h-o-r-o-p-p-a-হ-র-প্পা

Archive for the ‘ছবির গল্প’ Category

| মতিউর ও হামিদুর,
স্মৃতিস্তম্ভের ভিন্নতা নিয়ে পাশাপাশি শুয়ে থাকা বীরশ্রেষ্ঠ দু’জন |
-রণদীপম বসু

১৯৭৩ সালের ১৫ই ডিসেম্বরে সরকারি গেজেট নোটিফিকেশন অনুযায়ী বাংলাদেশের স্বাধীনতাযুদ্ধে অংশগ্রহণকারীদের বীরত্বপূর্ণ আত্মত্যাগ ও অদম্য সাহসিক অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ জাতির সেরা বীর সন্তানদেরকে শ্রেষ্ঠ রাষ্ট্রীয় সম্মান ও উপাধিতে ভূষিত করা হয়। এদের মধ্যে মরণোত্তর সাতজন সর্বশ্রেষ্ঠ উপাধি ‘বীরশ্রেষ্ঠ’, ৬৮ জন ‘বীর উত্তম’, ১৭৫ জন ‘বীর বিক্রম’ এবং ৪২৬ জন ‘বীর প্রতীক’ খেতাবে ভূষিত হন। Read the rest of this entry »
Advertisements
| ছবির গল্প | ঢাকার নৌকা : নগর-সভ্যতায় নদীমাতৃক ঐতিহ্যের বিলীয়মান প্রতিনিধি |
-রণদীপম বসু

পড়ন্ত বিকেলে এঁকেবেঁকে বয়ে যাওয়া কুলকুল নদীর স্বচ্ছ বুকে সূর্যের আলোয় চকচকে বাদাম তোলা নৌকার চিরায়ত ছবি আর বুকের গভীরে অজান্তিকে বেজে ওঠা ‘ ভাটির দেশে কে যাও তুমি উজান গাঙের নাইয়া’র মতো ভাটিয়ালি সুর বাঙালির একান্তই নিজস্ব ও চিরন্তন আবেগের পটভূমি। তা থেকে বাঙালির নাড়িকে বিচ্ছিন্ন করা কিছুতেই সম্ভব নয়। কারণ নৌকা আর বাঙালি অবিচ্ছেদ্য। তার ধমনীতে বয়ে যাওয়া রক্তের নদীটাতে এখনো প্রাচীন নৌকা ভাসে, আর ওখানে হাল ধরে আছে তার পূর্বপুরুষের গ্রন্থিল পেশী। তাই নৌকাহীন বাঙালি এখনো অকল্পনীয়। Read the rest of this entry »
Red Water Lily
| ছবির গল্প | লাল শাপলা: আমাদের চেতনার আবীর রাঙানো ফুল |
-রণদীপম বসু

বিল-ঝিল-নালায় ভরা আমাদের এই নদীমাতৃক দেশে শাপলা ফুলের উপস্থিতি অত্যন্ত স্বাভাবিক বলেই তা আমাদের জাতীয় ফুলের মর্যাদায় অধিষ্ঠিত। তবে এই নগরীতে শাপলা ফুল খুব একটা চোখে পড়ে না। পড়বে কী করে ! জলাভূমিই তো নেই। নাগরিক সভ্যতায় সব গ্রাস হয়ে যাচ্ছে। Read the rest of this entry »
.
| ছবির গল্প | আবর্জনার প্রতীক, কাক না মানুষ !
-রণদীপম বসু

কোথাও কাক দেখলেই আমাদের অনেকেরই হয়তো আবর্জনার কথা মনে পড়ে যায়। কেননা আবর্জনাপূর্ণ স্থানের আশেপাশেই পক্ষীজগতের অন্যতম সদস্য কাকের উপস্থিতি সাধারণত বেশি দেখা যায়। আর মানুষ এমনই স্ববিরোধী স্বভাবের প্রাণী যে, যত্রতত্র আবর্জনা ফেলা থেকে বিরত থাকার বদলে কাকের কুশ্রী উপস্থিতি দেখেই আমরা বিরক্ত হই বেশি। Read the rest of this entry »
| ছবির গল্প | শেষ সূর্যাস্ত, ২০১০…|
-রণদীপম বসু

শেষ সূর্যাস্তের কাছে একটাই আকুতি ছিলো,- হে সূর্য, প্রণতি নাও। তোমার অস্তাচলের শেষ আভা গুটিয়ে নেবার আগে এই নশ্বর জীবনের প্রতিটি স্পর্শবিন্দু থেকে তুলে নাও আমাদের সবটুকু হিংসা, বিভেদ, লোভ, ঘৃণা আর গ্লানিভরা অস্থিরতা। তোমার শেষ আলোকস্পর্শ দিয়ে মুছে নাও আমাদের সমস্ত ধুসরতা, জরা, ব্যাধি আর বিগত বছরের সব কৃত্রিম কালিমা। মিথ্যে অহঙ্কারের বাতিল কৌলিন্য ঝেড়ে শুদ্ধ আঁধারে ডুবিয়ে দাও। যেন আগামী দিনের  প্রথম আলোকস্পর্শে আমাদের অখণ্ড পবিত্রতা দিয়ে নতুন বছরের আগমনী রঙে রাঙা হয়ে ওঠি। হে বিদায়ী সূর্য, বছরের শেষ লগ্নে আমাদের প্রণতি নাও। বিদায় ২০১০। একটি মানবিক বছরের শুভ্রতা দিয়ে শুরু হোক আমাদের নতুন আগামীকাল। Read the rest of this entry »
ট্যাগ সমুহঃ ,
| ছবির গল্প | নাগরিক মনের হারানো বটের ছায়া…|
-রণদীপম বসু

এই নগরীতে কোথাও কি বটগাছ চোখে পড়ে, তাও যদি হয় ফুটপাথ ঘেষা ? ছুটির দিনের এক অলস দুপুরে রিক্সায় যেতে যেতে দৃশ্যটা চোখে পড়তেই নাগরিক মনটা আনচান করে ওঠলো। মিরপুর জিপিও’র পশ্চিম গেটের সামনেই রাস্তা ঘেষে ফুটপাথে দাঁড়ানো তরুণ বটগাছটির সিমেন্ট বাঁধানো ছোট্ট বেদীর নিরিবিলি ছায়ায় গভীর ঘুমে শুয়ে আছে লোকটি। ঠিকানাহীন ছিন্নমূল কোন ভবঘুরে বলেই মনে হয়। বৃক্ষের কাছে ফকির বাদশায় তো কোন ভেদ নেই। এমন নির্বিঘ্ন আশ্রয় শ্যামল বৃক্ষ ছাড়া আর কে দেবে ? কিন্তু ইট-বালু-রড-সিমেন্টের রুদ্ধশ্বাস এই নগরীর সর্বগ্রাসী ক্ষুধায় বৃক্ষরাই যে ছিন্নমূল আজ। এই বটগাছও কি আদৌ নিরাপদ এখন ? সিটি কর্পোরেশানের কেউ লাগায়নি এ গাছ। তাহলে এই বটের চারা কী করেই বা এলো এখানে ? আরেক কর্মমুখর দিনে সেখানে গিয়ে জানা গেলো কাহিনী। Read the rest of this entry »
টিয়ে দিয়ে ভাগ্যগণনা,
ভাগ্যবন্দী মানুষের অদ্ভুত সান্ত্বনা!
-রণদীপম বসু

কেবল ভাগ্যকে সম্বল করে জীবিকার টানে দেশের নানা প্রান্ত থেকে কর্মহীন বেকার মানুষগুলো ছুটে আসে রাজধানীর দিকে। সর্বস্ব হারানো চোখে তাদের অনাগত স্বপ্ন, মনে কত কী আশা, সব কিছু সম্ভব করে দেবে এই নগরী ! অসহায় নিরিবিলি জীবন পেছনে ফেলে এই ব্যস্তবহুল নগরীর বিপুল জনস্রোতে মিশে অতঃপর খেই হারিয়ে বুঝে যায় জীবন আরো কঠিন ও কর্কশ এখানে। বন্ধুহীন স্বজনহীন এই নগরীতে কেউ কারো নয়। কিন্তু আর ফেরার উপায় নেই। নিরূপায় এরা শেষে জড়িয়ে পড়ে বাছ-বিচারহীন বৈধ অবৈধ বিচিত্র কর্মকাণ্ডে। অপরাধকর্মেও জড়িয়ে পড়ে কেউ কেউ। কেউ হয়তো আখের গড়ে। অধিকাংশই  ভাগ্যের মরীচিকায় আটকে পড়া ফাঁদে হয়ে যায় ভাগ্যসর্বস্ব, অনিশ্চিত, অসহায় ছিন্নমূল। দিনের শুরুতে জানে না এরা সামনে কী অপেক্ষা করছে নসিবে। তাদের এই আকুলতা, অশিক্ষা, অজ্ঞতা ও কুসংস্কার তাদেরকে প্ররোচিত করে কিছু মিথ্যে আশা ও অভয়বাণীর দিকে। যার নাম ভাগ্য-গণনা। শিক্ষিত ও সংস্কারমুক্ত মানুষের কাছে তা অর্থহীন হলেও ওই অসহায় লোকগুলোর কাছে এটাই হয়তো বেঁচে থাকার প্রচণ্ড আশা ও প্রাপ্তির সুর, যা তাদেরকে পুনরায় সাহসে উজ্জীবিত করে। Read the rest of this entry »

রণদীপম বসু


‘চিন্তারাজিকে লুকিয়ে রাখার মধ্যে কোন মাহাত্ম্য নেই। তা প্রকাশ করতে যদি লজ্জাবোধ হয়, তবে সে ধরনের চিন্তা না করাই বোধ হয় ভাল।...’
.
.
.
(C) Ranadipam Basu

Blog Stats

  • 345,314 hits

Enter your email address to subscribe to this blog and receive notifications of new posts by email.

Join 113 other followers

Follow h-o-r-o-p-p-a-হ-র-প্পা on WordPress.com

কৃতকর্ম

সিঁড়িঘর

দিনপঞ্জি

ডিসেম্বর 2018
রবি সোম বুধ বৃহ. শু. শনি
« সেপ্টে.    
 1
2345678
9101112131415
16171819202122
23242526272829
3031  

Bangladesh Genocide

1971 Bangladesh Genocide Archive

War Crimes Strategy Forum

লাইভ ট্রাফিক

ক’জন দেখছেন ?

হরপ্পা কাউন্টার

Add to Technorati Favorites

গুগল-সূচক

টুইট

Error: Twitter did not respond. Please wait a few minutes and refresh this page.

Protected by Copyscape Web Plagiarism Check

Flickr Photos

Advertisements