h-o-r-o-p-p-a-হ-র-প্পা

Archive for the ‘এ কেমন কথা’ Category

IMG_1971 [1600x1200].

| জগতে কতোকিছু যে শেখার আছে !
রণদীপম বসু


(১)
ইদানিং মজার একটি বিষয় নিয়ে খুব শোরগোল শুরু হয়েছে দেশের সবক’টি পর্যায় থেকে। বিষয়টি আর কিছু নয়, নাস্তিক্যবাদ। তবে যারা এটিকে নিজেদের মতো করে উদ্দেশ্যমূলক নাড়াচাড়া করছেন, তা যে খুব খারাপ অর্থেই বা লক্ষ্য নিয়ে করছেন এটি বলার অপেক্ষা রাখে না। তাঁদের বক্তব্য-বিবৃতি শুনে মনে হয়, কোন সংক্রামক ব্যাধির মতোই নাস্তিক্যবাদ নামের অতি জঘন্য একটি জিনিসের দ্রুত প্রাদুর্ভাব ঘটে এই দেশ এই জাতি বুঝি রসাতলে ডেবে যাচ্ছে। সত্যি কি তাই ? Read the rest of this entry »

Advertisements
 .
|  লেখক-সম্ভ্রম বনাম লেখক-সম্মানী |
-রণদীপম বসু

(১)
বাটনে চাপ দিতেই মোবাইলের ওপাশ থেকে নারী-কণ্ঠের রিনিঝিনি বেজে ওঠলো- দাদা কেমন আছেন ?
জী ভালো। আপনি কেমন আছেন ?
জী আমিও ভালো। তো দাদা, আপনাকে রিং করেছি একটা প্রয়োজনে !
বলেন ?
আপনাকে একটা বিলের চেক পাঠাতে চাচ্ছি।
ও আচ্ছা ! পোস্টাল এড্রোস চাচ্ছেন ?
জী।
লেখেন………..।
চেকটা পেলে কাইন্ডলি একটু জানাবেন দাদা।
ঠিক আছে। Read the rest of this entry »

| ক্ষুদ্রঋণের সুদ গণনা ও গ্রামীণ ব্যাংক বিতর্ক |

-রণদীপম বসু

আজ থেকে অন্তত তিরিশ বছর আগের কথা। ১৯৮০ সাল। আমি তখন ভ্রাম্যমান নাগরিক হিসেবে কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া কলেজের ইন্টারমিডিয়েট ক্লাসের বিজ্ঞান বিভাগের ছাত্র। অতিরিক্ত আগ্রহ হিসেবে ক্লাস শেষে বিকেলে কলেজের সাধারণ জিমনেশিয়ামটিতে যাতায়াত ছিলো নিয়মিত। এখন সেই জিমনেশিয়াম কম্পাউন্ডটার কীরকম চেহারা দাঁড়িয়েছে জানি না, তবে সেসময়ে তা দেখতে যে খুব একটা দৃষ্টিনন্দন ছিলো তাও নয়। কলেজ ক্যাম্পাসের প্রান্ত ঘেষা স্বল্পপরিসর জিমনেশিয়াম কম্পাউন্ডে ঢোকার জন্যে রাস্তার পাশে লোহার গ্রিলের বুক সমান উঁচু যে পুরনো পকেট গেটটা ছিলো ওটা সবসময়ই তালাবদ্ধ পেয়েছি। ফলে গেটটি বেয়ে উঠে তীরের ফলার মতো  লোহার খাড়া গ্রিলের ছুঁচালো অগ্রভাগ বাঁচিয়ে টপকে গেটের ভেতরে ঢুকে প্রয়োজনীয় কাজ সারতে হতো আমাদের। ছাত্র-অছাত্র বিভিন্ন শ্রেণীর ইচ্ছুক শরীরচর্চাকারীদের আনাগোনা ছিলো সেখানে। নিয়মিত যাতায়াতের কারণে অনেকের সাথেই ব্যক্তিগত পরিচয় ও সখ্যতা গড়ে উঠেছিলো। স্মৃতিবিভ্রাটের কারণে সেই বড় ভাইটির নাম এ মুহূর্তে মনে করতে পারছি না। ধরে নেই  শাহীন ভাই। বেশ জলি টাইপের লোক ছিলেন। তো একদিন তিনি তাঁর এক বন্ধুর সাথে খেলাচ্ছলে তখনকার হিসাবে দশ টাকার একটা বেট ধরে বসলেন। বেট আর কিছু নয়, লোহার গেটটা একলাফে পেরোনো। যথারীতি লাফ দিলেন এবং অনায়াসে পেরিয়ে গেলেন। অতঃপর বাজি জেতা দশ টাকা নিয়ে খুশিমনে বন্ধুসহ চলেও গেলেন। হরদম ঘটে যাওয়া খুব সাধারণ ও গুরুত্বহীন একটা ঘটনা হিসেবে কিছুক্ষণের মধ্যে আমরাও মনে রাখলাম না সেটা। Read the rest of this entry »

| আমার একটা ফেসবুক ছিলো |

আমার একটা ফেসবুক ছিলো। সেখানে আমার অনেকগুলো বন্ধু ছিলো। ভালোই কাটছিলো দিন। একদিন হঠাৎ একটা বিশাল কালো ডিজিটাল হাত তার থাবা বসিয়ে দিলো আমাদের নিরিবিলি উঠোনে। তারপর সবকিছু অন্ধকার হয়ে গেলো। কিন্তু তথ্য-প্রযুক্তিকে যে পৃথিবীর কোন রাজন্যই ঠেকিয়ে রাখতে পারে না, সেই অনৈতিক হস্তক্ষেপের প্রতিবাদ হিসেবে আমরা সেই অন্ধকার ফেসবুকে ফের প্রবেশ করলাম (উপরের ছবি)।
শুধু নম্রস্বরে এটা জানাতেই যে, এই দেখো হে বালখিল্য হস্তক্ষেপকারী তোমাদের নগ্ন-অশ্লীল হাতের চাইতেও প্রযুক্তির হাত অনেক দীর্ঘ, অ-নে-ক ! শুধু তোমরাই জানো না যে, তোমাদের দৌড় কতো সীমাবদ্ধ, হাস্যকর।


05102009_daily-samakal

| নতুন গ্যাস সংযোগ বন্ধ, লুঠপাটের নতুন ধান্ধা নয় তো !
রণদীপম বসু


জাতে বাঙাল হওয়ার সমস্যা এটাই, শুরুতেই সন্দেহ এসে ভর করে। গত ০২ অক্টোবর ২০০৯ শুক্রবারের দৈনিক সমকালের প্রথম পাতায় বড় লাল শিরোনামে প্রধান সংবাদটা ছিলো- ‘সব ধরনের নতুন গ্যাস সংযোগ বন্ধ’। তার নিচেই ছোট্ট উপশিরোনাম- ‘বিপণন কোম্পানিগুলোকে পেট্রোবাংলার চিঠি, উৎপাদন না বাড়া পর্যন্ত সিদ্ধান্ত বহাল থাকবে’। ০১ অক্টোবর থেকে বলবৎ হওয়া এ সিদ্ধান্তটি গ্যাস (Gas) ও জ্বালানিসম্পদের তত্ত্বাবধানকারী সরকারি সংস্থা পেট্রোবাংলা  (Patrobangla) ৩০ সেপ্টেম্বর ২০০৯ বুধবার চিঠির মাধ্যমে জানিয়ে দিয়েছে। এই সংবাদ শুনামাত্র নাকি সারাদেশে সংযোগ প্রত্যাশী, ঠিকাদার সংস্থার সদস্যরা বিপণন কোম্পানিগুলোর সামনে বিক্ষোভও করেছে। শেষপর্যন্ত ফলাফল যে কী দাঁড়াবে তা-ই ভাববার বিষয় বৈ কি। আদৌ কি ভালো কিছু হচ্ছে ? Read the rest of this entry »

17092009_Bata_Motor_Sandal_Photo_Ranadipam_Basu

বাটা’র জুতো, পায়ে না বগলে শোভা পায় ভালো ?
রণদীপম বসু


[প্রথমেই বলে রাখি, এটা কোন জুতো প্রদর্শনের পোস্ট নয়। চলমান কিছু বাস্তবতা নিয়ে নাড়াচাড়া কেবল। তাই দয়া করে কেউ ভুল বুঝবেন না।]

বগলে জুতো মাথায় ছাতা, বাঙাল জনপদে এটা মোটেও কোন অপরিচিত দৃশ্য নয়। সেই ছোটবেলা থেকে তা এতো দেখে আসছি যে, মনে হয় জুতো পায়ে নয়, বরং বগলতলাতেই মানানসই বেশি। পায়ে পরার জুতো কেন পা ছেড়ে বগলতলায় উঠে যায় তা নিয়ে গবেষণার খুব একটা প্রযোজন হয়তো নেই। পা থেকে জুতো মহার্ঘ হয়ে গেলে বা পায়ের চেয়ে জুতোর নিরাপত্তা অগ্রাধিকার পেলে এমনটা ঘটতে পারে। তবে পা থেকে কেন জুতো মহার্ঘ হবে বা অধিক নিরাপত্তা দাবী করবে সেটা হয়তো গবেষণার বিষয়। এ নিয়ে গবেষণা কেউ যে করছে না, তাই বা বলি কী করে। বিশেষ করে জুতো নিয়ে যাদের কায়কারবার তেমন বড় বড় কোম্পানি বা বহুজাতিক কোম্পানিগুলো যে দেশে তাদের পুঁজির বিস্তার ঘটাবে সেখানকার বৃহত্তর জনগোষ্ঠির পা ও জুতোর সম্পর্ক নিয়ে আগ্রহ দেখাবে এটাই তো স্বাভাবিক। নইলে তাদের ব্যবসার শনৈ শনৈ উন্নতির চাবির খোঁজ পাবে কী করে !

Read the rest of this entry »

1cb8e967-2454-4321-b617-7a0c14beb880

আমি কি প্রতারিত ! গ্রামীণ ফোন কী বলে ?
রণদীপম বসু

এ পোস্ট যে কোন প্রশস্তিমূলক নয়, তা শিরোনামেই স্পষ্ট। কিন্তু এটা নিন্দাসূচক পোস্টও নয়। দেশের বৃহত্তম মোবাইল ফোন অপারেটর গ্রামীণ ফোনের অদ্ভুত আচরণ বা সম্ভাব্য অভিসন্ধিমূলক কৌশলে ইন্টারনেট গ্রাহক বা ব্যবহারকারী হিসেবে নিজেকে যে প্রতারিত বোধ করছি, তা কতোটা যৌক্তিক, এই ভাবনাটা শেয়ার করাই এই পোস্টের উদ্দেশ্য। আমি ঠিক জানি না, অন্যদের এ অভিজ্ঞতা হয়েছে কি না।

গ্রামীণ ফোনের পেন-ড্রাইভ স্টাইলের এজ মডেম সমৃদ্ধ ’আলো আসবেই’ নামের প্লাগ এন্ড প্লে সুবিধার প্যাকেজটা বাজারে আসার আগে আমি অন্য একটা অপারেটরের ডায়াল-আপ স্যাটেলাইট কানেকশান ব্যবহার করতাম। গ্রামীণ ফোনের এই চাহিদাসম্পন্ন ও জনপ্রিয় হয়ে ওঠা প্যাকেজটা মনে ধরায় আমি কয়েকবার ধরনা দিয়ে অবশেষে সেসময় চারহাজার চারশ’ টাকার বিনিময়ে প্রিপেইড ইন্টারনেট সীমসহ এই মডেম দিয়ে প্রিপেইডে তাদের পি-টু (P2) প্যাকেজ অর্থাৎ আনলিমিটেড একসেস ব্যবহার করে আসছি। ব্যক্তি ব্যবহারকারী হিসেবে ইন্টারনেটে কিছুক্ষণ ঘোরাঘুরি আর ব্লগিং-এর জন্য ভ্যাটসহ মাসে নির্ধারিত ৯৭৭.৫০ টাকার অগ্রীম রিচার্জ দিয়ে আনলিমিটেড একসেস ব্যবহারের আদৌ কোন প্রয়োজন আছে কি না, সেটা ভিন্ন বিষয়। চাকুরিগত কারণে অফিস ডে’তে দিনে তা ব্যবহারের খুব একটা সুযোগ হয় না। অফিস-এন্ডে রাতে বাসায় কয়েক ঘণ্টা ইন্টারনেট ব্যবহার করতে এই ব্যয়বহুল প্যাকেজের খুব একটা প্রয়োজন না থাকলেও ব্যক্তিগত পছন্দ এবং কখনো যদি বেশি ব্যবহারের প্রয়োজন পড়ে বিবেচনায় আমি পি-টু (P2) কানেকশানেই আগ্রহী ছিলাম এবং আছিও। Read the rest of this entry »


রণদীপম বসু


‘চিন্তারাজিকে লুকিয়ে রাখার মধ্যে কোন মাহাত্ম্য নেই। তা প্রকাশ করতে যদি লজ্জাবোধ হয়, তবে সে ধরনের চিন্তা না করাই বোধ হয় ভাল।...’
.
.
.
(C) Ranadipam Basu

Blog Stats

  • 193,445 hits

Enter your email address to subscribe to this blog and receive notifications of new posts by email.

Join 77 other followers

Follow h-o-r-o-p-p-a-হ-র-প্পা on WordPress.com

কৃতকর্ম

সিঁড়িঘর

দিনপঞ্জি

অক্টোবর 2017
রবি সোম বুধ বৃহ. শু. শনি
« সেপ্টে.    
1234567
891011121314
15161718192021
22232425262728
293031  

Bangladesh Genocide

1971 Bangladesh Genocide Archive

War Crimes Strategy Forum

লাইভ ট্রাফিক

ক’জন দেখছেন ?

bob-contest

Blogbox
Average rating:

Create your own Blogbox!

হরপ্পা কাউন্টার

Add to Technorati Favorites

গুগল-সূচক

টুইট

Protected by Copyscape Web Plagiarism Check