h-o-r-o-p-p-a-হ-র-প্পা

Posts Tagged ‘ঋক

Perseus

| আর্য-সংস্কৃতি ও বৈদিক-যুগ-১৪ : দেবতা ও মানব– ইন্দ্র, বরুণ ও মরুৎগণ |
রণদীপম বসু

৩.৪ : দেবতা ও মানব– ইন্দ্র, বরুণ ও মরুৎগণ

ঋগ্বেদের প্রধান দেবতা বলতে অবশ্যই বরুণ ও ইন্দ্র। এবং প্রধানতম বলেই, বিদ্বান গবেষকদের মতে, এঁদের সূত্র অনুসরণ করে বৈদিক সমাজ ও বৈদিক চিন্তার অত্যন্ত মৌলিক বৈশিষ্ট্য এবং বিবর্তন বোঝবার সুযোগ হতে পারে। তবে বর্তমান আলোচনার প্রাসঙ্গিক হিসেবে বৈদিক দেবতাদের প্রকৃতি বোঝার আশায় কয়েকটি বৈশিষ্ট্য বিচার করা যেতে পারে। এবং পর্যালোচনার সুবিধার্থে এক্ষেত্রে আমরা প্রযোজ্য ক্ষেত্রে দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়ের ‘ভারতীয় দর্শন’ গ্রন্থের আলোচনা-রীতির অনুসরণ করতে পারি। Read the rest of this entry »

shadowknight_coverart

| আর্য-সংস্কৃতি ও বৈদিক-যুগ-১৩ : পৃথিবী স্থানের দেবতা |
রণদীপম বসু

(গ) পৃথিবী স্থানের দেবতা

ঋগ্বেদে পৃথিবী স্থানের প্রধান দেবতারা হলেন অগ্নি, সোম, বৃহস্পতি এবং পৃথিবী। বৈদিক কবিদের কল্পনায় তাঁদের বর্ণনা নিঃসন্দেহে আকর্ষণীয়। এ-প্রেক্ষিতে এই দেবতাদের সংক্ষিপ্ত পরিচয় দেখা যাক। Read the rest of this entry »

2012

| আর্য-সংস্কৃতি ও বৈদিক-যুগ-১২ : অন্তরীক্ষ বা আকাশের দেবতা |
রণদীপম বসু

(খ) অন্তরীক্ষ বা আকাশের দেবতা

বৈদিক সাহিত্য তথা ঋগ্বেদে অন্তরীক্ষের প্রধান দেবতারা হলেন ইন্দ্র, ত্রিত আপ্ত্য, অপাং নপাৎ, মাতরিশ্বা, অহিবুধ্ন্য, অজ একপাদ, রুদ্র, মরুৎগণ, বায়ু, বাত, পর্জন্য, আপঃ। তাঁদের মধ্যে ইন্দ্রের গৌরব অবশ্যই প্রধানতম। তবে ইন্দ্রের কথা পরে স্বতন্ত্রভাবে আলোচনা আবশ্যক বিধায় বাকিদের সংক্ষিপ্ত পরিচয় জেনে নেয়া যাক। Read the rest of this entry »

kirsi_Handling-Chaos

| আর্য-সংস্কৃতি ও বৈদিক-যুগ-১১ : দ্যুলোক বা স্বর্গের দেবতা |
রণদীপম বসু

(ক) দ্যুলোক বা স্বর্গের দেবতা

দ্যুলোকের প্রাচীনতম দেবতা বলতে যাঁর নাম আসে তিনি হলেন দ্যু বা দ্যৌস্, অর্থাৎ আকাশ। তাঁর সম্বন্ধে ঋগ্বেদে কোন পৃথক সূক্ত নেই। অধিকাংশ ক্ষেত্রে তিনি পিতা হিসেবে দ্যৌস্পিতা বলে স্তুত। এবং তাঁর সঙ্গে মাতা পৃথিবীকে যুক্ত করে গুটি দুয়েক সূক্ত পাওয়া যায়। তাতে উভয়ে একত্রে দ্যাবাপৃথিবী বলে উল্লিখিত। যেমন– Read the rest of this entry »

148900_297648506987701_1471834747_n

| আর্য-সংস্কৃতি ও বৈদিক-যুগ-১০ : বৈদিক দেবতা |
রণদীপম বসু

৩.৩ : বৈদিক দেবতা

বৈদিক দেবতার সংখ্যা মোট কতো এ বিষয়ে ব্যাপক মতানৈক্য রয়েছে। এ-বিষয়ে বৈদিক কবি বা ঋষিদের সাক্ষ্যও সর্বত্র সমান নয়। একটি প্রাচীন ঋকে (ঋগ্বেদ-৩/৯/৯) দেখা যায় দেবসংখ্যা ৩৩৩৯ বলে উল্লেখ করা আছে। অবিকল এই একই শ্লোকই ঋগ্বেদের দশম মণ্ডলেও (ঋগ্বেদ-১০/৫২/৬) উক্ত হয়েছে–

ত্রীণি শতা ত্রী সহস্রাণ্যগ্নিং ত্রিংশচ্চ দেবা নব চাসপর্যন্ ।
ঔক্ষণৃ ঘৃতৈরস্তৃণন্বর্হিরস্মা আদিদ্বোতারং ন্যসাদয়ন্ত।। (ঋগ্বেদ-৩/৯/৯)।
অর্থাৎ :
তিন সহস্র তিনশত ত্রিশ ও নব সংখ্যক দেবতা অগ্নির পরিচর্যা করেছেন; তাঁকে ঘৃতদ্বারা অভিষিক্ত করেছেন এবং তাঁর জন্য কুশ বিস্তার করে দিয়েছেন এবং তাঁকে হোতারূপে কুশোপরি উপবেশন করিয়েছেন। (ঋক-৩/৯/৯)।।


Read the rest of this entry »

247249_538972072783681_2043413948_n

| আর্য-সংস্কৃতি ও বৈদিক-যুগ-০৯ : বৈদিক সাহিত্যে পার্থিব সম্পদের কামনা |
রণদীপম বসু

৩.২ : বৈদিক-সাহিত্যে পার্থিব সম্পদের কামনা

ভারতীয় আস্তিক দর্শনশাস্ত্রের সবকটি সম্প্রদায়ের বক্তব্যে বেদকেই সকল জ্ঞানের উৎস হিসেবে বিবেচনা করা হলেও প্রধান ও প্রাচীনতম বৈদিক সাহিত্য ঋগ্বেদ-সংহিতার বিশ্লেষণ কিন্তু এরকম কিছু বলে না। বস্তুত সমগ্র ঋগ্বেদ জুড়েই দেখা যায় কেবল একান্তই পার্থিব কামনার অভিব্যক্তি– অন্নের কামনা, পশুর কামনা, ধনের কামনা, বলবীর্যের কামনা, সন্তানের কামনা, নিরাপত্তার কামনা। আমাদের গ্রামাঞ্চলে মুখে মুখে রচিত ব্রতের গানে যেরকমটা দেখি, অনেকটা সেরকমই। ঋগ্বেদের কোথাও মোক্ষের কথা নেই, এমনকি ‘মোক্ষ’ বলে শব্দটিরই উল্লেখ নেই– যদিও পরবর্তীকালে বৈদিক ঐতিহ্যে এই মোক্ষই পরম-পুরুষার্থ বলে ঘোষিত। এই মোক্ষকেই ঘিরেই সমস্ত আস্তিক্য দর্শন তাদের ডালপালার বিস্তৃতি ঘটিয়েছে। অথচ ঋগ্বেদ– অন্তত ঋগ্বেদের প্রধানতম অংশ– পার্থিব সম্পদের কামনায় এমনই ভরপুর যে এ-সাহিত্যে আধুনিক অর্থে আধ্যাত্মিক চিন্তার পরিচয় অন্বেষণ করাই অনেকাংশে অবান্তর মনে হয়। এ-ব্যাপারে ঋগ্বেদে প্রচুর নজির দেখানো যায়। Read the rest of this entry »

upanishad

| আর্য-সংস্কৃতি ও বৈদিক-যুগ-০২ : বৈদিক সাহিত্য– সংহিতা |
রণদীপম বসু

২.০ : বৈদিক সাহিত্য

ব্রহ্মবিদদের কাছে ‘বেদ’ মানে যদিও পবিত্র ও পরম জ্ঞান, তবুও পরবর্তীকালে ‘বেদ’ বলতে এক নির্দিষ্ট সাহিত্যই বোঝায়– ভারতবর্ষীয়, তথা ইন্দো-ইউরোপীয় ভাষার সর্বপ্রাচীন সাহিত্য। তবে এই সাহিত্য অর্থে ‘বেদ’ বলতে কোনো একটি গ্রন্থ বিশেষ বোঝায় না– প্রায় শতাধিক গ্রন্থের সমষ্টি বোঝায়। যদিও চলতি কথায় আমরা শুধুমাত্র একধরনের রচনা ‘সংহিতা’কেই  ‘বেদ’ আখ্যা দিয়ে থাকি, কিন্তু সামগ্রিকভাবে এই শতাধিক গ্রন্থের সমষ্টিকেই ‘বৈদিক সাহিত্য’ বলা হয়।

Read the rest of this entry »


রণদীপম বসু


‘চিন্তারাজিকে লুকিয়ে রাখার মধ্যে কোন মাহাত্ম্য নেই। তা প্রকাশ করতে যদি লজ্জাবোধ হয়, তবে সে ধরনের চিন্তা না করাই বোধ হয় ভাল।...’
.
.
.
(C) Ranadipam Basu

Blog Stats

  • 555,465 hits

Enter your email address to subscribe to this blog and receive notifications of new posts by email.

Join 140 other followers

Follow h-o-r-o-p-p-a-হ-র-প্পা on WordPress.com

কৃতকর্ম

সিঁড়িঘর

দিনপঞ্জি

অগাষ্ট 2020
রবি সোম বুধ বৃহ. শু. শনি
 1
2345678
9101112131415
16171819202122
23242526272829
3031  

Bangladesh Genocide

1971 Bangladesh Genocide Archive

War Crimes Strategy Forum

লাইভ ট্রাফিক

ক’জন দেখছেন ?

হরপ্পা কাউন্টার

Add to Technorati Favorites

গুগল-সূচক

টুইট

Protected by Copyscape Web Plagiarism Check

Flickr Photos