h-o-r-o-p-p-a-হ-র-প্পা

| কবি ও অকবি’র পার্থক্য নির্ণায়ক কারা ?

Posted on: 08/08/2009


ছবি: নূরজাহান চাকলাদার

ছবি: নূরজাহান চাকলাদার

কবি ও অকবি’র পার্থক্য নির্ণায়ক কারা ?

রণদীপম বসু

প্রিয় পাঠক, আলোচ্য প্রসংগে প্রবেশের আগে বিষয় সংশ্লিষ্টতার কারণেই প্রথমে আমরা একটি কবিতার মধ্য দিয়ে ঘুরে আসতে চাই । এবং ব্যবচ্ছিন্ন পঙক্তিগুলোও কবিতার অনিবার্য অংশ হিসেবে ধরে নিয়ে কবিতা-ভ্রমণ সম্পন্ন করুন –

‘এখানে যে ভাঙাচোরা মানুষগুলো একত্রিত হয়েছেন,
প্রত্যেকেই অসম্পূর্ণ-
এক অদ্ভুত জৈবিক মোহে তাড়িত সবাই;
অথচ ভুলেও উচ্চারণ করবেন না সে কথা।
নিজেকে আবৃত রেখে
অন্যের নগ্নতা দেখায়কতোটা আগ্রহী হলে
কামার্ত ষাঁড়ের জিহ্বার মতো
মানুষের চোখে চোখে নেচে ওঠে আঠালো অক্ষরের ক্ষত-
নিরন্তর চোখাচোখি করে কেউ কেউ জেনে যাবেন ঠিকই।
এবং এ কথাগুলো জেনে গেলে
হয়তো অপাঙ্গে কেউ নিজকেই খুঁজবেন আবার, দেখে নিতে-
পোশাকের নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তাকতোটা অটুট এখনো।
.
সংজ্ঞাহীন তুলনামূলক প্রাণীর কোন অবয়ব থাকে না;
মানুষের ভেতরেও তাই মানুষের ছবি নেই-
একগাদা প্রাণী আর অপ্রাণীর ব্যাখ্যাহীন স্বভাব নিয়ে
নিরন্তর ছুটাছুটি শুধু।
.
এখানে এসেছেন যারা-
সবাই পকেটে ভরে এনেছেন কিছু না কিছু;
জোনাকির গুঞ্জন নিয়ে এসেছেন কেউ-
নীরবতার নতুন কোন অর্থ খোঁজবেন এরা;
কারো বা পকেটে আছে ভ্রুণ হত্যার বৈধ প্রত্যয়ন।
এইমাত্র খুন হলো যার অবারিত শৈশব
কিংবা যে কিনা অজান্তেই ফিরে গেছে কোন এক ভুল কৈশোরে
তারুণ্যের হৈ চৈ চোখে এসে গেছে সেও
সঙ্গী শরীরীর খোঁজে।

এমনো আছেন কেউ- নিজস্ব পকেট ভুলে

নির্দ্বিধায় ঢুঁ দেবেন অন্য কারো পকেটে পকেটে;
এবং
আমার মতো নির্বোধ এসেছেন যারা- এখনো সত্যিই পকেটহীন,
সদ্যজাত নগ্নতার ভাবার্থ খুঁজে খুঁজেই কাটাবেন আরো কিছুকাল।
আর যারা রয়েছেন পকেটের অজ্ঞাত খবর নিয়ে-
হতে পারে কোন এক মাহেন্দ্র-মুহূর্তে
ঝাঁপি খুলে চমকে দেবেন!
.
তবে সবারই ল্যক্ষ আজ
মাননীয় প্রধান অতিথির সুদৃশ্য পকেটের ভাজে-
যেখানে এক অভূতপূর্ব দক্ষতায়
মানুষের বিবিক্ত অনুবাদ হবে!

যদি একান্তই এসে পড়েন তিনি-
সময়ের দুষ্ট-পেনে ঘৃণা করতে করতে
উঠে আসবেন মঞ্চে
এবং একযোগে অবাক হয়ে দেখবে সবাই
মাননীয় অতিথির বুকে- কোথায় সে পকেট?
ওখানে বিশাল ক্ষত!
কারণ, এরই মধ্যে সর্বত্র গুঞ্জন হচ্ছে-
তিনি নাকি এখন এক তুমুল ছিনতাইয়ের কবলে!

