h-o-r-o-p-p-a-হ-র-প্পা

Posts Tagged ‘আহা জীবন

16062009_photo_RanadipamBasu

[আহা জীবন..]..’ইঁদুর’
রণদীপম বসু

.
ইঁদুরের বংশ
করে দিন ধ্বংস…!
.
.
যে অদৃশ্য ইঁদুরের দৌরাত্ম্যে ভোগে লোকটি পথে নেমেছে, ইঁদুর নামের কিছু দৃশ্যমান ও ক্ষতিকর প্রাণী ধ্বংস করে অন্যের দিন-যাপনকে আরেকটু নিরুপদ্রব করে দেয়ার জন্য, এসব দৃশ্যমান ইঁদুর হয়তো ধ্বংস হবে ঠিকই।
কিন্তু সেই অদৃশ্য ইঁদুরের দৌরাত্ম্য কি থামবে তাতে…?

[somewherein]

Advertisements
ট্যাগ সমুহঃ ,

05032009_Mobillife03_RanadipamBasu

[আহা জীবন..]..’টোকানি’
রণদীপম বসু

.
সিগারেটের খালি প্যাকেট, ছেঁড়া কাগজ, ফেলে দেয়া জুসের ক্যান, প্লাস্টিকের বোতল, পরিত্যক্ত জুতা, ভাঙা টিন কিংবা জং ধরা লোহার খণ্ড, সামনে যা কিছু পড়েছে ইত্যাদি সবই হয়তো খুটে খুটে তুলে নিয়ে কাঁধে ঝুলানো প্লাস্টিকের বস্তাটায় ঢুকিয়ে নিয়েছে। দিনমান ঘুরে ঘুরে ভরে ওঠা বস্তাটা নিয়ে চলে এসেছে সিটি কর্পোরেশানের ময়লা জমানোর ডাস্টবিনটার পাশে। এসেই ঢেলে দিলো রাস্তাতেই। আর কোথাও ঢালার তো উপায় নেই। তেড়ে আসবে ভদ্রলোকেরা। তাই ডাস্টবিনের পাশটাই নিরাপদ হয়তো। পরপরই চলে এলো মহিলাটিও, আরেকটি বস্তা কাঁধে করে, হতে পারে লোকটির জীবনসঙ্গিনীই হবে। হয়তো বা নির্ধারিত স্পটই এটা তাদের। ছেলেটিও চলে এলো একইভাবে। বোঝা যাচ্ছে এক পরিবারই হবে এরা।

যা কিছু মুখে গুঁজে বস্তি থেকে একসাথে বেরিয়েছিলো টোকানির কাজে। যার যা সঞ্চয় সব এনে একত্রে ঢেলে এবার বাছাইয়ের পালা। একদিকে কাগজের ভাগ, প্লাস্টিক অন্যদিকে, আরেকদিকে ভাঙারিগুলো এভাবে। পৃথিবীতে কিছুই ফেলনা নয়। কারো কাছে যা বজ্য, অন্যের কাছে তাই দরকারি খুব। জীবনটাই বুঝি এই রিসাইক্লিং-এ চলছে। সবকিছু ক্যাটেগরি অনুযায়ী পৃথক ভাগে এবার হয়তো চলে যাবে সংশ্লিষ্ট আরতে বিক্রির জন্যে। কিছু হয়তো নিজেদেরই ব্যবহারে। অতঃপর যেক’টা মলিন টাকা উঠে আসবে হাতে, কড়কড়ে গন্ধ ছড়াবে কিনা জানিনা। তবে দিনশেষে দু’মুঠো চাল, এক চিমটি ডাল আর এক ভাগা গলে যাওয়া মাছের গুড়ো বা দু’টুকরো আলু হলে একটা দিনের সমাপ্তি ওদের জন্য বালা-মুসিবত ছাড়া ভালোয় ভালোয়ই কেটে গেলো।

কোন এক পূর্বজন্মের অজান্তে দেখে ফেলা দুর্ভাগা স্বপ্নের মতোই এর চেয়ে বেশি কিছু চাওয়াটাই হয়তো ভুলে গেছে ওরা !

আহা, মানুষের স্বপ্ন দেখার ক্ষমতাও কত বেশি সীমিত এখন…!
.
[somewherein]

ট্যাগ সমুহঃ ,

15122008_Mobillife_Image_Ranadipam_Basu

[আহা জীবন..]..’চর্মকার’
রণদীপম বসু

.
অফিসে আসতে যেতে রোজই দেখি। প্রয়োজন হলে কাছে যাই, বসে পড়ি নির্দ্বিধায় পাশের বাক্সটির উপর। পায়ের জুতো জোড়া খুলে কালি করতে দেই কিংবা কোথাও ফেটে গেলে ছিঁড়ে গেলে নতুন করে সেলাই করিয়ে নিয়ে চকচকে জুতো পায়ে ফের ফিরে যাই নিজ নিজ গন্তব্যে।

নিজস্ব দৃষ্টিভঙ্গি আর প্রকৃতি দিয়ে কেউ ডাকি মুচি, কেউ বলি চামার বা আরেকটু শালীনভাবে চর্মকার। এতেও আমাদের জিহ্বায় যাদের জড়তা একটু বেশি তারা বলি বিদেশি উচ্চারণে সু-মেকার। সবসময় হাসি-খুশি বিনয়ী এতো চমৎকার আচার-ব্যবহার লোকটির, সমান্তলার অবস্থানে আশেপাশের অনেকের চেয়ে কোনোভাবেই খাটো নয় তবু কেউ কি আমরা নিজেদের পাশাপাশি কল্পনাও করি ! সামাজিক অনুষ্ঠানে আমন্ত্রণ জানানো তো দূরের কথা ! সামাজিক অবস্থানে অন্ত্যজ এই গোষ্ঠীকেই কি কেউ কেউ ঋষি সম্প্রদায় বলে থাকে ?

এতো সুন্দর সুন্দর জুতো সংস্কার করে তৈরি করে, কিন্তু কখনোই তাকে এসব ব্যবহার করতে দেখি নি। এটাই কি তার সামাজিক সীমাবদ্ধতা ? কী সেই সীমাবদ্ধতা ?
.
[somewherein]

ট্যাগ সমুহঃ ,

10052009_photo_RanadipamBasu

[আহা জীবন..]..’ভিক্ষা নয়’
রণদীপম বসু

.
যদি ভিক্ষা না পেতো, আমি আপনি আমরা পুণ্যি নামক অলৌকিক বায়বীয় এবং অপ্রমাণিত না জানি কি পাওয়ার উছিলায় চূড়ান্ত বিচারে ক্ষতিকর এই ভিক্ষা দেয়ার কাজটি করে নিজেদের দায়বদ্ধতা ও অপরাধবোধকে জানতে-অজানতে ঢেকে রাখা কিংবা এড়িয়ে যাবার চেষ্টাটি না করতাম, তাহলে হয়তো ভিক্ষা না পেয়ে এরা শ্রমবিমুখ এই ভিক্ষাবৃত্তি ছেড়ে দিয়ে শ্রমসাধ্য কোনো উপার্জনক্ষমতায় নিজেদের জড়িয়ে নিতে বাধ্য হতো।
.

.

.

.

.

.

.

.

মানবতার জন্য চরম অপমানকর এই পেশাহীন পেশা-প্রবৃত্তিটিকে আর কতোকাল টিকিয়ে রেখে মানবিক বৃত্তিগুলোকে ধ্বংস করবো আমরা ! অশুভ ক্যান্সারের মতো ভিক্ষাবৃত্তির পেছনেও যে অবিশ্বাস্য কিছু প্রভাবশালী সিন্ডিকেট খুব প্রবল ও জঘন্যভাবে সক্রিয় থাকতে পারে তা কি কখনো ভেবেছি আমরা ?

আচমকা আপনার দিকে হাত বাড়িয়ে দেয়া ভিক্ষুকটির চোখের দিকে তাকিয়ে কখনো কি ভেবেছি আমরা, নিজের কারণে সে ভিক্ষুক হয় নি ! তার পেছনে আমি আপনি আমরাই জড়িত, প্রত্যক্ষ কিংবা পরোক্ষভাবে !
.
[somewherein]

ট্যাগ সমুহঃ ,

11062009_photo_RanadipamBasu

[আহা জীবন..]..’সাপ’
রণদীপম বসু

.
ভিক্ষার নতুন স্টাইল ?

গলায় বেশ মোটাতাজা একটা গোখরো সাপ। দেখলেই গা রি রি করে ওঠে ! বিষদাঁত নেই বুঝাই যায়। নইলে এমন নির্বিবাদে ঝুলে থাকার কথা নয়। মিনিটে আটবার করে দুফালি লিকলিকে জিহ্বার ছলকানি দেখলে ছমছম করে ওঠে গা। যে মহিলার গলায় ওটা, বেদে যে সে নয় তাও চেহারায় স্পষ্ট। ইশারায় সাপটাকে দেখিয়ে হাতটা বাড়িয়ে দিলো সামনে। ভিক্ষা। তাহলে কি সাপের খাবার যোগাড়ে নেমেছে ! আহা, আজকাল নিজের পেট দেখিয়ে আর পাবলিকের মন ভেজানো যায় না ?

একটা কথাও বলানো যায় নি তার মুখ দিয়ে। ফ্যালফ্যাল চাউনি, আর ইশারায় সাপটাকে দেখিয়ে ভিক্ষা নেয়ার আকুতি। দেখে বড় কষ্ট হলো। সাধারণত ভিক্ষা আমি দেই না। কেন দেই না তা ভিন্ন প্রসঙ্গ।

দুটো টাকা বাড়িয়ে দিলাম। সাপের জন্য নয়। চেহারায় ভেসে ওঠা ক্ষুধাক্রান্ত মহিলাটির জন্য।
.
[somewherein]

ট্যাগ সমুহঃ ,

16042009(002)_photo_RanadipamBasu

[আহা জীবন..]..’পাগলি’
রণদীপম বসু

.

নগরীর ফুটপাথ ধরে আপনি হাঁটছেন। হঠাৎ থমকে গেলেন ! সামনেই একটা উন্মুক্ত নারী ! হয়তো উচ্ছিষ্টও। কেউ বলে পাগল, কেউ বলে বুড়ি, কেউ বা আরো কত কিছুই বলে। কিন্তু কেউ কি একবারও বলে, হোক সে মানসিক ভারসাম্যহীন, তবু গরু-ছাগল তো নয়, একটা বয়স্কা নারীই তো ! যেহেতু একজন নারী, মানুষ তো অবশ্যই। আর মানুষ যদি একমাত্র সভ্য প্রাণী হিসেবে নিজেদের নিয়ে এতোই ফুটানি করে, এটা কেমন সভ্যতা যেখানে জনাকীর্ণ রাস্তা ধরে একটা নারীকে তার শেষ অবলম্বন হারিয়ে এমন অপার নগ্নতা ঢাকার ব্যর্থ চেষ্টা করতে করতে খাবারের খুঁজে এদোকান ওদোকানে হাত পাততে পাততে অবাধ্য ক্ষুন্নিবৃত্তি নিবারণের চেষ্টায় অনিবার্য বেরিয়ে আসতে হয় লোকালয়ে !
হয়তো এই নারীটি তার লজ্জাবোধ এখনো হারায়নি। এজন্যই পরিত্যক্ত একটা শার্টকেই গামছার মতো মুড়ে এক হাতে তার তীব্রতম লজ্জাস্থানটাকে ঢেকে রাখার দুঃসাধ্য চেষ্টাটুকু করেই যাচ্ছিল। যার লজ্জাবোধ এখনো জলাজঞ্জলি ঘটেনি, সে কি পাগল ?
না, সে পাগল নয়। পাগল আমরাই। কারণ লজ্জার একফোঁটাও আমাদের মধ্যে অবশিষ্ট নেই আর ! নইলে ঐ নারীটিকে অন্তত তার লজ্জা বিক্রি করতে এভাবে বেরিয়ে আসতে হতো না। অথচ কোন না কোন নারীকে অবলম্বন করেই আমরা বেড়ে ওঠি পরিবার নামক একটা নিজস্ব ঠিকানায়। ঐ নারী কি সত্যিই ঠিকানা হারা ???
.
[somewherein]

