h-o-r-o-p-p-a-হ-র-প্পা

তন্ত্র-সাধনা-০৪ : তন্ত্রে গুরুবাদ

Posted on: 16/10/2017


12042606_598648876939837_4014857095877206038_n

তন্ত্র-সাধনা-০৪ : তন্ত্রে গুরুবাদ
রণদীপম বসু

তান্ত্রিক শক্তি-উপাসনায় গুরুবাদ অত্যন্ত প্রবল। মহাশয় অক্ষয় কুমার দত্ত তাঁর তথ্যপূর্ণ ‘ভারতবর্ষীয় উপাসক সম্প্রদায়’ গ্রন্থের দ্বিতীয়ভাগে শাক্ত-সম্প্রদায়ের পরিচয় দিতে গিয়ে বলেন–
‘শক্তির অর্থাৎ শিব-ভার্যার উপাসকদের নাম শাক্ত। তন্ত্র-শাস্ত্র এই সম্প্রদায়ের বিধি-নিষেধ বিস্তারে পরিপূর্ণ। তন্ত্রোক্ত উপাসনা বৈদিক উপাসনার মত নয়। তান্ত্রিক উপাসকেরা দেবতার প্রতিমূর্তি নির্মাণ করিয়া মন্ত্র দ্বারা তাঁহার প্রাণ-প্রতিষ্ঠা পূর্বক তাঁহাকে সজীব সাক্ষাৎ দেবতা-জ্ঞানে আহ্বান করেন ও পাদ্য, অর্ঘ্য, স্নানীয়, গন্ধ, নৈবেদ্য, পরিধেয় বস্ত্রাদি প্রদান করেন ও অধিকারী-বিশেষে মদ্য-মাংসাদি নিবেদন দ্বারা তাঁহার অর্চনা করিয়া থাকেন।’
‘শক্তি অর্থাৎ কালী তারা প্রভৃতি শিব-শক্তিই শাক্ত-সম্প্রদায়ের উপাস্য। কিন্তু সকলের ইষ্টদেবতা এক নয়; গুরু-শিষ্য-প্রণালী ক্রমে বিশেষ বিশেষ দেবতা বিশেষ বিশেষ ব্যক্তির ইষ্ট-দেবতা বলিয়া উপদিষ্ট হন। কেহ কালী, কেহ বা তারা, কেহ বা জগদ্ধাত্রী, কেহ বা অন্য দেবতার থাকেন।’- (ভারতবর্ষীয় উপাসক সম্প্রদায়)

           তার মানে, তান্ত্রিক উপাসনায় গুরু-শিষ্য-প্রণালী একটি পরম প্রয়োজনীয় ও আবশ্যকীয় পবিত্র বিষয়। বলা যায় এটিই প্রথম পাঠ। কালী, তারা, জগদ্ধাত্রী প্রভৃতি বিভিন্ন ইষ্টদেবীর বীজমন্ত্র গুরুর শ্রীমুখ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে শ্রবণ করে উপাসক বিধিসম্মতভাবে দীক্ষিত হতেন। অতএব কিভাবে লোকে গুরু ও শিষ্য হওয়ার অধিকারী হয়ে থাকেন এ-সম্পর্কে বিভিন্ন তান্ত্রিক গ্রন্থগুলিতে বিধিব্যবস্থা উক্ত করা হয়েছে। পিচ্ছিলাতন্ত্রে বলা হয়েছে–

যন্মুখাত্তু মহামন্ত্রঃ শ্রূয়তেহভ্যস্যতেহপি বা।
স গুরুঃ পরমোজ্ঞেয়স্তদাজ্ঞা সিদ্ধিদায়িনী।।- (পিচ্ছিলাতন্ত্র)
অর্থাৎ : যাঁর মুখে মহামন্ত্র শুনতে পাওয়া যায় এবং শুনে অভ্যাস করা হয়, তিনি পরম গুরু জানবে। তিনি যা আজ্ঞা করেন, তা-ই সিদ্ধিদায়ক।

