h-o-r-o-p-p-a-হ-র-প্পা

|আর্য-সংস্কৃতি ও বৈদিক-যুগ-০৯ : বৈদিক সাহিত্যে পার্থিব সম্পদের কামনা|

Posted on: 05/07/2015


247249_538972072783681_2043413948_n

| আর্য-সংস্কৃতি ও বৈদিক-যুগ-০৯ : বৈদিক সাহিত্যে পার্থিব সম্পদের কামনা |
রণদীপম বসু

৩.২ : বৈদিক-সাহিত্যে পার্থিব সম্পদের কামনা

ভারতীয় আস্তিক দর্শনশাস্ত্রের সবকটি সম্প্রদায়ের বক্তব্যে বেদকেই সকল জ্ঞানের উৎস হিসেবে বিবেচনা করা হলেও প্রধান ও প্রাচীনতম বৈদিক সাহিত্য ঋগ্বেদ-সংহিতার বিশ্লেষণ কিন্তু এরকম কিছু বলে না। বস্তুত সমগ্র ঋগ্বেদ জুড়েই দেখা যায় কেবল একান্তই পার্থিব কামনার অভিব্যক্তি– অন্নের কামনা, পশুর কামনা, ধনের কামনা, বলবীর্যের কামনা, সন্তানের কামনা, নিরাপত্তার কামনা। আমাদের গ্রামাঞ্চলে মুখে মুখে রচিত ব্রতের গানে যেরকমটা দেখি, অনেকটা সেরকমই। ঋগ্বেদের কোথাও মোক্ষের কথা নেই, এমনকি ‘মোক্ষ’ বলে শব্দটিরই উল্লেখ নেই– যদিও পরবর্তীকালে বৈদিক ঐতিহ্যে এই মোক্ষই পরম-পুরুষার্থ বলে ঘোষিত। এই মোক্ষকেই ঘিরেই সমস্ত আস্তিক্য দর্শন তাদের ডালপালার বিস্তৃতি ঘটিয়েছে। অথচ ঋগ্বেদ– অন্তত ঋগ্বেদের প্রধানতম অংশ– পার্থিব সম্পদের কামনায় এমনই ভরপুর যে এ-সাহিত্যে আধুনিক অর্থে আধ্যাত্মিক চিন্তার পরিচয় অন্বেষণ করাই অনেকাংশে অবান্তর মনে হয়। এ-ব্যাপারে ঋগ্বেদে প্রচুর নজির দেখানো যায়।


তবে ঋগ্বেদের ঋষিরা যখনও লিপির ব্যবহার শেখেননি তখনও মুখে মুখে গান রচনার প্রয়োজন সম্পর্কে বলছেন–

মিমীহি শ্লোকমাস্যে পর্জন্য ইব ততনঃ। গায় গায়ত্রমুক্থ্যম্’।। (ঋগ্বেদ-১/৩৮/১৪)।
বন্দস্ব মারুতং গণং ত্বেষং পনস্যুমর্কিণং। অস্মে বৃদ্ধা অসন্নিহ।। (ঋগ্বেদ-১/৩৮/১৫)।
অর্থাৎ :
মুখে মুখে শ্লোক রচনা করো, পর্জন বা মেঘের মতো তাকে বিস্তার করো, গায়ত্রী ছন্দে উক্থ্য গান করো। (ঋক-১/৩৮/১৪)।।  দীপ্তিমান স্ততিযোগ্য এবং অর্চনোপেত মরুৎগণকে বন্দনা করো, আমাদের এ কার্যে যেন তাঁরা বর্ধনশীল হন। (ঋক-১/৩৮/১৫)।।


মুখে মুখে গান রচনার কথা থেকেই বুঝতে অসুবিধা হয় না যে তখনও ঋগ্বেদের ঋষিরা লিপির ব্যবহার শেখেননি। কিন্তু মেঘের মতো বিস্তার করবার উপমা কেন? গানের সঙ্গে মেঘের কি কোনো সাদৃশ্য আছে? এই ঋকের ভাষ্যে সায়ণ বলেন,–