ট্যাগ সমুহঃ ,

26022009_Mobillife02_RanadipamBasu

[আহা জীবন..]..’প্যাডেল’
রণদীপম বসু

.
‘এই খালি… !’
সম্মতিসূচক ব্রেক কষেই রিক্সাটা দাঁড়িয়ে গেলো। ঝটপট চড়ে বসেই বললাম- একটু টেনে যান ভাই, দেরি হয়ে গেছে। মেজাজ ভীষণ খাপ্পা হয়ে আছে। নিজের উপরেই। বাঁ হাতের কব্জিতে ন’টা বেজে দশ। সেই পৌনে নয় থেকে রিক্সার জন্য দাঁড়িয়ে আছি। তিন রাস্তার মোড়টাতে। একটার পর একটা রিক্সা আসছে যাচ্ছে। কাজীপাড়া, শ্যাওড়াপাড়া, পীরের বাগ, মিরপুর-একে যাত্রীদের নিচ্ছে ঠিকই। কিন্তু এতো কাছের গন্তব্য আমার, মিরপুর দুই’টাই পছন্দ হচ্ছে না তাঁদের ! কী আশ্চর্য, চালকের পছন্দেই আজকাল গন্তব্য নির্ধারণ করতে হবে নাকি !
.

.

.

.

জোরসে টেনে গেলে ন’টার অফিস পৌঁছতে এখনও ন’টা পঁচিশ বেজে যাবে। লিফট আর হেনতেন করে আরো পাঁচ মিনিট। মানে সাড়ে নয় ! খাপ্পা হবো না কেন ! গোঁড়ালি ফেটে হা হয়ে যাওয়া পা ঘষটে ঘষটে হাঁটতে থাকলেও তো এতক্ষণে নিজের ডেস্কেই থাকতাম ! ন’টাতেই নোট সহ গুরুত্বপূর্ণ ফাইলটা বসের টেবিলে পেশ করার কথা। ছাগলামী করে এই পঁচিশটা মিনিট রিক্সাই খোঁজলাম। প্রতিবারই মনে হয়েছে, ওই যে পেছনে খালিটা আসছে ওটা হয়তো যাবে। শীট ! ঘাট হয়েছে ! রেগেমেগে প্রতিজ্ঞাও করে ফেলেছি প্রায়, শালার রিক্সাই চড়বো না আর ! পনের মিনিটের হাঁটা পথে আবার রিক্সা কিসের ! যাক্, এই রিক্সাটা সাথে সাথেই রাজী হয়ে গেছে।

কিন্তু এ কী ! রিক্সা তো টানছেই না ! শীর্ণদেহী চালককে তাড়া দিতে গিয়েও থেমে গেলাম। চোখ পড়লো রিক্সার প্যাডেলে। গোড়ালির একটু উপর থেকে বেঁকে যাওয়া প্রতিবন্ধী পা’টার দিকে। হাতের চেয়েও সরু হয়ে যাওয়া অক্ষম পা’টার দিকে তাকিয়ে ভেতরের ক্ষোভ উষ্মা সব গলে গেলো।

‘আপনি শুরুতেই অন্যদের মতো জিজ্ঞেস করলেন না যে, কই যাবো ?’
‘ভুল হইয়া গ্যাছে ছ্যার ! রিশকা চালাইয়া খাই, যেইহানে কন সেইহানেই তো যামু। আমাগো আবার…’
.

.

.

হাঁফাতে হাঁফাতে কথাগুলো বললো ঠিকই, বুঝলাম খুব কষ্ট হচ্ছে বেচারার। কথা আর না বাড়িয়ে দৃষ্টি নীচু করে একদৃষ্টিতে রিক্সার প্যাডেল ঘিরে পা দুটোর উঠানামা দেখতে থাকলাম। নিশ্চয়ই ঢাকায় নতুন এসেছে। গ্রাম্য সারল্যটুকু এখনো ছাড়তে পারেনি বলে হয়তো জীবিকার তাগিদে রিক্সাচালনার মতো আনফিট কাজটাই নিরূপায় বেছে নিয়েছে। সারল্যে ভরা অসহায় মুখের দিকে চেয়ে আমার নাগরিক জবানিতে তাঁকে আর প্রশ্ন করা হয়নি। জানা হয়নি তাঁর ঠিকানা-সাকিন কিংবা ফেলে আসা জীবনের অজানা গল্পগুলোর কথা। থাক্, কী দরকার ! যে গুপ্ত ট্র্যাজেডির ভার বইতে পারবো না, তাকে উন্মুক্ত করে দায়সারা কূটিলতায় নাগরিক সহানুভূতির ভণ্ডামো দেখানোর অপমানটুকু নাই বা করলাম।

প্রতিজ্ঞায় পূর্ণতা ছিলো না হয়তো। এখনো রিক্সা চেপে প্রায়ই অফিসে যেতে হয়। যথারীতি হাঁকও ছাড়ি ‘এই খালি’! তবু দৃষ্টিটা এখন আর চালকের মুখে নয়, কেন যেন ছুটে যায় ঘূর্ণমান প্যাডেলের দিকেই। যেখানে চাপলেই মন্থর জীবন ছুটতে থাকে…!

[e-book ‘protidiner golpo‘]

ট্যাগ সমুহঃ ,

রণদীপম বসু


‘চিন্তারাজিকে লুকিয়ে রাখার মধ্যে কোন মাহাত্ম্য নেই। তা প্রকাশ করতে যদি লজ্জাবোধ হয়, তবে সে ধরনের চিন্তা না করাই বোধ হয় ভাল।...’
.
.
.
(C) Ranadipam Basu

Blog Stats

  • 440,797 hits

Enter your email address to subscribe to this blog and receive notifications of new posts by email.

Join 124 other followers

Follow h-o-r-o-p-p-a-হ-র-প্পা on WordPress.com

কৃতকর্ম

সিঁড়িঘর

দিনপঞ্জি

অক্টোবর 2019
রবি সোম বুধ বৃহ. শু. শনি
« সেপ্টে.    
 12345
6789101112
13141516171819
20212223242526
2728293031  

Bangladesh Genocide

1971 Bangladesh Genocide Archive

War Crimes Strategy Forum

লাইভ ট্রাফিক

ক’জন দেখছেন ?

হরপ্পা কাউন্টার

Add to Technorati Favorites

গুগল-সূচক

টুইট

  • গ্রন্থ : ইয়োগা (স্বাস্থ্য ও যৌগিক ব্যায়াম, রোদেলা প্রকাশনী, ফেব্রুয়ারি-২০১৯)... https://t.co/SpIL5tcLTi 4 months ago
  • ছবি : একান্নবর্তী সংসারের নতুন-পুরনো সদস্যরা... https://t.co/7HJBdUekkd 1 year ago
  • গ্রন্থ : টিপলু (কিশোর গল্প, দ্যু প্রকাশন, ফেব্রুয়ারি-২০১৮) https://t.co/zID65r8q97 1 year ago
  • গ্রন্থ : ছড়া-কবিতার ঝুল-বারান্দায় (ছোট কবিতা প্রকাশন, জানুয়ারি-২০১৮) https://t.co/Goy6tNtWr0 1 year ago
  • গ্রন্থ : নাস্তিক্য ও বিবিধ প্রসঙ্গ (রোদেলা প্রকাশনী, ফেব্রুয়ারি-২০১৮) https://t.co/ECvpDneHSe 1 year ago
Protected by Copyscape Web Plagiarism Check

Flickr Photos

Advertisements