h-o-r-o-p-p-a-হ-র-প্পা

বৌদ্ধ তন্ত্র-০৫ : তান্ত্রিক সিদ্ধাচার্যগণ

Posted on: 29/10/2017


3544_712780838774381_891299651_n

বৌদ্ধ তন্ত্র-০৫ : তান্ত্রিক সিদ্ধাচার্যগণ
রণদীপম বসু

বলার অপেক্ষা রাখে না, বৌদ্ধধর্মের আওতায় একটি বিশেষ ধরনের তান্ত্রিক জীবনচর্যার পুনরুজ্জীবন হয় যার মূল আদর্শ সিদ্ধি বা অলৌকিক ক্ষমতালাভ। এই আদর্শের ধারকেরা ছিলেন জাতিপ্রথা বিরোধী, অনেকেই ছিলেন নিম্নবর্ণের মানুষ, এবং এই আদর্শ কবীর-পন্থা, নাথ-পন্থা প্রভৃতি পরবর্তী লৌকিক ধর্মগুলিকে যথেষ্ট প্রভাবিত করেছিল। প্রাচীন বৌদ্ধধর্মে ঋদ্ধি বা অভিজ্ঞার কথা বলা হয়েছে, ব্রাহ্মণ্য শাস্ত্রেও অষ্টসিদ্ধির উল্লেখ আছে, যেমন– অনিমা, লঘিমা, মহিমা, প্রাকাম্য, প্রাপ্তি, বশিত্ব, ঈশিত্ব ও কামাবসায়িত্ব।
শাক্ত তান্ত্রিক ললিতাসহস্রনামে তিন রকম সাধনার উল্লেখ আছে– দিব্য, মানব এবং সিদ্ধ। এই সাধন পরম্পরা অনুযায়ীই হয়তো বিভিন্ন তান্ত্রিক গ্রন্থে সিদ্ধকুল, সিদ্ধামৃত ইত্যাদি সম্প্রদায় এবং সিদ্ধদের উল্লেখ পাওয়া যায়। এই ঐতিহ্য অনুযায়ী সিদ্ধদের সংখ্যা চুরাশিজন যাঁরা যোগের দ্বারা অলৌকিক ক্ষমতা লাভ করেছিলেন বলে বিশ্বাস করা হয়। জ্যোতিরীশ্বর বিরচিত বর্ণরত্নাকরে চুরাশিজন সিদ্ধের উল্লেখ আছে। তিব্বতী তান্ত্রিক গ্রন্থসমূহে এঁদের জীবনী দেওয়া আছে বলে জানা যায়। এই সিদ্ধাচার্যরা হলেন–
‘লুহি, লীলা, বিরু, ডোম্বী, শবরী, সরহ, কঙ্কালী, মীন, গোরক্ষ, চৌরঙ্গী, বীণা, শান্তি, তান্তি, চর্মরী, খড়গ, নাগার্জুন, কাণ্হ, কাণরী, থগন, নাড়, শালি, তিলো, ছত্র, ভদ্র, দ্বিখণ্ডী, অযোগী, কড়, ধোবি, কংকন, কম্বল, তেঙ্কি, ভাদে, তদ্ধি, কুক্কুরী, চুজ্বী, ধর্ম, মহী, অচিন্ত্য, বভহি, নলিন, ভুসুকু, ইন্দ্রভূতি, মেঘ, কুঠারী, কর্মার, জালন্ধী, রাহুল, গর্ভরী, ধকরী, মেদিনী, পঙ্কজ, ঘণ্টা, যোগী, চেলুক, বাগুরী, লুঞ্চক, নির্গুণ, জয়ানন্দ, চর্যটি, চম্পক, বিষাণ, ভলি বা তেলি, কুমরী, চার্পটি, মণিভদ্রা, মেখলা, মংখালা, কলকল, কন্থডি, দৌধি, উধলি, কপাল, কিল, পুষ্কর, সর্বভক্ষ্য, নাগবোধি, দারিক, পুত্তলি, পনহ, কোকিলা, অনঙ্গ, লক্ষ্মীঙ্করা, সামুদ্র ও ভলি।’

           লক্ষ্যণীয় যে, ‘এঁদের অনেকেই নীচ জাতীয়, নাম থেকেই বোঝা যায় কেউ ডোম, কেউ শবর, কেউ ধোপা, কেউ তেলী, কেউ তাঁতী। এদের উপাধি পা অর্থাৎ বাবা, অর্থাৎ ডোম বাবা, কুড়ুল বাবা, তাঁতী বাবা। এই তালিকায় কোন কোন বৌদ্ধ আচার্য আছেন। যেমন নাগার্জুন, কাণরী বা আর্যদেব প্রভৃতি। নাথধর্মের প্রবক্তারা যেমন মীননাথ, গোরক্ষনাথ, চৌরঙ্গীনাথ, জালন্ধরী, প্রভৃতিও এই তালিকায় স্থান পেয়েছেন। চর্যাগীতিকোশ বা চর্যাশ্চর্যবিনিশ্চয় গ্রন্থে নিম্নলিখিত সিদ্ধদের উল্লেখ পাওয়া যায় : কাণরী, ভাদে, ভুসুকু, দারিক, ধর্ম, ডোম্বী, গুণ্ডরী, জয়ানন্দ, জালন্ধর, কম্বল, কুক্কুরী, কঙ্কন, লুহি, মহী, শান্তি, শবর, তান্তি, তেণ্টনা, বীণা, কাণ্হ ও সরহ। এই সকল সিদ্ধদের খবর ও তাঁদের কারো কারো রচনার অনুবাদ তিব্বতী তাঞ্জুরগ্রন্থমালায় বর্তমান। যাঁদের বিষয় সেখানে উল্লিখিত হয়েছে তাঁরা হলেন ইন্দ্রভূতি, কেরলী, অজ মহাসুখ, সরহ, মহাশবর, নারো, আর্যদেব, কৃষ্ণ (কাণ্হ), বিরু, কর্ম, কিলো, শান্তিদেব, লুহি, থগন, ভাদে (ভাঙদে), ধর্ম, মহী, শবরী, কম্বল, চাতে, কঙ্কালী, মীন, অচিন্দ, গোরক্ষ, চোরংঘি (চৌরঙ্গী), বীণা, তান্তি, শিয়ালী, আজাকি, পঙ্কজ, ডোম্বী, কুক্কুরী, কর্মরী, চার্পটি, জালন্ধরী, কন্থরি, লুঞ্চক, গর্ভরি প্রভৃতি। এই সকল সিদ্ধদের অধিকাংশই দশম ও একাদশ শতকের মানুষ।’- (ভারতীয় ধর্মের ইতিহাস, নরেন্দ্রনাথ ভট্টাচার্য)

          এ প্রসঙ্গে অধ্যাপক নীহাররঞ্জন রায়ে বলেন– ‘এই সব মহাযানী-কালচক্রযানী-মন্ত্রযানী-বজ্রযানী-সহজযানী আচার্যদের দেশ ও কাল সম্বন্ধে এবং ইঁহাদের রচিত গ্রন্থাদি সম্বন্ধে সুনির্দিষ্ট তথ্য সংগ্রহ অত্যন্ত দুরুহ ব্যাপার। ইঁহাদের মধ্যে যাহারা দেশ ছাড়িয়া দূরে অন্যত্র নিজেদের কর্মক্ষেত্র বিস্তৃত করিয়াছিলেন তাঁহাদের সমস্ত তথ্যই প্রায় বিলুপ্ত হইয়া গিয়াছে। তিব্বতী গ্রন্থ-তালিকায় অনেকের জন্ম ও কর্মভূমি উল্লেখিত আছে, কিন্তু অনেকের নাইও। কিন্তু যাঁহাদের আছে তাঁহাদেরও জন্ম-কর্মভূমির স্থান-নাম সর্বদা এবং সর্বত্র শনাক্ত করা সহজ নয়; এ-সম্বন্ধে পণ্ডিতদের মধ্যে মতভেদ বর্তমান। কিন্তু তৎসত্ত্বেও যাঁহাদের সম্বন্ধে সুনির্দিষ্ট উল্লেখ বিদ্যমান এবং যে-সব স্থান-নামের শনাক্তকরণ সুনির্ধারিত, তাহার উপর নির্ভর করিয়া নিঃসংশয়ে বলা চলে, এই সব আচার্যরা অধিকাংশই ছিলেন বাঙলা দেশের অধিবাসী, স্বল্পসংখ্যক কয়েকজনের জন্মভূমি ছিল কামরূপ, ওড্রদেশ, বিহার এবং কাশ্মীর। এই তথ্যের উপর নির্ভর করিয়াই ইহাও বলা চলে যে, এই তান্ত্রিক বৌদ্ধ ধর্মের লীলাভূমি ছিল প্রাচ্য-ভারত, বিশেষ ভাবে বাঙলা দেশ। যে-সব মহাবিহারে বসিয়া বৌদ্ধ আচার্যরা অগণিত গ্রন্থাদি রচনা করিয়াছিলেন তাহাদের ভিতর নালন্দা, ওদন্তপুরী ও বিক্রমশীল ছাড়া অন্য প্রত্যেকটি মহাবিহারই ছিল বাঙলা দেশে। সমসাময়িক বাঙালীল শিক্ষা-দীক্ষা, জ্ঞান-বিজ্ঞান, সাহিত্য-সংস্কৃতির অন্যান্য সুবৃহৎ কেন্দ্র ছিল জগদ্দল, সোমপুরী, পাণ্ডুভূমি, ত্রৈকুটক, বিক্রমপুরী, দেবীকোট, সন্নগর, ফুল্লহরি, পণ্ডিত, পট্টিকেরক প্রভৃতি বিহারে; এ-সংবাদও পাইতেছি তিব্বতী বৌদ্ধ গ্রন্থতালিকা হইতেই। এই পর্বের নালন্দা, ওদন্তপুরী এবং বিক্রমশীল মহাবিহারও বাঙালী ও বাঙলা দেশের রাষ্ট্রীয় ও সংস্কৃতি সীমার অন্তর্গত। বিক্রমশীল বিহারের প্রতিষ্ঠাতাই তো ছিলেন পাল-রাজ ধর্মপাল স্বয়ং এবং ওদন্তপুরী ও নালন্দায় এ-পর্বের বিদ্যার্থী ও আচার্যদের অধিকাংশই বাঙালী। নালন্দা ও ওদন্তপুরীর প্রধান পৃষ্ঠপোষকও বাঙলার পাল-বংশ। এই সব বৌদ্ধতান্ত্রিক আচার্যদের স্থিতিকাল সম্বন্ধে নির্দিষ্ট সন-তারিখ নির্ণয় কঠিন হইলেও একেবারে অসম্ভব নয়। কোনও কোনও গ্রন্থ-রচনার তারিখ উল্লিখিত আছে; সমসাময়িক বা পূর্বতন আচার্যদের ও রাজা-রাজবংশের উল্লেখের এবং গুরুপরম্পরানির্ধারণের সাহায্যে মোটামুটি ইঁহাদের কালনির্ণয়ের একাধিক চেষ্টা হইয়াছে। তাহার উপর নির্ভর করিয়া বলা চলে, উল্লিখিত বৌদ্ধ আচার্যদের স্থিতিকাল এবং বৌদ্ধ তান্ত্রিক গ্রন্থাদির রচনাকাল মোটামুটি অষ্টম শতক হইতে একাদশ শতকের শেষপাদ পর্যন্ত বিস্তৃত। বিশেষভাবে পাল-পর্বই যে বৌদ্ধ তান্ত্রিক ধর্মের উদ্ভব, প্রসার ও প্রভাব কাল তাহা তিব্বতী গ্রন্থ-তালিকা, তারনাথের ইতিহাস এবং সুম্পার পাগ্-সাম্-জোন্-জাঙ্-গ্রন্থের সাক্ষ্যেও সুপ্রমাণিত।’
‘উল্লিখিত বৌদ্ধ আচার্যরা যে শুধু অবলোকিতেশ্বর, তারা, মঞ্জুশ্রী, লোকনাথ, হেরুক, হেবজ্র, প্রভৃতি বিচিত্র দেবদেবীর সাধনমন্ত্র, স্তোত্র, সংগীতি, মন্ত্র, মুদ্রা, মণ্ডল, যোগ, ধারণী, সমাধি প্রভৃতি লইয়াই গ্রন্থ-রচনা করিয়াছিলেন তাহাই নয়, যোগ ও দর্শন হেতুবিদ্যা ও চিকিৎসা-বিজ্ঞান, জ্যোতিষ ও শব্দবিদ্যা প্রভৃতি সম্বন্ধেও নানা গ্রন্থ রচনা করিয়াছিলেন। কাজেই, এই সব গ্রন্থের মধ্যেই সমসাময়িক জ্ঞান-বিজ্ঞান-শিক্ষা-দীক্ষাও প্রতিফলিত।’- (বাঙালীর ইতিহাস আদি পর্ব, পৃষ্ঠা-৫৮৮)

         সিদ্ধরা মূলত গুরুবাদী। গুরুই শিষ্যকে সাধনায় দীক্ষিত করেন তার গ্রহণশক্তি অনুযায়ী। এই হিসেবে সাধনার পাঁচটি কুল বর্তমান– ডোম্বী, নটী, রজকী, চণ্ডালী, এবং ব্রাহ্মণী– যেগুলি যথাক্রমে পাঁচটি আকারের প্রতীক। সিদ্ধিলাভের সাধনা মূলত কায়-সাধনা। এই মত অনুযায়ী দেহে বত্রিশটি নাড়ী বর্তমান যেগুলির মধ্য দিয়ে শক্তি প্রবাহিত হয়, যার মূলকেন্দ্র নাভির নিম্নদেশ। শক্তির সর্বোচ্চ আধার মহাসুখস্থান নামে কল্পিত। ওই বত্রিশটি নাড়ীর নানারকম নাম আছে– ললনা, রমণা, অবধূতী, প্রবণা, কৃষ্ণরূপিণী, সামান্যা, পাবকী, সুমনা, কামিনী প্রভৃতি। এগুলির মধ্যে তিনটি– ললনা, রমণা ও অবধূতী সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ, তন্ত্রে সেগুলিকে বলা হয়েছে ইড়া, পিঙ্গলা, সুষুম্না। সর্বোচ্চ স্থানটি যা মহাসুখস্থান নামে পরিচিত একটি সহস্রদল পদ্মরূপে কল্পিত। কয়েকটি বিরতিস্থান অতিক্রম করে শক্তি সেখানে পৌঁছায়। এই বিরতিস্থানগুলি তান্ত্রিক পীঠস্থানসমূহের নামে পরিচিত, যেমন– উড্ডীয়ান, জালন্ধর, পূর্ণগিরি, কামরূপ। সাধকের লক্ষ্য সহজের উপলব্ধি। সহজ সব কিছুর উৎস, যা চিরন্তন সুখ ও অনির্বচনীয় আনন্দের আকর, যেখানে সকল অনুভূতিকে মিশিয়ে দিলেই চরম অদ্বয়বোধের উপলব্ধি ঘটে। সাধক তখন নিজেকে অন্য কিছুর থেকে পৃথক করে দেখেন না। অধ্যাপক নরেন্দ্রনাথের ভাষ্যে–
‘মুক্তির পর আত্মার মুক্তি নয়, মুক্তি ইহজীবনেই, তাই সিদ্ধিপন্থার সাধকরা জীবন্মুক্তি শব্দটি ব্যবহার করে থাকেন। কায়সাধনের দ্বারা অমরত্ব লাভ করা যায়। জীবনদায়িকা শুক্র বা বীর্য বোধিচিত্তরূপে কল্পিত, যাকে পরাবৃত্তি বা স্বাভাবিক প্রবৃত্তির বিপরীত প্রবৃত্তি অনুসরণে ঊর্ধ্বমুখী করতে পারলে অমরত্বের পথ সুগম হয়। বোধিচিত্ত চর্চা রসায়নের সঙ্গেও সম্পর্কিত এবং সেই কারণেই রাসায়নিক দ্রব্যের ব্যবহার বাঞ্ছনীয়। দেহের মধ্যে যে অস্থির রসস্রোত বইছে তাকে কঠিন করা, অর্থাৎ বজ্রে পরিণত করার দরকার, তবেই সকল বৃত্তির স্থিরতা আসবে। এই উদ্দেশ্যে পারদঘটিত রাসায়নিক পদার্থের ব্যবহার বিশেষ প্রয়োজন, কেননা সাধারণ মরণশীল দেহকে দিব্য দেহে পরিণত করার দরকার। তত্ত্বের দিক থেকে বলা হয় মানবদেহ অশুদ্ধ মায়া বা অশুদ্ধ বস্তু দিয়ে গঠিত, কয়েকটি বিশেষ প্রক্রিয়ার দ্বারা সেগুলিকে শুদ্ধ মায়া বা শুদ্ধ বস্তুতে পরিণত করতে হবে। দেহের তিন রকম রূপান্তর হতে পারে মন্ত্র-তনু, প্রবণ বা বৈন্দব তনু এবং দিব্য তনু। পাকাপাকিভাবে জীবন্মুক্তি ঘটলে সেই অবস্থাকে পরমুক্তি বলা হয়।’- (ভারতীয় ধর্মের ইতিহাস)

         সিদ্ধগণসহ কায়সাধনকারী সকল সম্প্রদায় এই তান্ত্রিক আদর্শে বিশ্বাসী যে দেহই হচ্ছে বস্তুজগতের সংক্ষিপ্ত রূপ। পর্বত, সমুদ্র, চন্দ্র, সূর্য, নদী, বস্তুজগতের সবকিছুই দেহের মধ্যে অবস্থিত। হঠযোগের দ্বারা দেহ ও মনের উপর সম্পূর্ণ প্রভুত্ব অর্জন করা যায়। যে নামেই ডাকা হোক না কেন, শিব ও শক্তি দেহে বাস করেন, শিব থাকেন সহস্রারে, শক্তি থাকেন মূলাধারে। দেহের দক্ষিণার্ধ শিব, বামার্ধ শক্তি। ডান দিকের নাড়ী পিঙ্গলা দিয়ে শিবের আদর্শস্বরূপ অপান বায়ু প্রবাহিত হয়, বামদিকের নাড়ী ইড়া দিয়ে শক্তির আদর্শরূপ প্রাণবায়ু প্রবাহিত হয়। সাধক যৌগিক পদ্ধতির সাহায্যে এই দুই প্রবাহকে মধ্য অঞ্চলে বা সুষুম্না কাণ্ডে নিয়ে আসবেন এবং তাহলে দুই ধারার সম্পূর্ণ সামঞ্জস্য ও সাম্যাবস্থা ঘটবে। পুরুষ শিবের প্রতীক, নারী শক্তির, তাদের যৌগিক মিলন চরম অদ্বয়বোধজনিত মহাসুখের কারণ হবে। এটাই সিদ্ধপন্থী সাধকের লক্ষ্য।

(চলবে…)

[আগের পর্ব : তান্ত্রিক-বৌদ্ধধর্মে দেবীবাদ] [*] [পরের পর্বে : বৌদ্ধ-তন্ত্রের ক্রমবিকাশ]

 

 

Advertisements

মন্তব্য করুন

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out /  পরিবর্তন )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out /  পরিবর্তন )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out /  পরিবর্তন )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out /  পরিবর্তন )

Connecting to %s

রণদীপম বসু


‘চিন্তারাজিকে লুকিয়ে রাখার মধ্যে কোন মাহাত্ম্য নেই। তা প্রকাশ করতে যদি লজ্জাবোধ হয়, তবে সে ধরনের চিন্তা না করাই বোধ হয় ভাল।...’
.
.
.
(C) Ranadipam Basu

Blog Stats

  • 312,875 hits

Enter your email address to subscribe to this blog and receive notifications of new posts by email.

Join 111 other followers

Follow h-o-r-o-p-p-a-হ-র-প্পা on WordPress.com

কৃতকর্ম

সিঁড়িঘর

দিনপঞ্জি

অক্টোবর 2017
রবি সোম বুধ বৃহ. শু. শনি
« সেপ্টে.   নভে. »
1234567
891011121314
15161718192021
22232425262728
293031  

Bangladesh Genocide

1971 Bangladesh Genocide Archive

War Crimes Strategy Forum

লাইভ ট্রাফিক

ক’জন দেখছেন ?

হরপ্পা কাউন্টার

Add to Technorati Favorites

গুগল-সূচক

টুইট

Protected by Copyscape Web Plagiarism Check

Flickr Photos

Advertisements
%d bloggers like this: