনিষদের ব্রহ্মকারণবাদের সঙ্গে সাংখ্যের প্রধানকারণবাদের কয়েকটি ক্ষেত্রে মতবিরোধ ছিলো। উপনিষদ বা বেদান্তবাদী বাদরায়ণ কারণ থেকে কার্যকে বিলক্ষণ বা ভিন্ন বলে গণ্য করেছেন, অন্যদিকে সৎ-কার্যবাদী সাংখ্যমতে কার্য-কারণ সংলক্ষণ বা অভিন্ন বলে মানা হয়েছে। সাংখ্যের পুরুষ নিষ্ক্রিয়, কিন্তু বেদান্তের পুরুষ সক্রিয়।

উপনিষদ আবির্ভাবের ক্রমপঞ্জিতে প্রাচীনতম ঈশ-উপনিষদ থেকে শুরু করে প্রথম কালের (আনুমানিক খ্রিস্টপূর্ব ৭০০-৬০০) ছান্দোগ্য, বৃহদারণ্যক, দ্বিতীয় কালের (আনুমানিক খ্রিস্টপূর্ব ৬০০-৫০০) ঐতরেয়, তৈত্তিরীয়, তৃতীয় যুগের (আনুমানিক খ্রিস্টপূর্ব ৫০০-৪০০) প্রশ্ন, কেন, কঠ, মুণ্ডক, মাণ্ডুক্য এবং চতুর্থ কালের (আনুমানিক খ্রিস্টপূর্ব ২০০-১০০) কৌষীতকি, মৈত্রী ও শ্বেতাশ্বতর পর্যন্ত এই তেরটি প্রাচীন উপনিষদ সাংখ্য-সংস্থাপক কপিলকে ঋষি বলে মেনে নিয়েছে। তাই উপনিষদের প্রামাণ্য বা শব্দ-প্রমাণকে অভ্রান্ত না বলে ধাঁধা বলে মানা বাদরায়ণের মতো দার্শনিকের নিকট খুবই অসুবিধাজনক ছিলো। তাছাড়া প্রাচীন সাংখ্যবাদীরা বেদবাদী না হলেও পরবর্তীকালের কেউ কেউ নিজেদের বেদবাদী বলেছেন এবং উপনিষদের মতকে পুষ্ট করার কাজে তৎপর হতে দেখা গিয়েছিলো। ফলে বাদরায়ণ বলার চেষ্টা করেছেন যে, উপনিষদ না সাংখ্যের প্রধানকে মেনেছে, না মেনেছে তাঁর নিষ্ক্রিয় পুরুষকে। অর্থাৎ সাংখ্যমতের শ্রুতিপ্রামাণ্য নেই।

এক্ষেত্রে সমস্যাটি হলো, বিরুদ্ধবাদীদের মতে, যদি সাংখ্যের প্রধানের কারণত্বের মতবাদকে অস্বীকার করা হয়, তাহলে মহামুনি কপিল প্রচারিত এবং অপর বহু বিদগ্ধ ঋষি স্বীকৃত সাংখ্য দর্শনটিই অপ্রামাণ্য হয়ে যায়। সুতরাং এটাই যুক্তিসঙ্গত যে, বেদান্ত শ্রুতিগুলিকে এমনভাবেই ব্যাখ্যা করা প্রয়োজন যাতে স্মৃতির প্রামাণ্যও রক্ষিত হয় এবং তাকে সম্পূর্ণরূপে বিরুদ্ধ বলেও মনে না হয়। বিরুদ্ধপক্ষের এই অভিমতের উত্তরে বাদরায়ণের বক্তব্য হলো, যদি বেদবিরুদ্ধ সাংখ্য শ্রুতিকে মান্য করার জন্য ব্রহ্মকে সৃষ্টির আদি-কারণরূপে গ্রহণ করার মতবাদকে পরিহার করতে হয়, তাহলে এই মতবাদ পরিহারের দ্বারা মনুসংহিতা, গীতা ইত্যাদি বহু স্মৃতিকেই গ্রহণ করা সম্ভব হবে না, অথচ এ সকল স্মৃতি শ্রুতিভিত্তিক হওয়ায় অধিকতর প্রামাণ্য এবং এদের সকলেই বিজ্ঞানময় ব্রহ্মকেই জগতের আদি-কারণ হিসেবে গ্রহণ করার মতবাদকে অনুসরণ করেন। সুতরাং এই উভয়ের মধ্যে শ্রুতিবিরুদ্ধ অর্থাৎ বেদরিরোধী স্মৃতিগুলিকে পরিহার করাই বাঞ্ছনীয়। তাই বেদান্তসূত্রে বাদরায়ণ বলেন-
Read the rest of this entry »

images_5

| বেদান্তদর্শন-ব্রহ্মবেদান্ত-২২: বাদরায়ণের দার্শনিকমত- বেদ নিত্য |
রণদীপম বসু

২.২.০৭. বেদ নিত্য :

মীমাংসা সূত্রকার মহর্ষি জৈমিনি বেদকে অপৌরুষেয় বলে মানলেও ব্রহ্মসূত্রকার বাদরায়ণ বেদকে অপৌরুষেয় মানেননি, কিন্তু বেদের নিত্যতা সম্বন্ধে একমত ছিলেন। কেননা বেদও যদি অন্যান্য শাস্ত্রের মতো অনিত্য বলে প্রমাণিত হয়ে যায়, তাহলে প্রামাণ্যের অভাবে যুক্তিতর্কের ভিত্তিতে সাংখ্য, ন্যায়, বৈশেষিক, বৌদ্ধ প্রভৃতির মতো তার্কিকগণের সম্মুখে আত্মপক্ষ সমর্থনে সক্ষম হতে পারবে না। তাই সূত্রকার বাদরায়ণ বেদান্তসূত্রে বেদের নিত্যতা প্রসঙ্গে বলেন-


‘অত এব চ নিত্যত্বম্’।। (ব্রহ্সূত্র-১/৩/২৯)।।
ভাবার্থ : সৃষ্টি শব্দ-পূর্বিকা, অতএব বৈদিক শব্দ ও তার অর্থ উভয়ই নিত্য।

কারণ, ঋগ্বেদ-সংহিতাতেই উদ্ধৃত আছে যে- Read the rest of this entry »

Meditation| বেদান্তদর্শন-ব্রহ্মবেদান্ত-১৯: বাদরায়ণের দার্শনিকমত- মুক্তির সাধন |
রণদীপম বসু

(ক) মুক্তির সাধন-
বিদ্যা তথা ব্রহ্মজ্ঞানকে বাদরায়ণ মুক্তির বিশেষ সাধন বলে মেনেছেন, কর্মও যার সহায়ক বলে তিনি মনে করেন।

(১) ব্রহ্মবিদ্যা :

এই বিদ্যা বা ব্রহ্মজ্ঞান কী ? শ্বেতাশ্বতর উপনিষদে বলা হয়েছে-


‘এতৎ জ্ঞেয়ং নিত্যমেব আত্মসংস্থং নাতঃ পরং বেদিতব্যং হি কিঞ্চিৎ।
ভোক্তা ভোগ্যং প্রেরিতারং চ মত্বা সর্বং প্রোক্তং ত্রিবিধং ব্রহ্মমেতৎ’।। (শ্বেতাশ্বতর-১/১২)।।
অর্থাৎ : ব্রহ্ম যে অন্তরতম সত্তা, সর্বদা তিনি যে ভেতরে রয়েছেন, এ সত্য জানতে হবে। এর চেয়ে উচ্চতর আর কোন জ্ঞান নেই। জীব (ভোক্তা), জগৎ (ভোগ্য), এবং অন্তর্যামী ঈশ্বর (প্রেরিতারম্)- এই তিনই যে ব্রহ্ম একথাটা জানতে হবে (শ্বেতাশ্বতর-১/১২)।


ব্রহ্মের এই স্বরূপ জানতে গিয়ে উপনিষদের বিভিন্ন ঋষিগণ ব্রহ্মকে সৎ, উদ্গীথ, প্রাণ, ভূমা, পুরুষ, দহর, বৈশ্বানর, আনন্দময়, অক্ষর, মধু প্রভৃতি বিভিন্ন নামে বর্ণনা করে জ্ঞান দ্বারা উপাসনার কথা বলেছেন। এ সকল নামকে কেন্দ্র করে এই বিষয়ে কৃত উপদেশসমূহের নাম হয়েছে সৎ-বিদ্যা, উদ্গীথ-বিদ্যা, প্রাণবিদ্যা, ভূমা-বিদ্যা ইত্যাদি। এই বিদ্যা দ্বারাই মোক্ষ তথা পুরুষার্থ প্রাপ্ত হয় বলে বাদরায়ণ মনে করেছেন। তাই বেদান্তসূত্রে তিনি বলেন-
Read the rest of this entry »


রণদীপম বসু


‘চিন্তারাজিকে লুকিয়ে রাখার মধ্যে কোন মাহাত্ম্য নেই। তা প্রকাশ করতে যদি লজ্জাবোধ হয়, তবে সে ধরনের চিন্তা না করাই বোধ হয় ভাল।...’
.
.
.
(C) Ranadipam Basu

Blog Stats

  • 278,714 hits

Enter your email address to subscribe to this blog and receive notifications of new posts by email.

Join 108 other followers

Follow h-o-r-o-p-p-a-হ-র-প্পা on WordPress.com

কৃতকর্ম

সিঁড়িঘর

দিনপঞ্জি

জুন 2018
রবি সোম বুধ বৃহ. শু. শনি
« মার্চ    
 12
3456789
10111213141516
17181920212223
24252627282930

Bangladesh Genocide

1971 Bangladesh Genocide Archive

War Crimes Strategy Forum

লাইভ ট্রাফিক

ক’জন দেখছেন ?

bob-contest

Blogbox
Average rating:

Create your own Blogbox!

হরপ্পা কাউন্টার

Add to Technorati Favorites

গুগল-সূচক

টুইট

Protected by Copyscape Web Plagiarism Check
Advertisements