h-o-r-o-p-p-a-হ-র-প্পা

Archive for the ‘যে ডায়েরীটা’ Category

.
| যে ডায়েরীটা লেখা হবে না আর…| ৩৮ |
 -রণদীপম বসু

তারিখ: নেই (১৯৯৩)

রূপা, এমোন যে খবরহীন হয়ে গেলে হঠাৎ ! তুমি কারো কথা না ভাবতে পারো, কিন্তু কেউ তো তোমার কথা ভাবে সারাক্ষণ, এটা কি বুঝতে পাও ? অবশ্য যদি তোমার ভালোবাসার উদার আকাশে কোন দীপ্ত নক্ষত্রের খোঁজ পেয়ে থাকো, সেটা ভিন্ন কথা। আমি তো নিভু নিভু মাটির প্রদীপ মাত্র ! টিমটিমে নিজকেই প্রকাশ করতে, আলোকিত করতে পারি না, সেখানে নক্ষত্রের সাথে পাল্লা দেবো কোন্ সাহসে ! যে নক্ষত্রের উজ্জ্বল আলোয় আলোকিত, প্রদীপের আলো তো সেখানে পরিহাস মাত্র ! শুধু পুড়ে যাওয়াই সার ! Read the rest of this entry »
ট্যাগ সমুহঃ
.
| যে ডায়েরীটা লেখা হবে না আর…| ৩৭ |
-রণদীপম বসু

তারিখ: নেই (১৯৯৩)

‘তুমি কি সেই আগের মতোই আছো,
নাকি অনেকখানি বদলে গেছো- খুব জানতে ইচ্ছে করে।…’
রূপা, তোমার কোন খোঁজ-খবর পাচ্ছি না বলে মনটা ভীষণ তেতো হয়ে আছে। খুব জানতে ইচ্ছে করছে তুমি কি আগের মতোই আছো, না কি তোমার ভালোবাসার আকাশে নতুন কোন নক্ষত্রের দেখা পেয়েছো বলে প্রতি মুহূর্তেই তুমি বদলে যাচ্ছো ! তোমাকে এ কেমোন ভালোবাসলাম যে, হঠাৎ করে তোমাকে হারানোর ভয় পেয়ে বসেছে, এবং সমস্ত অস্তিত্বটা আমার কেমোন হিম হয়ে আসছে ! Read the rest of this entry »
ট্যাগ সমুহঃ

| যে ডায়েরীটা লেখা হবে না আর…|৩৬|
-রণদীপম বসু

তারিখ: নেই (অনুমান এপ্রিল, ১৯৯৩)

যে দিন তোমার মাধুরি মেশানো চিঠিটা হাতে পাই, পৃথিবীর প্রচণ্ডতম সুখী মানুষ হয়ে যাই আমি। এতো বেশি উল্লসিত হয়ে উঠি যে কখনো বা সবার সামনে বিব্রত হয়ে পড়ি আবেগের আতিশয্যে। বুঝতে পারি আমিও পাগল পদবাচ্যের একেবারে বাইরে নই। দ্যাখো, পাগল-টাগল যা-ই বলো, সেই গানটা মনে পড়ে তো ?
‘…যখন তুমি আমায় পাগল বলো, ধন্য যে হয় সে পাগলামি
ধন্য তোমার জন্য হে, পাগল তোমার জন্য যে…।’ Read the rest of this entry »
ট্যাগ সমুহঃ

| যে ডায়েরীটা লেখা হবে না আর…|৩৫|

তারিখ: নেই (অনুমান এপ্রিল, ১৯৯৩)

তুমি কি জানো না, তোমার একটি চিঠির জন্যে কেমোন উতলা হয়ে থাকি সারাক্ষণ ! সেই প্রবাদটা কি ভুলে গেছো, প্রতিক্ষার চেয়ে মরণ ভালো ? শুধু একটি চিঠির জন্যে, প্রত্যাশিত চিঠির জন্যে সমস্ত বিষয়কর্ম কেমোন বিস্বাদ হয়ে যায় ! না পাওয়া পর্যন্ত চিঠি আসবে চিঠি আসবে করে করে প্রতিটা দিনকে আঁকড়ে ধরে রাখার চেষ্টা করি। বলি, হে দিন, আমার প্রিয়তমার চিঠিটা আসুক, তবে যেও। কিন্তু সময় তো কারো কর্তৃত্ব মানে না। আমার দীর্ঘশ্বাস পেছনে ফেলে রেখে সে চলে যায়, বড় বেশি অবহেলায় ফাঁকি দেয় আমাকে। সে যদি তুমি বুঝতে, এ যে কী যন্ত্রণা !
ট্যাগ সমুহঃ

| যে ডায়েরীটা লেখা হবে না আর…|৩৪|
-রণদীপম বসু

তারিখ: নেই (অনুমান এপ্রিল, ১৯৯৩)