বিশ্বসারতন্ত্রের দ্বিতীয় পটলে বলা হয়েছে–

সর্বশাস্ত্রপরোদজ্ঞঃ সর্বশাস্ত্রার্থবিত্ সদ্য।
সুবচাঃ সুন্দরঃ সাঙ্গঃ কুলীনঃ শুভদর্শনঃ।।
জিতেন্দ্রিয়ঃ সত্যবাদী ব্রাহ্মণঃ শান্তমানসঃ।
পিতৃ-মাতৃহিতে ষুক্তঃ সর্বকর্মপরায়ণঃ।
আশ্রমী দেশস্থায়ী চ গুরুরেবৎ বিধীয়তে।। (বিশ্বসারতন্ত্র)
অর্থাৎ : যিনি সর্ব-শাস্ত্র-পরায়ণ, নিপুণ, সর্ব-শাস্ত্রজ্ঞ, মিষ্টভাষী, সুন্দর, সর্বাবয়ব-সম্পন্ন, কুলাচার-বিশিষ্ট, সুদৃশ্য, জিতেন্দ্রিয়, সত্যবাদী, যথা– লক্ষণাক্রান্ত ব্রাহ্মণ, শাক্ত, পিতৃ-মাতৃ-হিতকারী, সর্ব-কর্ম-পরায়ণ, আশ্রমী এবং স্বদেশ-স্থায়ী, তাঁকেই গুরু করিবে।

আর তন্ত্রসারে বলা হয়েছে–

শান্তো দান্তঃ কুলীনশ্চ বিনীতঃ শুদ্ধবেশবান্ ।
শুদ্ধাচারঃ সুপ্রতিষ্ঠঃ শুচির্দক্ষঃ সুবুদ্ধিমান্ ।।
আশ্রমী ধ্যাননিষ্ঠশ্চ তন্ত্রমন্ত্রবিশারদঃ।
নিগ্রহানুগ্রহে শক্তো গুরুরিত্যভিধীয়তে।। (তন্ত্রসার)
অর্থাৎ : যিনি শান্ত (শ্রবণ-মনন-নিদিধ্যাসনরূপ-বিষয়াতিরিক্ত সাংসারিক যাবতীয় বিষয় হইতে মনের নিগ্রহবান্), দান্ত (শ্রবণাদি বিষয়াতিরিক্ত বিষয় হইতে বাহ্য দশ ইন্দ্রিয়ের নিগ্রহবান্), কুলীন (আচার-বিনয় প্রভৃতি নববিধ গুণসম্পন্ন), বিনীত, শুদ্ধবেশসম্পন্ন, বিশুদ্ধাচার, সুপ্রতিষ্ঠ (সৎকার্যাদি দ্বারা যশস্বী), পবিত্রস্বভাব, ক্রিয়ানিপুণ, সুবুদ্ধিসম্পন্ন, আশ্রমী, ঈশ্বরধ্যান-পরায়ণ, তন্ত্রমন্ত্রবিষয়ে সাধনপণ্ডিত এবং যিনি শিষ্যের প্রতি শাসন ও অনুগ্রহ করিতে সমর্থ, তাদৃশ ব্রাহ্মণই গুরুপদের যোগ্য। এই সকল লক্ষণ যে ব্যক্তির দৃষ্ট হইবে, তাঁহাকেই গুরুপদে বরণ করিবে। (শ্রীমৎ স্বামী নিগমানন্দ সরস্বতী কৃত ব্যাখ্যানুবাদ)

গুরু-নির্বাচন সহজ ছিল না, এবং গুরুর আদর্শ অতি উচ্চ পর্যায়ের ছিল। গুরু আদর্শচ্যুত হলে পূর্বগুরু ত্যাগ করে নানা সদ্গুণবিশিষ্ট নতুন গুরু বরণের অধিকারও শিষ্যের ছিল। যেমন, কামাখ্য্যতন্ত্র তৃতীয় পটলে বলা হয়েছে–

অতোহি মনুজং লুব্ধং দুষ্টং শিষ্যোহি সংত্যজেৎ।
সের্বাষাং ভুবনে সত্যং জ্ঞানায় গুরুরেব হি।।
জ্ঞানান্মোক্ষমবাপ্নোতি তস্মাৎ জ্ঞানং পরাৎ পরম্ ।
অতো যো জ্ঞানদানং হি ন ক্ষমেত্তং ত্যজেৎ গুরুম্ ।।
মধুলুব্ধোযথা ভৃঙ্গঃ পুষ্পান্তরং ব্রাজৎ।
জ্ঞানলুব্ধস্তথা শিষ্যোগুরোর্গুর্বন্তরং ব্রজেৎ।। (কামাখ্যাতন্ত্র)
অর্থাৎ : লোভাদি-দোষ-যুক্ত গুরুকে ত্যাগ করিবে। ভূমণ্ডলে জ্ঞানলাভার্থেই সকলের গুরুর প্রয়োজন হয়, জ্ঞান দ্বারা মুক্তি লাভ করা যায়, এই হেতু জ্ঞান সর্বাপেক্ষা শ্রেষ্ঠ। অতএব যে গুরু জ্ঞান-দানে অশক্ত, তাঁহাকে পরিত্যাগ করিবে। ভ্রমর যেরূপ মধু-লোভে পুষ্পে পুষ্পে ভ্রমণ করে, শিষ্যে সেইরূপ জ্ঞান-লুব্ধ হইয়া ভিন্ন ভিন্ন গুরুকে অবলম্বন করিবে।

তবে যে-কেউ শিষ্য হবার যোগ্য নয়। কিরকম উপাসক শিষ্য হওয়ার অধিকারী তাও তন্ত্রশাস্ত্রে বলা আছে। যেমন সারদাতিলক দ্বিতীয় পটলে বলা হয়েছে–

শিষ্যঃ কুলীনঃ শুদ্ধাত্মা পুরুষার্থপরায়ণঃ।
অধীতবেদঃ কুশলোদূরমুক্তমনোভবঃ।।
হিতৈষী প্রাণিনাং নিত্যমাস্তিকস্ত্যক্তনাস্তিকঃ।
স্বধর্মনিরতোভক্ত্যা পিতৃমাতৃহিতোদ্যত।।
বাক্সমনঃকায়বসুভির্গুরুশুশ্রূষণে রতঃ।
এতদৃশগুণোপেতঃ শিষ্যোভবতি নাপরঃ।। (সারদাতিলক)
অর্থাৎ : যে ব্যক্তি সদ্বংশজাত, শুদ্ধ-চিত্ত, পুরুষার্থ পরায়ণ, বেদ-পারগ, নিপুণ, জিতকাম, সর্ব প্রাণীর নিত্য হিতৈষী, আস্তিক, নাস্তিক-সম্পর্ক-বিবর্জিত, স্বধর্মে রত, ভক্তিপূর্বক পিতামাতার হিতানুরক্ত, কায়-মন-বাক্য ও ধন দ্বারা গুরু শুশ্রূষাতে নিযুক্ত, সেই ব্যক্তি শিষ্য হওয়ার অধিকারী; অন্য কেহ নয়।

কুলমূলাবতারকল্পসূত্র-টীকায় বলা হয়েছে–

চতুর্ভিরাদ্যৈঃ সংযুক্তঃ শ্রদ্ধাবান্ সুস্থিরাশয়ঃ।
অলুব্ধঃ স্থিরগাত্রশ্চ প্রেক্ষাকারী জিতেন্দ্রিয়ঃ।।
আস্তিকোদৃঢ়ভক্তিশ্চ গুরৌ মন্ত্রে চ দৈবতে।
এবম্বিধোভবেত্ শিষ্যস্ত্বিতরোদুঃখকৃৎ গুরোঃ।। (কুলমূলাবতারকল্পসূত্র-টীকা)
অর্থাৎ : যে ব্যক্তি শমদমাদি যুক্ত, শ্রদ্ধাবান, স্থিরাশয়, লোভ-রহিত, স্থির-স্বভাব দূরদর্শী, জিতেন্দ্রিয়, আস্তিক, গুরু মন্ত্র ও দেবতাতে দৃঢ়-ভক্তি-বিশিষ্ট, সেই ব্যক্তি শিষ্য হওয়ার অধিকারী; অন্যরূপ শিষ্য গুরুর ক্লেশদায়ক।

আর কৃষ্ণানন্দ আগমবাগীশ-কৃত তন্ত্রসংকলন গ্রন্থ তন্ত্রসারে বলা হয়েছে–

শান্তো বিনীতঃ শুদ্ধাত্মা শ্রদ্ধাবান্ ধারণক্ষমঃ।
সমর্থশ্চ কুলীনশ্চ প্রাজ্ঞঃ সচ্চরিতো যতিঃ।
এবমাদিগুণৈর্যুক্তঃ শিষ্যো ভবতি নান্যতা।। (তন্ত্রসার)
অর্থাৎ : শমাদিগুণযুক্ত, বিনয়ী বিশুদ্ধভাব, শ্রদ্ধাবান্, ধৈর্য্যশীল, সর্বকর্ম-সমর্থ, সদ্বংশজাত, অভিজ্ঞ, সচ্চরিত্র এবং যতি-আচারযুক্ত ব্যক্তি প্রকৃত শিষ্য-শব্দবাচ্য, ইহার বিপরীত ব্যক্তিকে শিষ্য করিবে না।

তাই তন্ত্রশাস্ত্রের পরামর্শ হলো–

গুরুতা শিষ্যতা বাপি তয়োর্বৎসরবাসতঃ।
অর্থাৎ : একবৎসরকাল গুরু ও শিষ্য একত্রে বাস করিয়া উভয়ের স্বভাবাদি নির্ণয় করিয়া স্ব স্ব অভিমত হইলে গুরু বা শিষ্য করিবে।

যাদের ধর্মজীবন লাভের জন্য প্রকৃত ব্যাকুলতা জন্মেনি, তারা চিত্তশুদ্ধির জন্য ব্রহ্মচর্য পালন ও সাধুসঙ্গ করবে। তারপর সদ্গুরু-নির্বাচনপূর্বক দীক্ষা গ্রহণ করবে। তন্ত্রসারে লিখিত আছে যে তান্ত্রিক উপাসনায় উপাসকের স্দগুরুর নিকট হতে দীক্ষা গ্রহণ অবশ্য কর্তব্য। আগমবাগীশ এ-বিষয়ে শাস্ত্রবচন উদ্ধৃত করে বলছেন–

দীক্ষামূলং জপং সর্বং দীক্ষামূলং পরং তপঃ।
অদীক্ষিতা যে কুর্বন্তি জপপূজাদিকা ক্রিয়াঃ।
ন ভবন্তি প্রিয়ে তেষাং শিলায়ামুপ্তবীজবৎ।। (তন্ত্রসার)
অর্থাৎ : সকলরকম জপতপের মূলে দীক্ষা বর্তমান; যে উপাসক গুরুর নিকট দীক্ষা গ্রহণ না করে জপপূজাদি ক্রিয়া করেন, তাঁদের ঐ সকল ক্রিয়া পাষাণে বীজ বপনের ন্যায় (নিষ্ফল হয়)।

অন্যদিকে গুরুকে সকলের উপরে স্থান দিয়ে গুরুতন্ত্রে বলা হয়েছে–

দেবীপূজা গুরোঃ পূজা তৃপ্তিশ্চ গুরুতর্পণম্ ।
তদ্ভক্তির্গুরুভক্তিশ্চ তৎস্তোত্রং গুরুবন্দনম্ ।। ৬৮
কিং দানং বা তপো হোমঃ কিং দেবি সুরপূজনম্ ।
কিং স্নানং কিং ফলং তস্য ন প্রীণয়েৎ গুরুঃ।। ৭৪
অর্থাৎ :
গুরুপূজা করলেই ইষ্টদেবতার পূজা সিদ্ধ হয়; গুরুর তর্পণ করলেই ইষ্টদেবতার তৃপ্তি হয়; গুরুর প্রতি ভক্তি করলেই ইষ্টদেবতার প্রতি ভক্তি করা হয় এবং গুরুর স্তব করলেই ইষ্টদেবতার স্তব করা হয়। ৬৮।। দেবি! যার প্রতি গুরু প্রীত না হন, তার স্নান, দান, তপশ্চর্য্যা, হোম, দেবতার্চ্চন, এ-সমস্তই বৃথা হয় অর্থাৎ এসবকিছুর দ্বারা তার কিছুমাত্র ফল হয় না। ৭৪।।

 

         অতএব, ‘ তন্ত্রের একটি লক্ষ্যণীয় বৈশিষ্ট্য গুরুবাদ। সাধককে সর্বদা মনে রাখতে হবে গুরু স্বয়ং ঈশ্বর, শিব অথবা শক্তি। শিষ্যকে গুরু সর্বতোভাবে পরিচালনা করবেন। গুরুর যোগ্যতাই বিবেচ্য, জাত-কুল নয়। নারীরাও গুরু হতে পারেন। দীক্ষা মানেই পুনর্জন্ম। দীক্ষা বহুপ্রকার, যা শিষ্যের যোগ্যতা ও মানসিকতার উপর নির্ভরশীল। সাধারণ দীক্ষাকে বলা হয় ক্রিয়াদীক্ষা, দ্বিতীয় পর্যায়ে দীক্ষাকে বলা হয় বেধদীক্ষা। গুরু, মন্ত্র ও সংশ্লিষ্ট দেবতার সঙ্গে তাদাত্ম্য সম্পর্কবোধ দীক্ষিতের পক্ষে অত্যাবশ্যক। উপর্যুক্ত দুটি দীক্ষা ছাড়াও আরও নানাপ্রকার দীক্ষা আছে যেমন তত্ত্ব, ভুবন, পাদ, বর্ণ, যন্ত্র, শক্তি, নাদ, প্রাণ, জীব, স্পর্শ, বস্তু, ঘট, সদ্যোনির্বাণ, নির্বাণ, আলোক, জ্ঞান ইত্যাদি। গুণগতভাবে দীক্ষা তিন প্রকার– শাম্ভবী, শাক্তী ও মান্ত্রী। শাম্ভবী দীক্ষা সাধারণ গুরু দিতে পারেন না, সকল সাধকেরই এতে অধিকার নেই। এই দীক্ষা শ্রীবিদ্যা বা ললিতা বা কামেশ্বরী তত্ত্বে দীক্ষা। এই শ্রীবিদ্যার ভৈরব বা শিবের নাম কামেশ্বর। উদ্দেশ্য শিবশক্তির সামরস্যের উপলব্ধি। শাক্তী দীক্ষার গুরু নিজের শক্তি শিষ্যের হৃদয়ে সঞ্চারিত করেন। মান্ত্রীদীক্ষা আচার-অনুষ্ঠান সংক্রান্ত। এতে ঘটস্থাপন, মণ্ডপনির্মাণ, মন্ত্রপাঠ, হোমানুষ্ঠান প্রভৃতি শিক্ষাদান এবং শিষ্যকর্ণে বীজমন্ত্র দান করা হয়।’- (নরেন্দ্রনাথ ভট্টাচার্য/ ধর্ম ও সংস্কৃতি, প্রাচীন ভারতীয় প্রেক্ষাপট/ পৃষ্ঠা-১৬৮)

(চলবে…)

[আগের পোস্ট : তন্ত্রের প্রাচীনত্ব] [*] [পরের পোস্ট : তন্ত্রের মন্ত্র-সংকেত]

 

Advertisements

মন্তব্য করুন

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / পরিবর্তন )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / পরিবর্তন )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / পরিবর্তন )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out / পরিবর্তন )

Connecting to %s

রণদীপম বসু


‘চিন্তারাজিকে লুকিয়ে রাখার মধ্যে কোন মাহাত্ম্য নেই। তা প্রকাশ করতে যদি লজ্জাবোধ হয়, তবে সে ধরনের চিন্তা না করাই বোধ হয় ভাল।...’
.
.
.
(C) Ranadipam Basu

Blog Stats

  • 207,714 hits

Enter your email address to subscribe to this blog and receive notifications of new posts by email.

Join 86 other followers

Follow h-o-r-o-p-p-a-হ-র-প্পা on WordPress.com

কৃতকর্ম

সিঁড়িঘর

দিনপঞ্জি

অক্টোবর 2017
রবি সোম বুধ বৃহ. শু. শনি
« সেপ্টে.   নভে. »
1234567
891011121314
15161718192021
22232425262728
293031  

Bangladesh Genocide

1971 Bangladesh Genocide Archive

War Crimes Strategy Forum

লাইভ ট্রাফিক

ক’জন দেখছেন ?

bob-contest

Blogbox
Average rating:

Create your own Blogbox!

হরপ্পা কাউন্টার

Add to Technorati Favorites

গুগল-সূচক

টুইট

Protected by Copyscape Web Plagiarism Check
%d bloggers like this: