h-o-r-o-p-p-a-হ-র-প্পা

Archive for the ‘কালের স্মৃতিচিহ্ন’ Category

.
| হারং-হুরং কিংবা শ্রীহট্টের ইতিবৃত্ত ও অন্যান্য…|
রণদীপম বসু
 
বিভিন্ন কিংবদন্তী থেকে যখন ইতিহাসের উপকরণ সংগ্রহ করতে হয় এবং সেই কিংবদন্তীর মূলে যদি থাকে পৌরাণিক উপাখ্যান আর অলৌকিক আধ্যাত্মিকতার আবেগী প্রভাব, তাহলে সে ইতিহাসে বিভিন্ন স্ববিরোধিতা ও একধরনের যাদুবাস্তবতার মিশেল হয়ে যাওয়াটা হয়তো অস্বাভাবিক নয়। শ্রীহট্ট তথা সিলেটের প্রাচীন ইতিহাসের ক্ষেত্রেও এই প্রভাব অস্পষ্ট নয়। তবু তা থেকেই আমাদেরকে নিজের মতো করে প্রকৃত ধারণাটা নিতে হয়। এই ধারণা খুব স্পষ্ট বা নির্ভুল না হলেও প্রাচীন পটচিত্রের মতোই অর্থবহ তো বটেই। আর ইতিহাসের বাস্তব উপকরণ হিসেবে কোন প্রাচীন ঐতিহ্যের উপস্থিতি সেই ধারণার একটা শক্ত ভিত্তি তৈরি করে দেয় বৈকি। কিংবদন্তীর হুরং-হারং হয়তো শ্রীহট্টের ইতিহাসের জন্য তেমনই এক চমৎকার নমুনা হিসেবে সামনে এসে দাঁড়ায়। Read the rest of this entry »
  .
 । কালের স্মৃতিচিহ্ন । ঢাকা: রূপলাল হাউস ।
-রণদীপম বসু
বলা হয়ে থাকে, উনিশ শতকের ঢাকায়, নবাব আবদুল গণির ‘আহসান মঞ্জিলে’র সাথে জাঁকজমকের দিক দিয়ে অন্য যে অট্টালিকাটি পাল্লা দিতে পারতো, সেটি হলো রূপলাল দাসের ‘রূপলাল হাউস’ (Ruplal House)। ঢাকার ফরাশগঞ্জের শ্যামবাজারে বুড়িগঙ্গার তীরে নির্মিত এই বাড়িটির তুলনা সে নিজেই। বাড়িটির বিশেষত্ব হলো, গ্রীক স্থাপত্যের অনুকরণে নির্মিত এর বিশাল ডরিক কলাম, যা ঢাকা শহরে আর কোন বাড়িতে এই রীতির স্থাপনা নেই বা ছিলো না। এবং বাড়ির মাঝখানে চূড়ায় একটা প্রকাণ্ড ঘড়ি ছিলো, যা ঢাকার সম্মুখস্থ বুড়িগঙ্গা নদী থেকে সহজেই দৃষ্টিগোচর হতো। এর দ্বারা সমস্ত নৌকারোহীরা উপকৃত হতো। কিন্তু ১৮৯৭ সালের তীব্র ভূমিকম্পে বাড়ির চূড়াটি ভেঙে গেলে তা আর মেরামত করা হয় নি। Read the rest of this entry »
 
.
 । কালের স্মৃতিচিহ্ন । ঢাকা: রমনা গেট ।
-রণদীপম বসু
 …
ঢাকার রমনায় তিন নেতার মাজার সংলগ্ন দক্ষিণ পার্শ্বস্থ, বর্তমান নজরুল এভিনিউ’র প্রবেশ মুখে দোয়েল চত্বরের কাছে, যে ফটকটি দেখা যায় তা-ই মীর জুমলার ফটক (Mir Jumla Gate) বা রমনা গেট (Ramna Gate) হিসেবে পরিচিত। কেউ কেউ এটাকে ঢাকা গেটও বলে থাকেন। রাস্তার দু’ধারে গেটের দু’প্রান্তে কতগুলো গোলাকার উঁচু স্তম্ভ বহিঃপার্শ্বের দিকে ক্রমশ ঢালু পাকা রেলিং দ্বারা সংযুক্ত। এখনকার চেহারায় দু’প্রান্ত থেকে সমদূরবর্তী মধ্যখানে একই ধরনের একটি প্রত্যক্ষ সংযোগহীন একক স্তম্ভ রয়েছে যা বর্তমানে পাকা সড়কের বিভাজক আইল্যান্ডে অবস্থিত। তবে বর্তমান চেহারায় গেটটিকে যতোটা সংক্ষিপ্ত দেখা যায়, ফটক নির্মাণকালীন সময়ে হয়তো তা ছিলো না। ১৯১৭ সালের একটি ছবিতে রমনা গেটটিকে দুপাশে আরো প্রলম্বিত অবস্থায় দেখা যায়। Read the rest of this entry »
 
.
। কালের স্মৃতিচিহ্ন । ঢাকা: নিমতলী কুঠি ।
-রণদীপম বসু
 …
ঢাকার নিমতলীতে এশিয়াটিক সোসাইটি অব বাংলাদেশ ভবনের পেছনে একটি প্রাচীন স্থাপনা দেউড়ি লক্ষ্য করা যায়। তা-ই নিমতলী ফটক বা গেট (Nimtali Gate) হিসেবে পরিচিত। এককালে এখানে একটি প্রাসাদও ছিলো। তাই এটাকে নিমতলী কুঠিও (Nimtali Kuthi) বলা হতো। পরবর্তীতে প্রাসাদটি ভেঙে ফেলা বা বিলুপ্ত হলেও ফটকটি রয়ে গেছে। ১৭৬৬ সালে লে. সুইনটন তড়িঘড়ি করে এই ফটক ও প্রাসাদ নির্মাণ করেন বলে জানা যায়। ঢাকা বিশেষজ্ঞ ঐতিহাসিক আহমদ হাসান দানি’র মতে ব্রিটিশ আমলে সর্বপ্রথম নিমতলী ফটকে সমান্তরাল ছাদ ব্যবহার করা হয়। Read the rest of this entry »
.
। কালের স্মৃতিচিহ্ন । ঢাকা: নর্থব্রুক হল লালকুঠি ।
-রণদীপম বসু
 …
বাংলায় ঔপনিবেশিক আমলে নির্মিত ধর্মনিরপেক্ষ প্রতিষ্ঠান ও ভবনগুলোর মধ্যে ঢাকার ফরাশগঞ্জে বুড়িগঙ্গার তীরে অবস্থিত লালকুঠি (Lalkuthi) হিসেবে পরিচিত নর্থব্রুক হল (Northbruck Hall) অন্যতম।  ভারতের তৎকালীন ভাইসরয় বা গভর্নর জেনারেল লর্ড নর্থব্রুক (১৮৭২-৭৬ খ্রিঃ) ১৮৭৪ সালে এক সফরে ঢাকায় এসেছিলেন। নর্থব্রুকের এই ঢাকা সফরকে স্মরণীয় করে রাখার জন্যে ঢাকার প্রখ্যাত ধনী ব্যক্তি ও জমিদারগণ ‘টাউন হল’ ধাঁচের একটি হল নির্মাণের উদ্যোগ নেন। Read the rest of this entry »
.
   । কালের স্মৃতিচিহ্ন । ঢাকা: গুরুদুয়ারা নানক শাহী ।
-রণদীপম বসু
 …
গুরুদুয়ারা (Gurdwara) হচ্ছে শিখ সম্প্রদায়ের প্রধান উপাসনালয়। নারী-পুরুষ নির্বিশেষে সবাই গুরুদুয়ারায় প্রবেশ করে প্রার্থনায় অংশগ্রহণ করতে পারে। গুরুদুয়ারায় প্রার্থনাস্থলকে বলা হয় ‘দরবার সাহেব’। এর চারদিক দিয়েই ভেতরে প্রবেশের ব্যবস্থা থাকে। ফলে অন্যান্য ধর্মীয় স্থাপত্যের তুলনায় গুরুদুয়ারা উপাসনালয়ে প্রবেশদ্বারের সংখ্যা সাধারণত বেশি থাকে। প্রত্যেক গুরুদুয়ারায় হলুদ রঙের পতাকা টাঙানো থাকে। একে বলা হয় ‘নিশান সাহেব’। নিশানের দু’দিকে তলোয়ারের ছবি আঁকা থাকে, যা ‘খাণ্ডা’ নামে পরিচিত। এই নিশানকে শিখ-জীবনের জাগতিক ও আধ্যাত্মিক মিশ্রনের প্রতীক হিসেবে বিবেচনা করা হয়।
.
 । কালের স্মৃতিচিহ্ন । ঢাকা: কার্জন হল ।
-রণদীপম বসু
 …
ঢাকার রমনা এলাকায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সায়েন্স ফ্যাকাল্টি হিসেবে ব্যবহৃত কার্জন হলের স্থাপত্য বৈশিষ্ট্য ইন্দো-ইসলামিক রীতির প্রকৃষ্ট উদাহরণ হিসেবে গণ্য করা হয়। ১৯০৪ সালের ১৪ ফেব্রুয়ারি তৎকালীন ভারতবর্ষের প্রখ্যাত ভাইসরয় লর্ড কার্জন এই ইমারতের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন। তাঁর নামেই ভবনটির নাম রাখা হয় ‘কার্জন হল’। এর ঠিক এক বছর পর ১৯০৫ সালে বঙ্গভঙ্গ কার্যকর হলে ঢাকা হয়ে ওঠে নব-প্রতিষ্ঠিত পূর্ববঙ্গ ও আসাম প্রদেশের রাজধানী। মূলত টাউন হল হিসেবে ব্যবহারের উদ্দেশ্যেই কার্জন হল (Curzon Hall) নির্মিত হয়।

রণদীপম বসু


‘চিন্তারাজিকে লুকিয়ে রাখার মধ্যে কোন মাহাত্ম্য নেই। তা প্রকাশ করতে যদি লজ্জাবোধ হয়, তবে সে ধরনের চিন্তা না করাই বোধ হয় ভাল।...’
.
.
.
(C) Ranadipam Basu

Blog Stats

  • 182,064 hits

Enter your email address to subscribe to this blog and receive notifications of new posts by email.

Join 72 other followers

Follow h-o-r-o-p-p-a-হ-র-প্পা on WordPress.com

কৃতকর্ম

সিঁড়িঘর

দিনপঞ্জি

অগাষ্ট 2017
রবি সোম বুধ বৃহ. শু. শনি
« মার্চ    
 12345
6789101112
13141516171819
20212223242526
2728293031  

Bangladesh Genocide

1971 Bangladesh Genocide Archive

War Crimes Strategy Forum

লাইভ ট্রাফিক

ক’জন দেখছেন ?

bob-contest

Blogbox
Average rating:

Create your own Blogbox!

হরপ্পা কাউন্টার

Add to Technorati Favorites

গুগল-সূচক

টুইট

Protected by Copyscape Web Plagiarism Check