মাঝে মাঝে কিছু কিছু সময় আসে হঠাৎ যুবকের অবাধ্য দেহটা ক্ষেপে ওঠে। মেয়েটির শরীরের প্রতি ইঞ্চি জমি চুমোয় চুমোয়, তীব্র আদরে আদরে একেবারে এলোমেলো করে দিতে ভীষণ ইচ্ছে করে। এ কি ভালোবাসা নামের মুদ্রার অপর পিঠ ? জানি না। তবে রক্তকে অস্বীকার করার, অবহেলা করার ক্ষমতা শরীরের নেই এটা বুঝি। তাই বুঝি শারীরিক উত্তাপ বিপরীতে আরেকটা শরীরের উত্তাপের জন্যে মাঝে মাঝে উন্মাদ হয়ে ওঠে। এই উন্মাদনার তুমি কী নাম দেবে জানি না রূপা। তবে এটা বাস্তব এবং ভয়ঙ্কর সত্যি বলেই দ্বিধাহীন প্রকাশ করছি। তুমি ভুল বুঝো না। যদি ভালোই বাসবে, জেনেশুনে ভালোবাসা উচিৎ নয় কি ? আমি তো জানি, যুবকের ভালোবাসা নিখাদ, অন্তত তার দৃষ্টিতে। সে সমগ্র অস্তিত্ব দিয়ে, তার গোটা সত্তা দিয়েই ঐ নারীকে ভালোবাসে। এতে কোন ভুল নেই।
ট্যাগ সমুহঃ

| যে ডায়েরীটা লেখা হবে না আর…|৩৩|
-রণদীপম বসু

তারিখ: নেই (অনুমান এপ্রিল, ১৯৯৩)

একদিন যুবকটি অসুস্থ হয়ে পড়লো। বেশ আগের কথা, যখন-তখন মেয়েটির ওখানে ঢুঁ মারা যার অভ্যাসে দাঁড়িয়ে গেলো, হঠাৎ করে তা থেমে গেলো বলে বোধকরি মেয়েটি কী জানি বুঝলো। একেবারে ঔষধ-পথ্যসহ সরাসরি ছেলেটির এখানে হাজির। এমন আশাতীত তাকে দেখে যুবকের রোগযন্ত্রণা জানি না কোথায় গেলো। মেয়েটির সযত্ন শাসনে যুবকের তো কেঁদে ফেলার অবস্থা, কী এক পূর্ণতার আনন্দে !  হতচ্ছাড়া যুবক তার ভবঘুরে ছন্নছাড়া জীবনে এতকাল জেনে এসেছে পৃথিবীতে অনেক কিছুরই মোকাবেলা একা একাই করতে হয়। অথচ এমন সোহাগী স্পর্শে সে কেমন জানি হয়ে গেলো। সেদিনই পাল্টে গেলো তার পৃথিবী। একটা অনন্ত আশ্বাস আর অবলম্বনের অযাচিত অধিকার পেয়ে সেদিন সে মুহূর্তে যুবকের সমস্ত অসহায় নিঃসঙ্গতা খান খান হয়ে গেলো। দৃঢ়চিত্ত যুবক হয়ে গেলো দুর্বল। তার সমস্ত দেহ মন এবং সবকিছুই একটি নারীর কাছে নির্ভরতা পেয়ে পাথর অস্তিত্ব থেকে রক্তমাংসের নমনীয়তায় ফিরে এলো।
ট্যাগ সমুহঃ

| যে ডায়েরীটা লেখা হবে না আর…|৩২|
-রণদীপম বসু

তারিখ: নেই (অনুমান এপ্রিল, ১৯৯৩)

তোমার অ্যালবাম থেকে তুলে নেয়া সেই একটিমাত্র ছবি আমার এখনকার সঙ্গি রূপা। দিনরাত কত যে চেয়ে থাকি এই ছবিতে তোমার দিকে, আশ মেটে না। কখনো চেয়ে থাকি অপলক অনেকক্ষণ, কখনো চুমোয় চুমোয় ভরিয়ে দেই তোমার অদ্ভুত সুন্দর মুখখানায়। কখনো বা বুকে চেপে ধরি। শিহরিত সমস্ত শরীরে মনে কি যে করি তোমাকে বুঝাতে পারবো না। বলো তো, তোমাকে দেখলে কেন আমার এমন হয় ? সেই গানটাই মনে পড়ে-
‘দুই নয়নে তোমায় দেখে আশা মেটে না
মনের আশা মেটে না,
হাজার নয়ন দাও না আমায় লক্ষ নয়ন দাও না…।’
ট্যাগ সমুহঃ

রণদীপম বসু


‘চিন্তারাজিকে লুকিয়ে রাখার মধ্যে কোন মাহাত্ম্য নেই। তা প্রকাশ করতে যদি লজ্জাবোধ হয়, তবে সে ধরনের চিন্তা না করাই বোধ হয় ভাল।...’
.
.
.
(C) Ranadipam Basu

Blog Stats

  • 182,064 hits

Enter your email address to subscribe to this blog and receive notifications of new posts by email.

Join 72 other followers

Follow h-o-r-o-p-p-a-হ-র-প্পা on WordPress.com

কৃতকর্ম

সিঁড়িঘর

দিনপঞ্জি

অগাষ্ট 2017
রবি সোম বুধ বৃহ. শু. শনি
« মার্চ    
 12345
6789101112
13141516171819
20212223242526
2728293031  

Bangladesh Genocide

1971 Bangladesh Genocide Archive

War Crimes Strategy Forum

লাইভ ট্রাফিক

ক’জন দেখছেন ?

bob-contest

Blogbox
Average rating:

Create your own Blogbox!

হরপ্পা কাউন্টার

Add to Technorati Favorites

গুগল-সূচক

টুইট

Protected by Copyscape Web Plagiarism Check