‘যথা মেঘো বৃষ্টিং বিস্তারয়নি তদ্বৎ’
অর্থাৎ, মেঘ যেমন বৃষ্টি বিস্তার করে, সেইরকম।


তাহলে কিসের বৃষ্টি? বেদবিদেরা বলেন, এ হলো কামনা-সাফল্যের বৃষ্টি। কেননা, বেদের গান কামবর্ষী– কামনা সফল করার গান। এটি প্রাচীনদের এক সুগভীর বিশ্বাস। বেদের গান যে কামবর্ষী এই সুপ্রাচীন বিশ্বাসের পরিচয় ছান্দোগ্য উপনিষদে বারবার পাওয়া যায় (ছান্দোগ্য-১/১/৪-৮, ১/২/১৩-১৪, ১/৭/৮, ২/২২/২ ইত্যাদি)। যেমন–

‘কতমা কতমর্ক্ কতমৎ সাম কতমঃ কতম উদ্গীথ ইতি বিমৃষ্টং ভবতি’।। (ছান্দোগ্য-১/১/৪)।।  বাগেব ঋক্ প্রাণঃ সামোমিত্যেতৎ অক্ষরম্ উদ্গীথঃ। তদ্বা এতন্মিথুনং যদ্বাক্ চ প্রাণশ্চ ঋক্ চ সাম চ।। (ছান্দোগ্য-১/১/৫)।।  তদেতন্মিথুনম্ ওমিত্যেতস্মিন্নক্ষরে সংসৃজ্যতে যদা বৈ মিথুনৌ সমাগচ্ছত আপয়তো বৈ তাবন্যোন্যস্য কামম্ ।। (ছান্দোগ্য-১/১/৬)।।  আপয়িতা হ বৈ কামানাং ভবতি য এতদেবং বিদ্বানক্ষরম্ উদ্গীথম্ উপান্তে।।’ (ছান্দোগ্য-১/১/৭)।।
অর্থাৎ :
এখন জিজ্ঞাস্য– ঋক্ কী? সাম্ কী? উদ্গীথই বা কী? (ছান্দোগ্য-১/১/৪)।।  বাক্যই হলো ঋক্, প্রাণ হলো সাম এবং উদ্গীথ হলো ওম্ এই অক্ষর। বাক্ ও প্রাণ বা ঋক্ ও সাম্– এরা যুগল বা মিথুন। (ছান্দোগ্য-১/১/৫)।।  এই মিথুনই ওম্ । বাক্ ও প্রাণ ওম্ অক্ষরে পরস্পরের সাথে মিলিত হয়ে এক হয়ে যায়। নারী ও পুরুষ যেমন পরস্পরের সাথে মিলিত হয়ে পরস্পরের কামনা পূর্ণ করে, বাক্ ও প্রাণের এই মিলনও ঠিক তেমনই। (ছান্দোগ্য-১/১/৬)।।  ‘ওম্’ই সবকিছুর আশ্রয়– এইভাবে যিনি ‘ওম্’কে উদ্গীথরূপে উপাসনা করেন, তিনি যা যা পেতে চান তাই লাভ করেন। (ছান্দোগ্য-১/১/৭)।।

কিংবা–

‘অমৃতত্বং দেবেভ্য আগায়ানীত্যাগায়েৎ স্বধাং পিতৃভ্য আশাং মনুষ্যেভ্যস্তৃণোদকং পশুভ্যঃ স্বর্গং লোকং যজমানায়ান্নমাত্মন আগায়ানীত্যেতানি মনসা ধ্যায়ন্নপ্রমত্তঃ স্তুবীত’।। (ছান্দোগ্য-২/২২/২)।।
অর্থাৎ : এই সংকল্প নিয়ে গাওয়া উচিত : ‘দেবদেবীদের জন্য অমরত্ব, পিতৃপুরুষদের জন্য নৈবেদ্য, মানবজাতির জন্য আশা, অর্থাৎ প্রার্থিত বস্তু, পশুদের জন্য খাদ্য এবং পানীয়, যাঁরা যজ্ঞ করছেন তাঁদের জন্য স্বর্গলোক এবং আমার নিজের জন্য অন্ন– এ সমস্তই আমি গান গেয়ে অর্জন করবো’। এই বিষয়গুলি চিন্তা করে, শান্তমনে, গলা খুব না চড়িয়ে গান গাওয়া উচিত।


অতএব, ঋগ্বেদ জুড়ে যে পার্থিব কামনার ভরপুর উচ্ছ্বাস এটি সে-সময়কার জীবন-চর্চায় বিশ্বাসে অস্বাভাবিক নয়। বিদ্বানদের গবেষণা থেকে জানা যায়, নিঘণ্টু-মতে (নিঘণ্টু-২/৭) ঋগ্বেদে ২৮টি অন্নবাচক শব্দ আছে; এগুলির উল্লেখ মোট ৩০০০ বারেরও বেশি এবং সর্বত্রই তা অন্নকামনা বা অন্ন-গরিমার অঙ্গীভূত। গো-বাচক শব্দ ৯টি (নিঘণ্টু-২/১১)– শুধু গো এবং তজ্জাত শব্দই সহস্রাধিকবার– এবং সর্বত্রই গো-কামনা বা গো-গরিমার অঙ্গ হিসেবে উল্লিখিত। উদক বা জল-বাচক শব্দ ১০১টি (নিঘণ্টু-১/১২), বল-বাচক শব্দ ২৮টি (নিঘণ্টু-২/৯), ধন-বাচক শব্দ ২৮টি (নিঘণ্টু-২/১০), অপত্য-বাচক শব্দ ১৫টি (নিঘণ্টু-২/২); ইত্যাদি। আর ঋগ্বেদে এগুলির কামনা যে মোট কত সহস্রবার হয়েছে তার হিসাব করা খুবই দুঃসাধ্য।
তবে নমুনা হিসেবে ঋগ্বেদের একটি সূক্তের উদ্ধৃতি দেয়া যেতে পারে। যেমন, নিঘণ্টু-মতে (নিঘণ্টু-২/৭) অন্নবাচক একটি বৈদিক শব্দ হলো ‘পিতু’। এই পিতু বা অন্নকে জনৈক দেবতা হিসেবেও ঋগ্বেদে স্তুতি করা হয়েছে। তাঁর উদ্দেশ্যে রচিত একটি সূক্ত (ঋগ্বেদ-১/১৮৭)–

পিতুং নু স্তোষং মহো ধর্মাণং তবিষীম্ । যস্য ত্রিতো ব্যোজসা বৃত্রং বিপর্বমর্দয়ৎ।। ১
স্বাদো পিতো মধ্যে পিতো বয়ং ত্বা ববৃমহে। অস্মাকমবিতা ভব।। ২
উপ নঃ পিতবা চর শিবঃ শিবাভিরূতিভিঃ। ময়োভুরদ্বিষেণ্যঃ সখা সুশেবো অদ্বয়াঃ।। ৩
তব ত্যে পিতো রসা রজাংস্যনু বিষ্ঠিতাঃ। দিবি বাতা ইব শ্রিতাঃ।। ৪
তব ত্যে পিতো দদতস্তব স্বাদিষ্ঠ তে পিতো। প্র স্বাদ্মানো রসানাং তুবিগ্রীবা ইবেরতে।। ৫
ত্বে প্রিতো মহানাং দেবানাং মনো হিতম্ । অকারি চারু কেতুনা তবাহিমবসাবধীৎ।। ৬
যদদে পিতো অজগন্বিবস্ব পর্বতানাম্ । অত্রা চিন্নো মধো পিতোহরং ভক্ষয় গম্যাঃ।। ৭
যদপ্যমোষধীনাং পরিংশমারিশামহে। বাতাপে পীব ইদ্ভব।। ৮
যত্তে সোম গবাশিরো যবাশিরো ভজামহে। বাতাপে পীব ইদ্ভব।। ৯
করম্ভ ওষধে ভব পীবো বক্ব উদারথিঃ। বাতাপে পীব ইদ্ভব।। ১০
তং ত্বা বয়ং পিতো বচোভির্গাবো ন হব্যা সুষুদিম।
দেবেভ্যস্ত্বা সধমাদমস্মভ্যং ত্বা সধমাদম্ ।। ১১
অর্থাৎ :
আমি ত্বরান্বিত হয়ে মহান, সকলের ধারক ও বলাত্মক পিতুকে স্তব করি। তাঁরই সামর্থ্যে ত্রিত বৃত্রের সন্দিচ্ছেদ করে বধ করেছিলেন। ১।।  হে স্বাদু পিতু ! হে মধুর পিতু ! আমরা তোমার সেবা করি, তুমি আমাদের রক্ষা করো। ২।।  হে পিতু ! তুমি মঙ্গলময়, তুমি কল্যাণকর আশ্রয়দান দ্বারা আমাদের নিকট এসে আমাদের সুখ উৎপাদন করো। তোমার রস যেন আমাদের অপ্রিয় না হয়, তুমি আমাদের সখা ও অদ্বিতীয় সুখকর হও। ৩।।  হে পিতু ! বায়ু যেরূপ অন্তরীক্ষে আশ্রয় করে আছে, সেরূপ তোমার রস সমস্ত জগতের অনুকূলে ব্যাপ্ত রয়েছে। ৪।।  হে স্বাদুতম পিতু ! যে সকল লোক তোমাকে প্রার্থনা করে, তারা ভোক্তা। হে পিতু ! তোমার অনুগ্রহে তারা তোমাকে দান করে। তোমার রসাস্বাদী ব্যক্তিগণের গ্রীবা উন্নত হয়। ৫।।  হে পিতু ! মহৎ দেবতারা তোমাতেই মন নিহিত করেছেন। হে পিতু ! তোমার চারু প্রজ্ঞা ও আশ্রয়দ্বারাই অহিকে বধ করেছিলে। ৬।।  হে পিতু ! যখন মেঘগণের প্রসিদ্ধ উদক আসে, তখন হে মধুর পিতু ! তুমি আমাদের সম্পূর্ণরূপে ভোজনের জন্য সন্নিহিত হও। ৭।।  যেহেতু আমরা প্রভূত জল ও ওষধি ভক্ষণ করি; অতএব হে শরীর ! তুমি স্থূল হও। ৮।।  হে সোম ! তোমার দুগ্ধাদি মিশ্রিত ও যবাদি মিশ্রিত অংশ ভক্ষণ করি; অতএব হে শরীর ! তুমি স্থূল হও। ৯।।  হে করম্ভ ওষধি ! তুমি স্থূলতাসম্পাদক, রোগনিবারক ও ইন্দ্রিয়োদ্দীপক হও। হে শরীর ! তুমি স্থূল হও। ১০।।  হে পিতু ! ধেনুগণের নিকট যেরূপ হব্য গৃহিত হয়, সেরূপ তোমার নিকট আমরা স্তুতিদ্বারা রস গ্রহণ করি। ঐ রস কেবল দেবতাগণের নয় আমাদেরও হৃষ্ট করে। ১১।।


এই সূক্তের ধুয়াটিও চিত্তাকর্ষক– ‘বাপাতে পীব ইৎ ভব’– হে শরীর, তুমি স্থূল হও। দেহাতীত কোন আত্মার কল্পনা নয়, লোকোত্তর কোনো পুুরুষার্থের কামনা নয়। কেবলই দেহের কথা, পুষ্টির কামনা। অথচ উত্তরকালে বৈদিক ঐতিহ্যেই এ-জাতীয় কথা, এ-জাতীয় কামনা গর্হিত ও নিন্দিত হতে দেখা যায়। আর লোকায়ত চার্বাকদের ক্ষেত্রে তো কথাই নেই। তবে এর থেকেই বোঝা যায়, কালক্রমে বৈদিক ঐতিহ্য যতো চূড়ান্ত অধ্যাত্মবাদীই হোক না কেন, ঋগ্বেদ– অন্তত ঋগ্বেদের প্রধানতম অংশ– একান্ত পার্থিব কামানয় এমনই বিভোর যে তাকে প্রাক্-অধ্যাত্মবাদী আখ্যা দেয়াই যৌক্তিক হবে। এবং এই প্রাক্-অধ্যাত্মবাদী চেতনার ধ্বংসস্তূপের উপরই কালক্রমে বৈদিক অধ্যাত্মবাদের আবির্ভাব ঘটেছিলো বলে সিদ্ধান্ত করা যায়। এখানে হয়তো প্রশ্ন উঠবে বৈদিক দেবতা এবং বৈদিক যজ্ঞ নিয়ে। কেননা প্রধানত এই দুটি বিষয়ের নজির থেকেই ঋগ্বেদকে অধ্যাত্মবাদী সাহিত্য বলে গ্রহণ করবার প্রবণতা তৈরি হতে পারে। তাই এ দুটি বিষয়েও আমাদের আলোচনা প্রসারিত করা প্রয়োজন।

এ প্রেক্ষিতে উপরিউক্ত সূক্তের দেবতা হিসেবে যে অন্ন বা পিতু দেবতার স্তুতি গাওয়া হয়েছে তাঁর বৈশিষ্ট্য কী? তিনি স্বাদু, সুখ-উৎপাদনকারী; তাঁর গন্ধে রসাস্বাদী ব্যক্তিদের গ্রীবা উন্নত হয়; তিনি স্তোতাদের পূর্ণতৃপ্তিদায়ক ভোজনের জন্য সন্নিহিত হন এবং অবশ্যই তাদের শরীর সুপুষ্ট করেন। স্পষ্টই বোঝা যাচ্ছে, এখানে অন্ন-কামনা এবং অন্ন-প্রশংসাই মুখ্য এবং তারই অঙ্গ হিসেবে পিতু বা অন্নের এই দেবত্ব-গৌরব। অর্থাৎ, নামে দেবতা হলেও অন্তত এই বৈদিক দেবতাটির আধুনিক অর্থে বিশেষ কোনো আধ্যাত্মিক চেতনার পরিচয় অন্বেষণ করা অবান্তর বলেই মনে হয়। তবে অবশ্যই দেবতা হিসেবে ঋগ্বেদে পিতুর স্থান নেহাতই গৌণ। তাই বৈদিক দেবতাদের সম্বন্ধে কোনো সাধারণ সিদ্ধান্তে উপনীত হবার আগে ঋগ্বেদের প্রধান দেবতাদের পরিচয় সম্বন্ধে অবগত হওয়া আবশ্যক।

(চলবে…)
[ছবি ইন্টারনেট থেকে সংগৃহীত]

[আগের পর্ব : ঋগ্বেদের সমাজ] [*] [পরের পর্ব : বৈদিক দেবতা]

[ চার্বাকের খোঁজে অধ্যায়সূচি ]

Advertisements

1 Response to "|আর্য-সংস্কৃতি ও বৈদিক-যুগ-০৯ : বৈদিক সাহিত্যে পার্থিব সম্পদের কামনা|"

মন্তব্য করুন

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / পরিবর্তন )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / পরিবর্তন )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / পরিবর্তন )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out / পরিবর্তন )

Connecting to %s

রণদীপম বসু


‘চিন্তারাজিকে লুকিয়ে রাখার মধ্যে কোন মাহাত্ম্য নেই। তা প্রকাশ করতে যদি লজ্জাবোধ হয়, তবে সে ধরনের চিন্তা না করাই বোধ হয় ভাল।...’
.
.
.
(C) Ranadipam Basu

Blog Stats

  • 172,001 hits

Enter your email address to subscribe to this blog and receive notifications of new posts by email.

Join 72 other followers

Follow h-o-r-o-p-p-a-হ-র-প্পা on WordPress.com

কৃতকর্ম

সিঁড়িঘর

দিনপঞ্জি

জুলাই 2015
রবি সোম বুধ বৃহ. শু. শনি
« জুন   আগস্ট »
 1234
567891011
12131415161718
19202122232425
262728293031  

Bangladesh Genocide

1971 Bangladesh Genocide Archive

War Crimes Strategy Forum

লাইভ ট্রাফিক

ক’জন দেখছেন ?

bob-contest

Blogbox
Average rating:

Create your own Blogbox!

হরপ্পা কাউন্টার

Add to Technorati Favorites

গুগল-সূচক

টুইট

Protected by Copyscape Web Plagiarism Check
%d bloggers like this: