h-o-r-o-p-p-a-হ-র-প্পা

Archive for the ‘পদ্য-কবিতা’ Category


| কাজের কথা বিশটি |
-রণদীপম বসু

এলোমেলো বিষ্টি
সংক্ষেপে বলি কথা
মাত্র বিশটি।

প্রথমে বলবো যা
কেউ বলে বাজে সব
হক কথা একটাই
বাকি সব বাজে রব।

কোন্ কথা হক কথা
ঠিক করে কোন্ জন
মুরগী না ডিম আগে
কোনটা যে মূলধন।
Advertisements
ট্যাগ সমুহঃ ,
| দূর ছাই !
-রণদীপম বসু

দূর ছাই !
যাচ্ছি তো ইস্কুলে, কোত্থেকে এসে গেলো
পথ জুড়ে মাঠটাই !
দুই দিকে দুই ইট, গোলপোস্ট এমনি
যেভাবে তা ছিলো কাল আজো ঠিক তেমনি।
ইশ্! যদি বলটাও এসে যেতো পলকে
চেনাতাম গোলপোস্ট বোকা সেই বলকে।
তবু হায়, খেলাধুলা শিখবো কী! বল কই মাঠটায়!
আর কেউ আসবে না? ক্লাস তো সে আটটায়! Read the rest of this entry »
ট্যাগ সমুহঃ , , ,

| বোশেখ এলে |
-রণদীপম বসু

আচ্ছা লাবু, বোশেখ নাকি গ্রামেই মজা ?
ইচ্ছেখুশি বেরিয়ে পড়া, যেদিকে চাই ছুটতে পারা
ডানে বামে কিংবা সোজা ?
সূর্যটা খুব গনগনিয়ে দুপুর যখন আগুন জ্বালে
সবাই নাকি ঝাঁপিয়ে পড়ে ঝিল পুকুরের ঠাণ্ডা জলে,
কোথাও থাকে ছোট্ট নদী, কেউ বা ডুবায় শান্ত খালে ?

আচ্ছা লাবু, তুমি কি ভাই সাঁতার জানো ?
শাপলা শালুক তুলতে জানো ? খেতে কেমোন ওইগুলো সব ?
গাছ-গাছালির ফাঁকে ফাঁকে সারাদিনই শুনতে কি পাও
হরেক রকম পাখ-পাখালির কিচির-মিচির শিস-কলরব ?

চিড়িয়াখানায় গেলে পরে আমরাও সব দেখতে পারি-
ছোট বড় কত্তো পাখি !
এসব তোমার গ্রামে আছে ?
নানান রকম পাখির গায়ে কত্তো রকম আঁকাআঁকি !
কিন্তু জানো, এইগুলো সব আটকে রাখা বড়ো বড়ো খাঁচার তারে !
তোমাদের ওই পাখিরা কি চাইলে উড়াল দিতে পারে ? Read the rest of this entry »
ট্যাগ সমুহঃ ,

5161~Girl-Reading-Book-Posters.

| বাবার চিঠি |

-রণদীপম বসু

.
এখন তো আর কেউ লেখে না-
পর সমাচার এই
খোকা তুমি কেমন আছো,
ভালো আছো? ভালো থেকো
সময় হলে খেয়ে নিও, শরীরটাকে যত্ন দিও
দেখে শুনে চলো কিন্তু
দুপুর রোদে বের না হয়ে শীতল ছায়াতেই
থাকতে যেন ভুল করো না,
আমরা সবাই ভালো আছি
ভাবনা কিছু নেই।

মা যে তোমার নিঘুম রাতে
আসবে তুমি সেই আশাতে
পথের রেখায় চোখ বিছিয়ে  জ্বালায় স্নেহের আলো,
মন কি তোমার খারাপ হলো?
তা করো না, সব মায়েরা এমনই হয়
বাবা হলেই বুঝবে তখন,  তার আগে তো নয়।

হলুদ খামের ছোট্ট চিঠি
চিঠি তো নয়, বোনটি যেন পিঠাপিঠি
কপট চোখে শাসন ঝাড়ে-
বাবা তো আর থাকবে নারে
হতভাগা বুঝবি তখন যাসনি কেন, কিসের অপেক্ষায় !
শ্যামল গাঁয়ের সবুজ কোণে
সব বাবারাই সংগোপনে
খোকার জন্যে দোয়ার নহর বইয়ে এমন
যায় কি চলে যায়?

এক জীবনের বাঁকে বাঁকে
একটি চিঠি
ছোট্ট চিঠি
বিশাল হয়ে পড়ে থাকে;
চিরকালের খোকারা কি
হয় না বাবা কখনো হায়
পিতার স্নেহের দিঘল ছায়ার
সিক্ত বারান্দায়!

(১৪/০৫/২০০৭)

8F5CDBAD-FA2C-4853-B7AA-D8194AA3AE29.

| ঘুড়ি |

-রণদীপম বসু

.
ওই দেখো দূরে ওই
দেখছো কি? দেখছো না?
কেটে যাওয়া ঘুড়িটা আকাশের ছুঁই ছুঁই
সীমানাটা পেরিয়ে
ভেসে যায় ফেঁসে যায়
দেখছো না?

কী দারুণ গোত্তায়
আকাশের বুকটাকে
ঠুকছিলো
সুতোটার বন্ধনে
বাতাসের স্রোতটাকে
রুখছিলো।
কী হতে যে কী হলো- কে যে দিলো গুঁতোটা
লাটাইয়ের আঙিনায় ফিরে আসে সুতোটা,
ওখানে কি বাঁধা ছিলো শুধু ওই ঘুড়িটাই?
রঙ নাই? সুর নাই?
ইচ্ছের কুঁড়ি নাই?
অথবা কি ভাষা নাই?
ভাসা ভাসা আশা নাই?
বুকটাকে ধু ধু করে খোকা দেখো ফিরে যায়
তবু ফিরে ফিরে চায়,
কি চায়?
কি চায়?

কি যে হলো ভাবে তাই-
ওটা শুধু ঘুড়ি নয়, খোকনের মনটাই
কেটে যাওয়া ঘুড়ি হয়ে ভেসে ভেসে চলছে
গায়ে গায়ে কতো কথা
বাতাসের কানে কানে বলছে।
কই গিয়ে পড়বে সে
জানে কি না জানে সে
তবু ভেসে চলছে, চলছে
বাতাসের গায়ে চেপে খোকা উড়ে চলছে
চলছে!

(০৯/০৮/২০০৭)

IMG_1018_1 [1024x768].

| আকাশ ঘড়ি |

-রণদীপম বসু

.
আমাদের খোকা
মেঘগুলো দেখে তার মনে হয়
আকাশের মন থোকা থোকা ।
উড়ে যায় টৈ টৈ
আকাশও কি পায় থৈ !
মিলাতে পারে না সেতো কিছুতেই
মন আর মেঘ কেন কখনোই
যায় না যে রোখা !

আমাদের খোকা
নয় মোটে বোকা
আকাশের ঘড়িটার নীল ডায়ালে
চোখ দুটো ছুঁড়ে মেরে
দেয় শুধু টোকা
মেঘগুলো উড়ে আর বয়ে যায় ক্ষণ
ছোট ছোট সময়ের উড়ে যাওয়া মন,
কখন কিভাবে যেন কোন খেয়ালে
সূর্যটা হয়ে যায় ঘড়ির কাঁটা
পুব আর পশ্চিমে করে আঁকাজোকা;
আমাদের খোকা
মন তার আকাশেই ঘুরে ফিরে
যায় না তো রোখা ।

মনে মনে হাতটাকে দৃষ্টিতে তুলে
ভাবনায় খোকা যায় সব কিছু ভুলে-
পই পই উড়ে যাওয়া মেঘগুলো ছুঁয়ে
চাইলে কি ছোঁয়া যায় মন ?
ইচ্ছেটা রয়ে যায় ইচ্ছেতে গেঁথে-
আকাশের ঘড়িটাকে
যায় না কি রাখা এই কব্জিতে বেঁধে ?

(০৮/০৮/২০০৭)

IMG_0994 [Original Resolution] [1024x768].

| যুদ্ধবিরোধী পঙক্তি |

-রণদীপম বসু

.
[ ‘তোমরা শান্তিতে ঘুমাও, এই ভুলের আর পুনরাবৃত্তি ঘটবে না।’
-হিরোশিমায় স্মৃতিসৌধে খোদিত বাণী
]

ঘুমোতে যে চায়নি তাঁকে কে বলেছে ঘুম পাড়াতে
যুদ্ধ দিয়ে ঘুম পাড়ালে, কে পারে তাঁর ঘুম ছাড়াতে?

শিশু কি আর যুদ্ধ করে?
যুদ্ধ করে দানবেরা।
হাসতে হাসতে যুদ্ধ করে
মৃত্যু দিয়ে জীবন ভরে
দম্ভ করে যারা
তারাই দানব-
ছাই বানিয়ে মৃত্যু ঝড়ে
ঘর-বসতি ধ্বংস করে-
ভালোবাসা?  হতেই পারে বাস্তুহারা!
হতো যদি মানুষ এরা
শিশুর মতো বুঝতো ঠিকই-
যুদ্ধ দিয়ে ভালোবাসায় যায় না ফেরা।

তোমরা যারা বড় মানুষ, ভাবছো নিজে;
আর কী পেতে যুদ্ধ করো?
ফুল পাখি আর শিশুর জগৎ
রক্ত-বিষে ভরে তুলে
কী পেতে চাও? বুঝো না কি-
স্বপ্নঘেরা আগামীকে
নিজের হাতেই ধ্বংস করো!

(২৩/০৭/২০০৭)


রণদীপম বসু


‘চিন্তারাজিকে লুকিয়ে রাখার মধ্যে কোন মাহাত্ম্য নেই। তা প্রকাশ করতে যদি লজ্জাবোধ হয়, তবে সে ধরনের চিন্তা না করাই বোধ হয় ভাল।...’
.
.
.
(C) Ranadipam Basu

Blog Stats

  • 214,062 hits

Enter your email address to subscribe to this blog and receive notifications of new posts by email.

Join 88 other followers

Follow h-o-r-o-p-p-a-হ-র-প্পা on WordPress.com

কৃতকর্ম

সিঁড়িঘর

দিনপঞ্জি

ডিসেম্বর 2017
রবি সোম বুধ বৃহ. শু. শনি
« নভে.    
 12
3456789
10111213141516
17181920212223
24252627282930
31  

Bangladesh Genocide

1971 Bangladesh Genocide Archive

War Crimes Strategy Forum

লাইভ ট্রাফিক

ক’জন দেখছেন ?

bob-contest

Blogbox
Average rating:

Create your own Blogbox!

হরপ্পা কাউন্টার

Add to Technorati Favorites

গুগল-সূচক

টুইট

Protected by Copyscape Web Plagiarism Check