অতএব আজকের এ সমাবেশ অসমাপ্ত রইলেও
যারা এসেছেন আজ-
অন্তত জেনে যাবেন এটুকুই-
মানুষের পরিচয় একমাত্র মানুষই ছিনতাই করে।’ #

(একটি অসমাপ্ত সমাবেশ/ রণদীপম বসু)


০১ তারিখ শুক্রবার। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় লাইব্রেরি চত্বরে বিকেল ৩.০০টা থেকে শুরু হয়েছে প্রথম পর্বের কবিতা পাঠ। অনুষ্ঠান-মঞ্চের দিকেই যাচ্ছি। দূর থেকে লাউড স্পীকারে ভেসে আসছে বিভিন্ন কণ্ঠের বিচিত্র ভঙ্গিতে বিভিন্ন প্রকারের শব্দ-বাক্য প্রপেনের নরম-গরম আওয়াজ। কিছু কিছু ভালো কবিতা পাঠের আগে পরে কবিতার নামে কবিতার বারোটা বাজানো অনেক শব্দপাঠও শুনা যাচ্ছিলো। আমার পাশেই ছিলেন কিশোরকবিতা অঙ্গনের মেধাবী কবি জুলফিকার শাহাদাৎ। কী মনে করে যেন হঠাৎ তিনি সিদ্ধান্ত নিলেন, ওই মঞ্চে তিনি কবিতা পাঠ করবেন না। কবিতা পাঠের জন্য আমার মতো তিনিও একজন নিবন্ধিত কবি। উত্তরে তার মতামত হলো- যে মঞ্চে কবিতার নামে কবিতার শ্রাদ্ধ হচ্ছে, ওখানে তিনি কবিতা পড়বেন কেন? অনেক বুঝিয়ে শুনিয়ে তাকে সম্মত করালাম যে, সমাগত দর্শক শ্রোতাদের আকাক্সার সাথে সঙ্গতি রেখে সবারই অধিকার আছে কবিতা পড়ার এবং, যা কিছুই হোক, অন্তত গুটিকয় ভালো কবিতা শোনার। এজন্যেই তাঁরা এখানে আসেন, ধৈর্য্য ধরে বসেও থাকেন। গৌন কবিদের প্রাধান্যের যুগে কিছু ভালো কবিতার ঝংকার না বাজলে কবিতা ও অকবিতার পার্থক্য পাঠ বিমুখ করে তোলা সাধারণ শ্রোতারা বুঝবেন কী করে?
.
জাতীয় কবিতা উৎসব ২০০৮-এ এবারের উপজীব্য শ্লোগান ছিলো ‘কবিতার মন্ত্র জয় গণতন্ত্র’। গত ০১ ও ০২ ফেব্রুয়ারি ২০০৮ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় লাইব্রেরি চত্বরে অনুষ্ঠিত এবারের উৎসব উৎসর্গ করা হয়েছে বাংলা সাহিত্য ও সংস্কৃতি জগতের সদ্য প্রয়াত ব্যক্তিত্ব মাহবুব উল আলম চৌধুরী, শামসুল ইসলাম, সেলিম আল দীন, দুলাল জুবাইদ ও শিমুল মোহাম্মদ-কে। উৎসব উদ্বোধন করেন সব্যসাচী লেখক হিসেবে পরিচিত কবি সৈয়দ শামসুল হক।
.
স্বৈরাচার বিরোধী চেতনাকে ধারণ করে গোটা দেশের কবিদের সংগঠিত করে একটা সাংস্কৃতিক আন্দোলন চাঙা করে তোলার অভিপ্রায়ে সেই ১৯৮৭ সাল থেকে প্রয়াত কবি শামসুর রাহমানের হাত ধরে প্রথম যে উৎসব অনুষ্ঠানের মাধ্যমে কবিতা পরিষদের যাত্রা শুরু, তারই ধারাবাহিকতায় এবারের দ্বাবিংশতিতম জাতীয় কবিতা উৎসব। শুরু থেকে এর নেতৃত্বে সংগঠন-সংঘটনে যাঁরা  (who)  ধারাবাহিক দায়িত্বে ছিলেন, ঘুরে ফিরে এরাই এর কাণ্ডারী-ভূমিকায় এখনো আছেন। কেউ কেউ আজ প্রয়াত। আবার নতুন করে দু-একজন এসে যুক্তও হয়েছেন। এরা সবাই নিজেদের নিরঙ্কুশ যোগ্যতা অভিজ্ঞতা দিয়েই হয়তো এ দায়িত্ব পালন করছেন। এমনিতেই যোগ্য লোকের সঙ্কট আমাদের দেশের জন্য একটা চলমান বাস্তবতা। তার উপরে কবি হলে তো কথাই নেই। কবি  (poet)  কি আর হাটে মাঠে মেলে?
.

মাঝখানে একবার  কবি শামসুর রাহমান তাঁর স্মিত-স্বভাব দিয়ে নিজেকে এই পরিষদ থেকে সযত্নে সরিয়ে নিলে ‘কবিতা না কি নেতৃত্ব’ এ ধরনের একটা আলোচিত বিতর্ক সে সময়ে শাখা বিস্তার করলেও সময় কারো জন্য থেমে থাকে না। জাতীয় কবিতা উৎসবের পাল্টা হিসেবে স্বৈরাচার এরশাদ সরকারের পৃষ্ঠপোষকতায় এশিয় কবিতা উৎসব জাতিয় আরেকটা রাজকীয় উৎসবের প্রবর্তন হলেও স্বৈরাচার পতনের পর ওটার কোন সক্রিয়তা পরবর্তীতে আর আমরা খুঁজে পাই না। আমার আজকের প্রসঙ্গ এসব নিয়ে নয়। প্রত্যভাবে সংশ্লিষ্ট যারা, তারাই হয়তো এ নিয়ে আলোচনা সমালোচনার যোগ্যতা রাখেন। আমি শুধু এবারের উৎসবে আমার ছোট্ট দু-একটা ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতাকে একটু ভিন্ন দৃষ্টিকোণ থেকে দেখার চেষ্টা করেছি। এবং এর মাধ্যমে নিজস্ব ভাবনার আলোকে সৃষ্ট গুটিকয় প্রশ্নের যৌক্তিকতাটুকুও যাচাই করে নিতে চাচ্ছি।
.
অবিশ্বাস্য মনে হলেও সত্য যে, পূর্ণ ইচ্ছা থাকা সত্বেও কখনোই আমার এ উৎসবে অংশগ্রহণের সুযোগ হয়নি। কিন্তু এবার আমার ঢাকায় অবস্থান এবং উৎসবটাও সাপ্তাহিক ছুটির দিনে হওয়ায় অংশগ্রহণের নিশ্চিৎ সম্ভাবনা সৃষ্টি হলো। যথানিয়মে জাতীয় দৈনিকে প্রকাশিত আহ্বানে সাড়া দিয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র-শিক্ষক কেন্দ্রে (টিএসসি) স্থাপিত উৎসব আহ্বায়ক পরিষদের অস্থায়ী কার্যালয়ে নির্ধারিত একশ’ টাকা চাঁদা জমা দিলাম। এবং নির্দিষ্ট কবিতা জমা দিয়েই কেবল নিবন্ধন ফরম পূরণ করতে হলো। ফলে পকেটে রাখা উপরে উদ্ধৃত ‘একটি অসমাপ্ত সমাবেশ’ শিরোনামের কম্পোজ করা দু’পাতার কবিতাটাই  (poem) ওখানে জমা দেয়া হলো। প্রশ্ন হলো, কবিতার মন্ত্র যদি জয় গণতন্ত্র হয়, তবে আগেভাগেই কবিতাকে খাচায় পুরে ফেলার কারণ কী? হতে পারে পাঠের যোগ্য কি না তা যাচাই বাছাই করে তবেই ছাড় দেয়া। খুবই ভালো কথা; অবশ্যই যুক্তিসঙ্গত । পরিষদ সদস্যদের কাছে মুখে-আদলে চেনা-জানার বাইরে বাংলার হাটে মাঠে ঘাটে এতো এতো কবি যারা ছড়িয়ে ছিটিয়ে আছেন তাদের বিশাল অভিভাবকত্বের দায়িত্ব স্বেচ্ছায় কাঁধে তুলে নেয়া, তা কি চাট্টিখানি কথা! যেখানে যা লেখার লিখে কাজ সেরে পরম আস্থা ও স্বস্তি নিয়ে অত্যন্ত হৃষ্ট-মনে ফিরে এলাম।
.

অতঃপর ০১ ফেব্র“য়ারি অনুষ্ঠানস্থলে আসা। চারদিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের তরুণ-তাজা ছাত্র-ছাত্রী, সাহিত্য অনুরাগি ও নানা বয়সের উপস্থিতি আর সারাদেশ থেকে ছুটে আসা কবিদের মুখরতায় জমজমাট এক সমাবেশ। একদিকে কলকোলাহল আর অন্যদিকে কবিতার আসর, এই বিচিত্র মিলন মেলায় আমার জন্যে যে অভূতপূর্ব চমক অপোক্ষ করছিলো, তা কি জানতাম? না কি প্রস্তুত ছিলাম? নিবন্ধন স্লীপ জমা দেয়ার পর অঞ্চলভিত্তিক ফাইল থেকে নম্বর মিলিয়ে অবশেষে সম্পাদনা-উত্তর কবিতা নামের যে বিশেষ বস্তুটি আমাকে ধরিয়ে দেয়া হলো তা দেখে তো আমার চুক্ষই ছানাবড়া! এটা কি আমার কবিতা! যা সেদিন নিবন্ধন করতে আমি নিজ হাতে জমা দিয়েছিলাম! কাব্যের ন্যূনতম শিল্প-ব্যাকরণ বুঝেন এমন কোন কবির কাজ এটা হতে পারে! তা বিশ্বাস করার আগে ‘বিশ্বাস’ শব্দটাই অভিধান থেকে মুছে ফেলা ভাষার জন্যে অত্যন্ত মঙ্গলকর বলেই মনে হলো। তৎক্ষণাৎ তীব্র আপত্তি জানালাম এই উদ্ভট বালখিল্য প্রবণতার জন্য। কিন্তু কী আশ্চর্য! আমাকে বলা হলো- যে ভাবে আছে সে ভাবেই পড়তে হবে। আমি হাসবো না কি কাঁদবো? এমন নির্বিকার উক্তি যাদের মুখ থেকে বেরুলো, বিশ্বাস করুন পাঠক, অভাবিত বিস্ময়ে তাদের চোখের মুখের দিকে ভালো করে তাকালাম; কবিতা দূরে থাক, একটা অক্ষরের উদ্ভাসও চোখে পড়লো না তাদের বিজ্ঞ (!) চেহারায়। মুহূর্তেই নিশ্চিৎ হলাম, এখনি এক-কথায় শুরু করে দিলেও আলু-পটলের ব্যবসায় প্রচুর শাইন করবেন তারা। কিন্তু আতঙ্কিত হলাম, ওই ব্যবসায় নামবার আগ পর্যন্ত তাদের হাতে পড়ে বাংলা কবিতার আগাম চেহারা দেখে!
.
কী তার চেহারা? আমার মতো আর কেউ যদি এই ভয়াবহ চেহারা দেখতে চান তবে এ লেখার শুরুতেই যে কবিতাটি পেরিয়ে এসেছি আমরা, আবার ওখানেই ফিরে যেতে হবে। এটা ছিলো আমার জমা দেয়া কবিতাটার প্রাথমিক অবয়ব। অতঃপর বাংলাদেশের এতিম কবিদের বর্তমান মা-বাপ অর্থাৎ জাতীয় কবিতা পরিষদের ‘কবিতা সাইজ করা’ সম্পাদনা পরিষদ কর্তৃক ‘সাইজকৃত’ হয়ে যখন আমার হাতে তা ফিরে এলো, এর দু’পাতার শেষ পাতাটি কবিতার সর্বশেষ ষোলটি চরনসহ বেমালুম গায়েব! বাকি যে প্রথম পাতাটি রইলো ওখান থেকে আবার কবিতার হার্ট বা চুম্বক-অংশ বলতে যা বোঝায় তাও উপ্ড়ে ফেলা। উপরে উদ্ধৃত কবিতাটিতে বাদ পড়া কর্তিত অংশগুলো মুক্তমনা পাঠকদের বুঝার সুবিধার্থে শব্দ ও বাক্যের পেট বরাবর টানারেখা (ব্রেক-লাইন) এঁকে চিহ্নিত করে দেখানো হয়েছে। অতএব এই চিহ্নিত অংশগুলো বাদ দিয়ে শেষপর্যন্ত শেয়াল-শকুনে খাওয়ার পর কবিতাটির যে খণ্ডিত মৃতদেহটি পড়ে রইলো, তা জাতীয় পর্যায়ের এতো বড়ো এক সচেতন সমাবেশে কবিতাপাঠের নামে উপবেশনের কথা আকাট মূর্খ আর উন্মাদগ্রস্ত ছাড়া কেউ কি বলতে পারে! লাউড-স্পীকারে বার কয়েক নাম ঘোষণা হলেও তা প্রত্যাখানের নিরূপায় প্রতিবাদ ছিলো আমার ক্ষুব্ধ ব্যথিত হয়ে অনুষ্ঠান ছেড়ে চলে আসা। কিন্তু দর্শক-শ্রোতারা কি তা জানলেন?
.

অ্যারিস্টটল বলতেন- মাঝ সাগরে দিগ্ভ্রান্ত নাবিককে যদি আরোহী যাত্রিদের ভোট নিয়ে গণতান্ত্রিক উপায়ে দিক নির্ণয় করতে হয়, তাহলে সে জাহাজের সলিল সমাধি নির্ধারিত। অ্যারিস্টটল হয়তো জনগণতন্ত্রে খুব একটা বিশ্বাসী ছিলেন না। তবে আমরা তো গণতন্ত্রে বিশ্বাসী। আর তাই আমাদের জাতীয় কবিতা উৎসবের সম্পাদনা পরিষদ এই জনগণতান্ত্রিক উপায়েই কবিতার বক্তব্য ও অবয়ব নির্ধারণ করেন কি না আমার জানা নেই। শুধু যেটুকু জানি সেটা হলো- হুমায়ুন আজাদের সেই বিখ্যাত প্রবচনগুচ্ছের চুরাশি নম্বরের প্রবচনটি, যাতে বলা আছে- ‘স্তবস্তুতি মানুষকে নষ্ট করে। একটি শিশুকে বেশি স্তুতি করুন, সে কয়েক দিনে পাক্কা শয়তান হয়ে উঠবে। একটি নেতাকে স্তুতি করুন, কয়েক দিনের মধ্যে দেশকে সে একটি একনায়ক উপহার দেবে।’ কিন্ত অতিরিক্ত স্তুতি পেলে কবিরা যে কী জিনিস হয়ে ওঠে, তা তিনি বলেন নি। সেটা বলা একান্তই অনিবার্য ছিলো। এ জন্যে কি আমাদেরকে আরেকজন হুমায়ুন আজাদের অপোক্ষয় থাকতে হবে ? #


[mukto-mona]
[satrong]

Advertisements

মন্তব্য করুন

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / পরিবর্তন )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / পরিবর্তন )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / পরিবর্তন )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out / পরিবর্তন )

Connecting to %s

রণদীপম বসু


‘চিন্তারাজিকে লুকিয়ে রাখার মধ্যে কোন মাহাত্ম্য নেই। তা প্রকাশ করতে যদি লজ্জাবোধ হয়, তবে সে ধরনের চিন্তা না করাই বোধ হয় ভাল।...’
.
.
.
(C) Ranadipam Basu

Blog Stats

  • 193,200 hits

Enter your email address to subscribe to this blog and receive notifications of new posts by email.

Join 77 other followers

Follow h-o-r-o-p-p-a-হ-র-প্পা on WordPress.com

কৃতকর্ম

সিঁড়িঘর

দিনপঞ্জি

অগাষ্ট 2009
রবি সোম বুধ বৃহ. শু. শনি
    সেপ্টে. »
 1
2345678
9101112131415
16171819202122
23242526272829
3031  

Bangladesh Genocide

1971 Bangladesh Genocide Archive

War Crimes Strategy Forum

লাইভ ট্রাফিক

ক’জন দেখছেন ?

bob-contest

Blogbox
Average rating:

Create your own Blogbox!

হরপ্পা কাউন্টার

Add to Technorati Favorites

গুগল-সূচক

টুইট

Protected by Copyscape Web Plagiarism Check
%d bloggers like this: