h-o-r-o-p-p-a-হ-র-প্পা

শিব ও লিঙ্গ-১০ : শৈব তন্ত্র, শিব ও শক্তি

Posted on: 06/11/2019


Shiva-shakti-Ardha-Narishwar

শিব ও লিঙ্গ-১০ : শৈব তন্ত্র, শিব ও শক্তি
রণদীপম বসু

ভারতীয় তথা এতদঞ্চলের সকল ধর্ম ব্যবস্থাই কোন-না-কোনভাবে তান্ত্রিক অন্তঃস্রোতের দ্বারা প্রভাবিত হয়েছে, এ বিষয়ে খুব একটা দ্বিমত নেই কারো। আর শৈবধর্মের ক্ষেত্রে এই প্রভাব সবচেয়ে বেশি বলে প্রতীয়মান হয়। শাক্ততান্ত্রিক ধারণাসমূহ, স্বতন্ত্র ধর্ম হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হবার আগে, শৈবধর্মকেই আশ্রয় করে বেড়ে উঠেছিল। সাংখ্যোক্ত ও তন্ত্রোক্ত পুরুষ-প্রকৃতির ধারণাই শিব ও শক্তির ধারণার উৎস। একটি অন্যনিরপেক্ষ নয়। শৈব ও শাক্তধর্মের মূল তত্ত্বগুলি একই, পার্থক্য হচ্ছে প্রথমটি অর্থাৎ শৈবধর্মের ক্ষেত্রে পুরুষ-প্রাধান্য, দ্বিতীয়টি অর্থাৎ শাক্তধর্মের ক্ষেত্রে প্রকৃতি-প্রাধান্য। আর তান্ত্রিক আচার-অনুষ্ঠানগুলি সমভাবেই শৈব ও শাক্ত ধর্মে বর্তমান। তন্ত্র বিষয়ক গ্রন্থান্তরে এসবের বিস্তৃত আলোচনা করা হয়েছে।
শিব ও শক্তির ধারণায় যে তান্ত্রিক প্রভাব প্রযুক্ত হয়েছে তা আসলে একটি পর্যায়ক্রমিক প্রক্রিয়ার মাধ্যমেই হয়েছে বলে আমরা মনে করতে পারি। অধ্যাপক নরেন্দ্রনাথ ভট্টাচার্যের বক্তব্যের প্রতিধ্বনি করেই এখানে স্মর্তব্য যে, যজুর্বেদের বাজসনেয়ী সংহিতাতেই (শুক্লযজুর্বেদ-৩/৫৭) আমরা প্রথম রুদ্রের (শিব) সঙ্গে অম্বিকার (দেবী) সংযোগ দেখি, ভ্রাতা-ভগ্নী হিসেবে। তৈত্তিরীয় ব্রাহ্মণেও (তৈ:ব্রা:-১/৬/১০/৪৫) উভয়ের ওই একই সম্পর্ক, যেখানে বলা হয়েছে রুদ্র তাঁর ভগিনী অম্বিকার সাহায্যেই ধ্বংস-কার্যে লিপ্ত থাকেন। তৈত্তিরীয় আরণ্যকে (তৈ: আ:-১০/১৮) উভয়ের সম্পর্ক পতি-পত্নীর সম্পর্কে রূপান্তরিত হয়েছে, এবং এই সম্পর্কটাই পরবর্তীকালে স্থায়ী হয়েছে। কেনোপনিষদে (কেন-৩/২৫) আমরা ব্রহ্মবিদ্যারূপিণী উমা-হৈমবতীর উল্লেখ পাই, কিন্তু এখানে তিনি রুদ্র-পত্নী নন। রামায়ণ ও মহাভারতের আখ্যান অংশগুলিতে শিব ও দেবী (উমা-পার্বতী) পতিপত্নী হিসেবে প্রতিষ্ঠিত, যদিও মহাভারতের দুর্গাস্তোত্রদ্বয়ে এবং হরিবংশের আর্যাস্তবে দেবীর সঙ্গে শিবের বিশেষ সম্পর্ক দেখানো হয়নি। তবে রামায়ণ ও মহাভারতের আখ্যান অংশগুলিতে শিব ও দেবীর পতিপত্নী সম্পর্কের ভিত্তিতে যে সব কাহিনী বর্ণিত হয়েছে, পরবর্তীকালের কালিদাস প্রভৃতি সংস্কৃত কবি ও নাট্যকারগণ সেগুলিকে তাঁদের সাহিত্য রচনার উপজীব্য হিসেবে গ্রহণ করেছিলেন বলে যে অভিমত, তার সাথে দ্বিমত পোষণ করার অবকাশ খুবই কম।

         শিব ও দেবীর প্রাধান্য যে বৈদিক ঐতিহ্যে স্বীকৃত হয়নি, রামায়ণ ও মহাভারতে দক্ষযজ্ঞের বর্ণনা থেকেই তা প্রতীয়মান হয়। দক্ষযজ্ঞ বিষয়ে ইতঃপূর্বে আলোকপাত করা হয়েছে। আর আমরা যদি মার্কণ্ডেয় পুরাণের দেবী মাহাত্ম্য অংশে অভিনিবেশ করি তবে দেখবো সেখানে শিবের কিছু ভূমিকা থাকলেও তা একান্তই গৌণ। তবে গুপ্তযুগের পর থেকেই যে শিব ও দেবী পাকাপাকিভাবে সংযুক্ত হয়েছেন তা বিভিন্ন লেখমালার সাক্ষ্যে পাওয়া যায়। বিভিন্ন পুরাণ থেকেও এর সমর্থন পাওয়া যায়। শিবতত্ত্ব ও শক্তিতত্ত্বের পাকাপাকি সংযোগের সূত্রপাতও গুপ্তযুগ থেকে হয়েছে বলে অধ্যাপক নরেন্দ্রনাথ ভট্টাচার্যের অভিমত। এ প্রসঙ্গে তিনি আরও বলেন–
‘সকল শ্রেণীর শৈবমতের মূলকথা চরম সত্তা ব্রহ্ম বা শিব একই সঙ্গে বিশ্বময় ও বিশ্বাতীত। যিনি বিশ্বময় তিনি শক্তি, যিনি বিশ্বাতীত তিনি শিব। শিব ও শক্তি দুটি পৃথক সত্তা নয়, একই সৎ-এর দুটি ধারণাগত দিক। শক্তি সর্বদাই শিবের সঙ্গে অভিন্ন, অগ্নি এবং তার দাহিকাশক্তির মত। (শিবদৃষ্টি-৩/৭)। প্রকৃত বিশ্বাতীত হিসাবে শিব শব মাত্র। প্রকৃতপক্ষে কিন্তু শিব ও শক্তির সমতা বা সামরস্য বিদ্যমান। আসলে শক্তি শিবের ঐশ্বর্য, হৃদয় এবং সার। (ঈশ্বর প্রত্যভিজ্ঞা-১/৫/১৪)। বিভিন্ন শৈব মতবাদে এই শক্তি মূলত পাঁচ প্রকার– চিৎ, আনন্দ, ইচ্ছা, জ্ঞান ও ক্রিয়া।’ –(ভারতীয় ধর্মের ইতিহাস, পৃষ্ঠা-২১৬)

         শিব ও শক্তি পরস্পর অভিন্নভাবে পরস্পরের মধ্যে অনুস্যুত। তান্ত্রিক পরিভাষায় তাকে ‘সমরস’ অবস্থা বলা হয়। সমান অর্থাৎ অন্যূন এবং অনতিরিক্ত রস (আনন্দ) আছে যাঁদের, তাঁরাই ‘সমরস’। এই সমরসের ভাবই ‘সামরস্য’। শিব-শক্তির পরস্পর অত্যন্ত সংশ্লিষ্ট মিলনের নাম সামরস্য। এই সামরস্য-সম্বন্ধে শক্তি-বিশিষ্ট শিবই পর ব্রহ্ম।
‘শিব শক্তির সামরস্য বিষয়ে চিন্তা করিলে বোঝা যায়, প্রত্যেক জীবে শিব-শক্তি-ভাব বিদ্যমান। বিশেষতঃ পুরুষে শিবভাব এবং নারীতে শক্তিভাবের সমধিক প্রকাশ। পঞ্চম মকারের গূঢ় রহস্যও শিব-শক্তির সামরস্যের আস্বাদন।’ ‘বস্তুতঃ শিব ও শক্তির পৃথক সত্তা না থাকিলেও পরম শিবই শক্তির অধিষ্ঠান। শিবগত সৃষ্টি, স্থিতি ও সংহার কার্যে শক্তি হইতেছেন– সঙ্কল্প-নির্বাহিকা। শক্তি সদ্রূপা এবং পরানন্দরূপিণী।’– (তন্ত্রপরিচয়, পৃষ্ঠা-৮৯)।
অগস্ত্যসংহিতায়ও বলা হয়েছে–

যয়া দেব্যা বিরহিতঃ শিবোহপি হি নিরর্থকঃ। -(অগস্ত্যসংহিতা)
অর্থাৎ : শক্তিবিরহিত শিবের কোন সার্থকতাই নাই।

         শিবের সৃষ্টিবিষয়িণী ইচ্ছাকেই শক্তি-তত্ত্ব বলা হয়। শিবের ধর্মই শক্তি। এই শক্তি ‘বিমর্শ-শক্তি’ নামেও অভিহিত হয়ে থাকে। শ্রুতি অনুযায়ী, সৃষ্টির প্রারম্ভে পরম ব্রহ্মের সৃষ্টিবিষয়িণী ইচ্ছার যে স্ফূরণ হয়েছিল, এই স্ফূরণের নামই বিমর্শ। এটিই শক্তির প্রথম প্রকাশ। এক পরম শিবই অনাদি-সিদ্ধ মায়ার যোগে ধর্মী ও ধর্ম– এই উভয়রূপে প্রকাশিত হচ্ছেন। শ্রী সুখময় শাস্ত্রী তাঁর তন্ত্রপরিচয় গ্রন্থে উল্লেখ করেন, ভাস্কর রায় আগম-শাস্ত্র থেকে কতকগুলি শক্তিবাচক শব্দ চয়ন করে গুপ্তবতীতে প্রকাশ করেন, যেমন– বিমর্শ, চিতি, চৈতন্য, আত্মা, স্বরসোদিতা, পরা বাক্, স্বাতন্ত্র্য, ঐশ্বর্য, সত্তত্ত্ব, সত্তা, স্ফুরত্তা, সার, মাতৃকা, মালিনী, হৃদয়মূর্তি, সংবিৎ, কর্তৃত্ব, স্পন্দ ইত্যাদি।
‘যদিও নিখিল বিশ্বই পরম শিবের শক্তি, তথাপি জ্ঞান, ইচ্ছা ও ক্রিয়া এই তিন রূপেই শক্তির সমধিক প্রকাশ। মার্কণ্ডেয়-চণ্ডী পাঠ করিতে পাঠকগণ মহাসরস্বতী-রূপে যাঁহাকে স্মরণ করেন, ইনিই জ্ঞানশক্তি। মহাকালী-রূপে যাঁহাকে স্মরণ করেন, ইনিই ইচ্ছাশক্তি এবং মহালক্ষ্মী-রূপে যাঁহাকে স্মরণ করেন, ইনিই ক্রিয়াশক্তি। এই তিনের মধ্যে কোন ভেদ নাই। সকল বিশ্বই শক্তি-স্বরূপ। সুতরাং শক্তি ও শক্তিমানের অভেদই তান্ত্রিক-সম্মত পরম তত্ত্ব।’– (তন্ত্রপরিচয়, পৃষ্ঠা-৭৬)

শিব ও শক্তিতে যে আসলে কোন প্রভেদ নেই, তা লিঙ্গপুরাণ থেকেও জানা যায়–

উমাশঙ্করয়োর্ভেদো নাস্ত্যেব পরমার্থতঃ।
দ্বিধাসৌ রূপমাস্থায় স্থিতো একো ন সংশয়ঃ।।
অর্থাৎ : পারমার্থিকভাবে উমা (শক্তি) ও শঙ্করে (শিব) কোন ভেদ নাই। দুই রূপে অবস্থান করিলেও উভয়ে যে এক, তাহাতে কোন সংশয় নাই।

উভয়ের এই মিলিত মূর্তিই অর্ধনারীশ্বরে প্রকাশিত। আচার্য শঙ্করও তাঁর আনন্দলহরীতে বলেছেন–

ত্বমেব স্বাত্মানং পরিণময়িতুং বিশ্ববপুষা,
চিদানন্দাকারং শিবযুবতি ভাবেন বিভৃষে।
অর্থাৎ : শিব ও শক্তি বস্তুতঃ একই তত্ত্ব। শক্তিই শিবের দেহ। উভয়ের মধ্যে অঙ্গাঙ্গি-ভাব সম্বন্ধ। উভয়ই সমরস, পরানন্দ।

আনন্দলহরীতে আরও দেখা যায়, বলা হচ্ছে–

শরীরং ত্বং শম্ভোঃ শশিমিহিরবক্ষোরুহযুগম্,
তবাত্মানাং মধ্যে ভগবতি ভবাত্মানমঘম্ ।
অতঃ শেষঃ শেষীত্যয়মুভয়সাধারণতয়া,
স্থিতঃ সম্বন্ধো বাং সমরসপরানন্দপদয়োঃ।।
অর্থাৎ : মাতঃ ভগবতি, তুমিই শিবের শরীর। তোমার স্তনযুগল চন্দ্র ও সূর্য-স্বরূপ। তোমার স্বরূপই ভবের (শিবের) স্বরূপ বলিয়া মনে করি। তোমাদের মধ্যে পরস্পর অঙ্গাঙ্গি-ভাব বিদ্যমান রহিয়াছে। (কিন্তু অঙ্গ ও অঙ্গী নির্ণয় করা যায় না।) উভয়ের এই সমরস (মিলন) পরমানন্দ সম্বন্ধই দেখিতেছি।

         শিব ও শক্তির মিলনের পরিণামই বিশ্বপ্রপঞ্চ। তান্ত্রিকের দৃষ্টিতে জগতের সকল পদার্থেই চৈতন্যরূপিণী শক্তির লীলা চলছে। অতএব সকল পদার্থই চেতন। অচেতন বলে কিছুই নেই। সাধক এই চিৎ-শক্তিকেই প্রণতি নিবেদন করেন। শক্তি থেকে শিব স্বতন্ত্র নন। তার মানে, শক্তিবিরহিত কেবল শিব কর্তৃত্বাদি-ধর্মশূন্য। বামকেশ্বর-তন্ত্রের টীকায় ভাস্কর রায় সিদ্ধান্ত করেছেন– ‘সকলকেই এই মহাশক্তির উপাসনা করিতে হয়। মায়াশক্তিকে আশ্রয় করিয়াই ঈশ্বর মূর্তি পরিগ্রহ করেন। এইহেতু তাঁহার পুংমূর্তি ও স্ত্রীমূর্তি সবই শক্তি-স্বরূপ। শিব ও শক্তির সম্বন্ধ নিত্য। কখনও তাঁহাদের বিচ্ছেদ নাই। শক্তির পুংশক্তির স্ফুরণে শিব, বিষ্ণু প্রভৃতি দেবতার আবির্ভাব, আর স্ত্রীশক্তির স্ফুরণে দুর্গা, সরস্বতী প্রভৃতি স্ত্রী-দেবতার আবির্ভাব। এই তত্ত্ব সবিশেষ অবগত হইয়া উপাসনা করিতে হয়।’
শিব ও শক্তি উভয়ের মধ্যে প্রভেদ যে কল্পিত, বাস্তব নয়– তা-ই দেখানো হয়েছে। কিন্তু এই ভেদ-কল্পনারও সার্থকতা আছে। কারণ শিব প্রকাশস্বরূপ মাত্র। তিনি অখণ্ড পূর্ণস্বভাব। তবুও তিনি বিশেষ বিশেষ শক্তির মধ্যস্থতায় ধ্যানের বিষয়ীভূত হয়ে থাকেন। সেই আংশিক রূপ বা লক্ষণকে অভিনবগুপ্ত ‘শৈবীমুখ’ বলেছেন। তার অপর সংজ্ঞা ‘শক্তি’। শক্তি-বিষয়ক জ্ঞানের দ্বারা সাধককে শিব-বিষয়ক জ্ঞান লাভ করতে হয়। অন্য কোন উপায় নেই। সুতরাং শক্তিই হচ্ছেন শক্তিমান্ শিবের জ্ঞানের উপায়-স্বরূপ। শক্তিমান শিব হচ্ছেন– উপেয়। শ্রী সুখময় শাস্ত্রী’র ভাষ্যে–
‘যদিও শিবতত্ত্ব বহিরিন্দ্রিয়ের গোচরীভূত হয় না, তথাপি ইহা মানস জ্ঞানের বিষয় হইয়া থাকে। আমাদের ক্ষুধা, তৃষ্ণা প্রভৃতি চক্ষুরাদি বহিরিন্দ্রিয়ের গোচরীভূত না হইলেও মানস অনুভবের বিষয়ীভূত হইয়া থাকে। শিবও এইভাবে মানস জ্ঞানের গোচর হইতে পারেন। কিন্তু প্রথমতঃ শক্তি-বিষয়ক জ্ঞান আবশ্যক। শক্তিজ্ঞানের দ্বারাই শিবজ্ঞান হইয়া থাকে।’– (তন্ত্রপরিচয়)

        তান্ত্রিকদের নিকট এই দৃশ্যমান জগৎ শিব-শক্তির বিচিত্র লীলার রঙ্গমঞ্চ। অভিনেতা রামাদির ভূমিকায় অভিনয় করলেও তিনি যেমন বাস্তবিকই নিজেকে রাম বলে মনে করেন না, বরং রাম-স্বরূপে তিনি নির্লিপ্তই থাকেন, শিব-শক্তিও তেমনি লীলার দ্বারা সংসারে লিপ্ত হয়ে যান না। তাঁর নিকট তাঁর লীলা স্বরূপতঃ সত্য না হলেও সাংসারিক জীবের নিকট অবশ্যই সত্য। সাধনার উচ্চ সোপানে আরোহণ করলে সাধক এই সংসারকেও লীলা বলে মনে করতে পারেন। এই সংসার শিব-শক্তির লীলা। শিব-শক্তির তত্ত্ব হৃদয়ে পরিস্ফুরিত হলে সর্বত্রই লীলা চোখে পড়বে। এভাবেই অধিকারী-ভেদে গ্রহণযোগ্য দ্বৈতবাদ ও অদ্বৈতবাদ উভয়ই তন্ত্রশাস্ত্রে স্থান পেয়েছে।

(চলমান)

[পূর্বের পোস্ট : ‌দশনামী সম্প্রদায়] [*] [পরের পোস্ট : বাংলার লোকায়তিক শিব ও লৌকিক শৈবধর্ম]

মন্তব্য করুন

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out /  পরিবর্তন )

Google photo

You are commenting using your Google account. Log Out /  পরিবর্তন )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out /  পরিবর্তন )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out /  পরিবর্তন )

Connecting to %s

রণদীপম বসু


‘চিন্তারাজিকে লুকিয়ে রাখার মধ্যে কোন মাহাত্ম্য নেই। তা প্রকাশ করতে যদি লজ্জাবোধ হয়, তবে সে ধরনের চিন্তা না করাই বোধ হয় ভাল।...’
.
.
.
(C) Ranadipam Basu

Blog Stats

  • 484,147 hits

Enter your email address to subscribe to this blog and receive notifications of new posts by email.

Join 128 other followers

Follow h-o-r-o-p-p-a-হ-র-প্পা on WordPress.com

কৃতকর্ম

সিঁড়িঘর

দিনপঞ্জি

নভেম্বর 2019
রবি সোম বুধ বৃহ. শু. শনি
« সেপ্টে.    
 12
3456789
10111213141516
17181920212223
24252627282930

Bangladesh Genocide

1971 Bangladesh Genocide Archive

War Crimes Strategy Forum

লাইভ ট্রাফিক

ক’জন দেখছেন ?

হরপ্পা কাউন্টার

Add to Technorati Favorites

গুগল-সূচক

টুইট

  • গ্রন্থ : ইয়োগা (স্বাস্থ্য ও যৌগিক ব্যায়াম, রোদেলা প্রকাশনী, ফেব্রুয়ারি-২০১৯)... https://t.co/SpIL5tcLTi 7 months ago
  • ছবি : একান্নবর্তী সংসারের নতুন-পুরনো সদস্যরা... https://t.co/7HJBdUekkd 1 year ago
  • গ্রন্থ : টিপলু (কিশোর গল্প, দ্যু প্রকাশন, ফেব্রুয়ারি-২০১৮) https://t.co/zID65r8q97 1 year ago
  • গ্রন্থ : ছড়া-কবিতার ঝুল-বারান্দায় (ছোট কবিতা প্রকাশন, জানুয়ারি-২০১৮) https://t.co/Goy6tNtWr0 1 year ago
  • গ্রন্থ : নাস্তিক্য ও বিবিধ প্রসঙ্গ (রোদেলা প্রকাশনী, ফেব্রুয়ারি-২০১৮) https://t.co/ECvpDneHSe 1 year ago
Protected by Copyscape Web Plagiarism Check

Flickr Photos

%d bloggers like this: